ড. নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ
প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৭:২৭ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

সেপ্টেম্বরে জাগরণের ইতিহাস

সেপ্টেম্বরে জাগরণের ইতিহাস

পৃথিবীর ইতিহাসে বেশ কিছু বড় পরিবর্তনের সাক্ষী সেপ্টেম্বর মাস। ১৭৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর জনগণের প্রবল প্রতিরোধের মুখে সম্রাট অগাস্টি লুইস-১৬ (ষোড়শ লুইস)-এর পদত্যাগের মধ্য দিয়ে ফ্রান্সে দীর্ঘদিনের রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং প্রথম ফ্রান্স রিপাবলিক বা ফ্রান্স প্রজাতন্ত্রের অভ্যুদয় ঘটে। আটলান্টিক মহাসাগরের তীরে অবস্থিত আরেক দেশ পর্তুগালের ইতিহাসে অমর হয়ে আছে ১৮৩৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর। কর বৃদ্ধি, রপ্তানিতে প্রতিবন্ধকতা, ধর্মশালার কর্তৃত্বের ওপর হস্তক্ষেপের কারণে তৎকালীন পর্তুগিজ রানি দ্বিতীয় মারিয়া ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠে পর্তুগালের সাধারণ জনগণ। ১৭ জুলাই তারিখে নির্বাচনে বিরোধীরা ১৮২২ সালের সংবিধান পুনর্বহালসহ বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে নামে। কিন্তু তারা পায় ৪১ আসন আর সরকারি দল পায় ৯১ আসন। তথাপি বিরোধী বিদ্রোহীরা রাজধানীতে জমায়েত হয় ও প্রচারপত্র বিলি করে অরাজকতা সৃষ্টি করে। এমন পরিস্থিতির নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে রাষ্ট্রীয় সেনাদল বিদ্রোহীদের সমর্থনে এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে। ফলে সহজে পর্তুগালের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে চলে যায় এবং পতন ঘটে সরকারি দলের।

১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা বেজে ওঠে এবং এই সেপ্টেম্বর মাসে তা বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়ে। একাধিক রাজতন্ত্র ও সাম্রাজ্যের পতন, কয়েক ডজন রাষ্ট্র ভেঙে নতুন নতুন রাষ্ট্র সৃষ্টি এবং বিশ্বময় দুর্ভিক্ষ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রত্যক্ষ ফলাফলের অন্যতম দিক। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নানাভাবে সম্পৃক্ত হয়ে পড়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরান ও ইরাক। এর মধ্যে ১৯৬১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ইরাকের কুর্দিরা মোল্লা মোস্তফা বারজানি প্রতিষ্ঠিত কুর্দিস্তান ডেমোক্রেটিক পার্টির পতাকাতলে জড়ো হয়ে স্বাধীন কিংবা স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তানের দাবিতে সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে। কুর্দিস্তান এলাকায় জনৈক উপজাতি কর্তৃক সরকারি সেনাবাহিনীর গাড়িতে আক্রমণ এবং এর প্রতিক্রিয়ায় কুর্দিস্তানের উপজাতীয় গ্রামগুলোতে ইরাক সরকারের বিমান হামলাকে কেন্দ্র করে মূলত এ সংঘাত শুরু হয়। তবে পাশের দেশ ইরান থেকে কুর্দিদের উসকে দেওয়া ও সর্বাত্মক সহায়তার কারণে এ সংগ্রাম প্রথম ইরাকি-কুর্দিস্তান যুদ্ধের সূচনা করে, যা চলে ১৯৭০ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত। চূড়ান্ত পরিণতিতে কুর্দিস্তান স্বায়ত্তশাসন লাভ করে। তারপরও শান্তি প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় ১৯৭৪ সালে শুরু হয় দ্বিতীয় ইরাকি কুর্দিস্তান যুদ্ধ।

১৯৬৬ সালের ১ জানুয়ারি একটি সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাধারণ সৈনিক ও পরবর্তীকালে সামরিক অফিসের জিন ব্যাদেন বোকাসা মধ্য আফ্রিকা দখল করেন এবং একটি শক্তিশালী সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। তিনি ১১ বছর মধ্য আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট এবং শেষ তিন বছর সম্রাট হিসেবে দেশ শাসন করেন। নরমাংস ভক্ষণ, স্কুল শিশুদের হত্যা ও নিপীড়নসহ জঘন্য অপরাধের দায়ে ফ্রান্স সমর্থিত আফ্রিকার একদল সেনার সমর্থন নিয়ে ফ্রান্সেরই গোয়েন্দা সংস্থা একটি বিশেষ দলের মাধ্যমে ১৯৭৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর শুরু করে ‘অপারেশন কাবান’। এর মধ্য দিয়ে জিন ব্যাদেন বোকাসা ক্ষমতাচ্যুত হন। পরদিনও ২১ সেপ্টেম্বর নতুন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ফ্রান্সপন্থি সাবেক প্রেসিডেন্ট ডেভিড ডেকো।

১৯৮০ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ইরাক জোরপূর্বক ইরানের জাইন আল কাউস ও সাইফ সাঈদ এলাকার কর্তৃত্ব দাবি করলে শুরু হয় ইরাক-ইরান যুদ্ধ, যা চলে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত। উভয় দেশের কয়েক লাখ সেনা ও সাধারণ মানুষের মৃত্যু এবং তেলক্ষেত্রসহ বহু স্থাপনা ধ্বংসের পর ১৯৮৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ ৪৭৯ নম্বর ঘোষণাপত্র বা সনদ প্রণয়ন করে, যার আলোকে জাতিসংঘের পর্যবেক্ষকদের তত্ত্বাবধানে যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ পর্যবেক্ষক দলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিসারদের যোগদানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী হিসেবে বাংলাদেশি সেনাদের পথচলা।

১৯৯৭ সালের ৭ সেপ্টেম্বর নির্বাসিত অবস্থায় মরক্কোতে মৃত্যুবরণ করেন এককালের ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর প্রেসিডেন্ট (১৯৬৫-১৯৭১) এবং পরবর্তীকালে জায়ারের প্রেসিডেন্ট (১৯৭১-১৯৯৭) মোবুতু সেসে সেকো। একজন স্বৈরাচার রূপে টানা ২৬ বছর তিনি দেশ শাসন করেন। সমগ্র আফ্রিকায় অস্থিরতা ছড়িয়ে দেওয়া এবং রুয়ান্ডার গণহত্যা তথা আট লাখের বেশি তুতসি জনগোষ্ঠীকে হত্যার ইন্ধনদাতা রূপে তাকে চিহ্নিত করা হয়। বিদ্রোহের মাধ্যমে তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন।

শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় ২০১০ সালের ৯ সেপ্টেম্বর মাহিন্দ্রা রাজাপাকসে এমন কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, যার মাধ্যমে তার পতনের বীজ রোপিত হয়। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুযোগে তিনি প্রেসিডেন্টের মেয়াদ সীমিত থাকার আইন তুলে দেন। এজন্য তাকে সংবিধান সংশোধন করতে হয়, যা তাকে তৃতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের পথ উন্মুক্ত করে দেয়। এতে তিনি আরও ক্ষমতাধর হয়ে ওঠেন। তার হস্তক্ষেপে সুপ্রিম কোর্ট এ সেপ্টেম্বরেই এমন বড় ধরনের সাংবিধানিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের প্রয়োজন নেই মর্মে রায় দেন। সেপ্টেম্বর মাসেই রাজাপাকসে স্বাধীন পরামর্শ পরিষদ বিলুপ্ত করে নিজস্ব প্রভাবে সাংবিধানিক পদে ইচ্ছামতো নিয়োগের নিয়ম চালু করেন। ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাস জুড়ে রাজাপাকসের এমন সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এবং তার পরিবার ও দল স্বেচ্ছাচারী হয়ে ওঠে ও দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তিনিই জনগণকে ধোঁকা দিতে তার ভাই গোতাবায়া রাজাপাকসেকে প্রেসিডেন্টের পদে বসান এবং নিজে প্রধানমন্ত্রীর পদ আঁকড়ে রাখেন। পাকসে পরিবারের স্বৈরাচারী মনোভাব চূড়ান্ত রূপ লাভ করে বৌদ্ধবিহারসহ নানা ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ বিল ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে এর প্রতিবাদে রাস্তায় নামে শ্রীলঙ্কার বৌদ্ধ ভিক্ষু ও ধর্মীয় নেতারা। এর পাঁচ মাসের মাথায় গণঅভ্যুত্থানের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হয় পাকসে পরিবার।

এ বছর আগস্ট জুড়েই অর্থনৈতিক সংকট বিশেষত দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও বেকারত্বের কারণে ইন্দোনেশিয়ায় অগ্নিসংযোগসহ ব্যাপক বিক্ষোভ চলতে থাকে। এরই মধ্যে এমপি-মন্ত্রীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং ২৮ আগস্ট পুলিশের গাড়ির নিচে খাবার সরবরাহকারী একজন ডেলিভারিম্যান বা মোটরবাইক রাইডারের মৃত্যু আন্দোলনের তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়। প্রেসিডেন্ট ও পুলিশপ্রধানের ক্ষমা প্রার্থনা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানো সত্ত্বেও এ আন্দোলন চলতে থাকে সেপ্টেম্বর মাস জুড়ে। সরকার বহু ছাড় দিয়ে আপাতত সামাল দিলেও দীর্ঘদিন এ আন্দোলনের প্রভাব বয়ে বেড়াতে হবে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

সর্বশেষ ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে নেপালে সরকার পরিবর্তন ঘটল জেন-জিদের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। ৮ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা এ আন্দোলনের সামনে ছিল তরুণ ও শিক্ষার্থী সমাজ। তাই এ আন্দোলন ‘জেনজি প্রটেস্ট’ নামেও পরিচিতি লাভ করেছে। সরকার ও একদল স্বার্থান্বেষী মহলের অপকর্মবিষয়ক প্রচার-প্রচারণা রোধ করতে গিয়ে সেপ্টেম্বর নেপাল সরকার ফেসবুক, এক্স, ইউটিউব, লিংকড ইনসহ ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধের আদেশ জারি করে। এর বিরুদ্ধে রাজপথে নামে জেন-জিসহ সর্বস্তরের নেপালি জনতা। মূলত সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দুর্নীতি এবং একশ্রেণির রাজনীতিবিদ ও তাদের সন্তানদের সম্পদের পাহাড় ও বিলাসী জীবনের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ফুঁসে ওঠে নেপালের জেন-জি। তাদের তীব্র আন্দোলনের মুখে ৯ সেপ্টেম্বর পালিয়ে যান প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি। পুড়িয়ে দেওয়া হয় পার্লামেন্ট ভবনসহ বহু স্থাপনা। পুড়িয়ে মারা হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝালনাথ খানালের স্ত্রী রাজলক্ষ্মী চিত্রকরকে। সবশেষে মন্ত্রীদের অপমানজনক বিদায় ঘটলে সরকার পতন নিশ্চিত হয়। বর্তমানে নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন দেশটির প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকি। প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেপালের ইতিহাসেরও অংশ হলেন তিনি। দেশটিতে চলমান অনিশ্চয়তার মধ্যে জেন-জি আন্দোলনকারীদের দাবি অনুযায়ী, কারকিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করেন প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌডেল। অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান এবং মন্ত্রী মর্যাদায় অন্যদের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে আপাতত শান্ত হয় নেপাল।

১৭৯২ থেকে ২০২৫ সাল—এই ২৩৩ বছরে সেপ্টেম্বরে ঘটে যাওয়া অসংখ্য ঘটনা প্রমাণ করে যে, ক্ষমতা কখনো কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা পরিবারের কাছে চিরস্থায়ী হয় না। একটি ক্ষুদ্র ঘটনা কেন্দ্র করেও সরকার পরিবর্তনের মতো বড় ঘটনা ঘটে যেতে পারে। বিশেষত বর্তমান তরুণসমাজকে শুধু মোবাইলে বন্দি কিংবা ঘরকুনো প্রজন্ম বলে অবজ্ঞা করার কোনো অবকাশ নেই। যে কোনো সময় ছোট্ট দিয়াশলাইয়ের কাঠির মতো তারা যদি জ্বলে ওঠে, তবে পুড়ে শেষ হয়ে যেতে পারে কিংবা ধ্বংস হতে পারে অনেক কিছুই। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ভাষায়— ‘আমি একটা ছোট্ট দেশলাইয়ের কাঠি, এত নগণ্য, হয়তো চোখেও পড়ি নাঃ তবু জেনো, মুখে আমার উসখুস করছে বারুদ—বুকে আমার জ্বলে উঠবার দুরন্ত উচ্ছ্বাস;

আমি একটা দেশলাইয়ের কাঠি।

মনে আছে সেদিন হুলস্থূল বেধেছিল? ঘরের কোণে জ্বলে উঠেছিল আগুন—আমাকে অবজ্ঞাভরে না-নিভিয়ে ছুড়ে ফেলায়! কত ঘরকে দিয়েছি পুড়িয়ে, কত প্রাসাদকে করেছি ধূলিসাৎ, আমি একাই- ছোট্ট একটা দেশলাই কাঠি। এমনি বহু নগর, বহু রাজ্যকে দিতে পারি ছারখার করে

তবুও অবজ্ঞা করবে আমাদের?’

লেখক: অবসরপ্রাপ্ত মেজর, গবেষক, বিশ্লেষক ও কলামিস্ট

ইমেইল: [email protected]

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নতুন রিসাইক্লিং উদ্যোগ / ৯০ শতাংশর বেশি প্লাস্টিক বর্জ্য কমিয়েছে সিঙ্গার বাংলাদেশ

সরকারি বাঙলা কলেজে অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা

বাংলার নদী, বাংলার জীবন : ইতিহাস থেকে বর্তমান অবস্থা

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগে ‘হিট’ প্রকল্পের আওতায় ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

ল্যাবএইডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

কক্সবাজারে ১৯ রোহিঙ্গা আটক

হিজবুল্লাহর রকেট হামলায় পিছু হটল ইসরায়েলি বাহিনী

ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু

১০

কাপ্তাই হ্রদে ডুবে চবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু 

১১

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল নরওয়ে, তুলে ধরল একাধিক কারণ

১২

ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের উপদেষ্টা মঞ্জুশ্রী রায় চৌধুরীর পরলোকগমন

১৩

রামিসা হত্যা : দ্রুতই শুনানি করতে চান রাষ্ট্রপক্ষ

১৪

কেআইবিতে জুনিয়রের ঘুসিতে রক্তাক্ত সিনিয়র কর্মকর্তা

১৫

ইরানে ইসরায়েলি হামলায় দুই সেনা নিহত

১৬

অপু থেকে বুবলী : সন্তান প্রসঙ্গে কেন বারবার একই চিত্র?

১৭

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সংসদ ও পুলিশের প্রতিক্রিয়ায় টিআইবির ব্যাখ্যা

১৮

পুকুরে মিলল মাদ্রাসাছাত্রের লাশ

১৯

১৯৭১ : একটি গ্রামের গল্প

২০
X