

ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক বেন স্টোকসের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দলের পেসার গাস অ্যাটকিনসনকে সঙ্গে নিয়ে একটি নাইটক্লাব-সংক্রান্ত ঘটনায় জড়িয়ে পড়ার অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডসে প্রথম টেস্টে ১১৫ রানের জয় পাওয়ার পর রোববার (৭ জুন) গভীর রাতে এই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ইসিবি। বোর্ডের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি ছিল ‘দলের প্রটোকল ভঙ্গের ঘটনা’।
ইসিবি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিষয়টি ইতোমধ্যে ক্রিকেট রেগুলেটরের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং তদন্ত চলাকালীন স্টোকস ও অ্যাটকিনসনকে দ্বিতীয় টেস্টের দল থেকে বাদ দেওয়া হতে পারে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ঘটনাটি এতটাই গুরুতর যে, স্টোকস নিজেও টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে নিজের অবস্থান নিয়ে ভাবছেন। যদিও ঘটনার বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
জানা গেছে, একটি নাইটক্লাবে ইংল্যান্ড দলের দুই ক্রিকেটারের সঙ্গে সারাসেন্স রাগবি ক্লাবের কয়েকজন সদস্যের উপস্থিতিতে ঝামেলার সূত্রপাত হয়। মূলত অ্যাটকিনসন ও সারাসেন্সের একাডেমির এক খেলোয়াড়ের মধ্যে মতবিরোধ থেকেই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইসিবির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘প্রথম টেস্ট শেষে দলের আচরণবিধি ভঙ্গের একটি ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে। বেন স্টোকস ও গাস অ্যাটকিনসন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। আমরা আরও তথ্য সংগ্রহ করছি এবং যথাসময়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’
ঘটনার পর ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় টেস্টের দল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে। আগামী ১৭ জুন ওভালে শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইংল্যান্ড দলের খেলোয়াড়দের মাঠের বাইরের আচরণ নিয়ে একাধিকবার সমালোচনা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া সফরের পর খেলোয়াড়দের জন্য মধ্যরাতের কারফিউও চালু করেছিল ইসিবি। তবুও নতুন করে এই ঘটনা ইংলিশ ক্রিকেটে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
যদি স্টোকসকে সাময়িকভাবে দল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে সহ-অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক দ্বিতীয় টেস্টে নেতৃত্ব দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।