

শহরের চোখে এখনও রাত নামেনি তবু তুমি ভোরের আলোর ভান করছো দুপুরের রোদে দাঁড়িয়ে তুমি ছায়া জপছো আমি দেখছি তোমার দ্বিতীয় চামড়ার ভাঁজে ভাঁজে জমে আছে হিমালয়ের সব গ্লানি
তোমার হাত দুটো— একটা পূবের দিকে আরেকটা পশ্চিমের জানালায় এক হাতে তুলছো প্রার্থনার ধূপকাঠি অন্য হাতে ছুঁড়ছো অন্ধকার বোমা মাঝখানে দাঁড়িয়ে তোমার শরীর একটা গুঁড়িয়ে দেওয়া সেতুর মতো কাঁপে
তুমি বলো অমৃতের গল্প তোমার মুখের কোণে লেগে থাকে হেমন্তের শিশির কিন্তু জানো? প্রতিটি অক্ষর জানে তোমার জিভের নিচে লুকিয়ে আছে একটা জ্বলন্ত কয়লা যা একদিন পুড়িয়ে দেবে তোমার নিজের বাড়ির দরজা
চোখ বুজলেই স্পষ্ট হয় তোমার মুখোশের নিচে আরেক মুখোশ সেই সিঁড়ির মতন যে সিঁড়ি কখনো শেষ হয় না শুধু ঘুরতে থাকে নিজের চারপাশে একটা মোবিয়াস পত্রের মতো অনন্ত