ভূ-গোলকে আঞ্চলিক ভাষাগুলো এবং ধর্মাচার

করণিক আখতার এর ছবি

*****

ওরা তোমাকে এমনভাবে বিরক্ত করতে থাকবে যে, তুমি ধৈর্য হারিয়ে ফেললে ওদের কোন্দলের সাথে নিজেকে জড়িয়ে নিজের সর্বনাশ ডেকে আনবে- অসম্ভব নয়। আত্মহারা না-য়ে নম্রভাবে ওদেরকে জানিয়ে দিয়ো যে, কোনো ধরণের ফ্যাসাদকে তুমি পছন্দ করতে পারো না।

ওদেরকে ভদ্র ভাবে লে দিয়ো যে, তুমি শান্তিধর্মী।

ওরা তোমাকে ধর্মাচারে ইউরোপিয়ানদের মতো হওয়ার জন্যে পীড়াপীড়ি করতে থাকলে তুমি ওদেরকে ভদ্রভাবে শোনাবে- ‘ওহে এ্যাংলোরা, তোমরাই বরং সহজে তোমাদের ধর্মাচারী পূর্বসূরিদের প্রতি শ্রদ্ধাবনত থেকে তোমাদের ধর্মাচারকেও শোভনীয় করতে পারো।

ওরা তোমাকে ধর্মাচারে আরবীয়দের মতো তে বললে, শান্তভাবে ওদেরকে বোলো, ‘বরং তোমরাই তো আচরণে বঙ্গবাসীদের মতো তে পারো সসম্মানে।

ওরা যদি বলে, ‘আমাদের সার্বজাগতিক মালিকের ভাষা ওলোন্দাজ, হিব্রু, আরবি, ইংরেজি, ফরাসি, ইতালি, তুর্কি, কিম্বা পর্তুগিজ,’ -তবে, তোমাকেও তো ভাষা দেওয়া হয়েছে,- তুমিও নীবর থেকো না। তোমার প্রকাশমান গর্বকে লুকিয়ে রেখে ওদেরকে জানিয়ে দিয়ো, ‘এশীয় বাংলাই আমাদের বিধাতার সংযোগের ঐশী ভাষা এবং আমাদের বোধনের শান্তিময় উদ্যানের ভাষাও আমাদের আঞ্চলিক বাংলা।

শান্তিধর্মী তুমি স্মরণে রেখো, ফ্যাসাদ বা বিশৃঙ্খলা নিশ্চয়ই হত্যাকাণ্ডের চেয়েও জঘণ্য।

 

গণকরণিক : আখতার২৩৯           রঙ্গপুর : ০৪/০২/২০১৪খ্রি:

 

ভোট: 
No votes yet