শফিকুল ইসলাম
প্রকাশ : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৪৮ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
দল ও দেশ পরিচালনা

যেমন সুযোগ তেমন চ্যালেঞ্জ

যেমন সুযোগ তেমন চ্যালেঞ্জ

এক নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দল হিসেবে বিএনপি ও দলের ডিফেক্টো প্রধান নেতা হিসেবে তাকে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। একদিকে ভঙ্গুর অর্থনীতি ও ভেঙে পড়া প্রশাসনিক কাঠামো, অন্যদিকে দীর্ঘ সময় ক্ষমতার বাইরে থাকা একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলকে সুসংগঠিত রাখা—এই দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি তারেক রহমান। বিশ্লেষকরা মনে করেন, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন শুধু বিএনপির জন্য নয়, বাংলাদেশের সামগ্রিক রাজনীতির জন্যই একটি মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা। তার সামনে সুযোগ যেমন পাহাড়সম, চ্যালেঞ্জও ঠিক ততটাই কঠিন। দেড় যুগের ফ্যাসিস্ট ব্যবস্থার ধ্বংসাবশেষ থেকে একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলাই হবে তার নেতৃত্বের আসল সার্থকতা। বিশেষ করে নির্বাচনের আগে এবং ভোটে জয়ী হলে সরকার গঠনের পরও অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।

বিশ্লেষকরা আরও মনে করেন, মনোনয়ন কেন্দ্র করে বিভিন্ন জায়গায় কোন্দল নিরসন এবং নিরাপত্তা বজায় রাখার পাশাপাশি অন্যান্য দলের সঙ্গে বিএনপির যে টানাপোড়েন—তারও মোকাবিলা করতে হবে। সেইসঙ্গে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের পর বিএনপিতে অভ্যন্তরীণ নতুন চ্যালেঞ্জ দেখা দিতে পারে। কিছু নেতাকর্মীর মধ্যে প্রভাব বিস্তার, দৌড়ঝাঁপ ও সিন্ডিকেট তৈরির প্রবণতা মাথাচাড়া দিতে পারে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে এগুলো সামাল দিতে হবে।

বিএনপির নীতিনির্ধারক ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করলে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন, এটা ধরেই নেওয়া যায়। তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে বা ক্ষমতার কেন্দ্রে এলে তাকে বেশকিছু জাতীয় সংকটের মুখোমুখি হতে হবে। তার মধ্যে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ফেরানো ও ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করা। কেননা, বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে ব্যাপক অর্থ পাচার, ব্যাংকিং খাতের অস্থিতিশীলতা এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে অর্থনীতি এখন খাদের কিনারে। রিজার্ভ সংকট কাটানো এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ফিরিয়ে আনা হবে তার প্রথম বড় পরীক্ষা। এ ছাড়া প্রশাসনিক সংস্কার ও দলীয়করণমুক্ত করা। প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে গেড়ে বসা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক আদর্শের প্রভাব দূর করে একটি পেশাদার ও নিরপেক্ষ আমলাতন্ত্র গড়ে তোলাই হবে অন্যতম কঠিন কাজ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চব্বিশের ৫ আগস্ট-পরবর্তী বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বড় সংকট আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি। এ মুহূর্তে আগামী ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর যারাই ক্ষমতায় আসবেন তাদের প্রধান চ্যালেঞ্জগুলোর অন্যতম আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন ঘটানো। দীর্ঘদিনের বিচারহীনতা এবং পুলিশ বাহিনীর ইমেজ সংকটের কারণে দেশে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা দূর করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ।

বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতা কালবেলাকে বলেন, গত ১৫ বছরে ফ্যাসিবাদী শাসনের কবলে ছিল বাংলাদেশ। দীর্ঘ এ সময়ে বিশেষ একটি দেশের প্রতি নির্ভরশীল করে ফেলা হয়েছিল বাংলাদেশকে। অথচ বাংলাদেশ গোটা বিশ্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। সেক্ষেত্রে চব্বিশের ৫ আগস্ট-পরবর্তী বাংলাদেশ একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান হিসেবে তারেক রহমানের চ্যালেঞ্জ হবে পররাষ্ট্রনীতির ভারসাম্য তথা প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন এবং বিশ্বশক্তির সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রেখে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তারেক রহমানের জন্য দল পরিচালনায় অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জও তৈরি হবে। কেননা, দীর্ঘ ১৮ বছর প্রবাসে থেকে দল পরিচালনা করলেও সশরীরে উপস্থিত হয়ে বিশাল এই কর্মী বাহিনীকে সামলানো তার জন্য হবে এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা। দীর্ঘ সময় ক্ষমতার বাইরে থাকা নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা তীব্র। দল ক্ষমতায় এলে বা আসার সম্ভাবনা তৈরি হলে যে কোনো নেতিবাচক কর্মকাণ্ড রুখে দলের ভাবমূর্তি রক্ষা করা তার জন্য কঠিন হবে। দলে প্রবীণ নেতাদের অভিজ্ঞতা এবং তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বের আকাঙ্ক্ষার মধ্যে একটি সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখা। সেইসঙ্গে ফ্যাসিবাদ আওয়ামী আমলে মামলার জালে জর্জরিত তৃণমূল নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন এবং দলকে একটি আধুনিক ও প্রযুক্তিবান্ধব স্মার্ট রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করাও বড় চ্যালেঞ্জ। সব মিলিয়ে বিগত দেড় দশকে মানুষের মধ্যে যে ‘পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা’ তৈরি হয়েছে, তারেক রহমানকে সেই মানদণ্ডেই বিবেচনা করা হবে। মানুষ শুধু ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, বরং গুণগত পরিবর্তন চায়। প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠন করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল রয়েছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং বেকারত্ব দূরীকরণে তারেক রহমান কত দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেন, তার ওপর নির্ভর করবে তার কর্মকাণ্ডের মূল্যায়ন। অর্থাৎ, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পালন করাটা বিরাট চ্যালেঞ্জ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, বহু বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরবেন, এটি ভালো খবর। তবে তিনি এমন সময় দেশে ফিরছেন, যখন পরিস্থিতি অস্থিতিশীল। এমন অবস্থায় তারেক রহমানের সামনে বেশকিছু চ্যালেঞ্জ তো অবশ্যই রয়েছে। বিশেষ করে আসন্ন নির্বাচন ঘিরে বিভিন্ন আসনে মনোনয়ন কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীরা দ্বন্দ্বে জড়াচ্ছেন। এটা থামাতে হলে অবশ্যই তারেক রহমানকে দলের নিয়ন্ত্রণ তার হাতে নিতে হবে তৃণমূল পর্যন্ত। আর নির্বাচনের পরের চ্যালেঞ্জ হলো—আমাদের তরুণ প্রজন্ম চায় বাংলাদেশের যে মালিকানা, এটা জনগণের হাতে ফেরত দিতে হবে। সে কাজটি করতে হবে বিএনপির শীর্ষ নেতাকে।

ড. দিলারা বলেন, এখানে নানা ধরনের ফোর্স আছে, বাইরের শক্তি আছে। নিজেদের ভেতরে ডিভিশন আছে। তারেক রহমানের একটা বড় পরিসরে ঐক্য তৈরি করতে হবে। ঐক্য মানে পার্টির ঐক্য নয়। জনগণের সাপোর্টের একটা ঐক্য করতে হবে। এটাও তার জন্য একটা চ্যালেঞ্জ। আরেকটা হলো দুর্নীতি। দুর্নীতি দূর করলে বাংলাদেশের সমস্যা অর্ধেক সমাধান হয়ে যাবে।

এদিকে তারেক রহমানের সামনে দেশ ও দল পরিচালনার জন্য বেশকিছু চ্যালেঞ্জ থাকবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই বলে মনে করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. শামছুল আলম। তিনি কালবেলাকে বলেন, তারেক রহমানকে একটা বিশেষ পরিস্থিতির কারণে লন্ডনে যেতে হয়েছিল। তিনি সেখানে ১৬ বা ১৭ বছর ছিলেন। দীর্ঘ এ সময়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় অনেক পরিবর্তন হয়েছে। বিশেষ করে ফ্যাসিস্ট শক্তি ক্ষমতায় থাকার ফলে মূলত শাসন বিভাগ, আইন বিভাগ ও বিচার বিভাগ—এগুলো একেবারেই পুরোপুরি দলীয়করণ করে আলাদা স্বাতন্ত্র্য নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। এগুলো আর কাজ করছে না। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা। অর্থনীতিতে সব সেক্টরকেই ফাঁপা করে দেওয়া হয়েছে। এখান থেকে প্রচুর পরিমাণে মূলধন বাইরে পাচার করা হয়েছে। বড় কিছু গ্রুপ ব্যাংকগুলোকে একেবারে শেষ করে দিয়েছে। আমাদের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে। আগামীতে সেগুলো থেকে উত্তরণ ঘটানোর জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে পদক্ষেপ নিতে হবে।

অধ্যাপক আলম বলেন, দীর্ঘদিন থেকে তারেক রহমান দল ও দেশের জন্য কাজ করছেন। এজন্যই তিনি বিভিন্ন সেক্টরের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে শলাপরামর্শ করে সংকটগুলোর কীভাবে উত্তরণ ঘটানো যায়, সেগুলো তিনি অনেকটাই চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েই কিন্তু ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। ৩১ দফার মধ্যে সমাধানের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। তারেক রহমান চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেওয়ার কারণে তিনি সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। আমরা দেখি যে, গরিব মানুষের জন্য বিশেষ কার্ডের ব্যবস্থা করার কথা বলেছেন। তাদের চিকিৎসা, কর্মসংস্থান কীভাবে হবে, সেজন্য কাজ করছেন। সভা-সেমিনারের মাধ্যমে এ বিষয়গুলো দেশ ও জাতির কাছে তুলে ধরছেন। কারণ, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনে করেন, এগুলো সামনে চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিতে পারে। সবদিক বিবেচনায় মনে হয় তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে একটা ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি একটি পত্রিকার জরিপে দেখা গেছে, জনগণের বিশাল সমর্থন তারেক রহমানের পক্ষে গেছে এবং তিনি আগামীতে প্রধানমন্ত্রী হবেন। জাতি তার নেতৃত্ব মেনে নিয়েছে। দেশের অর্থনীতি, রাজনীতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন একটা অবনতির অবস্থায় আছে। সেগুলো থেকে উত্তরণ কেবল তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপিই ঘটাতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান কালবেলাকে বলেন, ভোটের আগের চ্যালেঞ্জ হলো দলকে পূর্ণ শক্তি নিয়ে নির্বাচনে যাওয়া এবং সংগঠিত রাখা। যারা দলে বিদ্রোহী প্রার্থী হতে চান, তাদের নির্বৃত্ত করা, বিদ্রোহী যাতে না হতে পারেন। নির্বাচনী প্রচারও যথাযথভাবে করতে হবে। ভোটের মাঠে অন্যান্য দলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা হলো বাহ্যিক চ্যালেঞ্জ। খেয়াল রাখতে হবে, বিএনপির প্রচারণা অন্যান্য দলের চেয়ে যেন দুর্বল না হয়। আর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, প্রশাসনের ভূমিকা যেন নির্বাচনকালীন বিএনপির বিরুদ্ধে না যায়। কেউ যেন বিএনপিকে প্রশাসনিকভাবে দুর্বল করতে না পারে, এটা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে খেয়াল রাখতে হবে নির্বাচনের সময়।

তিনি বলেন, আমার কাছে মনে হয়, তারেক রহমান ফিরে এলে এক ধরনের শৃঙ্খলা চলে আসবে। দলের পাশাপাশি দেশের অধিকাংশ মানুষের মধ্যে স্বস্তি দেখা দেবে। বিএনপি মাঠে-ময়দানে যে অঙ্গীকার করছে, দলটিকে এর বাস্তবায়ন করে দেখাতে হবে। সামাজিক এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে যা করার প্রয়োজন, তা করতে হবে। এটা করতে পারাটাই বিএনপির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশের মানুষকে সুশাসন দিতে হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নাইটক্লাব কাণ্ডে তদন্তে স্টোকস, নেতৃত্ব নিয়েও শঙ্কা

দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক / ঢাকা-মস্কো সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও সম্প্রসারণের অঙ্গীকার

চেকপোস্টে ৩ বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ যুবক আটক

জোড়া পেনাল্টিতে নাটকীয় জয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি নেদারল্যান্ডসের

ভোরে ঝরল ৪ প্রাণ

অপরাধবিষয়ক টিভি অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করল ইরাক

যে বিশ্বকাপ বদলে দিয়েছিল ‘অনেক কিছু’

‘ফেভারিট নয়, তবে বিশ্বকাপ জয়ের দাবিদার পর্তুগাল’

সৌদিতে প্রাণ গেল প্রবাসী ফল ব্যবসায়ীর

চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ দরকার : ডা. ডোনার

১০

আর কোনো যুদ্ধ চান না ট্রাম্প, নেতানিয়াহুকে সতর্কবার্তা

১১

প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

১২

প্রকাশ্যে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

১৩

চট্টগ্রামে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া নৈরাজ্য ঠেকাতে চসিক মেয়রের উদ্যোগ

১৪

বাড়ি ফেরার পথে রাজমিস্ত্রিকে কুপিয়ে হত্যা

১৫

ওলিসের হ্যাটট্রিকে উড়ন্ত ফ্রান্স, জয়ে শেষ হলো বিশ্বকাপ প্রস্তুতি

১৬

ইতিহাসের এই দিনে

১৭

আজকের নামাজের সময়সূচি

১৮

ইরানে হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন হারাবে ইসরায়েল : ট্রাম্প

১৯

যশোরে আ.লীগ-যুবলীগের তিন নেতা গ্রেপ্তার

২০
X