মহিউদ্দিন খান মোহন
প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০২৫, ০২:৫৪ পিএম
প্রিন্ট সংস্করণ
এ কথা সে কথা

নেপাল বনাম বাংলাদেশ

নেপাল বনাম বাংলাদেশ

নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি গত ২৫ সেপ্টেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বলেছেন, দেশের শাসন ব্যবস্থায় কোনো পরিবর্তন আনার এখতিয়ার তার অন্তর্বর্তী সরকারের নেই। তিনি এ-ও বলেছেন, দেশটির শাসন ব্যবস্থায় কোনো সংস্কার বা পরিবর্তন সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হতে হবে। তিনি আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণকেই তার সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেছেন। সুশীলা কার্কি বলেছেন, নেপাল একটি সংসদীয় ব্যবস্থা অনুসরণ করে, যেখানে প্রধানমন্ত্রীকে প্রতিনিধি পরিষদের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হতে হয়। সরাসরি নির্বাচিত প্রধান নির্বাহী পেতে হলে নেপালের সংবিধান সংশোধন করতে হবে। আর এ ধরনের সংশোধনের জন্য কেন্দ্রীয় সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন। বর্তমানে প্রতিনিধি পরিষদ বিলুপ্ত থাকায় আগামী বছরের ৫ মার্চের নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত সংবিধান সংশোধন সম্ভব নয়।

নেপালের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ সন্দেহ নেই। কেননা, সম্প্রতি নেপালে যেভাবে সরকার পরিবর্তন হয়েছে, এক বছর আগে বাংলাদেশেও ঠিক সেভাবেই সরকার পরিবর্তন হয়েছিল। সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমে তরুণরা একটি অসাধ্য সাধন করে ফেলেছে। যে সরকারকে পনেরো বছর বহু আন্দোলন-সংগ্রামের পরও স্থানচ্যুত করা যাচ্ছিল না, মাত্র এক মাসের আন্দোলনে সেটা সম্ভব হয়েছে কোন মেটিকুলাস ডিজাইনে, তা নিয়ে এন্তার আলোচনা হচ্ছে। তবে এ দেশের তরুণ সমাজ রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারকে ক্ষমতা থেকে উৎখাতে যে বীরোচিত ভূমিকা রেখেছে, তা ইতিহাসে অবিস্মরণীয় ঘটনা হিসেবে স্থান পাবে। অবশ্য দেশের লীগবিরোধী প্রায় সব রাজনৈতিক দল সে আন্দোলনে সক্রিয় অংশ নিয়েছিল। তাদের সঙ্গে সর্বস্তরের জনসাধারণও নেমেছিল রাস্তায়। এসব কথা নতুন করে বলার কিছু নেই। তেমনিভাবে নেপালের দুর্নীতিবাজ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে সে দেশটির তরুণ সমাজও ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।

সার্কভুক্ত দুই দেশ বাংলাদেশ ও নেপালের ঘটনা একই রকম হলেও পার্থক্য অন্য জায়গায়। নেপালের তরুণরা গণঅভ্যুত্থান শেষে যে যার জায়গায় ফিরে গেছে। কেউ ক্লাসে, কেউ কর্মক্ষেত্রে। তারা সংস্কারের নামে রাষ্ট্রের সংবিধান বাতিলের দাবি তোলেনি, অন্তর্বর্তী সরকারে তাদের প্রতিনিধি রাখারও বায়না ধরেনি। এমনকি আগামীতে রাষ্ট্রক্ষমতার ভাগ নিশ্চিত করার জন্য নিজেরা কোনো রাজনৈতিক দলও গঠন করেনি। কিন্তু আমাদের এখানে আন্দোলনের সামনে থাকা তরুণরা রাষ্ট্রক্ষমতার ভাগ নিয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারে তাদের প্রতিনিধি রাখতে হয়েছে, সরকারের নীতিনির্ধারণী বিষয়েও তারা নানাভাবে প্রভাব বিস্তার করে চলেছে। শুধু তাই নয়, তারা তাদের কাজকর্মের দ্বারা অল্পদিনেই বিতর্কিত হয়ে পড়েছে। তারা একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেছে, যা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নিবন্ধনপ্রাপ্ত হয়েছে। তারা দেশের জাতীয় প্রতীককে নিজেদের দলীয় প্রতীক হিসেবে বরাদ্দের দাবি করছে এবং তা না দিলে ‘নির্বাচন কীভাবে অনুষ্ঠিত হয়, তা দেখে নেওয়ারও’ হুমকি দিচ্ছে। তাদের অনেকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অর্থ-সম্পদ আহরণের অভিযোগও এখন প্রকাশ্য। একদা কপর্দকহীন ভবঘুরে যুবকটি এরই মধ্যে অধিকারী হয়েছে দেড় কোটি টাকা দামের গাড়ির। কারও কারও পিতার বিরুদ্ধে পুত্রের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে অর্থ-সম্পদ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। ফলে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনে যারা ছিল ‘হিরো’ তাদের ভাবমর্যাদা এখন প্রায় জিরোর কাছাকাছি। শেখ হাসিনার পতনের আন্দোলনে এসব তরুণের বীরোচিত ভূমিকায় যারা একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশের প্রত্যাশায় বুক বেঁধেছিলেন, তারা এখন হতাশার সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছেন।

নেপালের অন্তর্বর্তী সরকার ও আমাদের অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে পার্থক্য অনেক। সুশীলা কার্কি তার মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন মাত্র তিনজন সদস্য নিয়ে। অত্যন্ত ক্ষুদ্র সেই মন্ত্রিপরিষদ দিয়েই তিনি গোটা সরকার সামলাচ্ছেন। তিনি রাষ্ট্র সংস্কার বা সরকার পরিচালনার জন্য বিদেশ থেকে কাউকে হায়ার করে আনেননি। দেশে অবস্থানরত ব্যক্তিদের নিয়ে তারা নিজেদের মতো করে সরকারের কার্যক্রম চালাচ্ছে। সে সরকার রুটিন কাজের বাইরে এক পা ফেলারও গরজ অনুভব করেনি। সবচেয়ে বড় কথা, সুশীলা কার্কি, যিনি একসময় দেশটির প্রধান বিচারপতি ছিলেন, শপথ নেওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে ঘোষণা করেন, আগামী বছরের ৫ মার্চ সে দেশের পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর আমাদের অন্তর্বর্তীরা এক বছর পার হওয়ার পরও নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট কোনো দিনক্ষণ ঘোষণা করতে পারেননি। কেন পারেননি, এটা একটা মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন। নেপালের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী যেটা শপথের পরপরই ঘোষণা করতে পারলেন, আমাদের অন্তর্বর্তী প্রধান তা এক বছরেও পারেননি।

এটা অস্বীকার করার জো নেই যে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ও পলায়নের পর এক জটিলক্ষণে রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিয়েছিলেন নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বলা যায়, ভোট ছাড়াই এক বিশাল গণম্যান্ডেট নিয়ে তিনি সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পালন শুরু করেছিলেন। দেশবাসীর প্রত্যাশা ছিল সাড়ে পনেরো বছরের দুঃশাসনে লন্ডভন্ড হয়ে যাওয়া বাংলাদেশকে সুশৃঙ্খল করতে তিনি অনন্য সাধারণ ভূমিকা পালন করবেন। কিন্তু ক্ষমতা হাতে নেওয়ার সময় তিনি জনগণের যে দ্ব্যর্থহীন সমর্থন পেয়েছিলেন, এখন তার কতটা অক্ষুণ্ন আছে, এ প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই। সেইসঙ্গে তার জনপ্রিয়তার পারদও যে অনেকটাই নিচে নেমে এসেছে, তাও অস্বীকার করা যাচ্ছে না। বলা নিষ্প্রয়োজন, এজন্য তিনি নিজেই দায়ী। জনসমর্থনকে আমলে না নিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তরুণদের ‘তোমরাই আমার নিয়োগদাতা’ বলে অভিহিত করে ওপরে তুলতে গিয়ে নিজেকে নামিয়ে এনেছেন অনেক নিচে। তার এই একটি উক্তিতে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের তরুণরা গ্যাস বেলুনের মতো আকাশে উড়তে শুরু করে। তাদের মধ্যে এ প্রতীতি জন্মায় যে, তারাই দেশের দণ্ডমুণ্ডের কর্তা। তারা যেটা বলবে, সবাইকে তা মানতে হবে। এ ধারণার বশবর্তী হয়ে প্রথমদিকে তারা এমনসব কথা বলতে শুরু করে, দাবি জানাতে থাকে, যা বাংলাদেশের সুমহান স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অস্বীকার করার নামান্তর হিসেবেই মানুষের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে। তারা বাংলাদেশের জাতীয় সংবিধান বাতিল এবং বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম পরিবর্তনের মতো ধৃষ্টতাপূর্ণ দাবি জানাতেও কসুর করেনি।

নেপালের অন্তর্বর্তী সরকার সে দেশের সাংবিধানিক সংস্কারের কোনো চিন্তাভাবনা না করলেও আমাদের অন্তর্বর্তীরা হেঁটেছেন একেবারে বিপরীত দিকে। তাদের কর্মকাণ্ডে মনে হয়নি এটা অন্তর্বর্তী সরকার। নির্বাচিত সরকারের মতো তারা রাষ্ট্রীয় এমনসব গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে হাত দিয়েছে, সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা কারও কাছেই গ্রহণযোগ্য হয়নি। যেখানে এটা পরিষ্কার যে, নির্বাচিত জাতীয় সংসদ ব্যতিরেকে সংবিধানের কোনো পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জন সম্ভব নয়, সেখানে তারা নানা নামের কমিশন গঠন করে জাতির ওপর তা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে চলেছে। গত এক বছর ধরে সেসব কমিশন শুধু মিটিং-সিটিং করেছে, কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

এদিকে প্রধান উপদেষ্টা তার সাম্প্রতিক বক্তব্যে নানা ধরনের সন্দেহ-সংশয় উসকে দিয়েছেন। নিউইয়র্কে তিনি যে দুটি মন্তব্য করেছেন, তা নিয়ে চলছে ব্যাপক গুঞ্জন। একটি বিদেশি মিডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি মন্তব্য করেছেন, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হয়নি, তাদের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে, যে কোনো সময় তাদের কার্যক্রম সচল হতে পারে। এ ছাড়া বলেছেন, বাংলাদেশের অনেক মানুষ আছেন, যারা বলছেন আপনারা (অন্তর্বর্তী সরকার) ৫ বছর, ১০ বছর ৫০ বছর ক্ষমতায় থাকুন। ড. ইউনূসের এ দুটি মন্তব্য সচেতন মহলে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। প্রথমত. তাহলে কি অচিরেই আওয়ামী লীগ রাজনীতির মাঠে নামার অধিকার ফিরে পাচ্ছে? এ বিষয়ে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের মন্তব্য সাংঘর্ষিক। এর এক দিন পর তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগের স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। গ্রাম বাংলায় একটি প্রবচন আছে—‘আমি কোন সুর ধরি, আর আমার সারিন্দা কোন সুর তোলে?’ ড. ইউনূস ও আসিফ নজরুলের কথার মধ্যে রয়েছে দুস্তর ব্যবধান। কোনো সাযুজ্য নেই দুজনের মন্তব্যে। দ্বিতীয় প্রশ্ন হলো—তিনি যখন জানেন দেশের মানুষ তাকে ৫ থেকে ৫০ বছর রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকতে বলছে, তাহলে কেন এত তাড়াতাড়ি নির্বাচন দিতে চাচ্ছেন? নাকি সবই জনগণের ‘চক্ষু ধোলাই’, মানে আই ওয়াশ? নিউইয়র্কে প্রধান উপদেষ্টার এ দুটি মন্তব্য জনমনে তাই সংশয় সৃষ্টি করেছে দেশের আগামী রাজনীতি ও ভোট নিয়ে। এ সংশয় কীভাবে দূর করা যাবে, তা ড. ইউনূসকেই খুঁজে বের করতে হবে। তবে একটি কথা অবশ্যই বলা যায়, উচ্চতর দায়িত্বশীল পদে বসে বালখিল্য মন্তব্য করার কোনো সুযোগ নেই। তারপরও বড় বড় মানুষ বেখেয়ালে অনেক সময় প্রশ্ন উদ্রেককারী কথা বলেন। আর সেজন্য তাদের ধকলও পোহাতে হয়।

এক বছর আগে-পিছে বাংলাদেশ ও নেপালে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটলেও দুই দেশে দুই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নেপালের অন্তর্বর্তী সরকার একটি সাধারণ নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে। আর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার হাঁটছে এলোমেলো পথে। তারা এখনো সিদ্ধান্তই নিতে পারেনি, কোন পদ্ধতিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রায় সব দল সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী প্রচলিত পদ্ধতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে হলেও প্রশ্নবিদ্ধ রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী ও চরমোনাই পীরের দল ‘ভাজা মাছের ঝোল চাই’-এর মতো পিআরের বায়না ধরে জল ঘোলা করার চেষ্টায় মেতেছে। নির্বাচন কমিশন অবশ্য স্পষ্ট বলে দিয়েছে, সংবিধান সংশোধনের আগে ‘পিআর’ পদ্ধতিতে নির্বাচন করা যাবে না। তবে এ বিষয়ে সরকার কিছু বলছে না। আর এখানেই দেশবাসীর সন্দেহ।

নেপালের সুশীলা কার্কি যেটা স্পষ্ট বলেছেন, আমাদের নোবেল বিজয়ী সে বিষয়ে গ্রহণ করেছেন রহস্যময় নীরবতা। আর সে কারণেই সন্দেহের মেঘ জমছে জনমনে। যত দিন যাবে, মেঘ তত ঘনীভূত হতে থাকবে। পুরোনো সে কথাটিই আবার বলি, ‘সন্দেহ যখন দরজা দিয়ে ঢোকে… বিশ্বাস তখন জানালা দিয়ে পালায়।’

লেখক: সাংবাদিক ও কলাম লেখক

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইসরায়েলের ভাসমান কারাগারে ৭২ ঘণ্টা, ভয়াবহ অভিজ্ঞতা ফ্লোটিলা কর্মীর

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে স্থগিত

বাবা-ছেলেকে ধরে নিয়ে গেছে ইসরায়েলি বাহিনী

মোবাইলে বিশ্বকাপ দেখবেন যেভাবে

প্রকাশ্যে রাজমিস্ত্রিকে গুলি

গোল না খাওয়ার পরিসংখ্যানে শীর্ষে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ৪৩তম

যুবদল নেতা বহিষ্কার

রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে নিহত ৪, আহত ১০

ম্যারাডোনার ‘ঈশ্বরের হাত’ ছোঁয়া সেই বল এখন কোথায়

ট্রাক-কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে প্রাণ গেল যুবকের

১০

বিয়ে বাড়িতে গরুর মাংস নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

১১

আজ বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস

১২

রামিসা হত্যা / ফাঁসির আসামিদের ‘কনডেম সেলে’ রাখা হলো সোহেল-স্বপ্নাকে

১৩

তেহরানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফের ফ্লাইট চলাচল শুরু

১৪

শুরুতেই উইকেট হারাল বাংলাদেশ

১৫

সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ, রাতভর পাহারায় বিজিবি-স্থানীয়রা

১৬

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের দৌড়ে বাংলাদেশের নিচে ভারত

১৭

নেত্রকোনায় রোহিঙ্গা যুবক আটক

১৮

মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশজুড়ে বৃষ্টির আভাস, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

১৯

শিশু অপহরণ চক্রের দুই নারী সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৩ শিশু

২০
X