ব্লগসমূহ

করণিক আখতার এর ছবি

মহাবিজ্ঞ প্রকাশক সম্প্রদায়ের অনুগামী করণিকা

আপনারা যে ক্যানো বুঝতে চান না!!??, --আমার মগজে ঢুকছে না। আরে ভাই!!, বাংলাদেশের প্রকাশক সম্প্রদায় বলে কথা!! লেখক আপনারা সারা জীবনে কয়খানা বই দেখেছেন বা ছুঁয়েছেন হে? কোন সাহসে যে আপনারা আমাদের গৌরবের মহাপণ্ডিত, মহাদার্শনিক, মহাজ্ঞানী, মহাবৈজ্ঞানিক, মহাহৈসাবিক, মহাতান্ত্রিক, মহাতার্কিক সংক্ষেপে মহামহামহাগুণী প্রকাশক সিণ্ডিকেটের বিরুদ্ধে কথা বলেন, আমি ভেবে পাই না। আমাদের প্রকাশকদের সম্মুখে দরোজা, মাথার উপরে সিলিংফ্যান, এছাড়া দেখবেন তেনাদের ডানে বই, বামে বই, পিছনে বই, এমনকী পায়ের নিচেও বই আর পাণ্ডুলিপি। বই বলতে পুস্তিকা থেকে শুরু করে মহাগ্রন্থ পর্যন্ত সব ধরণের বই। বইয়ের জগতে মহাবিচারক না হলে কি তারা বইময় আয়তনে থাকতেন!? আপনারা কি তাদের দ্বারে লেখকদেরকে ধন্না দিতে দ্যাখেননি? সঙ-গত কারণেই ডক্টরেটধারী অধ্যাপকদেরকেও তারা তুচ্ছজ্ঞান করার অধিকারপ্রাপ্ত।
যে লিখাটি লিখতে গিয়ে লেখককে ঘরে বাইরে গঞ্জনা সইতে হয়েছে, উন্মাদ পাগল আহাম্মক ইত্যাদি ধরনের উপাধিতে ভূষিত হতে হচ্ছে, একটা যথার্থ বাক্য বা শব্দ খুঁজতে কখনো কখনো নাওয়া খাওয়া পর্যন্ত ভুলে যেতে হচ্ছে, কেমন যেন সব গোলমেলে কীর্তিকলাপ!, --ঐ লিখাটাও যদি আমাদের মহাবিজ্ঞ মহাপ্রাজ্ঞ প্রকাশকদের কাছে নিয়ে যান তো প্রমাণ পাবেন যে, অমন চারপাঁচখানা উপন্যাস, প্রবন্ধ, কবিতা বা গল্প ওনারা চাইলেই এক বৈঠকে তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যেই লিখে দিতে পারেন। তেনারা এতটাই সবজান্তা যে, পাণ্ডুলিপি না-খুলেও কিম্বা প্রথম পৃষ্ঠা থেকে চারটি বাক্য পড়ে এবং শেষ পৃষ্ঠার শেষের তিনটি বাক্যের উপর চোখ বুলিয়েই ভিতরের চুরাশি পৃষ্ঠায় কোথায় কোন বাক্যটিতে ভুল আছে, দৈবজ্ঞানবলে ভেবে নিয়ে লিখাটি ছাপানোর যোগ্য হয়েছে কি-না, তা বলে দিতে পারেন।
আমরা তো মনে করি, তেনারা যদি মুদ্রণ সংশোধনের পাশাপাশি দয়ার্দ্র চিত্তে কোনো লেখকের লিখা থেকে দু’পাঁচ জোড়া বাক্যের বিবর্তন ঘটিয়ে দেন তো, সেই লেখকের উচিত হবে, নমস্য ঐ প্রকাশকের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা। ...

Sayak Chakraborty (সায়ক) এর ছবি

ফাঁকি

এই ছেলে তুই খেলিস কেন পড়বি কখন তবে?
পড়ার ঘরে স্যার এসেছেন সময় কখন হবে?
Sayak Chakraborty (সায়ক) এর ছবি

উচ্ছিষ্ট

একফালি ফুটপাথ আর কাদামাখা ভাতের মড়ক লেগেছে
করণিক আখতার এর ছবি

ছাত্র রাজনীতি

ছাত্রদেরকে রাজনীতিতে জড়ানোর পক্ষে যারা, তারা নিদর্শন দেখিয়ে বলতেই পারেন,-- `--ভাষা আন্দোলনের মূল ক্রেডিট তো শিক্ষক বা রাজনীতিকদের নয়, --ছাত্রদের!' --নিঃসন্দেহে, তবে, তা সেই সব আদর্শবান ছাত্রদের, যা

প্রদীপ্তময় সাহা এর ছবি

হুজুগে ধ্বংস, হুজুগে বাঁচা

সেদিন বাজারে একজন পরিচিত ভদ্রলোক জিজ্ঞাসা করলেন, ‘শুনেছেন এবছর ২১শে ডিসেম্বর নাকি

মেঘ অদিতি এর ছবি

বিছানো পালকে পাতালছায়া

আঙুলের ফাঁকে ফাঁকে শ্যাওলা জমেছে বিস্তর। কিছু শীতজনিত আড়ষ্টতাও লেগে আছে এখন অব্দি। খুব ভেবে দেখলাম এই শূন্যের ভেতর ভেসে চলার সময়ই পালক খসে পড়ে বারবার অথচ ঘোষকের একটানা তোষামুদি কন্ঠ ভেসে এলেই আচ্ছন্নতা জাগে। ফের গোত্তা খেয়ে জেগে উঠে দেখি ভাসানে কত লোক জমেছে। অস্তোন্মুখ মেঘেরা হেসে হেসে বলে আমি দিনদিন ইর্ষাপরায়ণ হয়ে উঠছি।

Ashin Amria এর ছবি

ও দেশ আমার

ও দেশ আমার।
হৃদয়ের স্পন্ধনে রয়েছ আমার সনে,
তোমাকে সালাম হাজার।
ও দেশ আমার।

পৃষ্ঠাসমূহ

Subscribe to RSS - blogs