মহিউদ্দিন খান মোহন
প্রকাশ : ১৯ নভেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ১৯ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:১৩ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
এ কথা সে কথা

কূল নাই কিনার নাই

কূল নাই কিনার নাই

‘নদীর কূল নাই, কিনার নাই রে/ আমি কোন কূল হতে কোন কূলে যাবো/ কাহরে শুধাই রে.../’ কবি জসীমউদদীনের লেখা ও প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী আব্বাসউদ্দীন আহমদের গাওয়া একটি আধ্যাত্মিক গান। গানটিতে এই জগৎ-সংসারকে কূল-কিনারাহীন নদীর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। এই ভবনদী পাড়ি দিয়ে কীভাবে একজন মানুষ সৃষ্টিকর্তার সান্নিধ্যে পৌঁছতে পারবে, তারই আকুতি ফুটে উঠেছে গানটির প্রতিটি পঙ্ক্তিতে। শুধু তাই নয়, বাস্তব জীবনেও মানুষ এমন কূল-কিনারাহীন অবস্থায় পড়ে যায়। সে ত্রিশঙ্কু অবস্থা থেকে উদ্ধার পাওয়ার পথ খুঁজে তখন সে হয়রান হয়। কখনো পথের দিশা পায়, কখনো না পেয়ে আবার দয়াল-মুর্শিদের শরণাপন্ন হয়—‘পথের দিশা দাও গো মুর্শিদ, পথের দিশা দাও’ গান গেয়ে। পথের দিশাও আবার সবসময় মেলে না।

এই কূল পাওয়া না পাওয়ার বিষয়টি জগৎ-সংসারের অন্যান্য বিষয়ের মতো রাজনীতির অঙ্গনেও সমানভাবে দৃশ্যমান হয় কোনো কোনো সময়। রাজনীতির সাপলুডু খেলায় একসময় যে ব্যক্তি বা দল মই পেয়ে একলাফে উঠে যায় ‘৯৩’-এর ঘরে, পরক্ষণেই সাপের মুখে পড়ে ‘৯৭’ থেকে নেমে আসে ৩-এর ঘরে। ১০০-এর ঘরে আর পৌঁছতে পারে না সহজে। আসলে রাজনীতির চূড়ান্ত গন্তব্যের পথে যেমন ওপরে ওঠার মই রয়েছে, তেমনি রয়েছে ছোট-বড় নানা ধরনের সাপ। সাপলুডু খেলায় জেতা না জেতা নির্ভর করে ছক্কা নামের চৌকোনা ঘুঁটির চালের ওপর। আর রাজনীতির সাপলুডুতে সাফল্য-ব্যর্থতা নির্ভর করে বুদ্ধিমত্তা, কৌশল বা কূটকৌশলের ওপর। কখনো নিতে হয় ছলনা বা প্রতারণার আশ্রয়। রাজনীতিতে নাকি সবই হালাল। ঠিক ‘এভরি থিং ইজ ফেয়ার ইন লাভ অ্যান্ড ওয়ার’-এর মতো। রাজনীতিও যেহেতু এক ধরনের যুদ্ধ, তাই এ যুদ্ধে জেতার জন্য যে কোনো কৌশল-কূটকৌশল দোষণীয় বলে বিবেচিত হয় না। কেবল খুন-খারাবি ছাড়া। তবে এখানে জেতার সহজ-সরল কোনো পথ নেই। লুডু খেলার মতো ছক্কা-চালের মতো কোনো ব্যাপারও নেই।

সহৃদয় পাঠক কি বিরক্ত হচ্ছেন এই বকবকানিতে? হলেও অবাক হব না। শুধু করজোড়ে ক্ষমা চেয়ে বলব, বর্তমান সময়ে আমাদের রাজনীতিতে সাপলুডুর যেমন সাযুজ্য রয়েছে, তেমনি কূল-কিনারাহীন নদীও দৃশ্যমান। বহু মিটিং-সিটিং, কথা চালাচালি, আলোচনা-সমালোচনা, তর্ক-বিতর্কের পর গত ১৭ অক্টোবর যে জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছিল, সেটার বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে সৃষ্টি হয় নতুন জটিলতা। এ বিষয়ে জনগণের ম্যান্ডেট নিতে ‘গণভোট’ আয়োজনে সবাই একমত হলেও সেটা সংসদ নির্বাচনের আগে না পরে হবে, তা নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। বিএনপি শুরু থেকেই বলে আসছিল, সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোট অনুষ্ঠিত হোক পৃথক ব্যালটে। আর জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি আগে গণভোটের দাবিতে যুদ্ধংদেহী মনোভাব প্রদর্শন করতে শুরু করে। এ বিষয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। পরিশেষে সরকার বলটি ঠেলে দেয় রাজনৈতিক দলগুলোর কোর্টে। তারা দলগুলোকে সাত দিনের আলটিমেটাম দিয়ে বলে দেয়, এর মধ্যে দলগুলো ঐকমত্যে আসতে না পারলে অন্তর্বর্তী সরকারই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। অবশেষে রাজনীতির মাঠে পড়ে থাকা সে বলটিতে পা ছোঁয়াতে হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারকেই। গত ১৩ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশে দেওয়া তার ভাষণে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গণভোটের আদেশ জারি করেছেন। তার আগে ওই আদেশে স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

এখন বিতর্ক চলছে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ নিয়ে। কেউ পক্ষে, কেউ বিপক্ষে বলছেন। আবার কেউ মাঝামাঝি অবস্থানে থেকে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। দলগুলোর মধ্যে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি ছাড়া আর কোনো দল তেমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেনি। অবশ্য অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র ওইসব দলের প্রতিক্রিয়া দেশের রাজনীতিতে তেমন গুরুত্বও বহন করে না। প্রধান উপদেষ্টার ভাষণের পরপর বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ অভিযোগ করে বলেছিলেন, গণভোট আদেশ জারি করতে গিয়ে প্রধান উপদেষ্টা নিজেই জুলাই সনদ লঙ্ঘন করেছেন। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পর রাতে দলটির স্থায়ী কমিটির সভায় একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেওয়ায় প্রধান উপদেষ্টাকে অভিনন্দন জানানো হয়। অন্যদিকে জুলাই সনদ আদেশ জারি করায় অন্তর্বর্তী সরকারকে ধন্যবাদ জানালেও একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের নিন্দা জানিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। আর অন্তর্বর্তী সরকারের অংশীদার এনসিপি বলেছে, জুলাই সনদের সবকিছু রাজনৈতিক দলের, জনগণ কিছুই পায়নি।

প্রধান উপদেষ্টার ভাষণের পর রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিক্রিয়া নিয়ে গত ১৪ নভেম্বর প্রকাশিত দৈনিক কালবেলার প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল, ‘দলগুলো এবারও আসতে পারেনি এক কাতারে’। প্রতিবেদনের শিরোনাম যথার্থ। কেননা, যে ঐকমত্যের জন্য এত হৈচৈ, তার শেষ ধাপে জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণও তাদের একাত্ম করতে পারেনি। জুলাই সনদ ও গণভোটের বিষয়ে রাষ্ট্রপতির আদেশ জারি এবং ত্বরিত গেজেট প্রকাশের পরও বিতর্কের অবসান হয়নি। বরং তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে সংসদের উচ্চকক্ষ গঠনের পদ্ধতি, গণভোট ও নির্বাচন একই দিনে অনুষ্ঠান এবং আদেশ জারির ক্ষেত্রে প্রধান উপদেষ্টার নিজেই জুলাই সনদ লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে। মোদ্দা কথা, সরকার মাঠের বলটি জালে ঠেলে দিলেও রাজনীতির সব পক্ষ তাতে একমত হতে পারেনি। যদিও দুয়েকটি সংবাদপত্র মন্তব্য করেছে, অন্তর্বর্তী সরকার সব পক্ষকে তুষ্ট করে আদেশ জারি করেছে। তবে, সব পক্ষ যে তুষ্ট হয়নি, তা এখন পরিষ্কার।

স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিএনপি প্রধান উপদেষ্টাকে যে অভিনন্দন জানিয়েছে, সেটাকে রাজনৈতিক শিষ্টাচার হিসেবেই বিবেচনা করা যেতে পারে। তা ছাড়া জামায়াত-এনসিপির ‘আগে গণভোট’ দাবিকে উপেক্ষা করে বিএনপির দাবি মোতাবেক একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘোষণা বিএনপিকে উৎফুল্ল করেছে নিঃসন্দেহে। তবে তারা যে প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণায় পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতে পারেনি, দলটির নেতাদের কথাবার্তায় তা স্পষ্ট। ১৪ নভেম্বর স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘মনে রাখতে হবে, গণভোটের মধ্য দিয়ে আইন প্রণয়ন করা হয়ে যাবে না। গণভোটের মধ্য দিয়ে সংবিধান সংশোধন হয়ে যাবে না। তার আগে জাতীয় সংসদ গঠিত হতে হবে। একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেছেন, কোনো আইন বা আদেশ দিয়ে সংসদের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ আমরা চাই না।’ (সূত্র: কালবেলা, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫)। সালাহউদ্দিন আহমদের মন্তব্যকে আমরা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক জারিকৃত ও প্রধানর উপদেষ্টা কর্তৃক উপস্থাপিত ‘গণভোট আদেশ’-এ বিএনপির ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বলেই ধরে নিতে পারি। অর্থাৎ, তারা প্রধান উপদেষ্টার ভাষণকে স্বাগত জানালেও সংবিধান ও জাতীয় সংসদের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে অনমনীয় অবস্থানেই রয়েছেন। সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাজনীতির অনুশীলনকারী দল হিসেবে তাদের এ অবস্থান যথার্থ। জুলাই সনদকে জাতীয় সংবিধানের ওপরে বা সমান্তরাল অবস্থান দিতে এতদিন যেসব রাজনৈতিক দল নানারকম কসরত করে আসছিল, এটা তাদের জন্য সতর্কবার্তাও বটে। কেউ চাইলেই যে সংবিধানের অসংগত পরিবর্তন কিংবা সংসদের সার্বভৌমত্বকে ক্ষুণ্ন করা যাবে না, বিএনপি তা জানিয়ে দিয়েছে।

এদিকে ১৫ নভেম্বরের কালবেলার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, জুলাই সনদ আদেশ জারি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ফলে সৃষ্ট রাষ্ট্রীয় সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা পূরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হলেও এ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর বিভাজনের নিরসন হয়নি। বরং নতুন করে কয়েকটি বিতর্কের জন্ম হয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, সরকার তার পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে কোন কূল রক্ষা করল? বিশ্লেষকদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকার সবাইকে খুশি রাখার চেষ্টা করলেও মূলত নিজেরা যেটা চেয়েছে, সেটাকেই প্রাধান্য দিয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার সাংবিধানিক সংস্কারের প্রক্রিয়াটি শুরু করে একটি প্রাতিষ্ঠানিক কূল রক্ষা করেছে, কিন্তু রাজনৈতিক কূল রক্ষা করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। প্রশ্ন হলো, এ ব্যর্থতা আসলে কাদের? অন্তর্বর্তী সরকারের, নাকি রাজনৈতিক দলগুলোর? অন্তর্বর্তী সরকারকে যদি আমরা নিরপেক্ষ বলে ধরে নিই, তাহলে এটা মানতেই হবে, তারা বাংলাদেশের রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে একটি সময়োপযোগী প্রক্রিয়ার সূত্রপাত করেছে। তবে, এরই মধ্যে দেশের তিনটি প্রধান রাজনৈতিক শক্তির পক্ষ থেকেই এ সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে সময়ে সময়ে সরকার জামায়াত-এনসিপিকে প্রাধান্য দিচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। আবার গত জুনে লন্ডনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক ও সেখানে যৌথ বিবৃতিতে নির্বাচনের সময়সীমা ঘোষণা নিয়ে জামায়াত-এনসিপি ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। বস্তুত নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে যে সব পক্ষকে খুশি করা সম্ভব নয়, এটা অনস্বীকার্য।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, রাজনৈতিক দলগুলোর মতভিন্নতা শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে। প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণে যে সমঝোতার কথা বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলো যদি সে পথে না হাঁটে, তাহলে বিদ্যমান সমস্যার কোনো সমাধান আশা করা যায় না। দলগুলো মাঝেমধ্যে ফ্যাসিস্ট শক্তির পুনরুত্থানের বিরুদ্ধে ঐক্যের কথা একই সুরে বলে থাকে। কিন্তু যখনই রাজনৈতিক স্বার্থের প্রশ্ন আসে, তখনই তারা সংকীর্ণতার বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে পড়ে। দলগুলোর এ মানসিকতার যদি পরিবর্তন না ঘটে, তাহলে রাষ্ট্র সংস্কারের বৃহৎ কর্মযজ্ঞ ও গণতন্ত্রের পুনর্বাসন অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

রাজনৈতিক দলগুলোর এমন দ্বান্দ্বিক অবস্থানের মাঝখানে পড়ে অন্তর্বর্তী সরকারের এখন হাঁসফাঁস অবস্থা। তাদের অবস্থা পূর্বোল্লিখিত গানের শেষ পঙ্ক্তিমালায় প্রতিভাত—‘বিষম নদীর পানি, ঢেউ করে হানাহানি/ ভাঙা এ তরণী তবু বাই রে/ আমার অকূলের কূল দয়াল আল্লার/ যদি দেখা পাই রে...’। কবি জসীমউদদীন দয়াল আল্লাহর দেখা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছিলেন তার রচিত গানে। এখানে প্রেক্ষাপট ভিন্ন। যে বিষম দরিয়ার মাঝখানে আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, তিনি কি দেখা পাবেন সাফল্যের? গণতন্ত্রকে পৌঁছে দিতে পারবেন তীরে?

লেখক: সাংবাদিক ও কলাম লেখক

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ছাগল চুরি করে পালানোর সময় স্বামী-স্ত্রীসহ ধরা পড়ল তিনজন

মার্কিন হেলিকপ্টার ভূপাতিত করে ট্রাম্পকে চটিয়ে তুলেছে ইরান

আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস পালিত হবে আজ

সকালের মধ্যে ১৮ জেলায় দমকা হাওয়ার সঙ্গে ব্যাপক বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে বিতর্ক: শেয়ার মালিকানা প্রকাশের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নাসির-তামিমার ভাগ্য নির্ধারণ আজ, দোষ প্রমাণিত হলেই ভয়ঙ্কর পরিণতি

‘ফিল্মি স্টাইলে’ হামলা চালিয়ে পুলিশের হাত থেকে আসামি ছিনতাই

অবশেষে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা-দাফনের সময় জানাল ইরান

বিশ্বকাপের আগেই সুসংবাদ / নেইমারকে নিয়ে ব্রাজিল শিবিরে স্বস্তির বার্তা

মাঝ আকাশে বিমানের জানালার কাচ ভাঙলেন যাত্রী!

১০

আলভারেজকে নিয়ে রিয়ালের ‘মেগা বিড’, প্রত্যাখ্যানের ঘোষণায় চমকে দিল অ্যাটলেটিকো 

১১

সম্পদ-দলীয় প্রতীক সবই হারাচ্ছেন মমতা!

১২

বিমান বাহিনীর ১৩১তম জুনিয়র কমান্ড ও স্টাফ কোর্সের সনদপত্র বিতরণ

১৩

চিকিৎসকদের নিয়ে সাংবাদিক মাসুদ কামালের বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ড্যাব

১৪

সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় চোখে আলো ফিরেছে ৮৪ জনের

১৫

বাজেটে মোবাইল, বিদ্যুৎ ও প্রযুক্তিপণ্যে বড় সুখবর

১৬

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৭

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় দেশের পতাকা থাকুক সবার উপরে

১৮

গাজায় সহিংসতার দায়ে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রীর ওপর ফ্রান্সের নিষেধাজ্ঞা

১৯

ঢাকায় নিখোঁজ জবি শিক্ষার্থীর বাবা, সন্ধান চায় ছেলে

২০
X