খায়রুল আনোয়ার
প্রকাশ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৩৮ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

সকল কাঁটা ধন্য করে...

সকল কাঁটা ধন্য করে...

সব জল্পনা, গুঞ্জন ও সংশয়ের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বহুল প্রত্যাশিত জাতীয় নির্বাচন হতে যাচ্ছে। সারা দেশের দৃষ্টি এখন ১২ ফেব্রুয়ারির দিকে। ১২ কোটি ৭৭ লাখেরও বেশি ভোটার অপেক্ষার প্রহর গুনছেন দীর্ঘ স্বৈরশাসনের অবসানের পর একটি নির্বাচিত সরকার বেছে নিতে। এই নির্বাচনে ৪ কোটিরও বেশি তরুণ ভোটার প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস দেশবাসীকে ইতিহাসের ‘সেরা নির্বাচন’ উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বহুবার। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেছেন, দেশের মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেবে। প্রফেসর ইউনূসের ‘সেরা নির্বাচনের’ ঘোষণা ১২ ফেব্রুয়ারি কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হবে। শান্তিতে নোবেলজয়ী প্রফেসর ইউনূস কতটা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে পারবেন, তাই এখন দেখার বিষয়। দরজায় কড়া নাড়া নির্বাচনের ওপর দেশের ভবিষ্যৎ অনেকখানি নির্ভর করছে। অবাধ, গ্রহণযোগ্য ও সহিংসতামুক্ত নির্বাচন করা না গেলে দেশ অভ্যন্তরীণ ও ভূরাজনৈতিকভাবে বিপজ্জনক ঝুঁকির মধ্যে পড়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।

১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন সামনে রেখে পেছনে ফিরে তাকালে দেখতে পাই, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশের রাজনীতি সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়েছে। স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও দেশে গণতন্ত্র স্থায়ী রূপ পায়নি। একদলীয় শাসন, সামরিক শাসন, নির্বাচিত সরকারের শাসন, সেনাসমর্থিত সরকারের শাসন, স্বৈরাচারী সরকারের শাসন—এভাবেই দেশ পরিচালিত হয়েছে। দেশের দুজন রাষ্ট্রপতি মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। দেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছে। আরেক রাষ্ট্রপতি মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা পালনকারী জিয়াউর রহমানকেও হত্যা করা হয়। এ ছাড়া অসংখ্য রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। রাজনীতি বারবার হয়েছে রক্তাক্ত, দেশ হয়েছে অশান্ত। বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহ জাতিকে অস্থির করে অসংখ্যবার। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার সুযোগ বারবার হাতছাড়া হয়েছে। ১৯৭৩ সাল থেকে দেশে দলীয় সরকারের অধীনে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে, তার সবকটিতেই ক্ষমতাসীনরাই জয়লাভ করেছে। অন্যদিকে নির্দলীয় বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে পরপর দুই মেয়াদে কোনো দল পরের নির্বাচনে ক্ষমতায় আসতে পারেনি। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত চারটি নির্বাচনে তেমনটিই ঘটেছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে। যে নির্বাচনে জয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। একসময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে তুমুল আন্দোলন গড়ে তোলা দলটি এই দফায় ক্ষমতায় এসে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধানই বাতিল করে দেয়। ২০১৪ সালের নির্বাচনে দেড় শতাধিক আসনে আওয়ামী লীগ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়। দেশের আরেক প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি এ নির্বাচনের বাইরে থেকে যায়। ২০১৮ সালের নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে—শেখ হাসিনা এই মর্মে অঙ্গীকার করেন যে, তিনি শেখ মুজিবের মেয়ে, কথা দিলে কথা রাখেন। বিএনপি শেখ হাসিনার এই অঙ্গীকারে বিশ্বাস করে নির্বাচনে গিয়ে প্রতারিত হয়। ২০১৮ সালের নির্বাচন ‘নিশিরাতের ভোটে’ পরিণত হয়। আর সর্বশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচন ‘আমি-ডামি’র নির্বাচন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

তিনটি একতরফা কলঙ্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় থেকে শেখ হাসিনা দেশে স্বৈরশাসন কায়েম করেন। বিরোধী দল ও মত দমন, হত্যা, গুম, মামলা-হামলার ঘটনা একপর্যায়ে সব সীমা অতিক্রম করে যায়। বিএনপিসহ বিভিন্ন গণতন্ত্রকামী দল স্বৈরাচারী শাসনের পতন ঘটাতে ২০১৪ সাল থেকে লাগাতার আন্দোলন-সংগ্রামে নিয়োজিত ছিল। সে আন্দোলন চূড়ান্ত সফলতা অর্জন করতে পারেনি। তবে চব্বিশে শিক্ষার্থী-জনতার ৩৬ দিনের রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থান শেখ হাসিনার টানা ১৫ বছর ৭ মাসের শাসনের পতন ঘটায়। গঠিত হয় প্রফেসর ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার। এ সরকারের ১৯ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গণতন্ত্রের অভিযাত্রার নতুন সুযোগের নির্বাচন। একই সঙ্গে হবে সংবিধান সংশোধনের ‘হ্যাঁ’ ‘না’ গণভোট। জয়ী হওয়ার জন্য ক্লান্তিহীনভাবে প্রচার ও গণসংযোগ লড়াই করে চলেছে নির্বাচনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলো। লিফলেট হাতে ও হ্যান্ডমাইক নিয়ে ‘ডোর টু ডোর’ ছুটছেন প্রার্থীরা। নির্বাচনে জয়ী হওয়ার লক্ষ্যে প্রতিশ্রুতির ফিরিস্তি তুলে ধরে ভোটারদের মন পাওয়ার জন্য চলছে অবিরাম চেষ্টা। দলের পক্ষ থেকে বিস্তর অঙ্গীকার বা ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে বর্তমানে প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি পূর্বঘোষিত ৩১ দফার পাশাপাশি নতুন করে অনেক প্রতিশ্রুতির অঙ্গীকার করছে। নির্বাচনযুদ্ধে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়তে ৪১ দফা রূপরেখা ঘোষণা করেছে। অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী তরুণদের গঠিত রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ৩৬ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছে।

বিএনপি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এ থিম সামনে রেখে সমৃদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক মানবিক রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার করছে। এরই মধ্যে অঙ্গীকারের প্রধান প্রধান দিকগুলোকে তুলে ধরে সংবাদপত্রে দলের পক্ষ থেকে ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়েছে। এসব অঙ্গীকারের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্যসেবা, সুশিক্ষিত জাতি গঠন, নিরাপদ জীবন ও দূষণমুক্ত দেশ গড়ার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনী মহাসমাবেশগুলোতে ক্ষমতায় গেলে ‘দুর্নীতির টুঁটি চেপে’ ধরার কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘অনৈতিক কাজে জড়িত কাউকে ছাড় দেব না। আমাদের দলের হলেও না।’ জামায়াতে ইসলামী ২০ জানুয়ারি রাজধানীর একটি হোটেলে দিনব্যাপী ‘পলিসি সামিট’ আয়োজন করে। জামায়াতের ৪১ দফার রূপরেখার মধ্যে রয়েছে—সব সেবা এক কার্ডে, ৫ বছরে ৫০ লাখ চাকরি, ১ কোটি তরুণকে প্রশিক্ষণ, নারীদের অগ্রাধিকার দিয়ে ৫ লাখ উদ্যোক্তা তৈরি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে চলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘দুর্নীতি করব না, সহ্যও করব না।’ অন্যদিকে এনসিপি এক কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তাদের ইশতেহারে। ইশতেহারে রয়েছে, ভোটাধিকারের বয়স ১৬ বছর এবং নারীর ক্ষমতায়ন বাড়াতে নিম্নকক্ষে ১০০টি সংরক্ষিত আসনে নারী প্রতিনিধিদের সরাসরি নির্বাচনের ব্যবস্থা করা।

নির্বাচনী প্রচার অভিযানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রধান দুই দলের শীর্ষ নেতারা রীতিমতো বাগযুদ্ধে লিপ্ত হচ্ছেন। একে অন্যের দিকে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের তীর ছুড়ে চলেছেন। নতুন নতুন বয়ান তৈরি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে জামায়াতে আমির ডা. শফিকুর রহমানের ‘নারীরা কখনো তার দলের প্রধান হতে পারবে না’—এ বক্তব্য রাজনীতিতে উত্তাপ ছড়িয়েছে। এ বক্তব্যের সূত্র ধরে বিএনপির চেয়ারম্যান বিভিন্ন নির্বাচনী সমাবেশে বলেছেন, একটি রাজনৈতিক দল দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীদের ঘরে আটকে রাখতে চায়। ওই নেতা (জামায়াতের আমির) আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে নারীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। নিজের সামাজিক মাধ্যমে লাখো-কোটি কর্মজীবী মা-বোনের সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করেছেন। ৭১-এর ভূমিকার জন্য এদের বিশ্বাস করার কারণ নেই বলেও তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন। জামায়াতের আমির পাল্টা বক্তব্য বলেছেন, নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে কথা বলায় গোপনে আমার পেছনে লাগা হয়েছে। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারীদের মাথায় করে রাখবে। আলজাজিরার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে নারীদের নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের জেরে বিতর্কের রেশ না থামতেই ডা. শফিকুর রহমানের ভেরিফায়েড এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে নারীদের নিয়ে করা পোস্ট নতুন করে বিতর্কের জন্ম দেয়। ওই পোস্টে কর্মজীবী নারীদের অবমাননা করা হয়েছে—এ অভিযোগে সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। নারীবাদী সংগঠনগুলো প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে ওঠে। তবে জামায়াতের পক্ষ থেকে প্রথমে আমিরের অ্যাকাউন্ট, পরে ডিভাইস হ্যাকের দাবি করা হয়। প্রচার অভিযানের শেষ দিন পর্যন্ত এ বাগযুদ্ধ, আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ভোটের ময়দান উত্তপ্ত থাকবে—এ কথা বলাই যায়। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের বাইরে থাকছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে দলটির কর্মী-সমর্থক ভোটারদের ভূমিকা কী হবে, তা নিয়েও চলছে নানা সমীকরণ। আওয়ামী লীগের ভোটাররা কি নির্বাচন বর্জন করবেন, নাকি ভোটে অংশ নেবেন—এ নিয়েও চলছে জল্পনা। যদি তারা ভোট দিতে যান, তাহলে কোন দলকে ভোট দেবেন, চলছে সেই হিসাব-নিকাশ। কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগের ভোটাররা এখন ‘মহামূল্যবান ভোটার’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।

নির্বাচন অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকারের বিপরীতে ভোটার তথা দেশের জনগণের প্রত্যাশা কী? নারী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রত্যেকে ব্যক্তি নিরাপত্তা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং ধর্মীয় দিক থেকে নিরাপত্তা চায়। বালিকা, কিশোরী, তরুণী বয়স নির্বিশেষে নারীর নিরাপত্তা রাষ্ট্র তথা সরকার কতখানি নিশ্চিত করতে পারবে—এ এক বড় প্রশ্ন। ভোরে উঠে পোশাক কারখানার যে নারী শ্রমিক কাজে বের হন, তার কাছে নিরাপদ যাতায়াত একটি বড় বিষয়। হাটে, বাজারে, গ্রামে, শহরে, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সবজি বিক্রেতা, দোকানদার, ফুটপাতের ব্যবসায়ী, হকার চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্যের অবসান চান। বেকার যুবকরা চান কাজের সন্ধান। নিম্নবিত্ত থেকে শুরু করে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের আকাঙ্ক্ষা জিনিসপত্রের দাম যেন কেনার ক্ষমতার মধ্যে থাকে। গত ১৭ মাসে মব সহিংসতার যে বিস্তর ঘটেছে, তার অবসান চায় মানুষ। চায় স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি। সর্বোপরি মানুষের চাওয়া, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ বাংলাদেশ। ভোটারদের অসংখ্যবার আশাভঙ্গের ভার বহন করতে হয়েছে। অসহায়ভাবে দেখেছে রাজনৈতিক দলগুলোর ব্যর্থতা। তাই নতুন করে আশাভঙ্গের মুখোমুখি হতে চায় না দেশের মানুষ। তবে চব্বিশের অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ আবারও স্বপ্ন দেখছে। রাজনীতিতে আর কোনো ঘাতক কাঁটা থাকবে না, এবার ফুল ফুটবে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সামনে রেখে জনমানুষের এটাই একান্ত চাওয়া।

লেখক: সাংবাদিক ও রাজনীতি বিশ্লেষক

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে বিতর্ক: শেয়ার মালিকানা প্রকাশের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নাসির-তামিমার ভাগ্য নির্ধারণ আজ, দোষ প্রমাণিত হলেই ভয়ঙ্কর পরিণতি

‘ফিল্মি স্টাইলে’ হামলা চালিয়ে পুলিশের হাত থেকে আসামি ছিনতাই

অবশেষে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা-দাফনের সময় জানাল ইরান

বিশ্বকাপের আগেই সুসংবাদ / নেইমারকে নিয়ে ব্রাজিল শিবিরে স্বস্তির বার্তা

মাঝ আকাশে বিমানের জানালার কাচ ভাঙলেন যাত্রী!

আলভারেজকে নিয়ে রিয়ালের ‘মেগা বিড’, প্রত্যাখ্যানের ঘোষণায় চমকে দিল অ্যাটলেটিকো 

সম্পদ-দলীয় প্রতীক সবই হারাচ্ছেন মমতা!

বিমান বাহিনীর ১৩১তম জুনিয়র কমান্ড ও স্টাফ কোর্সের সনদপত্র বিতরণ

চিকিৎসকদের নিয়ে সাংবাদিক মাসুদ কামালের বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ড্যাব

১০

সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় চোখে আলো ফিরেছে ৮৪ জনের

১১

বাজেটে মোবাইল, বিদ্যুৎ ও প্রযুক্তিপণ্যে বড় সুখবর

১২

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৩

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় দেশের পতাকা থাকুক সবার উপরে

১৪

গাজায় সহিংসতার দায়ে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রীর ওপর ফ্রান্সের নিষেধাজ্ঞা

১৫

ঢাকায় নিখোঁজ জবি শিক্ষার্থীর বাবা, সন্ধান চায় ছেলে

১৬

নতুন রিসাইক্লিং উদ্যোগ / ৯০ শতাংশর বেশি প্লাস্টিক বর্জ্য কমিয়েছে সিঙ্গার বাংলাদেশ

১৭

সরকারি বাঙলা কলেজে অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা

১৮

বাংলার নদী, বাংলার জীবন : ইতিহাস থেকে বর্তমান অবস্থা

১৯

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২০
X