অসীমায়তন = নাই-আয়তন = স্থানশূন্য = বাস্তব-বিশ্বায়তন = নিত্যসমজগৎ

করণিক আখতার এর ছবি

সকল বস্তু বা পদার্থ এবং সকল বস্তুশূন্য ফাঁকা স্থান এই অসীম আয়তনের মহাবিশ্বের ভিতরেই। এখানে কোনো জায়গা থেকে কোনো পদার্থকে সরিয়ে ফেললে তবেই ফাঁকাস্থান পাওয়া যায়। বাস্তবে কেবল ফাঁকা স্থানেই অন্য কোনো বস্তুকে রাখাও যায়।

 

বস্তুর বা শক্তির ক্ষুদ্রতম খণ্ডংশটিকে রাখা যাবে- এমন কোনো ফাঁকা স্থান এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বাইরে নেই, --(সকল বস্তুশূন্য ফাঁকা স্থান এই অসীম আয়তনের মহাবিশ্বের ভিতরেই)। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে ধারণ করার জন্যে যদি ফাঁকা জায়গার প্রয়োজন হ’তো, তবে সেই বস্তুশূন্য ফাঁকা স্থানটাও আয়তনে এই মহাবিশ্বের মতো অসীম আয়তনের সমান হওয়ার প্রয়োজন ছিল।

 

কোনো স্থান নয়, কিম্বা, বস্তুকে সরিয়ে খালি করা বস্তুশূন্য স্থানও নয়- এমন শূন্যতায় এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে রাখা যেতে পারে। অসীম আয়তনের এই বাস্তব মহাবিশ্বটিকে ধারণ করানোর জন্যে কোনো ধরণের খালি জায়গা বা ফাঁকা স্থান থাকাটা আবশ্যক নয়, বরং ‘নেই কোনো জায়গা’ বা ‘স্থান-শূন্য’ শূন্যতাই যথেষ্ট।

 

সময়ের গাণিতিক সমীকরণটি যেমন ‘কাল-অসীম সমান কাল-শূন্য সমান নিত্যসমকাল’, তেমনি স্থানের গাণিতিক সূত্রটিও ‘অসীমায়তন সমান নাই-আয়তন সমান স্থানশূন্য সমান বাস্তব-বিশ্বায়তন সমানে সমান নিত্যসমজগৎ’।

 

 

করণিক : আখতার২৩৯

 

ভোট: 
No votes yet