

ডাকসুর নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট এলাকায় মিছিল শুরু হয়ে সোহরাওয়ার্দী হল হয়ে আলাওল হলের সামনে দিয়ে প্রবেশ করে জিরো পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলে ক্যাম্পাস উত্তপ্ত না করে সুশীল রাজনীতির আহ্বান জানিয়ে এসব ঘটনার দ্রুত বিচারের জানায় নেতারা। এ সময় মিছিলে বিভিন্ন স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা।
চাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক মো. মোনায়েম শরিফের সঞ্চালনায় যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক ইসহাক ভূঁঞা বলেন, যে মোসাদ্দেককে আমরা হাসিনার বিরুদ্ধে লড়াই করতে দেখেছি, সেই মোসাদ্দেক ও এবি জোবায়েরের ওপর ছাত্রদল থানার ভেতরে ঢুকে হামলা চালিয়েছে। এভাবে হামলা চালিয়ে তারা নিজেদের বিতাড়নের কফিনে প্রথম পেরেক ঠুকে দিয়েছে। আমরা আর কোনো সন্ত্রাস মেনে নেব না। ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস ও দখলদারিত্ব চলবে না।
চাকসুর জিএস সাঈদ বিন হাবিব বলেন, অবরুদ্ধ এক শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করতে গেলে ডাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপর হামলা চালানো হয়, এমনকি সাংবাদিকদের ওপরও হামলা হয়। এর আগেও তারা কুয়েটে একই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগত এনে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে সংঘর্ষের পরিবেশ তৈরি করে। সিটি কলেজের মিছিলেও তারা হামলা চালিয়েছে, এমনকি পায়ের রগ পর্যন্ত কেটে দিয়েছে। আপনারা মজলুম ছিলেন, জালিম হবেন না জালিমের পরিণতি আপনারা দেখেছেন।
চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম রনি বলেন, আমাদের আজ পড়ার টেবিলে থাকার কথা ছিল। ৫ আগস্টের পর আমরা ভেবেছিলাম সন্ত্রাসের রাজনীতি শেষ হবে। কিন্তু তারা আবারও সন্ত্রাসের রাজনীতি শুরু করতে চায়। এর কারণ তাদের কোনো সাংগঠনিক ভিত্তি নেই। প্রধানমন্ত্রী শুধু সংসদেই নীরব নন, গণমাধ্যমকেও নীরব করতে চায়।
তিনি আরও বলেন, অল্প সময়েই এ সরকার একটি ব্যর্থ সরকারে পরিণত হয়েছে, এটি এখন সবার কাছে স্পষ্ট। স্বৈরাচার বিদ্যুৎ দিয়ে মানুষ মারত, আর আপনারা বিদ্যুৎ না দিয়েই মানুষ মারছেন। অথচ এসব নিয়ে কোনো জবাবদিহি নেই। আপনারা ক্যাম্পাস উত্তপ্ত করেছেন।