এস আই শরীফ
প্রকাশ : ১৬ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ১৬ মার্চ ২০২৬, ০২:০১ পিএম
প্রিন্ট সংস্করণ
সাদামাটা কথা

উচ্ছৃঙ্খল গণবিচার, নীরবতাই ‘নীরব’ ঘাতক

এস আই শরীফ
এস আই শরীফ

নায়ক-ভিলেনের মারামারি চলছে। কে জয়ী হবেন, তা অনুমান করা কঠিন। একবার নায়ক জয়ের কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছেন; আরেকবার ভিলেন। শেষ পর্যন্ত ভিলেনকে ধরাশায়ী করে ফেললেন নায়ক। কঠোর প্রতিশোধ নিতে নায়ক যখন ভিলেনকে হত্যা করতে যাবেন; ঠিক সেই সময় ঘটনাস্থলে একদল পুলিশের আগমন। তাদের মধ্যে দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জোরে বলে উঠলেন, ‘আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না।’ একটা সময় পর্যন্ত দেশীয় চলচ্চিত্রে এমন দৃশ্য ছিল চিরাচরিত। সময়ের পালাবদলে চলচ্চিত্র থেকে সেই দৃশ্য ও সংলাপ হারিয়ে গেছে। কিন্তু অতিসাধারণ ও গতানুগতিক সংলাপটি সমাজের প্রতি ছিল একটা বিশেষ বার্তা। কিন্তু এমন বার্তা দেওয়ার সময় আবারও এসেছে।

দেশের বর্তমান বাস্তবতায় একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে—মব জাস্টিস। একে নানাভাবে উপস্থাপন করা যায়। বলা যেতে পারে, ‘জনতার দ্বারা নিজ হাতে বিচার’। আবার ‘উচ্ছৃঙ্খল গণবিচার’ বললেও ভুল হবে না। আইন ও বিচার ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে জনতা নিজেরাই বিচার ও শাস্তি প্রয়োগ করছে। কোনো অভিযোগ উঠলেই বিচার প্রক্রিয়ার অপেক্ষা না করে তাৎক্ষণিক উত্তেজনায় মারধর, হামলা কিংবা হত্যার মতো ভয়াবহ সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ছে। সভ্য সমাজে এ ধরনের প্রবণতা শুধু আইনশৃঙ্খলার দুর্বলতার লক্ষণ নয়; এটি সামাজিক অবক্ষয়, আস্থাহীনতা এবং সহনশীলতার সংকটেরও প্রতিফলন। এ প্রবণতা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গুজব ও ভুল তথ্যের ভিত্তিতে ঘটছে; যা পরিস্থিতি আরও খারাপ করছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই দেশে মব জাস্টিসের ঘটনা চোখে পড়ার মতো বাড়তে শুরু করে। চুরি, ডাকাতি কিংবা রাজনৈতিক ইস্যু তুলে বিভিন্ন স্থানে মানুষকে গণপিটুনির শিকার হতে হয়েছে। পরবর্তীকালে অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি নির্দোষ ছিলেন অথবা ঘটনার বাস্তবতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। কিন্তু ততক্ষণে জনতার হাতে একজন মানুষের জীবন শেষ হয়ে গেছে অথবা তিনি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এসব ঘটনার বিষয়ে তখন সরকারের ভূমিকা অনেক সময় নীরব বা দুর্বল বলে সমালোচনা হয়েছে। বিএনপি সরকার গঠনের পর ঘোষণা দেওয়া হয়, মব জাস্টিস প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘোষণায় জনমনে কিছুটা আশার সঞ্চার হয়েছিল। কিন্তু আশানুরূপ ফল এখনো মেলেনি। বাস্তবতা হলো, রাজনৈতিক ঘোষণা দিয়ে এ সংকট সমাধান সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর আইন প্রয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক উদ্যোগ।

মব জাস্টিসের পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে।

এক. আইন প্রয়োগে দুর্বলতা: আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে মানুষ নিজের হাতে আইন তুলে নিতে পারে।

দুই. বিচার বিভাগের দুর্বলতা: বিচার বিভাগ দুর্বল হয় এবং অপরাধীদের শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে দেরি হলে মানুষ অধৈর্য হয়ে পড়ে। এতে বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থার ঘাটতি তৈরি হয়। অনেকের ধারণা, অপরাধীরা সহজেই আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে যায় অথবা বিচার পেতে দীর্ঘ সময় লাগে। ফলে মানুষ কখনো কখনো নিজেরাই বিচারক হয়ে ওঠার চেষ্টা করে। কিন্তু এ প্রবণতা শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচারের ধারণাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়।

তিন. সামাজিক অসাম্য: সামাজিক অসাম্যের কারণে নিম্নবর্গের মানুষরা আইন সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়, ফলে তারা নিজেরাই বিচার করতে চায়।

চার. রাজনৈতিক উত্তেজনা: রাজনৈতিক উত্তেজনার সময়, মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হিংস্রতা বৃদ্ধি পায়, যা মব জাস্টিসের সৃষ্টি করে।

পাঁচ. সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়: সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের ফলে মানুষের মধ্যে সহিংসতা ও অমানবিকতার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।

ছয়. মিথ্যা তথ্যের প্রসার: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্যের প্রসার মব জাস্টিসকে উসকে দেয়।

দেশে এ ধরনের ঘটনার কয়েকটি মর্মান্তিক উদাহরণ রয়েছে। ২০১৯ সালের ২০ জুলাই বাড্ডায় স্কুল প্রাঙ্গণে ‘ছেলেধরা’ গুজবে তাসলিমা বেগম রেনু নামের এক নারীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তদন্তে জানা যায়, তিনি অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। কিন্তু গুজব ও জনতার উত্তেজনার কাছে সত্যের কোনো মূল্য ছিল না। একইভাবে দেশের বিভিন্ন জেলায় চোর সন্দেহে কিংবা ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে। শুধু অপরাধ সন্দেহেই নয়, সামান্য সামাজিক বিরোধ থেকেও সহিংসতা বাড়ছে। রাস্তার সামান্য দুর্ঘটনা, জমি নিয়ে বিরোধ, এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য নিয়েও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, সমাজে সহনশীলতার ঘাটতি ক্রমেই বাড়ছে। এ বাস্তবতা শুধু আইনশৃঙ্খলার সংকট নয়; এটি একটি গভীর সামাজিক সমস্যার ইঙ্গিত। যখন সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও ধৈর্য কমে যায়, তখন মানুষ খুব সহজেই সহিংসতার দিকে ঝুঁকে পড়ে। সামাজিক অবক্ষয়ের এ লক্ষণগুলোকে তাই গুরুত্ব সহকারে দেখা প্রয়োজন।

সাম্প্রতিককালে একটি ঘটনা এ সংকটকে আরও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ মার্চ রাতে রাহিদ খান পাভেল নামের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে উত্তেজিত কিছু শিক্ষার্থী তাকে মারধর করে। পরে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্তের উদ্যোগ নেয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঐতিহ্যগতভাবে মুক্তচিন্তা, বিতর্ক ও সহনশীলতার স্থান হিসেবে পরিচিত। সেই ক্যাম্পাসেই যদি উত্তেজনা থেকে কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেয়, তাহলে সেটি সমাজের বৃহত্তর বাস্তবতারই প্রতিফলন। সমাজে যখন সহনশীলতা কমে যায়, তখন তার প্রভাব শিক্ষাঙ্গনেও পড়তে বাধ্য। এ ঘটনাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়—মব মানসিকতা শুধু গ্রাম বা ছোট শহরের সমস্যা নয়; এটি ধীরে ধীরে সমাজের সব স্তরে ছড়িয়ে পড়ছে। যদি দেশের সবচেয়ে সচেতন ও শিক্ষিত তরুণদের মধ্যেও উত্তেজনাপ্রসূত সহিংসতা দেখা যায়, তাহলে তা ভবিষ্যতের জন্য আরও উদ্বেগজনক।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, মব জাস্টিসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের বিকল্প নেই। কোনো গণপিটুনির ঘটনা ঘটলে দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। যদি মানুষ দেখে যে গণপিটুনিতে অংশগ্রহণকারীরাও কঠোর শাস্তি পাচ্ছে, তাহলে এ প্রবণতা অনেকটাই কমে আসবে।

দ্বিতীয়ত, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে দক্ষ করে তোলা এবং তাদের অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সক্ষম করতে হবে।

তৃতীয়ত, বিচার ব্যবস্থাকে আরও দ্রুত ও কার্যকর করতে হবে। মামলা বছরের পর বছর ঝুলে থাকলে মানুষের আস্থা কমে যায়। দ্রুত বিচার, স্বচ্ছ তদন্ত এবং কার্যকর আইন প্রয়োগ মানুষের মধ্যে আইনের প্রতি বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে পারে।

চতুর্থত, গুজব প্রতিরোধে প্রযুক্তিগত ও সামাজিক উদ্যোগ প্রয়োজন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো মিথ্যা তথ্য দ্রুত শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে হবে যেন তারা যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য বিশ্বাস না করে।

পঞ্চমত, শিক্ষা ও সামাজিক মূল্যবোধের পুনর্গঠন প্রয়োজন। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকে সহনশীলতা, সহমর্মিতা এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধার মূল্যবোধ প্রচার করতে হবে আরও জোরালোভাবে। স্কুল-কলেজে নাগরিক শিক্ষা বা নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বও বাড়ানো যেতে পারে। শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার মাধ্যমে মানুষকে আইন ও ন্যায়বিচার সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।

ষষ্ঠত, স্থানীয় প্রশাসন ও কমিউনিটি নেতাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কোনো এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা এবং সামাজিক সংগঠনগুলো দ্রুত হস্তক্ষেপ করলে অনেক বড় সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব। সপ্তমত, মিডিয়াকে মব জাস্টিসের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টিতে নিতে হবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

সবচেয়ে বড় কথা, সভ্য সমাজ ব্যবস্থায় বিচার করার অধিকার শুধুই রাষ্ট্রের। জনতার হাতে বিচার চলে গেলে সেখানে ন্যায়বিচারের জায়গা থাকে না; থাকে শুধু আবেগ, প্রতিশোধ ও বিশৃঙ্খলা। এটি রাষ্ট্রের জন্য যেমন বিপজ্জনক, তেমনি সমাজের জন্যও ধ্বংসাত্মক বটে।

আমাদের সমাজ ব্যবস্থা ঐতিহাসিকভাবে সহনশীলতা ও সহাবস্থানের ওপর দাঁড়িয়ে। ভিন্ন মত, ভিন্ন বিশ্বাস এবং ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এখানে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করেছে। কিন্তু সাম্প্রতিককালে সামাজিক উত্তেজনা ও অসহিষ্ণুতা সেই ঐতিহ্যকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। এ বাস্তবতায় সরকারের দায়িত্ব যেমন বড়, তেমনি সমাজের প্রতিটি মানুষেরও দায়িত্ব রয়েছে। আইনকে সম্মান করা, গুজবে কান না দেওয়া এবং বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান খোঁজা—এ সাধারণ বিষয়গুলোই বড় পরিবর্তন আনতে পারে। মব জাস্টিস প্রতিরোধ এবং সহনশীলতা পুনর্গঠনের কাজ সহজ নয়। এটি একদিনে সম্ভবও নয়। কিন্তু রাষ্ট্র যদি দৃঢ় অবস্থান নেয়, বিচার ব্যবস্থা যদি কার্যকর হয় এবং সমাজ যদি নিজের মূল্যবোধকে পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করে, তাহলে ধীরে ধীরে এ সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। অন্যথায় গণপিটুনি, সহিংসতা এবং সামাজিক অবক্ষয়ের এ প্রবণতা সমাজকে আরও অস্থির ও অনিরাপদ করে তুলবে—যার মূল্য শেষ পর্যন্ত সবাইকেই দিতে হবে।

দুটি কৌতুক দিয়ে লেখাটা শেষ করছি। প্রথমটি—চুরির অভিযোগে জনতা একজনকে ধরে গণপিটুনি দিচ্ছে। এক পথচারী ভিড় ঠেলে ভেতরে ঢুকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আচ্ছা ভাই, লোকটাকে এত মারছেন কেন? ও কী করেছে?’ পেছন থেকে একজন সমস্বরে চিৎকার করে উত্তর দিলেন, ‘আগে তো মারি, তারপর জিজ্ঞেস করা যাবে ও কী করেছে! এখন মারার সুযোগ হাতছাড়া করা যাবে না।’ দ্বিতীয়টি—এক লোক রাস্তা দিয়ে দৌড়াচ্ছেন। পেছনে এক দল মানুষ তাকে মারার জন্য তাড়া করছে। আরেকজন জিজ্ঞেস করল, ‘ঘটনা কী?’ তাড়াকারীদের একজন হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, ‘ও নাকি বলেছে, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া ঠিক না। তাই ওকে একটা শিক্ষা দিতে যাচ্ছি!’

লেখক: বার্তা সম্পাদক, দৈনিক কালবেলা

ইমেইল: [email protected]

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইরান ও হুথিদের পদক্ষেপের প্রশংসায় হিজবুল্লাহ

মিরপুরে বৃষ্টির হানা, খেলা আর না হলে কে জিতবে?

শেষ ম্যাচে তারকাবহুল দল নিয়ে নামছে আর্জেন্টিনা

ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে নিহত বেড়ে ৩,৬৬৬

স্থায়ী যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে লেবানন

বাজেটে বেতন নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর

রাজশাহীতে বাড়ছে ডেঙ্গু উদ্বেগ

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে চাকরি, এসএসসি পাসেই আবেদন

চার খাতে অতিরিক্ত ৪২৬০০ কোটি টাকা ভর্তুকির চাপ : অর্থমন্ত্রী

তাপপ্রবাহ নিয়ে নতুন বার্তা

১০

তিন নতুন জিরো : ইউনূস সরকারের তিক্ত প্রাপ্তি

১১

অভিজ্ঞতা ছাড়াই সিটি ব্যাংকে চাকরি, আবেদন অনলাইনে

১২

ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ এক ডাচ ডিফেন্ডারের

১৩

ডিজিটাল মাধ্যমেও নারী-শিশুরা নিরাপদ নয় : নিপুণ রায় 

১৪

বকেয়া পৌরকরে ১৫ শতাংশ সারচার্জ মওকুফের ঘোষণা ডিএসসিসি প্রশাসকের

১৫

উত্তরা মটরসে চাকরি, বেতন ৪০ হাজার টাকা

১৬

অভিজ্ঞতা ছাড়াই ২০ জনকে নিয়োগ দেবে মিনিস্টার, এখনই আবেদন করুন

১৭

১১ রানে হারল বাংলাদেশ

১৮

বালুমহাল ইজারা বাতিলের দাবিতে এনসিপি নেতার আবেদন

১৯

বিশ্বকাপ টিকিট নিয়ে অনিয়ম করছে যুক্তরাষ্ট্র : ইরান

২০
X