কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:২৫ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

লটারি-বাহারে পুলিশ, আস্থা সেনায়

মোস্তফা কামাল
লটারি-বাহারে পুলিশ, আস্থা সেনায়

নির্বাচনের যাত্রাপথ, নির্বাচনের পূর্বাপরেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলতে সবার আগে চোখ যায় পুলিশের দিকে। তারপর আসে সশস্ত্র বাহিনী, র্যাব, আনসারসহ অন্যান্য বাহিনীর নাম। কিন্তু চরম ট্র্যাজেডি হচ্ছে, পুলিশ এখনো ক্ষত সারিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। অভ্যন্তরীণভাবে কর্মকর্তা-সদস্য মিলিয়ে পুলিশের বিরাট একটা অংশ চায় মান-মর্যাদাসহ পেশাদার হতে। জনগণের বন্ধু হতে না পারুক, অন্তত শত্রুর কলঙ্কমুক্ত হয়ে মানুষের কাতারে আসতে। কাজে-আচরণে যদ্দূর সম্ভব আস্থায় আসতে। কিন্তু বাস্তবটা বড় করুণ। জনআকাঙ্ক্ষা, সরকারের এবং পুলিশের অভ্যন্তরীণ নানা চেষ্টা-প্রচেষ্টায়ও ফল আসছে না। পারছে না কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় ঘুরে দাঁড়াতে। ৫ আগস্টের আগে-পরেও দলীয়পনা এবং আনুগত্যের বিভাজন পুলিশকে পুলিশ করেই রেখেছে। যার পরিণতিতে ভুগছে তো ভুগছেই পুলিশ বাহিনী। সোয়া এক বছরেও পারেনি আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে কিছু কাজ দেখিয়ে হলেও মানুষের আস্থায় যেতে। এতে পুলিশের পেশাদারদের মধ্যে চরম কষ্ট-অস্বস্তি। না পারছে কিছু করতে, না পারছে বলতে।

পুলিশের মানসিক এ যন্ত্রণার সঙ্গে যোগ হয়েছে বাড়ি থেকে ধরে আনা কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পদায়ন, চুক্তির পর চুক্তি নবায়নে নানা সুযোগ-সুবিধা বাগানোর এক-একটি ঘটনা। ফ্যাসিস্ট আমলে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতায় সুবিধা হাতানোসহ নানা কাণ্ডকীর্তিতে চিহ্নিত কেউ কেউ এ আমলে এসে রাজনৈতিক বোল পাল্টে গুরুত্বপূর্ণ পদ-পদায়নের ঘটনাও পুলিশের পেশাদারদের হৃদয়ের রক্ত ক্ষরণের মতো। বাহিনীটির অভ্যন্তরে সমালোচনার এ তালিকায় খোদ আইজিপি বাহারুল আলমও। পিলখানায় ৫৮ সেনা কর্মকর্তাকে নৃশংস ও নিষ্ঠুরভাবে খুনের ঘটনা তদন্তে গঠিত স্বাধীন জাতীয় কমিশনের প্রতিবেদনে অভিযুক্ত পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যে গুরুত্বের সঙ্গে তার নাম থাকা এতে নতুন মাত্রা দিয়েছে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সময় অতিরিক্ত আইজি থাকা অবস্থায় পুলিশের বিশেষ শাখা এসবি প্রধান ছিলেন বাহারুল আলম। অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে তাকে বেশ কিছু দোষে শনাক্ত করেছে। সেখানে বলা হয়, কমিশনের তদন্তে অনুমানভিত্তিক তথ্য দিয়ে তিনি বিভ্রান্ত সৃষ্টি করেছেন। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ঘটনায় সরকারবিরোধীদের ফাঁসানো, মিছিলকারীদের শনাক্ত না করেই বিরোধীদলীয় কর্মীদের ওপর দায় চাপানো, মিছিলকারীদের শনাক্ত না করা, এসবির তৎকালীন মাঠপর্যায়ের টিমের পরিচয় না জানানো এবং ওই টিম কর্তৃক সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী না দিয়ে কমিশনকে অসহযোগিতা করা। প্রধান উপদেষ্টার কাছে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর এ নিয়ে আরও নানান কথা যোগ হয়েছে। আওয়ামী লীগ আমলে তার শ্যালকদের গোপালগঞ্জে উৎপাত, দলবাজিতে কামাই-রোজগারসহ আরও অনেক কথাও বাদ পড়ছে না।

স্পর্শকাতর প্রতিবেদনটিতে তার নাম আসার পর প্রশাসনের ভেতরে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সামনে আসছে অজানা বা ভুলে যাওয়া নানা ঘটনাও। পুলিশ সংস্কার, বাহিনীটিকে সোজা করে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করা, নির্বাচনে পারফরম্যান্স দেখানোর চেয়ে বাহারই হয়ে গেছেন বড় সাবজেক্ট। তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে গুরুতর মন্তব্যও এসেছে। এ ছাড়া, তার অপসারণ ও বিচারের দাবিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিয়েছে ‘শহীদ পিন্টু স্মৃতি সংসদ’ নামের একটি সংগঠন। সংগঠনের নেতারা গত বৃহস্পতিবার স্মারকলিপি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। একইদিন তার অপসারণ চেয়ে সরকারকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় বিষয়টি খুব গুরুত্বসহকারে দেখছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। যখন পুলিশকে ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করার কথা তখন সামনে প্রাসঙ্গিক হয়ে এসেছে আইজিপির কীর্তি। তার ওপর পুলিশ বাহিনী হয়ে গেছে লটারির আইটেম। লটারিতে দেশের সব জেলায় এসপি নিয়োগের পর লটারিতে ৫২৭ থানায় ওসি নিয়োগও দেওয়া হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশের স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে এমন লটারিকাণ্ড পুলিশকে খেলো করে তুলেছে। এরপরও সরকারের দিক থেকে পুলিশকে কার্যকর করা, বাহিনীটির পুনর্গঠনের চেষ্টা লক্ষণীয়। এর অংশ হিসেবে উপদেষ্টা পরিষদে ‘পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ’ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ কমিশনের দায়িত্ব পুলিশকে জনবান্ধব করা, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং বাহিনীকে আরও আধুনিকায়ন করা। পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিশনের প্রধান থাকবেন বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। পুলিশ যাতে প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করতে পারে, সে ব্যাপারে কী কী করণীয়, সে বিষয়ে কমিশন সরকারকে সুপারিশ করবে। এ ছাড়া পুলিশ যাতে মানবাধিকার সংবেদনশীল হয়, সে বিষয়ে পুলিশের কোথায়-কোথায় আধুনিকায়ন দরকার, কী ধরনের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন, সেগুলোও কমিশন চিহ্নিত করবে। এ কমিশনের আরও দুটি কাজ হচ্ছে— পুলিশের বিষয়ে নাগরিকদের যেসব অভিযোগ থাকবে, সেগুলো তদন্ত ও নিষ্পত্তি করা এবং পেশাগত বিষয়ে পুলিশ সদস্যদের যদি কোনো অভিযোগ থাকে, সেগুলোর নিষ্পত্তি করা। পুলিশি কার্যক্রমে দক্ষতা ও উৎকর্ষ আনা, শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেবে এ কমিশন।

এর আগে, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে সারা দেশে লটারির মাধ্যমে দায়িত্ব পাওয়া পুলিশ সুপারদের সঙ্গে গত বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে পুলিশ সুপারদের নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। নির্বাচনে কোনোরকমের পক্ষপাতিত্ব যেন না ঘটে, সেজন্য পুলিশ সুপারদের বারবার সতর্ক করেন প্রধান উপদেষ্টা। জুলাই শহীদদের ত্যাগের কথা মাথায় রেখে নির্বাচনের দায়িত্বকে ঐতিহাসিক দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন ড. ইউনূস। নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশের এ দুর্গতির বিপরীত অবস্থা সশস্ত্র বাহিনীর। নির্বাচনকে সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য করতে ইসিকে যাবতীয় সহযোগিতার অঙ্গীকার ও প্রস্তুতির কথা জানিয়ে রেখেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। এও বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের দেখানো পথ অনুযায়ী দেশের স্বার্থে, জনকল্যাণে কাজ করে যাবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বিভিন্ন মহল থেকে যখন আগামী নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জিং বলা হচ্ছে, তখন সেনাপ্রধানের পরিষ্কার কথা—সেনাবাহিনী যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত। এরকম সময়ে জেনে-বুঝেই প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসও আগামী জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ঐতিহাসিক ভূমিকা আশা করেছেন। সেইসঙ্গে প্রশংসা করেছেন জাতীয় নিরাপত্তা, অগ্রগতি, জাতিগঠন এবং সংকটকালে জনগণের পাশে দাঁড়ানোয় সশস্ত্র বাহিনীর অবদানের কথা। বলেছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মহামারির মতো সংকটে সশস্ত্র বাহিনীর অব্যাহত প্রচেষ্টা দেশের জনগণের কল্যাণে তাদের প্রস্তুতি ও অটল নিষ্ঠার প্রমাণ বহন করে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বৈশ্বিক শান্তিতে বাহিনীটির অবদানের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন। ন্যাশনাল ডিফেন্স গ্র্যাজুয়েশন কোর্স অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার এসব কথা ও আহ্বানের মধ্য দিয়ে বার্তা পরিষ্কার। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে তার আগ্রহ এবং এ ব্যাপারে সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক সহায়তা চাওয়ার ফের বোঝা দুর্বোধ্য নয়। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন অত্যন্ত প্রত্যাশিত, তা চ্যালেঞ্জিংও। সংগত কারণেই এ নিয়ে ব্যাপক সন্দেহ-সংশয়। নির্বাচন হবে তো, হলেও সুষ্ঠু হবে তো, অন্তর্বর্তী সরকার পারবে তো—এ ধরনের বহু প্রশ্ন। আকাঙ্ক্ষা বেশি থাকলে প্রশ্ন-সংশয় বেশি থাকাও স্বাভাবিক। টানা ৯ বছর স্বৈরশাসন অবসানের পর ’৯১-এর নির্বাচনেও এ ধরনের একটি আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে প্রশ্নও দেখা দিয়েছিল। বিচারপতি সাহাবুদ্দীনের সরকার জনমানুষের সেই প্রত্যাশা মেটাতে পেরেছিল সেনা সহায়তায় বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি সুষ্ঠু, অংশগ্রহণ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন নিশ্চিতের মাধ্যমে। সেবারের সঙ্গে এবারের বেশ তফাত। ৯১-তে তিন জোটের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে যে ঐক্য ছিল, তা এবার নেই। তখন নির্বাচন প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিরোধ এমন ছিল না। অন্তর্কোন্দলে নেতাকর্মী হতাহতের ঘটনাও ছিল না এবারের মতো। এ ছাড়া বর্তমানে প্রশাসন-পুলিশসহ সরকারি সব দপ্তর সেবার এভাবে দলীয়করণ হয়নি। দৃশ্যমান আরও নানা কারণে এবারের নির্বাচন একানব্বইর মতো সরল সমীকরণের বদলে নানা জটিলতায় ভরা।

সংগত কারণেই এবার তাই বিশেষ ভরসাস্থলে সশস্ত্র বাহিনী। তাই ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে নয়; একেবারে সোজাসিধা ভাষায় সুষ্ঠু নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর প্রকাশ্য ও আনুষ্ঠানিক সহায়তা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন—এ আশাবাদের কথা পরিষ্কার করে জানানো স্বচ্ছতার পাশাপাশি এক ধরনের উদারতা এবং বাস্তবতার উপলব্ধিও। খোলা চোখেই দৃশ্যমান ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান, চলমান দেশ পুনর্গঠন ও সংস্কার কার্যক্রমেও সশস্ত্র বাহিনী আগের মতোই মানুষের পাশে থেকে আস্থার প্রতিদান দিচ্ছে। নির্বাচন পর্যন্ত নয়, নির্বাচনের পরও সশস্ত্র বাহিনী ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা নিয়ে মাঠে থাকার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে আরও আগেই। জন-আকাঙ্ক্ষার তাগিদ, বাস্তবতা ও সক্ষমতা বুঝেই সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও তদূর্ধ্ব সমপদমর্যাদার কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে সেনাবাহিনীর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেই সরকারের এমন সিদ্ধান্ত। স্বাভাবিকভাবেই তাদের প্রতি মানুষের আকাঙ্ক্ষা আরও বেড়েছে। তা নির্বাচন প্রশ্নেও। সেরকম আকাঙ্ক্ষা বা ভরসার ধারেকাছেও যেতে পারেনি পুলিশ বাহিনী। পারেনি মানুষের ঘনিষ্ঠ হয়ে নিজেদের সাবলীল করতেও। উপরন্তু, পুরোনো বদনামমুক্ত হতে চায়—সেই ধারণাও দিতে পারেনি মানুষকে। ধিক্কৃত জায়গা থেকে বেরিয়ে চোখে পড়ার মতো কাজ দেখানোর বদলে একের পর এক নানা মন্দ কাজে আরও ল্যাপ্টাচ্ছে। আইজিপি বাহারের মধ্য দিয়ে সেখানে আরও কলঙ্ক পালকই যোগ হলো।

লেখক: সাংবাদিক-কলামিস্ট; ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিচারককে হাইকোর্টে তলব / হবিগঞ্জে ৫ বছরেও শেষ হয়নি ‘ধর্ষণ ও হত্যা’ মামলার বিচার

নকল ও ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে অভিযান অপ্রতুল : বিএসটিআইকে ক্যাব

ইরান ও হুথিদের পদক্ষেপের প্রশংসায় হিজবুল্লাহ

মিরপুরে বৃষ্টির হানা, খেলা না হলে কে জিতবে?

শেষ ম্যাচে তারকাবহুল দল নিয়ে নামছে আর্জেন্টিনা

ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে নিহত বেড়ে ৩,৬৬৬

স্থায়ী যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে লেবানন

বাজেটে বেতন নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর

রাজশাহীতে বাড়ছে ডেঙ্গু উদ্বেগ

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে চাকরি, এসএসসি পাসেই আবেদন

১০

চার খাতে অতিরিক্ত ৪২৬০০ কোটি টাকা ভর্তুকির চাপ : অর্থমন্ত্রী

১১

তাপপ্রবাহ নিয়ে নতুন বার্তা

১২

তিন নতুন জিরো : ইউনূস সরকারের তিক্ত প্রাপ্তি

১৩

অভিজ্ঞতা ছাড়াই সিটি ব্যাংকে চাকরি, আবেদন অনলাইনে

১৪

ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ এক ডাচ ডিফেন্ডারের

১৫

ডিজিটাল মাধ্যমেও নারী-শিশুরা নিরাপদ নয় : নিপুণ রায় 

১৬

বকেয়া পৌরকরে ১৫ শতাংশ সারচার্জ মওকুফের ঘোষণা ডিএসসিসি প্রশাসকের

১৭

উত্তরা মটরসে চাকরি, বেতন ৪০ হাজার টাকা

১৮

অভিজ্ঞতা ছাড়াই ২০ জনকে নিয়োগ দেবে মিনিস্টার, এখনই আবেদন করুন

১৯

১১ রানে হারল বাংলাদেশ

২০
X