

সকাল হতে মেঘলা আকাশ মুখটা আছে ভার করে ভোমর নাচে ফুলের ওপর দুইখানা দাঁত বার করে। হিম বাতাসে পাল উড়িয়ে গাইছে মাঝি হাল ধরে জেলেরা সব মলিন মুখে জোরসে টানে জাল ধরে।
মাঠের কোণে ব্যাঙরা ডাকে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর সুর করে ট্যাংরা পুঁটি বাদ্য বাজায় সব দ্বিধা ভয় দূর করে। পাখির ছানার কিচিরমিচির প্রজাপতি চুপ করে কখন যেনো হয়রে শুরু বৃষ্টি ঝাপুর ঝুপ করে।
কদম কেয়ার গন্ধ ছোটে ছোট্ট মনের আল ধরে বৃষ্টি এসো ঘরের দাওয়ায় করবো আদর গাল ধরে। ভিজবে খোকা ভিজবে খুকু ভিজবে উঠান খাল পাড়ে শুনবে কারো নিষেধ মানা মায়ে যতই গাল পারে।
বৃষ্টি এলে কষ্ট বাড়ে অলস সময় পার করে কর্মহীনা মানুষগুলো স্বপ্ন বোনে ধার করে।
স্বার্থের পিছে ছুটে
রাতের আকাশে তারাগুলো জ্বলে অপরূপ ঝিকমিক আঁধার ধরায় সাধ্যমতোই আলো ঢালে ঠিকঠিক। নিশিথের পরে দিবসের গাঁয়ে সুরুজের আগমন শরীর জুড়াতে জীবন বাঁচাতে বাতাসের আয়োজন।
গাছ-গাছালিও অক্সিজেনের কারখানা রাখে খুলে বন্ধ করে না কখনো মনের ভুলে। যে যতোই পারে ব্যবহার করে বাধা-বিপত্তিহীন। উদারতায়ও গুরুত্ব দেয়া পানিকেও সমীচীন।
হরেক রকম ফুলের সুবাসে ভরে যায় চারপাশ তাহার আবেশে ব্যথা ভোলে কেউ খুঁজে পায় আশ্বাস। ওরা নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দেয় চায় না তো বিনিময় স্বার্থের পিছে ছুটে মানুষেরা ব্যর্থকে করে জয়। ছবি কোথায়?