স্মরণ

আকঞ্জী নিজাম এর ছবি

আজ একুশে ফেব্রুয়ারি

হাজার হাজার মাইল দূরে থেকেও, দুচোখ বন্ধ করলেই দেখা যায় 

আজকের মিছিলের রং।

আজ একুশে ফেব্রুয়ারি

আজ একুশে ফেব্রুয়ারি...

সৈয়দ ইকবাল এর ছবি

হুমায়ূন আহমেদ’এর সাহিত্যের প্রকৃতি ও প্রভাব

হুমায়ূন আহমেদ’এর সাহিত্যের প্রকৃতি ও প্রভাব

করণিক আখতার এর ছবি

পক্ষপাতদুষ্টতার অভিযোগে

*****

করণিক আখতার এর ছবি

রাজতন্ত্র থেকে গণতন্ত্র

যেকোনো ব্যক্তি চাইলেই যেকোনোভাবে ক্ষমতা দেখিয়ে মালিকের আসনটি নিজে দখল করে নিতে পারে। এমনকী, মিথ্যাশ্রয়ী হয়েও ধরা পড়ার আগে পর্যন্ত মালিক সেজে থাকা যায়। যেকেউ চাইলেই নিজে মালিক হতে পারে কিম্বা অন্যকে মালিক বানাতে পারে। মালিক হওয়ার জন্য কোনো দক্ষতাই বিবেচ্য নয়। মালিক যাকে তার সাময়িক প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেয়, তারও কোনো কর্ম-দক্ষতার লিখিত বা অলিখিত সনদ থাকা জরুরি নয়, মালিকের হয়ে মালিকের চাওয়াটুকু চাইতে পারার যোগ্যতাই যেকোনো প্রতিনিধির যোগ্যতা হিসেবে গণ্য। দক্ষতা বিচার্য কেবল কর্মীদের কর্মক্ষেত্রে।

করণিক আখতার এর ছবি

ইমানের শর্ত

ইমান বা বিশ্বাসের তিনটি মূল শর্ত: সত্যবাদিতা

করণিক আখতার এর ছবি

চরম স্বার্থান্বেষীর ব্যক্তিক প্রার্থনা

শেষ পর্যন্ত আমি নিজের ভালোটাই চাই।

পলাতক আমি এখানে যখন এসেই পড়েছি এবং বুঝতে পাচ্ছি

অনির্দিষ্টকাল আমাকে হয়তোবা এখানেই থাকতে হবে, --

করণিক আখতার এর ছবি

মহাবিজ্ঞ প্রকাশক সম্প্রদায়ের অনুগামী করণিকা

আপনারা যে ক্যানো বুঝতে চান না!!??, --আমার মগজে ঢুকছে না। আরে ভাই!!, বাংলাদেশের প্রকাশক সম্প্রদায় বলে কথা!! লেখক আপনারা সারা জীবনে কয়খানা বই দেখেছেন বা ছুঁয়েছেন হে? কোন সাহসে যে আপনারা আমাদের গৌরবের মহাপণ্ডিত, মহাদার্শনিক, মহাজ্ঞানী, মহাবৈজ্ঞানিক, মহাহৈসাবিক, মহাতান্ত্রিক, মহাতার্কিক সংক্ষেপে মহামহামহাগুণী প্রকাশক সিণ্ডিকেটের বিরুদ্ধে কথা বলেন, আমি ভেবে পাই না। আমাদের প্রকাশকদের সম্মুখে দরোজা, মাথার উপরে সিলিংফ্যান, এছাড়া দেখবেন তেনাদের ডানে বই, বামে বই, পিছনে বই, এমনকী পায়ের নিচেও বই আর পাণ্ডুলিপি। বই বলতে পুস্তিকা থেকে শুরু করে মহাগ্রন্থ পর্যন্ত সব ধরণের বই। বইয়ের জগতে মহাবিচারক না হলে কি তারা বইময় আয়তনে থাকতেন!? আপনারা কি তাদের দ্বারে লেখকদেরকে ধন্না দিতে দ্যাখেননি? সঙ-গত কারণেই ডক্টরেটধারী অধ্যাপকদেরকেও তারা তুচ্ছজ্ঞান করার অধিকারপ্রাপ্ত।
যে লিখাটি লিখতে গিয়ে লেখককে ঘরে বাইরে গঞ্জনা সইতে হয়েছে, উন্মাদ পাগল আহাম্মক ইত্যাদি ধরনের উপাধিতে ভূষিত হতে হচ্ছে, একটা যথার্থ বাক্য বা শব্দ খুঁজতে কখনো কখনো নাওয়া খাওয়া পর্যন্ত ভুলে যেতে হচ্ছে, কেমন যেন সব গোলমেলে কীর্তিকলাপ!, --ঐ লিখাটাও যদি আমাদের মহাবিজ্ঞ মহাপ্রাজ্ঞ প্রকাশকদের কাছে নিয়ে যান তো প্রমাণ পাবেন যে, অমন চারপাঁচখানা উপন্যাস, প্রবন্ধ, কবিতা বা গল্প ওনারা চাইলেই এক বৈঠকে তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যেই লিখে দিতে পারেন। তেনারা এতটাই সবজান্তা যে, পাণ্ডুলিপি না-খুলেও কিম্বা প্রথম পৃষ্ঠা থেকে চারটি বাক্য পড়ে এবং শেষ পৃষ্ঠার শেষের তিনটি বাক্যের উপর চোখ বুলিয়েই ভিতরের চুরাশি পৃষ্ঠায় কোথায় কোন বাক্যটিতে ভুল আছে, দৈবজ্ঞানবলে ভেবে নিয়ে লিখাটি ছাপানোর যোগ্য হয়েছে কি-না, তা বলে দিতে পারেন।
আমরা তো মনে করি, তেনারা যদি মুদ্রণ সংশোধনের পাশাপাশি দয়ার্দ্র চিত্তে কোনো লেখকের লিখা থেকে দু’পাঁচ জোড়া বাক্যের বিবর্তন ঘটিয়ে দেন তো, সেই লেখকের উচিত হবে, নমস্য ঐ প্রকাশকের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা। ...

Subscribe to স্মরণ