

১২ সেপ্টেম্বর, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভোট অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিপুলসংখ্যক রাষ্ট্র একটি প্রস্তাবের পক্ষে রায় দেয়, যার মধ্য দিয়ে দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান পুনরুজ্জীবনের পথ তৈরি হয়।
১৪২টি দেশের সমর্থনে পাস হওয়া এ প্রস্তাবটি, যা এখন ‘নিউ ইয়র্ক ঘোষণা’ নামে পরিচিত; ২২ সেপ্টেম্বর একটি সম্মেলনের আয়োজনের ভিত্তি স্থাপন করেছে। সেই সম্মেলনে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা হবে। এ উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছে ফ্রান্স ও সৌদি আরব।
কয়েক মাস ধরে একের পর এক পশ্চিমা রাষ্ট্র এ রাষ্ট্রস্বীকৃতি প্রচেষ্টার পক্ষে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এ সম্মেলন এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যখন গাজার যুদ্ধ দুই বছরে গড়াচ্ছে। এখন পর্যন্ত এ যুদ্ধে অন্তত ৬৪ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এক ভয়াবহ মানবিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে ক্ষুধা অস্ত্রে পরিণত হয়েছে এবং গোটা ভূখণ্ড পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে।
ইসরায়েল শুধু গাজায় নয়, বরং লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেন, ইরান, তিউনিসিয়া, এমনকি কাতারেও আগ্রাসন চালাচ্ছে। গত মঙ্গলবার কাতারের রাজধানী দোহায় হামাসের প্রতিনিধিদের লক্ষ্য করে চালানো ইসরায়েলি হামলায় ছয়জন নিহত হন।
অবাক করা ব্যাপার হলো, যারা এতদিন ধরে ইসরায়েলের এ ধ্বংসযজ্ঞের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে, তারাই এখন নিজেদের ‘ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে’ দাবিদার হিসেবে দাঁড় করাচ্ছে।
এ নাটকীয় অবস্থান বদলের পেছনে মূল উদ্দেশ্য শান্তি নয়, বরং ইসরায়েলকে নিজের ধ্বংসাত্মক পথ থেকে ফিরিয়ে আনা—তাদের নিজেদের রাষ্ট্রের চরিত্র বজায় রাখার সুযোগ করে দেওয়া। একটি এমন রাষ্ট্র, যেখানে বহু আইনের মাধ্যমে ইহুদি অধিবাসীদের সুবিধা দেওয়া হয় এবং ফিলিস্তিনিদের অধিকার বঞ্চিত রাখা হয়।
পশ্চিমাদের চোখে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি নির্ভর করছে ইসরায়েল রাষ্ট্রের স্বীকৃতির ওপর। সেই ইসরায়েল, যা একটি উপনিবেশবাদী রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনি ভূমির দখলদারিত্ব চালিয়ে যাচ্ছে। এই তথাকথিত স্বীকৃতি মূলত ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে একটি ‘রাষ্ট্র’ হিসেবে রূপ দিয়ে সেটিকে ইসরায়েলি দখলদারির অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রচেষ্টা।
এ নাটকীয় স্বীকৃতির খেলা যখন চলতে থাকে, তখন গাজায় গণহত্যা, পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপন, ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি ভাঙচুর—সবকিছুই ব্যাকগ্রাউন্ডে চলে যায়। আসল গল্পটি হারিয়ে যায়।
ফ্রান্স ও সৌদি আরবের এ উদ্যোগ নতুন নয়। এমন চেষ্টা অতীতেও হয়েছে। ১৯৪৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর গাজায় ‘অল-প্যালেস্টাইন গভর্নমেন্ট’ নামে একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা পুরো ব্রিটিশ-শাসিত প্যালেস্টাইনের ওপর সার্বভৌমত্ব দাবি করে। কিন্তু বাস্তবে তারা শুধু গাজায় কার্যক্রম চালাতে পারত। কারণ, এর আগের মে মাসেই ইসরায়েলি উপনিবেশ রাষ্ট্র গঠিত হয়ে অর্ধেকের বেশি ভূমি দখল করে নেয়।
তৎকালীন আরব লিগভুক্ত সাতটি রাষ্ট্রের মধ্যে ছয়টি এই সরকারকে স্বীকৃতি দেয়। শুধু জর্ডান তা দেয়নি। কারণ, তারা এরই মধ্যে মধ্য ও পূর্ব প্যালেস্টাইন দখল করে সেটির নাম দেয় ‘ওয়েস্ট ব্যাংক’। পশ্চিমা বিশ্ব এ দখলদারিত্বকেই স্বীকৃতি দেয়, যদিও পূর্ব জেরুজালেমকে স্বীকৃতি দেয়নি।
পশ্চিমা প্রতিকূলতা আর জর্ডানের সংগত সহযোগিতার অভাবে অল-প্যালেস্টাইন গভর্নমেন্ট টিকে থাকতে পারেনি। ১৯৫৩ সালে তারা নিজেদের বিলুপ্ত ঘোষণা করে।
এরপর ১৯৮৮ সালে আলজেরিয়ায় নির্বাসিত ফিলিস্তিনি সংসদ, যেটি পিএলওর অংশ, একতরফাভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করে। সেই সময় ফিলিস্তিনে প্রথম ইন্তিফাদা চলছিল। তবে অনেক রাষ্ট্র সেই ঘোষণা সমর্থন করলেও, যুক্তরাষ্ট্র তা স্বীকার করেনি।
এমনকি ১৯৪৭ সালেই যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্যালেস্টাইন বিভাজনের পক্ষে কয়েকটি দেশের ভোট বদলাতে চাপ দিয়েছিল। সেই ভোটেই ইহুদি সংখ্যালঘুদের একটি আলাদা রাষ্ট্র গঠনের পথ খুলে যায়।
যুক্তরাষ্ট্র এরপরই ১৯৪৮ সালে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়। কিন্তু তারা অল-প্যালেস্টাইন গভর্নমেন্ট বা ১৯৮৮ সালের স্বাধীনতা ঘোষণাকে কখনো স্বীকৃতি দেয়নি।
এই দীর্ঘ ইতিহাসে দেখা যাচ্ছে, স্বীকৃতি আর বাস্তবতার মাঝে এক গভীর ফাঁক রয়ে গেছে। এখনকার উদ্যোগগুলো কি সেই পুরোনো গল্পেরই আরেক রূপ? নাকি নতুন কোনো সত্যি জন্ম নিচ্ছে—সে উত্তর এখনো অনিশ্চিত।
অসলো চুক্তির পর যেটুকু আশা ছিল, তাও ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়। ১৯৯৩-৯৪ সালে সই হওয়া এ চুক্তির মধ্য দিয়ে যে পাঁচ বছরের অন্তর্বর্তীকালীন সময় নির্ধারিত হয়েছিল, তা শেষ হয় ১৯৯৯ সালের মে মাসে। কিন্তু সেই সময়ের মধ্যেও স্বাধীনতা, সীমানা নির্ধারণ, জেরুজালেমের ভবিষ্যৎ এবং উদ্বাস্তুদের ফিরে যাওয়ার অধিকার—এ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর কোনোটিরই সমাধানে আলোচনা পর্যন্ত শুরু হয়নি।
এ হতাশাজনক পরিস্থিতিতে, প্যালেস্টিনিয়ান কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাত হুঁশিয়ারি দেন—তিনি পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম এবং গাজা অঞ্চলজুড়ে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ঘোষণা করবেন। অথচ এসব অঞ্চলেই তার অধীনে কার্যত কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। শেষ পর্যন্ত আমেরিকার কড়া হুমকি এবং আরব বিশ্বের মার্কিনঘনিষ্ঠ দেশগুলোর চাপের মুখে আরাফাত পিছু হটেন।
পরে প্যালেস্টিনিয়ান কর্তৃপক্ষ জাতিসংঘে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির জন্য আবেদন জানালে, আমেরিকা তা ভেটো করার হুমকি দেয়। এমনকি যেসব জাতিসংঘ সংস্থা ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়, তাদের অর্থায়ন বন্ধ করে দেওয়া হয়। যেমন ইউনেসকো ২০১১ সালে ফিলিস্তিনকে সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে গ্রহণ করে আর সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র অর্থ সাহায্য বন্ধ করে দেয়।
যদিও রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়েছিল পিএলও, প্যালেস্টিনিয়ান কর্তৃপক্ষ নয়; তবুও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২০১২ সালের এক প্রস্তাবে ফিলিস্তিনকে ‘অসদস্য পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র’ হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়। এরপর থেকেই প্যালেস্টিনিয়ান কর্তৃপক্ষ তাদের সরকারি নথিপত্রে ‘ফিলিস্তিন রাষ্ট্র’ শব্দ ব্যবহার শুরু করে। ওয়াশিংটনে নিজেদের মিশন অফিসকে ডাকা হয় ‘এমবাসি’ নামে। এ ‘এমবাসি’ই ২০১৮ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সময় বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এরই মধ্যে গাজার ভয়াবহ গণহত্যার প্রেক্ষাপটে প্যালেস্টিনিয়ান কর্তৃপক্ষ, যারা বহু বছর ধরে ইসরায়েলি দখলদারির সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, এক নতুন কৌশলে নেমেছে। তারা চাইছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের কাছ থেকে প্রতীকী ‘স্বীকৃতি’ আদায় করে নিজেদের ভূমিকা ও অবস্থানকে প্রতিষ্ঠিত করতে।
২০২৫ সালের মে মাস পর্যন্ত বিশ্বের ১৯৩টি দেশের মধ্যে ১৪৩টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। চলতি মাসেই আরও ছয় থেকে আটটি দেশ এ তালিকায় যুক্ত হতে যাচ্ছে—যাদের মধ্যে রয়েছে ফ্রান্স, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, পর্তুগাল, মাল্টা এবং সম্ভবত ফিনল্যান্ডও।
তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্র এখনো তাদের পুরোনো অবস্থানে অটল। তারা ১৯৪৮ সাল থেকেই ফিলিস্তিনিদের একটি রাষ্ট্র গঠনের অধিকারকে অস্বীকার করে আসছে। ইসরায়েলের প্রতিটি অপরাধে যুক্তরাষ্ট্র শুধু নীরব না, সরাসরি সহযোগিতাও করেছে।
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এ ‘স্বীকৃতি’ উদ্যোগ নিয়ে আপত্তি তুলেছেন। তার মতে, ‘একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আগেই সেটিকে স্বীকৃতি দেওয়া ক্ষতিকর হতে পারে।’ যদিও তিনি নিজেও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পক্ষে, তবে আগে রাষ্ট্রটি গড়ে উঠুক—তারপর স্বীকৃতি দেওয়া হোক, এই ছিল তার অবস্থান।
এ কথা হয়তো অনেকের কাছে যুক্তিযুক্ত মনে হবে না। কিন্তু ইতিহাস বলছে, অনেক দেশই রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আগেই স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছে। যেমন, যুক্তরাষ্ট্র ১৭৭৬ সালে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিল, অথচ ব্রিটিশদের পরাজিত করতে লেগেছিল আরও সাত বছর। তবুও ফ্রান্স ১৭৭৮ সালেই যুক্তরাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
গ্রিস ১৮২২ সালে স্বাধীনতা ঘোষণা করে, যদিও তাদের বিদ্রোহ সফল হয় দশক শেষে। ইউরোপীয় শক্তিগুলো পরে গ্রিসকে স্বীকৃতি দেয় এবং একই সঙ্গে নিজেদের প্রভাবও খাটাতে থাকে।
হাইতির গল্পটি আরও শক্তিশালী। ১৭৯১ সালে শুরু হওয়া বিপ্লবের মাধ্যমে দাসরা ফরাসিদের পরাজিত করে ১৮০৪ সালে স্বাধীনতা ঘোষণা করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র—যারা নিজেরাই তখন দাসপ্রথা চালু রেখেছিল, তারা হাইতিকে স্বীকৃতি দেয় ১৮৬২ সালে।
এসব উদাহরণে একটি বিষয় স্পষ্ট—স্বাধীনতা ঘোষণা এক জিনিস আর আসল ক্ষমতা অর্জন আরেক জিনিস। যুক্তরাষ্ট্র, গ্রিস, হাইতির স্বাধীনতা আন্দোলন এসেছে জনগণের সংগ্রাম থেকে। কিন্তু ফিলিস্তিনের ক্ষেত্রে যারা স্বীকৃতি চাইছে, তারা সরাসরি সেই দখলদারি ব্যবস্থার অংশ, যাদের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিরা সংগ্রাম করছে।
ইতালির প্রধানমন্ত্রী হয়তো এই গভীর সত্যটি বলেননি, কিন্তু এ বিষয়টি ভাবার মতো। যারা আজকে রাষ্ট্র স্বীকৃতির নামে ফিলিস্তিনিদের মর্যাদা দিতে চাইছে, তারা কি আদতে সেই দখলদারদের হাত শক্ত করছে না?
দীর্ঘদিন ধরে যারা ফিলিস্তিনিদের রাষ্ট্র গঠনের অধিকার অস্বীকার করে এসেছে, পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো এবং শ্বেতাঙ্গ বসতি স্থাপনকারী রাষ্ট্রগুলো—তারা এখন হঠাৎ করে ‘স্বীকৃতি’ দিয়ে তাদের ভুল ঢাকতে চায়। কিন্তু এ স্বীকৃতি সম্মেলনের মধ্য দিয়ে এলে আর কিছুই হবে না, শুধু ইসরায়েলকে এটাই বোঝানো হবে—তাদের ইহুদি আধিপত্যবাদী রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকার অধিকার নিরাপদ।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এখনো মনে করে, ফিলিস্তিনিরা—এমনকি দখলদারদের সহযোগী প্যালেস্টিনিয়ান কর্তৃপক্ষও, কোনো প্রতীকী স্বাধীনতাও পেতে পারে না। অন্যদিকে, ইউরোপীয় ও আরব দেশগুলো যারা এ উদ্যোগে নেতৃত্ব দিচ্ছে, তারা বিশ্বাস করে—‘স্বাধীনতার মোড়কে’ ফিলিস্তিনিদের স্বপ্ন এমনভাবে প্যাকেটজাত করা যায়, যাতে তা আর বিপজ্জনক না থাকে। বাস্তব পরিবর্তনের বদলে তাদের হাতে তুলে দেওয়া যায় এক কল্পিত রাষ্ট্রের মোহ, যা ইসরায়েলের ইহুদি আধিপত্যবাদ চ্যালেঞ্জ করে না।
এভাবে যদি চলতে থাকে, তাহলে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির ফলাফল শুধু এটুকুই থাকবে—ইসরায়েল একটি বাস্তব, বৈষম্যমূলক রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকবে আর ফিলিস্তিন একটি অস্তিত্বহীন রাষ্ট্র হিসেবে স্মরণে থেকে যাবে, যা কখনোই হয়তো মুক্তির দিশা পাবে না।
এ পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার একমাত্র উপায় হলো—ইসরায়েলের ইহুদি আধিপত্যবাদী চরিত্রের স্বীকৃতি প্রত্যাহার করা। তাদের বর্ণবাদী আইন বাতিলের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে চাপ তৈরি করা। বয়কট, নিষেধাজ্ঞা এবং কূটনৈতিক প্রতিরোধ—এ পথেই সম্ভব একটি ন্যায্য সমাধান। তা না হলে, এ সম্মেলন শুধু একটি অর্থহীন আয়োজন হয়ে থাকবে। বরং এটি হবে ইসরায়েলের চলমান গণহত্যায় বিশ্ব শক্তির সহযোগিতার আরও একটি প্রমাণমাত্র।
লেখক: নিউইয়র্কের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক আরব রাজনীতি ও বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক। মিডলইস্ট আইয়ের মতামত বিভাগ থেকে ভাষান্তর করেছেন তারেক খান