কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৪, ০৬:০৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

গাজায় সেনাদের ভয়াবহ পরিণতির কথা জানালেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান

ইসরায়েলি সেনাপ্রধান হার্জি হালেভি। ছবি : সংগৃহীত
ইসরায়েলি সেনাপ্রধান হার্জি হালেভি। ছবি : সংগৃহীত

সাত মাস পেরিয়েছে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযান। এ অভিযানে প্রাণ হারিয়েছেন কয়েকশ ইসরায়েলি সেনা। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও কয়েক হাজার। যদিও এসব বিষয় প্রকাশ্যে শিকার করেনি ইসরায়েলি বাহিনী। তবে এবার গাজায় সেনাদের ভয়াবহ পরিণতির খবর জানিয়েছেন ইসরায়েলের সেনাপ্রধান। সোমবার (১৩ মে) আশরাক আল-আওসাতের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রোববার (১২ মে) ইসরায়েলের সেনাপ্রধান হার্জি হালেভি বলেন, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা করে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামীদের সংগঠন হামাস। তাদের হামলার ফলে ইসরায়েলে যা ঘটেছে তার জন্য তিনি দায়বদ্ধ।

তিনি বলেন, প্রতিদিন আমি এগুলোর ভার আমার কাঁধে অনুভব করি। আমার হৃদয়ও এ ঘটনার তাৎপর্য পুরোপুরি বুঝতে পারে।

সেনাপ্রধান বলেন, আমি সেই কমান্ডার যে আপনাদের ছেলেমেয়েদের যুদ্ধে পাঠিয়েছি। সেখান থেকে তারা এখনো ফিরতে পারেনি। এমন পরিস্থিতির কারণে তারা সেখানে অপহরণেরও শিকার হয়েছে।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালায় হামাস। ফিলিস্তিনি এ গোষ্ঠীর হামলায় ইসরায়েলের প্রায় এক হাজার ২০০ মানুষ নিহত হন। বার্তা সংস্থা এএফপি ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, নিহতদের বেশিরভাগ বেসামরিক লোক।

নজিরবিহীন এ হামলার পর দেশটি থেকে প্রায় ২৫০ জন ইসরায়েলি এবং বিদেশিকে অপহরণ করে হামাস। এরপর তাদের গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়।

দেশটির তথ্যমতে, হামাসের হাতে এখনো ১২৮ জন জিম্মি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩৬ জন নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে সেনাসদস্যরাও রয়েছেন।

অন্যদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৩৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। তাদের অধিকাংশ নারী ও শিশু। এ ছাড়া এ পর্যন্ত ৭৭ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রথমবার এলএনজি রপ্তানির চুক্তি করল ভেনেজুয়েলা

ইরানে নতুন নেতৃত্ব দরকার : ট্রাম্প

১৮ জানুয়ারি : কী ঘটেছিল ইতিহাসের এই দিনে

যৌথবাহিনীর অভিযানে সাবেক জামায়াত নেতাসহ আটক ২

সফল হতে নাশতার আগেই যেসব কাজ করবেন

ইবনে সিনায় চাকরির সুযোগ

রোববার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ

টানা ৩ দিন ৭ ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম

২৪-০ গোলে জিতল ঋতুপর্ণারা

১০

ডাকসু নেতার ‘কোটা না সংস্কার’ স্লোগানের বিপরীতে শিক্ষার্থীদের ‘ইউরেনিয়াম, ইউরেনিয়াম’

১১

বাংলাদেশের প্রস্তাবে সাড়া দিল না আয়ারল্যান্ড

১২

জামালপুরের একমাত্র নারী প্রার্থী পূথির মনোনয়ন বৈধ

১৩

বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস করে : শামা ওবায়েদ

১৪

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য : উপদেষ্টা ফরিদা

১৫

খোলা জায়গায় প্রস্রাব করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

১৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : সেলিমুজ্জামান

১৭

এমপি প্রার্থীর কর্মীকে হত্যা, মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ

১৮

প্রাণ গেল নারী-শিশুসহ ৩ জনের

১৯

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে এএজিইউবি’র সংবর্ধনা, এজিম ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

২০
X