খায়রুল আনোয়ার
প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০২৫, ০৮:১৯ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

ফেব্রুয়ারির ভবিষ্যৎ কী

ফেব্রুয়ারির ভবিষ্যৎ কী

আসছে ফেব্রুয়ারি কি কুয়াশাচ্ছন্ন থাকবে? রাজনীতির আবহাওয়া কী পূর্বাভাস দিচ্ছে? বিরাজমান মেঘ কেটে গিয়ে ফেব্রুয়ারির প্রথম ভাগে কি নতুন সূর্যের দেখা পাওয়া যাবে? জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জনমনে এখনো শঙ্কা, নির্বাচন কি ভণ্ডুল হয়ে যাবে? দেশ কি মহাসংকটের দিকে ধাবিত হবে? কিছুদিন ধরে এমন অসংখ্য প্রশ্ন বেশ জোরেশোরে বিভিন্ন মহলে উচ্চারিত হচ্ছে। গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ায় এসব প্রশ্ন সামনে চলে আসে। গণভোটের সময় নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের বিপরীতমুখী অবস্থান নির্বাচন নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করে। বিএনপির দাবি, নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে হবে। আর এ মাসেই গণভোট চাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। এতে করে রাজনীতির হাওয়া হঠাৎ করেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার গত সোমবার উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠক ডাকে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণভোট বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে মতভেদ দেখা দিয়েছে, তাতে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় বৈঠকে। বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকারকে ঐক্যবদ্ধ দিকনির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান জানান। উপদেষ্টা জানান, দলগুলো যদি এক সপ্তাহের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত দিতে না পারে, তাহলে সরকার তার মতো করে সিদ্ধান্ত নেবে। অর্থাৎ, অন্তর্বর্তী সরকার গণভোটের সময় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উপায় নির্ধারণের বিষয়টি এক সপ্তাহের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর কোর্টে ঠেলে দিয়েছে।

এদিকে বিএনপি ২৩৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনমুখী যাত্রা শুরু করল। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মোট তিনটি আসন থেকে এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একটি আসন থেকে নির্বাচন করবেন। দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রধান রাজনৈতিক দল গত সোমবার এ মনোনয়ন ঘোষণা করে। ধারণা করা যায়, শরিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও আসন ভাগাভাগির পর বাকি প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে। জামায়াত অনেক আগেই ৩০০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে।

সনদ ও সংস্কারের ওপর বেশি বেশি করে জোর দিতে গিয়ে নির্বাচনকে যেন গৌণ করে ফেলা হচ্ছে। ফ্যাসিবাদী শাসন যেন আর ফিরে না আসতে পারে, গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়, শাসন কাঠামোয় জবাবদিহি নিশ্চিত করা যায়—এজন্য সংস্কার অবশ্যই জরুরি। কিন্তু এ বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা কম জরুরি নয় যে, ২০১৪ সাল থেকে দেশ নির্বাচনের নামে স্বেচ্ছাচারিতা দেখেছে। জনগণ ভোট দেওয়ার সুযোগ না পেয়ে বারবার হতাশ হয়েছে। কায়েম হয়েছিল একজনের ইচ্ছেমাফিক নির্বাচনী ব্যবস্থা। এরপর জুলাই অভ্যুত্থানের পর চৌদ্দ মাস অতিবাহিত হয়ে গেল। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার এখনো দেশ চালাচ্ছে। প্রফেসর ইউনূস ঘোষিত ফেব্রুয়ারি প্রথমার্ধে যে নির্বাচন হওয়ার কথা, যা তার মতে ‘ইতিহাসের সেরা নির্বাচন’ হবে—তা হতে আর সাড়ে তিন মাসেরও কম সময় বাকি। নির্বাচন কমিশন ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তপশিল ঘোষণার কথা জানিয়েছে। অথচ সনদ বাস্তবায়নের উপায় ও গণভোটের বিষয়টি এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে। ‘ডিম আগে না মুরগি আগে’র মতো গণভোট আগে নাকি নির্বাচন আগে, এ নিয়ে দলগুলোর মধ্যে বাহাস চলছেই। এ বিষয়ের সুরাহা না করে নির্বাচন অনুষ্ঠান কতখানি সম্ভব হবে, তা এক বিরাট প্রশ্ন। আর এসব কারণে নির্বাচন হওয়ার কোনো লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না।

গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজনৈতিক দল ও শক্তিগুলোর মধ্যে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল, তা অনেক আগেই তিরোহিত হয়েছে, বিভাজন বেড়েছে। বিশেষ করে বিএনপি ও জামায়াতের বিপরীতমুখী অবস্থান তিক্ততায় পৌঁছেছে। এনসিপি মাঝেমধ্যেই কঠোর ভাষায় জামায়াতের সমালোচনা করলেও গণভোট প্রশ্নে দল দুটির অবস্থান এতদিন অভিন্ন থাকলেও এনসিপি এখন নির্বাচনের দিন গণভোট হওয়ার মত দিয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে, জনগণ গণভোটের বিষয়ে আদৌ আগ্রহী কি না। সেই ভোট জাতীয় নির্বাচনের আগে অথবা একই দিনে হওয়া নিয়ে ভোটারদের কোনো আগ্রহ থাকার কথা নয়। আরও প্রশ্ন আছে, নির্বাচন কমিশন জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে পুরোপুরি মনোযোগী হবে নাকি গণভোটের প্রস্তুতি নিতে শুরু করবে? নির্বাচনের আগে গণভোটের আয়োজন করার ক্ষেত্রে প্রধান সমস্যা হবে সময়ের স্বল্পতা, বিপুল অর্থ ব্যয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ জনবল নিয়োগ ইত্যাদি। এ ছাড়া নভেম্বরে একটি এবং ফেব্রুয়ারিতে আরেকটি নির্বাচন আয়োজন করা কতখানি বাস্তবসম্মত, তা ভেবে দেখা দরকার। তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে, যে বিষয়ের ওপর গণভোট হবে, সাধারণ মানুষ সে বিষয়ে কতখানি অবগত আছে? জুলাই সনদে যেসব সংস্কারের সুপারিশ করা হয়েছে, সে সম্পর্কেও কি জনগণ খোঁজখবর রেখেছে?

তা ছাড়া গণভোট তো দূরের বিষয়, জাতীয় নির্বাচন কতখানি অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে করা যাবে, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়। স্বয়ং প্রধান উপদেষ্টা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, বড় কোনো শক্তি নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করতে পারে। নির্বাচন সামনে রেখে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, নির্বাচন বানচালের জন্য দেশের ভেতর থেকে এবং বাইরে থেকে অনেক শক্তি কাজ করবে। ছোটখাটো নয়, বড় শক্তি দিয়ে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হবে। হঠাৎ করে আক্রমণ আসতে পারে। এ নির্বাচন চ্যালেঞ্জিং হবে। ড. ইউনূস কোন বড় শক্তি নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করবে, তা খোলাসা করেননি। এটা কি বড় কোনো রাজনৈতিক দল বা শক্তি অথবা কোনো বিদেশি দেশ, তা স্পষ্ট করেননি। কোনো শক্তির নাম উল্লেখ না করলেও নিশ্চয়ই প্রধান উপদেষ্টার কাছে এর সম্পর্কে তথ্য রয়েছে এবং তা থাকাটাই স্বাভাবিক। নির্বাচন বানচালের চেষ্টা অথবা হঠাৎ আক্রমণের আশঙ্কা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য নির্বাচন ঘিরে নতুন করে সংশয় তৈরি করবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও বিশিষ্টজন তার এ বক্তব্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্প্রতি বলেছেন, নিত্যনতুন শর্ত জুড়ে গণতন্ত্রে উত্তরণ বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। জনমনে জিজ্ঞাসা বাড়ছে, যথাসময়ে কি নির্বাচন হবে? নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, যেখানে নির্বাচন নিয়ে নানা সন্দেহ, অবিশ্বাস চলছে, সেখানে সরকারের তরফ থেকে এরকম আশঙ্কা সেই অনিশ্চয়তা আরও তীব্র করবে।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশের দুই সুপারিশ নিয়েও বিতর্ক দেখা দিয়েছে। সুপারিশের প্রথমটিতে বলা হয়েছে, আগামী সংসদের সংবিধান সংস্কার পরিষদ ২৭০ দিনের মধ্যে সংস্কার সম্পন্ন না করলে অন্তর্বর্তী সরকারের তৈরি করে রেখে যাওয়া সংবিধান সংসদের খসড়া বিল পাস বলে গণ্য হবে। দ্বিতীয় সুপারিশে বলা হয়েছে, পরিষদ ২৭০ দিনে জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার করবে। অর্থাৎ, সংবিধান সংস্কার পরিষদ বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে সংস্কার শেষ না করলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংস্কার বলে বিবেচিত হবে। সনদের স্বয়ংক্রিয় বাস্তবায়নের প্রস্তাবকে পাকিস্তানের সামরিক শাসক আইয়ুব খান এবং ইয়াহিয়া খানের আদেশের সঙ্গে তুলনা করেছে বিএনপি। দলটি প্রস্তাবগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়কে ইয়াহিয়া খানের এলএফও (লিগ্যাল ফ্রেমওয়ার্ক অর্ডার) এবং আইয়ুব খানের মৌলিক গণতন্ত্রের সঙ্গে তুলনা করেছে। দলটির নেতারা একে জাতীয় নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারিতে না করার অপচেষ্টা হিসেবে দেখছে। দলটির মতে, ঐকমত্য কমিশন চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের অংশীজনের মধ্যে ঐক্যের পরিবর্তে অনৈক্য সৃষ্টি করছে।

সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক বলেছেন, নির্বাচনের আগে গণভোট হওয়ার সুযোগ নেই। পৃথিবীর কোথাও সাধারণত এ ধরনের রেওয়াজ নেই। আর ২৭০ দিনের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংস্কার সনদ অনুমোদনেরও কোনো সুযোগ নেই। কেননা, সংসদকে পাশ কাটিয়ে এভাবে এটা করা যায় না। অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম বলেছেন, সরকারি আদেশে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কোনো সুযোগ নেই।

আগে গণভোট আয়োজন এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের সুপারিশের সংস্কার প্রস্তাবনা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাস হওয়া নিয়ে যে বাহাস জারি রয়েছে, তা জাতীয় নির্বাচনের আলোচনাকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে। এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে অবস্থা, নির্বাচনের জন্য কতটা অনুকূল তাও ভেবে দেখার বিষয়। মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের এক প্রতিবেদনের তথ্যে দেখা যায় যে, অন্তর্বর্তী সরকারের ১৪ মাসে ৪০ জন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে গুলিতে নিহত হয় ১৯ জন। মব সহিংসতায় প্রাণ হারিয়েছে ১৫৩ জন। রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছে ২৮১ জন। অন্তর্বর্তী সরকার আইনশৃঙ্খলা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার পর পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এ প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ‘নির্বাচন বানচালের চেষ্টা হবে, হঠাৎ আক্রমণ আসতে পারে’—এ বক্তব্যের বাস্তবতা অনুধাবন করা দরকার। এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অনুকূল নয়। রাজনৈতিক দলগুলোর বিভাজন পরিস্থিতিতে জটিল করে তুলেছে। দলগুলো নির্বাচনমুখী হওয়ার পরিবর্তে গণভোট, পিআর, জুলাই সনদ, সংস্কার নিয়ে আকচা-আকচিতে লিপ্ত। নির্বাচন ঘিরে যে অনিশ্চয়তা সংশয় বিরাজ করছে, তা দূর করবে কে? রাজনৈতিক নেতা ও বিশিষ্টজনরা মনে করেন, নির্বাচন নিয়ে জনগণকে আশ্বস্ত করা সরকারের দায়িত্ব। একই সঙ্গে এ কথাও সত্য যে, নির্বাচনের ঠিক আগের সময় বিভিন্ন ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলোর সংযত আচরণ, সরকার প্রত্যাশা করতে পারে।

সবকিছু ছাপিয়ে বড় যে প্রশ্ন, প্রফেসর ইউনূস কি যেনতেনভাবে একটি নির্বাচন করে দিয়ে তার অধ্যায়ের সমাপ্তি টানবেন? নাকি তার ঘোষিত ‘ইতিহাসের সেরা নির্বাচন’ জাতিকে উপহার দিয়ে গণতন্ত্রে উত্তরণের ইতিহাসে নিজের নামটি উজ্জ্বলভাবে লিখে যেতে পারবেন? বিষয়টি প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রজ্ঞা, বিচক্ষণতা, দৃঢ়তা ও নিরপেক্ষতার ওপর নির্ভর করছে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন যে বিভেদের বীজ বপন করে রেখেছে, তা থেকে দলগুলোকে আবার একটি ঐক্যের কাতারে নিয়ে আসা—এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি কাজ।

লেখক: সাংবাদিক ও রাজনীতি বিশ্লেষক

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগে ‘হিট’ প্রকল্পের আওতায় ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

ল্যাবএইডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

কক্সবাজারে ১৯ রোহিঙ্গা আটক

হিজবুল্লাহর রকেট হামলায় পিছু হটল ইসরায়েলি বাহিনী

ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু

কাপ্তাই হ্রদে ডুবে চবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু 

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল নরওয়ে, তুলে ধরল একাধিক কারণ

ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের উপদেষ্টা মঞ্জুশ্রী রায় চৌধুরীর পরলোকগমন

রামিসা হত্যা : দ্রুতই শুনানি করতে চান রাষ্ট্রপক্ষ

১০

কেআইবিতে জুনিয়রের ঘুসিতে রক্তাক্ত সিনিয়র কর্মকর্তা

১১

ইরানে ইসরায়েলি হামলায় দুই সেনা নিহত

১২

অপু থেকে বুবলী : সন্তান প্রসঙ্গে কেন বারবার একই চিত্র?

১৩

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সংসদ ও পুলিশের প্রতিক্রিয়ায় টিআইবির ব্যাখ্যা

১৪

পুকুরে মিলল মাদ্রাসাছাত্রের লাশ

১৫

১৯৭১ : একটি গ্রামের গল্প

১৬

কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দিদের মাঝে মৌসুমী ফল বিতরণ

১৭

রাতের মধ্যে বজ্রবৃষ্টি হতে পারে যেসব জেলায়

১৮

ডিজিটাল মাধ্যমেও নারী-শিশুরা নিরাপদ নয় : নিপুণ রায় 

১৯

আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, আটক ৫

২০
X