

মেট্রোরেল
যাচ্ছ কোথায়? দিয়াবাড়ি রিক্সা নাকি, টয়টা গাড়ি? না না আমি ধরব মেল ইলেকট্রিক মেট্রোরেল। মেট্রোরেলে মতিঝিল যেই চড়েছি লাগল খিল। চলতে চলতে আগারগাঁও নেমে না হয় বার্গার খাও। মিনিটখানিক ফার্মগেট ছাড়লে পরে হয় না লেট। ঝড়ের বেগে মেট্রো যায় কেউ ওঠে, কেউ নামতে চায়। হাসি-খুশি সবার মুখ-- ঢাকার শহর দেখার সুখ।
হালুম
হালুম খুঁজি, কোথায় হালুম? খুঁজতে গেলাম সুন্দরবন দেখতে তাকে ইচ্ছে ভীষণ মনটা আমার কী চনমন। কটকা ছেড়ে দুবলার চর হালুম খুঁজি বনের ভেতর। ট্রেইল ধরে যেই সামনে যাই অমনি হালুম দেখতে পাই। দেখি গায়ে ডোরা দাগ হালুম হালুম ভীষণ রাগ এই কি দেশের রয়্যাল বাঘ।
হালুম শুনে পালায় গাধা কী দেখলাম দাদারে দাদা
ড্রোনের ছড়া
আধুনিক বিজ্ঞানের ড্রোন বিস্ময় ড্রোন দিয়ে যুদ্ধেও আনে সংশয়। ড্রোন দিয়ে কৃষিকাজ ড্রোন দিয়ে ছবি ড্রোন দিয়ে দেখা হয় গোপনীয় সবই। ড্রোন যাবে একদিন মঙ্গল ও চাঁদে শেষে বুঝি ড্রোনে ড্রোনে ঠোকাঠুকি বাঁধে। ড্রোন নিয়ে দেশে দেশে মাতামাতি খুব আগামীতে সাগরেও ড্রোন দেবে ডুব।
হয়তোবা ড্রোনই হবে আকাশ-বাহন-- গড়ে দেবে মনে-মনে মেলবন্ধন। দেশে দেশে ড্রোনপোর্ট হবে একদিন ড্রোন যাবে ঢাকা থেকে আমেরিকা, চীন।
বিড়াল ছানা
মিনির কালো বিড়াল ছানা খাবার দিলে করবে না না। লেজ গুটিয়ে থাকবে পাশে মা বিড়ালটা যখন আসে মা এলে সে ধিতাং তানা লেজ নাচিয়ে খায় সে খানা।
যদি সে পায় মাছের কাঁটা অমনি দিবে বাইরে হাঁটা ইঁদুর ছানা দেখলে পরে দৌড়ে পালায় রান্না ঘরে।
রাগলে পরে গাল ফুলিয়ে বারান্দাতে বসবে গিয়ে।
মধুপুরে
যাচ্ছি ট্যুরে মধুপুরে ঢাকা থেকে খানিক দূরে। ঝক ঝকা ঝক রেলের গাড়ি বনবনানী দিচ্ছে পাড়ি। মধুপুরে দেখব কী কী? দেখে দেখে লিখব ঠিকই। শাল-পিয়ালের গহন বন আনন্দেতে হারায় মন।
আনারসের মিষ্টি জুস খেলে পরে দিলটা খুশ। ইকোপার্কে ঘুরে ঘুরে কাটল সময় মধুপুরে। জুঁই চামেলির মধুর বাস মায়া হরিণ কোথায় যাস? সাঁঝের বেলা ফিরছি ঘর রেলের গাড়ি ঢক-ঢকর। চাঁদের আলো ঝিকিমিকি চাঁদ মামাটা আধা সিঁকি
হালুম
হালুম খুঁজি, কোথায় হালুম? খুঁজতে গেলাম সুন্দরবন দেখতে তাকে ইচ্ছে ভীষণ মনটা আমার কী চনমন।
কটকা ছেড়ে দুবলার চর হালুম খুঁজি বনের ভেতর। ট্রেইল ধরে যেই সামনে যাই অমনি হালুম দেখতে পাই।
দেখি গায়ে ডোরা দাগ হালুম হালুম ভীষণ রাগ এই কি দেশের রয়্যাল বাঘ।
হালুম শুনে পালায় গাধা কী দেখলাম দাদারে দাদা।
মধুপুরে
যাচ্ছি ট্যুরে মধুপুরে ঢাকা থেকে খানিক দূরে। ঝক ঝকা ঝক রেলের গাড়ি বনবনানী দিচ্ছে পাড়ি। মধুপুরে দেখব কী কী? দেখে দেখে লিখব ঠিকই। শাল-পিয়ালের গহন বন আনন্দেতে হারায় মন।
আনারসের মিষ্টি জুস খেলে পরে দিলটা খুশ। ইকোপার্কে ঘুরে ঘুরে কাটল সময় মধুপুরে। জুঁই চামেলির মধুর বাস মায়া হরিণ কোথায় যাস? সাঁঝের বেলা ফিরছি ঘর রেলের গাড়ি ঢক-ঢকর। চাঁদের আলো ঝিকিমিকি চাঁদ মামাটা আধা সিঁকি
হালুম
কী ভয়ানক! খবর রটে বাঘ ছুটেছে লোকালয়ে, পাড়ার লোকে এদিক সেদিক ছুটোছুটি করছে ভয়ে।
সোঁদরবনের ডেরা ছেড়ে উঠোনজুড়ে বাঘের হানা বেলকনিতে দাঁড়িয়ে দেখে ওমা সেকি! হালুম ছানা।
হালুম হুলুম হালুম হুম বাঘের ডাকে ভাঙল ঘুম ঘুমটি ভেঙে তাকিয়ে দেখে মেঝেয় পড়ে ছবির খাতা ছবির খাতায় কাল এঁকেছে হালুম হালুম বাঘের মাথা। দেখেই খুকু হাসল খানিক হেসেই বলে, পাচ্ছি মালুম; ছবির হালুম ছবিই সে তো স্বপ্নে ছিল সত্যি হালুম।
সোনার মেয়ে হাসনাহেনা
হাসনাহেনা ফুলের কুঁড়ি এমন মেয়ের নেইতো জুড়ি জন্মদিনে আজকে তোমায় ভোরের আলো চুম দিয়ে যায়।
লক্ষী মেয়ে ভূঁইচাঁপা ফুল দুলছে কানে ঝুমকো দোদুল আসবে কে কে তোমার ঘরে ? আনন্দে আজ মনটা ভরে।
বাবা দিলেন কাঠের ঘোড়া হবেই তুমি জগত জোড়া। মিষ্টি মায়া মায়ের আশিস মেয়েরে তুই ভালো থাকিস।
পৌষ মেলা
কী আনন্দ! কী আনন্দ! পরীক্ষা শেষ ক্লাসও বন্ধ। কাটছে সময় হেলাফেলায় খুশির আবেশ পিঠার মেলায় ছুটছি সবাই দুপুরবেলা ওদিকে চলছে ক্রিকেট খেলা
কোথায় যাবো যে পাই না দিশে মানুষের ভিড়ে যাই যে মিশে। পথে হইচই পউষ মেলার ওখানে যাই ভাবব না আর।
হেমন্ত
মাঠ ভরা ধান রাশি রাশি চাষির মুখে ফুটল হাসি। উঠোনজুড়ে সিদ্ধ ধান সবার মুখে মিষ্টি পান পিঠাপুলির গন্ধ আসে শেয়াল ডাকে বনের পাশে।
জাগলো ভোরে নদীর কুল ফুটলো কত রঙিন ফুল দুবলার চরে রাসমেলা দেখতে গিয়ে ফুরায় বেলা।
এসব দেখে বলছে লোকে আশীষ জানাই হেমন্তকে।