পাগল দেবা এর ছবি

প্রতিদিন এখন প্রেমে পরি- পাগল দেবা

প্রতিদিন এখন প্রেমে পরি।
সকাল থেকে রাত,
রাত থেকে দিন-
প্রতিটিমুহূর্তে।

চোখে যা দেখি, তাইতো মনে আঁকি
তাই নিয়ে চলে আমার প্রেমের নিত্যনতুন কাহিনী।
 

সৈয়দ ইকবাল এর ছবি

কঠিন হিমানী Hard Frost

পানিকে ডেকে বললো হিমানী, ‘‘দাঁড়াও তুমি!’’
আর্দ্র তুষারকে করে আচ্ছাদিত, গড়ে ঝলমলে নোনাভূমি
স্রোতঃস্বিনী আর তাদের পুলেরা যায় থেমে
নিঃসৃত জলবিন্দুসব সূচ্যগ্র বরফখণ্ডে জমে

সৈয়দ ইকবাল এর ছবি

একটি স্বপ্ন

একদা স্বপ্নে এক (দেখেছিনু তোমায় একটিবারের তর)
পাশাপাশি দাঁড়ালাম আমরা, অবারিত এক মাঠের ’পর
দ্রুত-ডানার পায়রা দু’টো, উড়লো তখন মাথার ওপর

কালবেলা এর ছবি

বিকল্প - আব্দুর রউফ চৌধুরী

সোমবার, সাতাশে শ্রাবণ বর্ষার শেষ। আকাশ থেকে যত জল ঝরে পড়ার কথা ছিল সবটুকুই হুড়মুড় করে পড়তে শুরু করেছে। বাদামকালো ছনগুলো বৃষ্টির জলে ঢলঢল, কয়দিন ধরেই বৃষ্টি চলছে―সকাল নেই, সন্ধ্যা নেই, শুধু বর্ষণ; আবার মাঝেমধ্যে তুফানও―ক্রুদ্ধগর্জনে, বিষাক্তনিশ্বাসে ছোবল মারছে ছনের চালে, একইসঙ্গে সাপের মতো বিদ্যুতের দলও নেচে উঠেছে মেঘের আড়ালে, বজ্রপাতের মাঝেও যেন শোনা যায় ইস্রাফিলের হুঁঙ্কার, বীণার টঙ্কার। মাফিক মনে মনে ভাবে, সারা গ্রামের উপর বোধ হয় অদৃশ্য নিয়তির ক্রুর অভিশাপ পড়েছে; তবুও সে সিদ্ধান্ত নিল, এই সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পেরে সে অবাক, শেষপর্যন্ত শ্বশুরবাড়ি যাবে। মাফিকের মা’রও প্রথম পুত্রবধূ দেখার সাধ অনেক, তাই তিনি ছেলের পাশে বসে তার সিদ্ধান্তের কথা শুনে শান্তির এক নিশ্বাস ফেললেন। মা’র বুকভরা নানারকম আহ্লাদ, শখ তো বটেই, হাজার স্বপ্নও, শুধু কখনও কখনও ঠোঁট-দুটো দুঃখের ভারে কাঁপছে।
সৈয়দ ইকবাল এর ছবি

আধুনিক স্বাধীনতা

স্বাধীনতা!
তুমি টেবিলের ’পর গুচ্ছ গুচ্ছ তাজাফুলের বাহার
তুমি অসংকোচে দম্ভ প্রকাশের সুউচ্চ চেয়ার
তুমি ঝলমলে রঙিন কাপড়ে সাজানো মঞ্চ
দালাল-চাটুকার-নেতার ভাষণ-প্রপঞ্চ

সৈয়দ ইকবাল এর ছবি

নব সভ্যতা

বিশ্ব এখন এগিয়ে চলেছে, এগিয়ে চলেছি আমরা
ক্রমেই গাঢ়তর হচ্ছে আমাদের গায়ের চামড়া।
এগিয়ে চলেছি এক নবতর সভ্যতার দিকে
যে সভ্যতার জোয়ার উঠেছে আজ চারদিকে।

সৈয়দ ইকবাল এর ছবি

পতিত-ফুল

কুঁড়ি থেকে মুকুল, তারপর ফুল
ক্রমেই বিকশিত অসীম মমতায়
পাপড়িগুলো ডানা মেলে আমার, বাউল বাতাসের ছোঁয়ায়
সমুদ্রের উত্থাল ঢেউয়ের মতোই মনকে দোলায়

পৃষ্ঠাসমূহ

Subscribe to কালবেলা RSS