খায়রুল আনোয়ার
প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:৩২ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

উত্তর নেই, প্রশ্নের পাহাড়

উত্তর নেই, প্রশ্নের পাহাড়

সব কূল রক্ষা করার লক্ষ্য নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা গত ১৩ নভেম্বর জাতির উদ্দেশে যে ভাষণ দিলেন, তাতে কি সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে গেল? শঙ্কা কেটে গিয়ে জনমনে কি স্বস্তি ফিরে এসেছে? কোনো কোনো রাজনৈতিক দল নতুন নতুন ইস্যু তৈরি করা থেকে বিরত থাকবে? নির্বাচন কমিশন কি ইতিহাসের ‘সেরা নির্বাচন’ আয়োজনে সফল হবে, যার ঘোষণা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বারবার দিয়ে যাচ্ছেন? জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত হওয়া গণভোটের পরিণতি কী হবে? কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অনলাইনে বিভিন্ন সময় ঘোষিত ‘লকডাউন’ বা ‘শাটডাউন’ কি আগামীতেও অব্যাহত থাকবে? ককটেল নিক্ষেপ, বাসে আগুন, মহাসড়ক অবরোধের মতো কর্মসূচি কীভাবে বন্ধ করা যাবে? সাধারণ মানুষের মনে এমন অসংখ্য প্রশ্ন, কিন্তু উত্তর সম্ভবত কারও জানা নেই। প্রধান উপদেষ্টা স্বয়ং মহাবিপদের বিষয়ে সতর্ক সংকেত দিয়ে রেখেছেন। প্রফেসর ইউনূস তার ভাষণে এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে অভ্যুত্থানের পক্ষের রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তা না হলে জাতি এক মহাবিপদের সম্মুখীন হবে।’

প্রধান উপদেষ্টার এ সতর্কবার্তা বিশেষভাবে বিবেচনার দাবি রাখে। তিন মাসেরও কম সময়ের পর বহুল প্রত্যাশিত নির্বাচন হওয়ার কথা। অথচ ১৯৯১ থেকে তিনটি নির্বাচনের আগে যে অনুকূল পরিবেশ পরিস্থিতি ছিল, এবার এখন পর্যন্ত তা একেবারেই অনুপস্থিত। স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল ও শক্তিই শুধু নয়, দেশের মানুষ একটি অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছে। পুরোনো ভোটারের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের চার কোটিরও বেশি ভোটার এবার প্রথমবারের মতো ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচন বিলম্বিত করা, সম্ভব হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনিশ্চিত করে তুলতে ‘ডিপ স্টেট’ কিছুদিন আগে পর্যন্ত ছিল সক্রিয়। তবে প্রফেসর ইউনূস এখন নির্বাচন করে তার দায়িত্বের অবসান ঘটাতে চান—এটা এখন পরিষ্কার। তবে নির্বাচন পর্যন্ত পরিস্থিতি তার পক্ষে কতখানি অনুকূল থাকবে, তা এক বিরাট প্রশ্ন হয়ে বিরাজ করছে। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারা এবং সংস্কারের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার নির্ধারণের বাস্তবতা অনুধাবন না করার ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতি প্রফেসর ইউনূসের জন্য এখন রীতিমতো চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছে। তৈরি করেছে নানামুখী সংকট। নির্বাচন নিয়ে কারও সঙ্গে আলাপ করলেই অবশ্যম্ভাবী সবার একটাই প্রশ্ন, নির্বাচন হবে তো? এর প্রধান কারণ হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। চট্টগ্রামে গণসংযোগকালে গত ৫ নভেম্বর বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন এক যুবক। বিএনপি প্রথম পর্যায়ে তাদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার কয়েক দিনের মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার পর মাঠের পরিস্থিতি কী দাঁড়ায়, তা নিয়েও রয়েছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। সংবাদপত্রে খবর প্রকাশিত হয়েছে, সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র ঢুকছে। গণঅভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া অনেক অস্ত্র এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা যায়নি। নির্বাচন সামনে রেখে সক্রিয় হচ্ছে আন্ডারওয়ার্ল্ড। সন্ত্রাসীদের তৎপরতাও বাড়ছে।

জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে হওয়া এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারির ঘোষণা নিয়ে প্রধান দুটি দল প্রতিক্রিয়া দেখানোর ক্ষেত্রে যেন নাটকীয়তার আশ্রয় নেয়। দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণের পর বিকেলে কঠোর সমালোচনা করে বিএনপি। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ভাষণের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা নিজের সই করা সনদ লঙ্ঘন করেছেন। রাষ্ট্রের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টির পরিবর্তে অনৈক্য সৃষ্টির চেষ্টা হচ্ছে কি না, এই প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, বিভাজনের দায়-দায়িত্ব কি প্রধান উপদেষ্টা নেবেন? সালাহউদ্দিন আহমদ এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, গত ১৭ অক্টোবর সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদে প্রধান উপদেষ্টা স্বাক্ষর করেছেন। সেটি তিনি লঙ্ঘন করেছেন ভাষণের মাধ্যমে। সংসদের উচ্চপক্ষে পিআর জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে নোট অব ডিসেন্টে মীমাংসিত। এটি নতুন করে আরোপ করার কোনো সুযোগ নেই। এ ছাড়া সংবিধান সংস্কার পরিষদ নামে যে বডি, সেটি জাতীয় সংসদের কোন পর্যায়ে গঠন, ঐকমত্য কমিশনে আলোচনার বিষয় ছিল না। এটি সম্পূর্ণ নতুন ধারণা। সালাহউদ্দিন আহমদের কঠোর সমালোচনার পর রাতে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে একই দিনে সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের ঘোষণা দেওয়ায় প্রফেসর ইউনূসকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীসহ আট দল জুলাই সনদ (সংবিধান সংস্কার) জারি করায় অন্তর্বর্তী সরকারকে ধন্যবাদ জানায়। তবে আট দল একই দিনে নির্বাচন এবং গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে তা প্রত্যাহার দাবি করে। জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে হলে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলেও সংস্কার বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি হবে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুটি প্রধান দাবি পূরণ হলেও রাজনৈতিক কারণে জামায়াত নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজনের দাবি জানিয়ে যাবে। তবে সনদ বাস্তবায়ন আদেশ প্রত্যাখ্যান করবে না, নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে আয়োজনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলনেও যাবে না। এনসিপি রাষ্ট্রপতির আদেশ জারিতে ক্ষোভ প্রকাশ করলেও সনদের আইনি ভিত্তিতে খুশি। দলটির মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, সরকার আদেশে বিএনপি এবং জামায়াতকে ভাগ দিয়েছে। জনগণকে কিছু দেয়নি। আর রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে সই করিয়ে আদেশকে অপবিত্র করেছে।

দলগুলো জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আদেশ নিয়ে নিজ নিজ রাজনৈতিক অবস্থান থেকে মুখে সমালোচনা করলেও কোনো কর্মসূচিতে যায়নি। বিশেষ করে জামায়াত সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোটের দাবিতে বেশ কিছুদিন কর্মসূচি পালন করলেও সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারির পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো কর্মসূচি ঘোষণা দেয়নি। জুলাই সনদ ও বাস্তবায়ন আদেশের বিরুদ্ধে কোনো দল কোনো ধরনের কর্মসূচি না দেওয়ায় অন্তর্বর্তী হয়তো স্বস্তিবোধ করছে।

জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট হলে অর্থ ও সময় সাশ্রয় হবে, এ কথা ঠিক। তবে চারটি ssবিষয়ের ওপর একটি মাত্র প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট জটিলতার সৃষ্টি করবে। এমনিতেই গণভোটের বিষয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ কম। যে ৩০টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলো সম্পর্কে ভোটারদের অধিকাংশ অবগত নন। গণভোটের ক্ষেত্রে একটি বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে। আর তা হচ্ছে, কোনো কারণে যদি ‘না’ ভোট বেশি পড়ে, সে ক্ষেত্রে কী হবে? এ বিষয়ে কিছু বলা নেই জুলাই সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশে। প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি মনে করে, সংবিধান সংস্কারের নামে অনেক কিছুই তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিএনপি সমর্থক ভোটাররা ‘না’ ভোট দিলে ‘হ্যাঁ’ জিততে পারবে কি না, এ প্রশ্নও জোরেশোরে উঠছে। এ ছাড়া ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সমর্থকরা ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলে জুলাই সনদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে, এটা বলাই যায়। ফলে গণভোটের পরিণতি কী হবে, তা নিশ্চিত করে বলা যাবে না।

পত্রিকান্তরের প্রধান শিরোনামে বলা হয়েছে, ‘হ্যাঁ’ ‘না’ নিয়ে দ্বিধায় বিএনপি, প্রশ্নের পরিবর্তন চায়। গণভোটের প্রশ্নের পর বিষয়বস্তুর মধ্যে কোনো এক বা একাধিক প্রশ্নে দ্বিমত থাকলে ভোটার কীভাবে মতামত জানাবে, তা পরিষ্কার নয় বিএনপির কাছে। এ অবস্থায় যেসব বিষয়ে জুলাই সনদে ঐকমত্য হয়েছে, সেসব বিষয় গণভোট আয়োজনের জন্য শিগগিরই সরকারের কাছে দাবি জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি (সমকাল, ১৬ নভেম্বর)। কালবেলা ‘গণভোটের চার প্রশ্নের একটির উত্তর নিয়ে’ শিরোনামে খবর প্রকাশ করেছে (১৬ নভেম্বর)। খবরে বলা হয়েছে, বহুল আলোচিত জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে স্বাগত জানালেও এ প্রশ্নমালা এবং প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টার দেওয়া ভাষণে গণভোটের উল্লিখিত চারটি প্রশ্নের কোনোটিতে ‘হ্যাঁ’ আবার কোনোটিতে আলাদা করে ‘না’ বলার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। একসঙ্গে চারটি বিষয়ে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দিতে হবে ভোটারদের। এ ক্ষেত্রে ভোটারদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা হবে না বলে মত বিশেষজ্ঞদের। কালবেলার খবরে আরও বলা হয়েছে, এ ছাড়া নিরক্ষর ভোটারদের ক্ষেত্রে চারটি বিষয়ের একটি মাত্র ভোট প্রয়োগে জটিলতা তৈরি হতে পারে—এমন শঙ্কার কথাও জানান তারা (কালবেলা, ১৬ নভেম্বর)।

ফেব্রুয়ারি প্রথমার্ধকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলো ক্রমে নির্বাচনমুখী হবে। বিএনপি এরই মধ্যে ২৩৬ আসনে প্রার্থী মনোনয়ন ঘোষণা করেছে। দলের বেশ কিছু আসনের মনোনয়ন নিয়ে বিরোধ-কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে কয়েকটি আসনে বঞ্চিত প্রার্থীদের সমর্থকরা বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধসহ নানা ধরনের কর্মসূচি পালন করছে। দলটি অঘোষিত ৬৩ আসনে মনোনয়নের বিষয়ে চূড়ান্ত নেবে চলতি মাসেই। মিত্রদের আসন ছাড়ার বিষয়েও ফয়সালা সহসাই হবে বলে গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। জামায়াত অনেক আগেই তিনশ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এনসিপি কিছু আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলেও বড় দুটি দলের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি নিয়ে সমঝোতার চেষ্টা করছে।

দলগুলোর ক্রমেই নির্বাচনমুখী হওয়া, নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের প্রস্তুতিতে আগামী মাস থেকে ভোটের হাওয়া জোরেশোরেই বইতে শুরু করবে। তবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাদের অনলাইনে দেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি কোনো ধরনের অস্থিরতা তৈরি করবে কি না, তা দেখার বিষয়। রাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কায় জনমনে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা রয়েছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলার রায় ঘোষণার আগে রোববার রাতে দেশের বিভিন্ন স্থানে নাশকতার ঘটনা ঘটে। জনমনে সৃষ্টি হয় আতঙ্ক। রাজধানীতে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পান। সারা দেশে বিরাজ করে চাপা উত্তেজনা। নির্বাচনের ঠিক আগে দেশের পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে, একটি ভালো নির্বাচন করা কতখানি সম্ভব হবে—এ প্রশ্নের জবাব মিলবে কি?

লেখক: সাংবাদিক ও রাজনীতি বিশ্লেষক

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আর্জেন্টিনা সমর্থকের মাথা ফাটাল ব্রাজিল সমর্থক

বিধ্বস্ত মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টারের ক্রুদের অবস্থা জানালেন ট্রাম্প

ইসরায়েলের ভাসমান কারাগারে ৭২ ঘণ্টা, ভয়াবহ অভিজ্ঞতা ফ্লোটিলা কর্মীর

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে স্থগিত

বাবা-ছেলেকে ধরে নিয়ে গেছে ইসরায়েলি বাহিনী

মোবাইলে বিশ্বকাপ দেখবেন যেভাবে

প্রকাশ্যে রাজমিস্ত্রিকে গুলি

গোল না খাওয়ার পরিসংখ্যানে শীর্ষে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ৪৩তম

যুবদল নেতা বহিষ্কার

রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে নিহত ৪, আহত ১০

১০

ম্যারাডোনার ‘ঈশ্বরের হাত’ ছোঁয়া সেই বল এখন কোথায়

১১

ট্রাক-কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে প্রাণ গেল যুবকের

১২

বিয়ে বাড়িতে গরুর মাংস নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

১৩

আজ বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস

১৪

রামিসা হত্যা / ফাঁসির আসামিদের ‘কনডেম সেলে’ রাখা হলো সোহেল-স্বপ্নাকে

১৫

তেহরানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফের ফ্লাইট চলাচল শুরু

১৬

শুরুতেই উইকেট হারাল বাংলাদেশ

১৭

সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ, রাতভর পাহারায় বিজিবি-স্থানীয়রা

১৮

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের দৌড়ে বাংলাদেশের নিচে ভারত

১৯

নেত্রকোনায় রোহিঙ্গা যুবক আটক

২০
X