রি হোসাইন এর ছবি

কালো কবিতা- ৫১

আরো কিছুটা নির্বোধ হতে চাই
নিজের প্রতি ঘৃণা জন্মাবার আগে পর্যন্ত
যতক্ষন দুঃখ দুঃখ লাগবে আর যতক্ষন ক্রোধ থাকবে রক্তের অণুতে
যতক্ষন জয়ী হতে চাই কিংবা পরাজিত হবার ভয় তাড়া করবে

মোমির মিলন খান এর ছবি

ভালোবাসি দুঃখকাল---মোমির মিলন খান

তোমাকে এড়াতে চেয়েছি দুঃখ

সযতনে চেয়েছি সরাতে সকাল বিকাল

তবু তুমি যেন এক অনিবার্য পক্ষ

অস্তিত্বে মিশেছো মোর আজন্মকাল।

তোমায় ঠেলি যত দূরে

তত আরো কাছে আসো

মিয়া জাহাঙ্গীর এর ছবি

যদি কখনও এই পথে আসো

যদি কখনও এই পথে আসো
খুঁজে পাবে আমায়
লতা পাতায় গাছের ডালে
আদুল গায়ে
সবুজ সবুজ চোখ
মেঘ বৃষ্টি রোদ্দুর এলো
খুঁজতে এসে পথ হারাল
তুমিও যদি খুঁজে না পাও

মিয়া জাহাঙ্গীর এর ছবি

রাত্রি,তুমি দীর্ঘ হও

রাত্রি,তুমি দীর্ঘ হও ...
দিনের বিসাক্ত বাতাস
যন্ত্র-দানব প্রসুত মানব কুল
আর তাদের নির্বকার দ্বিচারিতা
এখন নিদ্রামগ্ন বিলকুল

যেভাবে শুরু একটি প্রেমের গল্পের..

কোনো একদিন কাজকর্মহীন অলস সময়ে আদমান বাংলালিংক মেসেঞ্জারে ঢুকেছিলো। বাংলালিংক মেসেঞ্জার নামক এই সার্ভিসটি মোবাইল অপারেটর কোম্পানি বাংলালিংক নতুন নামিয়েছে। এতে ইন্টারনেটের ইয়াহু, জিমেল মেসেঞ্জারের মতো চ্যাট করা যায়। প্রথমবার ঢুকলে সেখানে একটা নিকনেম দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। আদমান অলস সময় কাটাতে ঢুকেছিলো। এবং ‘আদম’ নাম দিয়ে রেজিস্ট্রেশনও করেছিলো। অবশ্য সেদিন সে কারো সাথেই তেমন চ্যাট করতে পারেনি। একটু পরেই কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলো সে। কিন্তু এই অল্প সময়েই বাংলালিংক তার কাছ থেকে বেশ কিছু টাকা ছিনিয়ে নিয়েছিলো। ফলে, পরে আর আদমান বাংলালিংক মেসেঞ্জার সম্পর্কে উৎসাহ পায়নি। এবং কখনো আর ভুলেও ঢুকেনি মেসেঞ্জার নামক সেই রাক্ষুসে ‘সেবা’খানায়।

কালবেলা এর ছবি

পাক-দালাল

পাকিস্তানিপন্থী বাঙালি নেতারা ও প্রচারমাধ্যমগুলো বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধকে কোনোমতেই মেনে নিতে পারে না। নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পরও পাঞ্জাবি শাসকগোষ্ঠী ও সমরনায়করা বাঙালির হাতে ক্ষমতা না দিয়ে ২৫শে মার্চ থেকে নির্বিচারে গণহত্যা, লুণ্ঠন ও ধর্ষণ করে পূর্ব-বাংলাকে দখলে রাখতে চায়। দল হিসেবে শুধু জামায়াতে ইসলামিই মুক্তিযোদ্ধের বিরোধিতা করে না, বরং রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামস বাহিনী গড়ে তুলে। ওরা পাকিস্তানি সৈন্যদের পথঘাট চিনিয়ে দেয় এবং মুক্তিবাহিনী বা মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক ও বুদ্ধিজীবীদের নির্বিচারে হত্যা করে। বাঙালি রমণী পাকিস্তানি সৈন্যদের কাছে সরবরাহ করার দায়িত্বও অকৃত্রিম আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করে। তারা ও তাদের সংবাদ-মাধ্যম বাঙালির জাতীয় জীবনে এক নতুন অধ্যায় রচনা করে। তারা স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার বিপক্ষশক্তি হিসেবে কঠিন সংগ্রামের আহবান জানায়। পাক-দালাল ও তাদের সংবাদ-মাধ্যমের কর্মকা-ের (এপ্রিল-আগস্ট ১৯৭১) একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে দেওয়া হল...

পৃষ্ঠাসমূহ

Subscribe to কালবেলা RSS