বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ০৯ জুন ২০২৬, ১০:৩৫ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

একনেকে উঠছে বিতর্কিত ৩৪৪ কোটি টাকার প্রকল্প

শিশু হাসপাতাল
একনেক
একনেক

৩৪৪ কোটি টাকার বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ প্রকল্প-২ নামের বিতর্কিত একটি প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় উঠছে আজ মঙ্গলবার। শিশু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এ প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে।

আজ সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বর্তমান সরকারের চতুর্থ একনেক সভায় বিবেচ্য বিষয়ের তালিকায় ৭ নম্বরে রয়েছে শিশু হাসপাতাল সম্প্রসারণ প্রকল্পটি। একনেক তালিকায় প্রকল্পটিকে নতুন বলা হলেও এ প্রকল্পটি আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের বিতর্কিত ও পুরোনো। শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও চিকিৎসা সম্প্রসারণের আড়ালে প্রকল্প ঘিরে সরকারি অর্থ লোপাটের পরিকল্পনা রয়েছে বলে হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক জানিয়েছেন। এ নিয়ে গত ২৩ মে দৈনিক কালবেলায় ‘অনিয়মে কাবু শিশু হাসপাতাল’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, শিশু হাসপাতাল সম্প্রসারণ প্রকল্পটি ঘিরে একটি প্রভাবশালী চক্র সক্রিয় রয়েছে। বিগত সরকারের আমলে অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত সি-ব্লক ভবনের ওপর ভিত্তি করেই নতুন এই সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যদিও হাসপাতালের পূর্ববর্তী প্রশাসন প্রকল্পটি বাতিল করেছিল। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর শিশু হাসপাতালের পুরোনো সেই চক্রটি ফের নতুন প্রকল্প হিসেবে অনুমোদনের পাঁয়তারা করছে। প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন হলে সরকারি শিশু হাসপাতাল সম্প্রসারণের নামে ৩৪৪ কোটি টাকার বড় অংশই হরিলুট হবে।

সূত্রগুলো বলছে, প্রস্তাবিত প্রকল্পে ভবন থেকে সীমিত সংখ্যক শয্যা বৃদ্ধি পেলেও বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় ধরা হয়েছে যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয়ে। প্রকল্পে প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনাকাটার নামে হরিলুটের পাঁয়তারা করা হচ্ছে। এ ছাড়া ভবনের অবকাঠামোগত ত্রুটির কারণে পার্কিংয়ের প্রবেশপথ এতটাই সংকুচিত যে, সেখানে অ্যাম্বুলেন্স প্রবেশে সমস্যা হচ্ছে। এ অবস্থায় প্রকল্পটি জনস্বার্থে কতটা কার্যকর, নাকি এটি সরকারি অর্থ অপচয়ের একটি নতুন সুযোগ তৈরি করছে—সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

গত ২৩ মে কালবেলায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এই মেগা প্রকল্পের পেছনে অন্যতম প্রধান কারিগর হিসেবে কাজ করছেন নেসার উদ্দিন নামে এক কর্মকর্তা, যার মূল পদ ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর (ডেভেলপমেন্ট)’, তবে সদ্য বিদায়ী পরিচালককে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে তাকে ‘ডেপুটি ডিরেক্টরের (ফাইন্যান্স)’ মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব দেন। বর্তমানে হাসপাতালের সব আর্থিক খাতে নেসার উদ্দিন তার নিজস্ব লোক বসিয়ে একটি শক্তিশালী আর্থিক সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘ফিল্মি স্টাইলে’ হামলা চালিয়ে পুলিশের হাত থেকে আসামি ছিনতাই

অবশেষে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা-দাফনের সময় জানাল ইরান

বিশ্বকাপের আগেই সুসংবাদ / নেইমারকে নিয়ে ব্রাজিল শিবিরে স্বস্তির বার্তা

মাঝ আকাশে বিমানের জানালার কাচ ভাঙলেন যাত্রী!

আলভারেজকে নিয়ে রিয়ালের ‘মেগা বিড’, প্রত্যাখ্যানের ঘোষণায় চমকে দিল অ্যাটলেটিকো 

সম্পদ-দলীয় প্রতীক সবই হারাচ্ছেন মমতা!

বিমান বাহিনীর ১৩১তম জুনিয়র কমান্ড ও স্টাফ কোর্সের সনদপত্র বিতরণ

চিকিৎসকদের নিয়ে সাংবাদিক মাসুদ কামালের বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ড্যাব

সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় চোখে আলো ফিরেছে ৮৪ জনের

বাজেটে মোবাইল, বিদ্যুৎ ও প্রযুক্তিপণ্যে বড় সুখবর

১০

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১১

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় দেশের পতাকা থাকুক সবার উপরে

১২

গাজায় সহিংসতার দায়ে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রীর ওপর ফ্রান্সের নিষেধাজ্ঞা

১৩

ঢাকায় নিখোঁজ জবি শিক্ষার্থীর বাবা, সন্ধান চায় ছেলে

১৪

নতুন রিসাইক্লিং উদ্যোগ / ৯০ শতাংশর বেশি প্লাস্টিক বর্জ্য কমিয়েছে সিঙ্গার বাংলাদেশ

১৫

সরকারি বাঙলা কলেজে অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা

১৬

বাংলার নদী, বাংলার জীবন : ইতিহাস থেকে বর্তমান অবস্থা

১৭

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৮

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগে ‘হিট’ প্রকল্পের আওতায় ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

১৯

ল্যাবএইডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত

২০
X