অকৃপণ জনসাধারণ এখানে প্রচণ্ড ক্ষমাশীল

করণিক আখতার এর ছবি

 

ভোটদাতারা যদি দলোগণের পক্ষে থাকতো, কোনো দলের দলীয় উপদেষ্টারা ভোটের পদ্ধতি নিয়ে দলোগণের মধ্যে সংঘর্ষময় বিশৃঙ্খলা চালিয়ে যাবার মতো কোনো উপদেশ দেবার সুযোগ পেয়ে আদাজল খেয়ে লেগে থাকতো না।

জনগণকে মর্যাদা না-দেওয়ার পরিণতিতেই যে এখানে প্রায়শ্চিত্তের আত্মঘাতী দলোধ্বংসী কোন্দল চলমান, তা’ কখনোই ‘কোন্দলের মধ্যেই অস্তিত্বশীল’ দলগুলোর দলনেতারা তাদের ক্যাডার ক্রীতদাসদেরকে বুঝতে দেয় না।

‘এবারে জিততে পারলেই তোমাদের বিশ্রাম এবং সেই সাথে সম্মানজনক পাওনা পুরস্কারের সম্পূর্ণটাই পাবে তোমরা,’-এভাবে দলীয় ক্রীতদাসগুলোকে আশ্বাস দিয়ে দিয়ে দলোগণকে টিকে থাকতে হ’তো না, যদি সৎসাহসীদের মতো চেষ্টা চালিয়ে দলোগণ এখানে জনসাধারণের প্রাপ্য মর্যাদাটুকু এখানে দিয়ে যেতে পারতো।

গণমনোনয়নে প্রতিনিধিরূপে নির্বাচিত হ’লে পরে, জনসাধারণের সাথে সামান্যবিশ্বাসঘাতকতা, গণমালিকদের ওপরেই মালিক সাজার প্রবণতার পাপটুকু এখানে কোনো প্রকাণ্ড পাপ হিসেবে গণ্য নয়। পরিণতিতে ভদ্র পরিবেশে টিকে থাকতে না-পারার অতি সামান্য বিড়ম্বনাটুকুও, এখানে অন্যান্য হালকা গোছের সাধারণ পাপের প্রায়শ্চিত্তের মতোই, অতি সাধারণ জনগণকে মর্যাদা না-দেওয়ার সামান্য পাপের প্রায়শ্চিত্ত।

কেবল আত্মবিশ্বাসী যোগ্যরাই সৎসাহস নিয়ে জনসাধারণকে ঐ মর্যাদাটুকু দিতে পারে।

বিশ্বাসঘাতকদের জন্যে সৎসাহসী হওয়াটা যদিও সহজসাধ্য নয়, তবে তা’ সাধ্যের বাইরে কিম্বা অসম্ভবও নয়।

দলোগণের জন্যে নিত্য স্মরণীয়, অকৃপণ জনসাধারণ এখানে প্রচণ্ড ক্ষমাশীল। যে কেউ ক্ষমা চাইলে এরা ক্ষমা করতে কার্পণ্য করে না।

 

গণকরণিক : আখতার২৩৯       বাংলাদেশ : ৩০/১২/২০১৩খ্রি:

ভোট: 
No votes yet