বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সঞ্জয় হালদার
প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ০৩ জুন ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
প্রিন্ট সংস্করণ

ঐতিহাসিক বাঁকবদলের এক যোদ্ধা

ঐতিহাসিক বাঁকবদলের এক যোদ্ধা

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মানুষ কেবল নেতা নন, তারা একটি সময়ের প্রতীক। তাদের জীবন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে একটি জাতির স্বপ্ন, সংকট, অর্জন ও অগ্রযাত্রার প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে। তোফায়েল আহমেদ ছিলেন তেমনই একজন রাজনীতিক। উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অগ্নিঝরা দিন থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম—প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে তার উপস্থিতি ছিল দৃশ্যমান। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনীতির একটি ঐতিহাসিক অধ্যায়ের অবসান ঘটেছে, কিন্তু তার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ইতিহাসের পাতায় দীর্ঘদিন বেঁচে থাকবে।

তোফায়েল আহমেদের রাজনৈতিক উত্থান এমন এক সময়ে, যখন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে ক্রমশ প্রতিবাদী হয়ে উঠছিল। ষাটের দশকের শেষভাগে ছাত্রসমাজ ছিল গণআন্দোলনের প্রধান চালিকাশক্তি। পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে তিনি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেন এবং ছাত্ররাজনীতির অন্যতম প্রধান মুখে পরিণত হন। সে সময় পাকিস্তানের সামরিক শাসক আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজের ১১ দফা আন্দোলন পূর্ব বাংলার মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে নতুন গতি দেয়। এ আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ছিলেন তোফায়েল আহমেদ।

১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের এক গুরুত্বপূর্ণ পূর্বভূমিকা। ছাত্রসমাজের নেতৃত্বে শুরু হওয়া আন্দোলন দ্রুত গণআন্দোলনে রূপ নেয়। শ্রমিক, কৃষক, পেশাজীবী এবং সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। সেই উত্তাল সময়ের নেতৃত্বদানকারী তরুণ ছাত্রনেতাদের মধ্যে তোফায়েল আহমেদ ছিলেন অগ্রগণ্য। তার সাংগঠনিক দক্ষতা, বক্তৃতার ক্ষমতা এবং আন্দোলন পরিচালনার সক্ষমতা তাকে ছাত্রসমাজের কাছে বিশেষ মর্যাদা এনে দেয়।

উনসত্তরের আন্দোলনের সবচেয়ে স্মরণীয় ঘটনা ছিল ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে অনুষ্ঠিত বিশাল জনসভা। সেদিন লাখো মানুষের উপস্থিতিতে ছাত্রসমাজের পক্ষ থেকে তোফায়েল আহমেদ আমাদের স্বাধিকার আন্দোলনের নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন। ইতিহাসের বিচারে এটি ছিল একটি তাৎপর্যপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা। কারণ, এর মধ্য দিয়ে বাঙালির জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের নেতৃত্বে শেখ মুজিবুর রহমানের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয় এবং তিনি বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতায় পরিণত হন। তোফায়েল আহমেদের কণ্ঠে উচ্চারিত সেই উপাধি পরবর্তীকালে বাঙালির জাতীয় পরিচয়ের অংশ হয়ে ওঠে।

উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান পাকিস্তানি শাসনব্যবস্থার ভিত নড়িয়ে দিয়েছিল। এর ফলে আইয়ুব খানের পতন ঘটে এবং পূর্ব বাংলার মানুষের রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন নতুন মাত্রা লাভ করে। এ আন্দোলনের মাধ্যমে তোফায়েল আহমেদ কেবল একজন ছাত্রনেতা হিসেবেই নয়, বরং ভবিষ্যতের জাতীয় নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানালে পূর্ব বাংলায় রাজনৈতিক সংকট আরও ঘনীভূত হয়। এ সময়ে আওয়ামী লীগের পাশাপাশি ছাত্রলীগের নেতারা জনগণকে সংগঠিত করার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তোফায়েল আহমেদ দেশজুড়ে সভা-সমাবেশে অংশ নিয়ে জনগণকে আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত করতে থাকেন। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে শুরু হওয়া অসহযোগ আন্দোলনকে সফল করার ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

২৫ মার্চের কালরাত্রিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গণহত্যা শুরু করলে বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। স্বাধীনতার জন্য পরিচালিত সেই ৯ মাসের সংগ্রামে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পর্যায়ে তোফায়েল আহমেদ সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠন, সংগঠনকে সক্রিয় রাখা এবং স্বাধীনতার লক্ষ্যে রাজনৈতিক ঐক্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে তার অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত রাষ্ট্র পুনর্গঠন। অবকাঠামো ধ্বংসপ্রাপ্ত, অর্থনীতি বিপর্যস্ত এবং প্রশাসনিক কাঠামো অকার্যকর অবস্থায় ছিল। এমন পরিস্থিতিতে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশ পুনর্গঠনের যে মহাযজ্ঞ শুরু হয়, তাতে তরুণ রাজনৈতিক কর্মী ও নেতাদের একটি বড় অংশ যুক্ত হন। তোফায়েল আহমেদ ছিলেন সেই প্রজন্মের অন্যতম প্রতিনিধি। স্বাধীনতার পর তিনি আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড এবং রাষ্ট্রগঠনের প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।

১৯৭৩ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বহুবার জনগণের ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার রাজনৈতিক শক্তির অন্যতম ভিত্তি ছিল জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক। তিনি শুধু জাতীয় পর্যায়ের নেতা ছিলেন না; তৃণমূল রাজনীতির সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক ভয়াবহ অন্ধকার অধ্যায়ের সূচনা হয়। বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর আওয়ামী লীগ কঠিন সংকটের মুখে পড়ে। সামরিক শাসন, রাজনৈতিক নিপীড়ন এবং ইতিহাস বিকৃতির বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম শুরু হয়, তোফায়েল আহমেদ সেই সংগ্রামের অন্যতম অংশীদার ছিলেন। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি তার অবস্থান থেকে সরে আসেননি।

সামরিক শাসনের দীর্ঘ সময়ে আওয়ামী লীগের সংগঠনকে টিকিয়ে রাখা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে অংশগ্রহণ ছিল অত্যন্ত কঠিন কাজ। কিন্তু তোফায়েল আহমেদ এ সময়েও সক্রিয় রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করেন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং গণতান্ত্রিক রাজনীতির ধারাকে শক্তিশালী করার পক্ষে অবস্থান নেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে তোফায়েল আহমেদ ছিলেন অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা এবং ধারাবাহিকতার প্রতীক। দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখেন। তার রাজনৈতিক জীবন ছিল দীর্ঘ এবং বহুমাত্রিক। ছাত্রনেতা, আন্দোলনের সংগঠক, সংসদ সদস্য, মন্ত্রী এবং প্রবীণ রাজনীতিক—প্রতিটি ভূমিকাতেই তিনি স্বকীয়তা প্রদর্শন করেছেন।

মন্ত্রী হিসেবেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। শিল্প ও বাণিজ্য খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে তার অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। প্রশাসনিক দক্ষতা এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তিনি সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখেন। যদিও একজন রাজনৈতিক নেতার কর্মকাণ্ড নিয়ে ভিন্নমত থাকতে পারে, তবুও তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় সম্পৃক্ততা তাকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশেষ অবস্থান এনে দিয়েছে।

তোফায়েল আহমেদের রাজনৈতিক জীবনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ইতিহাসের প্রশ্নে তার স্পষ্ট অবস্থান। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার, ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল এবং মুক্তিযুদ্ধের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের দাবিতে তিনি দীর্ঘদিন সোচ্চার ছিলেন। তার বিশ্বাস ছিল, ইতিহাসের বিচার নিশ্চিত না হলে জাতির আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয় না। এ কারণে তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ঐতিহাসিক সত্য সংরক্ষণের প্রশ্নে আপসহীন অবস্থান গ্রহণ করেন। নিজ নির্বাচনী এলাকা ভোলার মানুষের সঙ্গেও তার সম্পর্ক ছিল গভীর ও আন্তরিক। জাতীয় রাজনীতির ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি স্থানীয় জনগণের সুখ-দুঃখের অংশীদার হওয়ার চেষ্টা করেছেন। শিক্ষা, যোগাযোগ, অবকাঠামো এবং সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন উদ্যোগে তার সম্পৃক্ততা স্থানীয় পর্যায়ে তাকে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। ভোলার মানুষ তাকে শুধু রাজনৈতিক প্রতিনিধি হিসেবে নয়, একজন অভিভাবকসুলভ ব্যক্তিত্ব হিসেবেও দেখতেন।

তোফায়েল আহমেদের জীবনকে মূল্যায়ন করতে গেলে তার রাজনৈতিক যাত্রার ধারাবাহিকতাকে গুরুত্ব দিতে হয়। তিনি এমন একটি প্রজন্মের প্রতিনিধি, যারা পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন, স্বাধীনতার জন্য লড়েছেন, স্বাধীন রাষ্ট্র নির্মাণে অংশ নিয়েছেন এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সক্রিয় থেকেছেন। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাক্ষী এবং অংশীদার ছিলেন।

আজকের বাংলাদেশে যখন রাজনীতি নানা বিতর্ক, বিভাজন এবং ক্ষমতার হিসাবনিকাশে আবদ্ধ হয়ে পড়েছে, তখন তোফায়েল আহমেদের মতো নেতাদের জীবন আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, রাজনীতির মূল শক্তি হচ্ছে আদর্শ, জনসম্পৃক্ততা এবং সংগ্রাম। তিনি ছিলেন সেই প্রজন্মের মানুষ, যাদের কাছে রাজনীতি ছিল ব্যক্তিগত সুবিধা অর্জনের মাধ্যম নয়; জাতীয় মুক্তি ও সামাজিক পরিবর্তনের হাতিয়ার।

তার মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনীতি একজন অভিজ্ঞ প্রবীণ নেতাকে হারিয়েছে। কিন্তু তার রাজনৈতিক জীবন, সংগ্রাম এবং অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে তার নেতৃত্ব, বঙ্গবন্ধুকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করার ঐতিহাসিক ভূমিকা, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে তার অবস্থান, স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রগঠনে অংশগ্রহণ এবং গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষে তার অবিচল অবস্থান তাকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে।

ইতিহাসে অনেক নেতা আসেন এবং চলে যান, কিন্তু কিছু মানুষ তাদের কর্মের মধ্য দিয়ে একটি যুগের প্রতিনিধিত্ব করেন। তোফায়েল আহমেদ ছিলেন তেমনই একজন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ইতিহাস যতদিন স্মরণ করা হবে, ততদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হবে তার নাম।

লেখক: সাংবাদিক

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘ফিল্মি স্টাইলে’ হামলা চালিয়ে পুলিশের হাত থেকে আসামি ছিনতাই

অবশেষে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা-দাফনের সময় জানাল ইরান

বিশ্বকাপের আগেই সুসংবাদ / নেইমারকে নিয়ে ব্রাজিল শিবিরে স্বস্তির বার্তা

মাঝ আকাশে বিমানের জানালার কাচ ভাঙলেন যাত্রী!

আলভারেজকে নিয়ে রিয়ালের ‘মেগা বিড’, প্রত্যাখ্যানের ঘোষণায় চমকে দিল অ্যাটলেটিকো 

সম্পদ-দলীয় প্রতীক সবই হারাচ্ছেন মমতা!

বিমান বাহিনীর ১৩১তম জুনিয়র কমান্ড ও স্টাফ কোর্সের সনদপত্র বিতরণ

চিকিৎসকদের নিয়ে সাংবাদিক মাসুদ কামালের বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ড্যাব

সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় চোখে আলো ফিরেছে ৮৪ জনের

বাজেটে মোবাইল, বিদ্যুৎ ও প্রযুক্তিপণ্যে বড় সুখবর

১০

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১১

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় দেশের পতাকা থাকুক সবার উপরে

১২

গাজায় সহিংসতার দায়ে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রীর ওপর ফ্রান্সের নিষেধাজ্ঞা

১৩

ঢাকায় নিখোঁজ জবি শিক্ষার্থীর বাবা, সন্ধান চায় ছেলে

১৪

নতুন রিসাইক্লিং উদ্যোগ / ৯০ শতাংশর বেশি প্লাস্টিক বর্জ্য কমিয়েছে সিঙ্গার বাংলাদেশ

১৫

সরকারি বাঙলা কলেজে অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা

১৬

বাংলার নদী, বাংলার জীবন : ইতিহাস থেকে বর্তমান অবস্থা

১৭

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৮

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগে ‘হিট’ প্রকল্পের আওতায় ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

১৯

ল্যাবএইডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত

২০
X