নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের দুই সংস্থা

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের দুই সংস্থা

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দুই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা—ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) ও ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই)—আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় আসছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এক সপ্তাহের মতো তারা ঢাকায় অবস্থান করে নির্বাচনের প্রস্তুতি, রাজনৈতিক পরিবেশ ও সামগ্রিক প্রক্রিয়া সরেজমিন মূল্যায়ন করবে। এর আগে ২০২৫ সালের ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর আইআরআই ও এনডিআই
ইউরোপীয়দের দ্রুত ইরান ছাড়ার নির্দেশ
ইউরোপীয়দের দ্রুত ইরান ছাড়ার নির্দেশ
শুক্রবার থেকেই মাঠে ফিরছে বিপিএল
শুক্রবার থেকেই মাঠে ফিরছে বিপিএল
১১ দলীয় জোট ৪৭ আসনে প্রার্থী দেয়নি যে কারণে
১১ দলীয় জোট ৪৭ আসনে প্রার্থী দেয়নি যে কারণে
প্রার্থিতা পাননি মাহমুদা মিতু, যা বললেন নাহিদ ইসলাম
প্রার্থিতা পাননি মাহমুদা মিতু, যা বললেন নাহিদ ইসলাম
প্রার্থী নিয়ে বিভ্রান্তি, যা জানাল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
প্রার্থী নিয়ে বিভ্রান্তি, যা জানাল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
ঢাকায় শিক্ষিকার বাসা থেকে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার
ঢাকায় শিক্ষিকার বাসা থেকে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার
  • গণতন্ত্রের উত্তরণ, সামাজিক সংহতি ও জাতীয় অঙ্গীকার

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে তপশিল ঘোষণা করেন। ঘোষিত তপশিল অনুসারে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদ ও সংবিধান বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫-এর আলোকে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এখন দেশব্যাপী চলছে নির্বাচনী হাওয়া। শহর, নগর, গ্রাম, পাড়া ও মহল্লায় চলছে এক এবং অভিন্ন আলোচনা। নির্বাচনী মৌসুমে সব দলীয় প্রার্থী এবং জাতীয় নেতারা অতি সাধারণ বেশে জনতার কাতারে নেমে আসে। সাধারণ ভোটাররা প্রার্থীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে, বুক মিলিয়ে ও কুশল বিনিময়ে প্রশান্তি লাভ করে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে একটি দলনিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা হয় এবং

    গ্রিনল্যান্ড কেন চান ট্রাম্প

    বিশ্ব মানচিত্রে গ্রিনল্যান্ড একটি বিশাল অথচ জনবিরল ভূখণ্ড। আয়তনে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বীপ, কিন্তু জনসংখ্যা মাত্র ৫৬ হাজার। ভৌগোলিকভাবে এটি উত্তর আমেরিকার অংশ হলেও রাজনৈতিকভাবে ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। বরফে ঢাকা এ দ্বীপ দীর্ঘদিন ধরেই বৈশ্বিক রাজনীতির প্রান্তে ছিল। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে গ্রিনল্যান্ড কিনে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন, তখন হঠাৎ করেই এই দ্বীপ বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রে চলে আসে। প্রশ্ন জাগে, কেন ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখলে নিতে চান, এর পেছনে কি শুধু ব্যবসায়িক মানসিকতা, নাকি এর চেয়েও গভীর ভূরাজনৈতিক হিসাব আছে? গ্রিনল্যান্ডের সংক্ষিপ্ত পরিচয় থেকেই শুরু করা যাক। দ্বীপটির প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা সারা বছর বরফে ঢাকা। এখানকার আদিবাসী

    বর্তমান বিশ্বের এক বিধ্বংসী রোগ ‘ট্রাম্পবাদ’

    যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পত্রিকা ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’ ২০২১ সালে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে জানায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প তার শাসনামলের প্রথম মেয়াদকালে মোট ৩০ হাজার ৫৭৩টি ‘মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর’ বক্তব্য দিয়েছিলেন। অর্থাৎ, প্রেসিডেন্ট থাকাকালে টানা চার বছর নিজ দেশের নাগরিক এবং বিশ্ববাসীর কাছে প্রতিদিন গড়ে ২১টি করে মিথ্যা কথা বলতেন তিনি। দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় ফিরে এসেও তিনি সেই অভ্যাসে একচুলও ছেদ টানেননি। এখনো নিয়মমাফিক তিনি আমেরিকান জনগণকে এবং গোটা বিশ্বকে বিভ্রান্ত করে চলেছেন। জনজীবনে সত্য ও সততার প্রতি এ প্রেসিডেন্টের নির্লজ্জ অবহেলার দেখা মিলছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা রাজ্যের মিনিয়াপোলিস শহরে প্রাণঘাতী গুলিবর্ষণের ঘটনায় তার ঘৃণ্য প্রতিক্রিয়ায় আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এ আচরণ। এ ঘটনা কেন্দ্র করে
  • পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ

    আজ ১৪ জানুয়ারি। এই দিনে ঐতিহাসিক পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের শুরু হয়। এই যুদ্ধ ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং রক্তক্ষয়ী ঘটনা। ১৭৬১ সালের ১৪ জানুয়ারি দিল্লির উত্তরে পানিপথের প্রান্তরে এ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ যুদ্ধে একপক্ষে ছিল মারাঠা সাম্রাজ্য এবং অন্যপক্ষে ছিল আফগানিস্তানের শাসক আহমদ শাহ আবদালির (দুররানি) নেতৃত্বে একটি সম্মিলিত বাহিনী। অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে মোগল সাম্রাজ্যের পতনের সুযোগে মারাঠারা ভারতে তাদের আধিপত্য বিস্তার শুরু করে। তারা উত্তর ভারতের বিশাল এলাকা দখল করে নেয়। সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে থাকে দিল্লির রাজনীতিতে। অন্যদিকে, আফগান শাসক আহমদ শাহ আবদালি ভারতের পাঞ্জাব অঞ্চলে তার প্রভাব বজায় রাখতে ছিলেন তৎপর। মারাঠাদের ক্রমবর্ধমান ক্ষমতা আবদালির

    জোটের রাজনীতিতে নানা সমীকরণ

    প্রচলিত ধারায়, বাংলাদেশে ভোটের মৌসুম মানেই জোটের তোড়জোড়, টানাপোড়েন, ভাঙা-গড়া, মান-অভিমান। এ যেন বিবাহ-শাদির ব্যাপার। অথচ এবার অন্যরকম প্রত্যাশা ছিল। সেই আশায় গুড়েবালি। পুরোনো রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি নতুন দলও গড্ডলিকা প্রবাহে। ভিন্ন অবস্থানের চেয়ে ভিড়ের বাসে ওঠার মতো জোটের বৃত্তে প্রাপ্তির কসরতে একবারে গলদঘর্ম। আর সবই চলছে সনাতনী তরিকায়। এ ক্ষেত্রে নতুন বন্দোবস্তের ছিটেফোঁটাও নেই। অথচ জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে এবার ভিন্ন কিছু প্রত্যাশিত ছিল। কিন্তু তা হয়নি। জুলাইয়ের পর যে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের সুযোগ ও সম্ভাবনা ছিল এবং যে স্বচ্ছ অর্থনৈতিক কাঠামো গঠনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল, তাও জোট গঠনে দলগুলোর মননে থাকার কোনো আলামত দেখা যাচ্ছে না। বরং, জোটের সীমানায় আসন

    শেষ শ্রদ্ধা ও গণতন্ত্রের আগমনী বার্তা

    বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মুহূর্ত আছে, যেগুলো শুধু সময়ের সাক্ষ্য নয়—বরং একটি জাতির আবেগ, স্মৃতি ও আত্মপরিচয়ের প্রতিফলন। বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় লাখ লাখ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল তেমনই এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এটি শুধু একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শেষ বিদায় ছিল না; এটি ছিল একজন আপসহীন নেত্রীর প্রতি জাতির শ্রদ্ধা, গণতন্ত্রের মায়ের প্রতি মানুষের গভীর ভালোবাসা এবং দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীকের প্রতি নিঃশব্দ কিন্তু দৃঢ়চেতা সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ। এই জনসমুদ্র কোনো প্রশাসনিক নির্দেশে সমবেত হয়নি, কোনো রাজনৈতিক প্রণোদনায় মিলিত হয়নি, কোনো ভয়ভীতি কিংবা চাপের ফলেও একত্রিত হয়নি। এটি ছিল মানুষের হৃদয়ের আকুতি, দেশনেত্রীর দীর্ঘ লড়াইয়ের প্রতি সম্মান এবং ইতিহাসের কাছে নিজেদের অবস্থান জানান
  • নির্বাচনে বিএনপি একাই ২৪০ আসনে বিজয়ী হবে

    কিশোরগঞ্জ থেকে ১৯৮৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান। ২০০৭ সালের দিকে আওয়ামী লীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। প্রায় আট বছর কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। বিএনপির সদ্য প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করেন বর্ষীয়ান এ নেতা। কিশোরগঞ্জ-৪ আসন থেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে দুবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় কিশোরগঞ্জ জেলার মুজিব বাহিনীর প্রধান ছিলেন তিনি। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট একাই ন্যূনতম ২৪০ আসনে বিজয়ী হবে বলে দাবি করেছেন ফজলুর রহমান। কালবেলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে সাম্প্রতিক নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন

    দ্বৈত পরীক্ষা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আর মাত্র এক মাস বাকি। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়া একটি বিরল ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং তার সঙ্গে অনুষ্ঠিতব্য গণভোট শুধু ক্ষমতা নির্ধারণের প্রক্রিয়া নয়; বরং এটি জনগণের প্রত্যক্ষ মতামতের মাধ্যমে রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের এক ঐতিহাসিক উপলক্ষ। এ দ্বৈত আয়োজন দেশের গণতন্ত্রের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হওয়া উচিত। প্রথমত, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে হওয়া জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতার শক্তিশালী প্রকাশ। সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবে আর গণভোটের মাধ্যমে কোনো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বা সাংবিধানিক বিষয়ে সরাসরি মতামত দেবে।

    জেমস জয়েস

    আইরিশ ঔপন্যাসিক, কবি এবং সাহিত্য সমালোচক জেমস জয়েস আধুনিক বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। বিংশ শতাব্দীর সাহিত্যে তিনি যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনেন, যার প্রভাব বিশ্বসাহিত্যে বিদ্যমান। জেমস জয়েস ১৮৮২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে জন্মগ্রহণ করেন। তার অধিকাংশ লেখালেখি ডাবলিনকে কেন্দ্র করে হলেও, জীবনের দীর্ঘ সময় তিনি কাটিয়েছেন প্যারিস, ত্রিয়েস্তে এবং জুরিখে। তার প্রথম উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ ‘ডাবলিনার্স’-এ অত্যন্ত নিপুণভাবে তার শহরের মধ্যবিত্ত জীবনের স্থবিরতা-আধ্যাত্মিক দৈনদশা ফুটিয়ে তুলেছেন। জয়েসের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হলো সাহিত্যে ‘চেতনার প্রবাহ’ কৌশলের সফল প্রয়োগ। তার বিখ্যাত উপন্যাস ‘আ পোর্ট্রেট অব দ্য আর্টিস্ট অ্যাজ আ ইয়ং ম্যান’-এ (১৯১৬) তিনি একজন তরুণ শিল্পীর আত্মিক ও বৌদ্ধিক বিকাশের চিত্র তুলে ধরেছেন। তবে
  • ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২৬ এএম
    এক জরিপে নির্বাচনে ৭০ শতাংশ ভোট পেতে যাচ্ছে বিএনপি। অন্য জরিপে বিএনপি-জামায়াতের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস। আপনি কী মনে করছেন?

    এক জরিপে নির্বাচনে ৭০ শতাংশ ভোট পেতে যাচ্ছে বিএনপি। অন্য জরিপে বিএনপি-জামায়াতের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস। আপনি কী মনে করছেন?

    • ৭০ শতাংশ ভোট পেতে যাচ্ছে বিএনপি
    • বিএনপি-জামায়াতের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
    • কোনোটাই না
    +
    =
    সাবমিট
    মোট ভোটদাতাঃ ৫,৩৫৯ জন
    মোট ভোটারঃ ৫,৩৫৯
    ভোট দিন
    Link Copied
অনলাইন জরিপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইরানে হামলা পেছাতে ট্রাম্পকে অনুরোধ করেন নেতানিয়াহু

ইউরোপীয়দের দ্রুত ইরান ছাড়ার নির্দেশ

কোন ভিসায় স্থগিতাদেশ, জানাল যুক্তরাষ্ট্র

১১ দলীয় জোট ৪৭ আসনে প্রার্থী দেয়নি যে কারণে

ইসলামী আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলন আজ

কেন ১৪৭০৭ কোটির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন মেসি?

প্রার্থিতা পাননি মাহমুদা মিতু, যা বললেন নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নির্বাচন / ভোটকেন্দ্র সংস্কারে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ, তদারকিতে কমিটি

খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করেই আগামীর রাষ্ট্র বিনির্মাণ করবে বিএনপি : রবিন

প্রার্থী নিয়ে বিভ্রান্তি, যা জানাল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

১০

ঢাকায় শিক্ষিকার বাসা থেকে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার

১১

যেসব আসন পেয়েছে এনসিপি 

১২

শুক্রবার থেকেই মাঠে ফিরছে বিপিএল

১৩

মুঠোফোনে হুমকি পাওয়ার অভিযোগ কোয়াব সভাপতি মিঠুনের

১৪

জাইমা রহমানের ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম আইডির তথ্য জানাল বিএনপি

১৫

যে ২০ আসন পেল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

১৬

ভিসা নিয়ে মার্কিন সিদ্ধান্তের বিষয়ে কী করবে সরকার, জানালেন তথ্য উপদেষ্টা

১৭

ঢাকার রামপুরা ও ময়মনসিংহে মি. ডিআইওয়াইয়ের দুটি স্টোর উদ্বোধন

১৮

রূপায়ণ গ্রুপের অ্যানুয়াল বিজনেস প্ল্যান (এবিপি) ২০২৬ হস্তান্তর

১৯

রমজানের আগেই এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিকের আশ্বাস

২০
জাল টাকার অভিযান ঘিরে ডিবি টিমে দ্বন্দ্ব
পুরান ঢাকার ওয়ারীতে একটি ফ্ল্যাটে জাল টাকা উদ্ধারের অভিযান নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার তেজগাঁও বিভাগে দুটি পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। অভিযানে থাকা দলটি বলছে, ওই বিভাগের
একান্ত সাক্ষাৎকারে ফজলুর রহমান / নির্বাচনে বিএনপি একাই ২৪০ আসনে বিজয়ী হবে
কিশোরগঞ্জ থেকে ১৯৮৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান। ২০০৭ সালের দিকে আওয়ামী লীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। প্রায় আট বছর কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। বিএনপির
সরকারি সিদ্ধান্তে নিজের মতামতের গুরুত্ব নেই মনে করে ৭৩% মানুষ
সংবিধানে বলা আছে—প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। এই ঘোষণাই বাংলাদেশের রাষ্ট্রদর্শনের ভিত্তি। কিন্তু বাস্তবে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রক্রিয়ায় সেই ক্ষমতার কোনো দৃশ্যমান প্রতিফলন নেই। দেশের অধিকাংশ জনগণ মনে করে, রাষ্ট্র বা
অবৈধ ইটভাটায় পুড়ছে কাঠ গিলে খাচ্ছে ফসলি জমি
দেশের শস্যভান্ডার হিসেবে পরিচিত উত্তরের জেলা নওগাঁ। এ জেলার উৎপাদিত ধান-চাল ও বিভিন্ন ফসল দিয়ে দেশের মানুষের খাদ্যের চাহিদা মিটে থাকে। কিন্তু দিন দিন কমে যাচ্ছে ফসল ফলানো কৃষি জমি।
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের দুই সংস্থা
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের দুই সংস্থা
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দুই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা—ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) ও ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই)—আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় আসছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এক সপ্তাহের মতো তারা ঢাকায় অবস্থান করে নির্বাচনের প্রস্তুতি, রাজনৈতিক পরিবেশ ও সামগ্রিক প্রক্রিয়া সরেজমিন মূল্যায়ন করবে। এর আগে ২০২৫ সালের ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর আইআরআই ও এনডিআই যৌথভাবে একটি প্রাক-নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনে অংশ নেয়। তারা নির্বাচন কমিশনের বেশকিছু অগ্রগতি যেমন ভোটার তালিকা হালনাগাদ, ২১ লাখ মৃত ভোটার অপসারণ ও ৪৪ লাখ নতুন ভোটার সংযুক্তিকে ইতিবাচক হিসেবে চিহ্নিত করে। একই সঙ্গে জুলাই মাসে জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাক্ষর ও আন্তঃদলীয় সংলাপের উদ্যোগকেও স্বাগত জানায়। তবে ওই মিশন রাজনৈতিক সহিংসতা, নিরাপত্তা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে। তারা উল্লেখ করে, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে, বিশেষ করে বিএনপির অবস্থান নিয়ে মতভেদ রয়ে গেছে, যা প্রাক-নির্বাচনী পরিবেশকে অনিশ্চিত করে তোলে। আইআরআই পরে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, ভুয়া তথ্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট প্রতিরোধ এবং স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার সুপারিশ করে। তাদের মতে, পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানিয়েছে, আইআরআই এরই মধ্যে অন্তত ১০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক পাঠানোর প্রস্তুতি নিশ্চিত করেছে। আইআরআই ও এনডিআই আগেও বাংলাদেশের নির্বাচনে কাজ করেছে এবং স্বাধীনভাবে তাদের মূল্যায়ন প্রকাশ করেছে। নির্বাচনের পর তারা একটি সুপারিশনামা দেবে, যেখানে ভোটে অনিয়ম বা সহিংসতার বিষয় থাকলে সেটিও উঠে আসবে। তাদের পর্যবেক্ষণ দেশের জনগণ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে।
৫ ঘণ্টা আগে

হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক ইনকিলাব মঞ্চের

৯ ঘণ্টা আগে

পে-স্কেল নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল কমিশন

৯ ঘণ্টা আগে

খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা শুক্রবার, বক্তব্য দেবেন না তারেক রহমান

৯ ঘণ্টা আগে

সংস্কার বাস্তবায়নে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে জনমত তৈরি করতে হবে : ফারুক ওয়াসিফ

১০ ঘণ্টা আগে

আসছে দুই দফায় ৬ দিনের ছুটি

১০ ঘণ্টা আগে
১১ দলীয় জোট ৪৭ আসনে প্রার্থী দেয়নি যে কারণে
১১ দলীয় জোট ৪৭ আসনে প্রার্থী দেয়নি যে কারণে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের’ আসন ভাগাভাগি হয়েছে। ৮ দলের মধ্যে ২৫৩ আসন বণ্টন হলেও নির্বাচনী ঐক্যের এই জোটে ইসলামী আন্দোলনকে রাখতে শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করবে বাকি ১০ দল। ২৫৩ আসনের সমঝোতা অনুযায়ী, জামায়াতে ইসলামী ১৭৯ আসন, এনসিপি ৩০ আসন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০ আসন, খেলাফত মজলিস ১০ আসন, এলডিপি ৭ আসন, এবি পার্টি ৩ আসন, নেজামে ইসলাম পার্টি ২ আসন, বিডিপি ২ আসনে লড়বে। এদিকে সমঝোতার মধ্যে থাকলেও জাগপা ও খেলাফত আন্দোলনের জন্য কোনো আসন রাখা হয়নি। আর বাকি ৪৭ আসন ইসলামী আন্দোলনের জন্য রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এই সমঝোতায় না থাকলে এসব আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা অংশ নিতে পারেন। যদিও জাগপা ও খেলাফত আন্দোলনও দুই থেকে তিনটি আসন পেতে পারে বলে জোট সূত্রে জানা গেছে। আসন বণ্টনের ঘোষণা দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, ‘আমরা আপাতত ২৫০টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করছি। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামী ১৭৯, এনসিপি ৩০, খেলাফত মজলিস ২০, খেলাফতে মজলিস ১০, এলডিপি ৭, এবি পার্টি ২ এবং নেজামে ইসলাম ৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। বাকি শরিকদের সঙ্গেও ঐকমত্যের ভিত্তিতে আসন বণ্টন সম্পন্ন হবে বলে আমরা আশা করি।’ সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলনের অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘তারা নিজেদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ বোঝাপড়া করছে। জোটে ভাঙনের কোনো অবকাশ নেই। আশা করি দ্রুতই তারা আমাদের সঙ্গে যুক্ত হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইসলামী আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলন আজ
ইসলামী আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলন আজ
প্রার্থিতা পাননি মাহমুদা মিতু, যা বললেন নাহিদ ইসলাম
প্রার্থিতা পাননি মাহমুদা মিতু, যা বললেন নাহিদ ইসলাম
ভোটকেন্দ্র সংস্কারে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ, তদারকিতে কমিটি
জাতীয় নির্বাচন / ভোটকেন্দ্র সংস্কারে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ, তদারকিতে কমিটি
খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করেই আগামীর রাষ্ট্র বিনির্মাণ করবে বিএনপি : রবিন
খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করেই আগামীর রাষ্ট্র বিনির্মাণ করবে বিএনপি : রবিন
প্রার্থী নিয়ে বিভ্রান্তি, যা জানাল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
প্রার্থী নিয়ে বিভ্রান্তি, যা জানাল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
যেসব আসন পেয়েছে এনসিপি 
যেসব আসন পেয়েছে এনসিপি 

রূপায়ণ গ্রুপের অ্যানুয়াল বিজনেস প্ল্যান (এবিপি) ২০২৬ হস্তান্তর

আবাসন খাতের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান রূপায়ণ গ্রুপের সকল প্রতিষ্ঠানের অ্যানুয়াল বিজনেস প্ল্যান (এবিপি) ২০২৬ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর শেরাটন হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রূপায়ণ গ্রুপের উপদেষ্টা ও এবিপি কমিটি ২০২৬-এর চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন পিজে উল্লাহ (অব.) সকল কোম্পানির পক্ষে এবিপি ২০২৬ রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুলের হাতে তুলে দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রূপায়ণ গ্রুপের কো-চেয়ারম্যান মাহির আলী খান রাতুল, ভাইস চেয়ারম্যান নওরিন জাহান মিতুল, সাবরিনা রশিদ নোভা, সাইফ আলী খান অতুল এবং রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যানের মাতা ফরিদা বেগম। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুল বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ ও সুশৃঙ্খল আর্থিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যেকোনো প্রতিষ্ঠান সাফল্যের শিখরে পৌঁছাতে পারে। নতুন বছরে নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে সকলকে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। রূপায়ণ গ্রুপের কো-চেয়ারম্যান মাহির আলী খান রাতুল বলেন, নতুন বছর নানা চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছে। তবে নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও টিমওয়ার্কের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।  অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রূপায়ণ গ্রুপের উপদেষ্টা সাদাত হোসাইন সেলিম, সিইও সাব্বির হোসেন খান, উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল কালাম আজাদ (অব.), আব্দুল গাফফার, এএসএম সাইখুল ইসলাম, দেশ রূপান্তর-এর সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, পাশাপাশি গ্রুপের বিভিন্ন অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা।  

ঢাকার রামপুরা ও ময়মনসিংহে মি. ডিআইওয়াইয়ের দুটি স্টোর উদ্বোধন

মালয়েশিয়ার শীর্ষস্থানীয় হোম ইমপ্রুভমেন্ট ব্র্যান্ড মি. ডিআইওয়াই বাংলাদেশের বাজারে আরও দুটি নতুন স্টোর উদ্বোধন করেছে। ঢাকার রামপুরা ও ময়মনসিংহ শহরে অবস্থিত এই স্টোর দুটি ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) এক উৎসবমুখর পরিবেশে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। নতুন স্টোর দুটি হলো—ঢাকার ৬২, হাজীপাড়া, রামপুরা ডিআইটি রোড এবং ময়মনসিংহের ২১, সাহেব আলী রোড, নতুন বাজার। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিনোদন ও ডিজিটাল মিডিয়া অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে আয়োজনটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। তারা মি. ডিআইওয়াই বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিতা কেটে স্টোর দুটির উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মি. ডিআইওয়াই বাংলাদেশের হেড অব অপারেশনস সৈয়দ নূর আনোয়ার, মার্কেটিং ম্যানেজার মো. রাহাত নবি, ফাইন্যান্স ম্যানেজার মোহাম্মদ নাসিম আহমেদ, ইমপোর্ট ম্যানেজার মো. মাসুদুর রহমান এবং হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মোহাম্মদ নাজির হোসেন। মি. ডিআইওয়াই-এর কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশে ব্র্যান্ডটির ক্রমাগত সম্প্রসারণ এবং গ্রাহকদের জন্য উন্নত সেবা নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য। তারা পুনরায় ব্র্যান্ডটির মূলমন্ত্রের কথা তুলে ধরেন—Wide range of products for everyone's needs at the lowest prices. রামপুরা ও ময়মনসিংহের নতুন স্টোরগুলোতে রয়েছে ১০টি প্রধান ক্যাটাগরির ১০,০০০-এর বেশি পণ্য। এর মধ্যে রয়েছে গৃহস্থালি সামগ্রী, হার্ডওয়্যার, ইলেকট্রনিক্স, অটোমোটিভ এক্সেসরিজ, ফার্নিশিং, স্টেশনারি, খেলাধুলা ও খেলনা, উপহার সামগ্রী, কম্পিউটার ও মোবাইল এক্সেসরিজ, পাশাপাশি গয়না ও কসমেটিক্স। এর মাধ্যমে পরিবারের প্রতিটি সদস্যের জন্য এক সম্পূর্ণ শপিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করছে মি. ডিআইওয়াই বাংলাদেশ। গ্র্যান্ড ওপেনিং উপলক্ষে ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত থাকছে বিশেষ অফার ও উপহার। এ সময় ১,০০০ টাকা বা তার বেশি কেনাকাটায় ক্রেতারা পাবেন একটি বিনামূল্যে মি. ডিআইওয়াই ছাতা। পাশাপাশি মি. ডিআইওয়াই Top Fan Campaign-এ অংশ নিয়ে আকর্ষণীয় পুরস্কার জয়ের সুযোগও থাকছে। বাংলাদেশে মি. ডিআইওয়াই-এর সম্প্রসারণ যাত্রা ২০০৫ সালে মালয়েশিয়ায় যাত্রা শুরু করা মি. ডিআইওয়াই বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ৫,০০০-এর বেশি আউটলেট পরিচালনা করছে। থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইনস, সিঙ্গাপুর, ব্রুনাই, ভারত, তুরস্ক, স্পেন ও দক্ষিণ আফ্রিকাসহ এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ব্র্যান্ডটি সফলভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশে মি. ডিআইওয়াই প্রথম দুটি স্টোর চালু করে ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে, উত্তরার পলওয়েল কার্নেশন শপিং সেন্টার ও যমুনা ফিউচার পার্কে। পরবর্তীতে মিরপুর, ধানমন্ডি, শান্তিনগর, মোহাম্মদপুর, চট্টগ্রামের বালি আর্কেড, সাভার, বাসাবো, রামপুরা এবং ময়মনসিংহে ব্র্যান্ডটির উপস্থিতি বিস্তৃত হয়েছে। রামপুরা ও ময়মনসিংহে নতুন স্টোর উদ্বোধনের মাধ্যমে সাশ্রয়ী ও মানসম্মত হোম ইমপ্রুভমেন্ট পণ্য দেশের প্রতিটি পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে মি. ডিআইওয়াই বাংলাদেশের অঙ্গীকার আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।  

রমজানের আগেই এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিকের আশ্বাস

আসন্ন রমজানের আগে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সংকট কেটে যাবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। তিনি বলেছেন, ‘বর্তমান সংকটটি সাময়িক হলেও দীর্ঘ মেয়াদে বাজার স্থিতিশীল রাখতে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা জরুরি।’ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার ম্যাগাজিন আয়োজিত ‘এলপিজি বাজারে নিয়ন্ত্রক চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন ম্যাগাজিনের সম্পাদক মোল্লা আমজাদ হোসেন। জালাল আহমেদ বলেন, ‘দেশে কত পরিমাণ এলপিজি আমদানি হচ্ছে, সে বিষয়ে আমদানিকারকদের কাছ থেকে পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) কাছ থেকে পরিবেশকদের তালিকা চাওয়া হলেও অর্ধেক সদস্য তা দেননি। এতে করে বাজার পরিস্থিতি মূল্যায়ন ও দাম নির্ধারণে জটিলতা তৈরি হচ্ছে।’  বিইআরসি চেয়ারম্যান জানান, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি এবং বড় ক্রেতাদের আধিপত্যের কারণে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এলপিজি আমদানি কমে গেছে। মূল প্রবন্ধে ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (আইইউবি) ভাইস চ্যান্সেলর ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ম. তামিম বলেন, ‘দেশে এলপিজির সংকট নতুন নয়, তবে সাম্প্রতিক সময়ে তা আরও গভীর হয়েছে। পাইপলাইনের গ্যাস না থাকায় এলপিজির ওপর নির্ভরতা দ্রুত বাড়ছে। বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ গ্রাহক থাকলেও অল্প সময়ের মধ্যেই তা ৩৫ লাখে পৌঁছাবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘একাধিক সংস্থার নিয়ন্ত্রণ, জটিল লাইসেন্সিং ও উচ্চ ফি এলপিজি খাতের বড় বাধা। নিয়ন্ত্রণমূলক নয়, নিরাপত্তাভিত্তিক নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে।’ ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি এএইচএম শফিকুজ্জামান বলেন, ‘এলপিজিকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ঘোষণা না করলে বাজার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না–এই ব্যবধান কোথায় হচ্ছে তা খুঁজে বের করা জরুরি।’ লোয়াবের সভাপতি আমিনুল হক বলেন, ‘লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া, উচ্চ নবায়ন ফি ও কার্গো খালাসের সীমাবদ্ধতা দূর না হলে সংকট কাটবে না। নতুন বিনিয়োগও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।’ এসময় জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব একেএম ফজলুল হক, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শামসুজ্জামান সরকার, পেট্রোবাংলার সাবেক পরিচালক আলী ইকবাল মোহাম্মদ নুরুল্লাহ, বিস্ফোরক অধিদপ্তরের প্রধান পরিদর্শক মো. আবুল হাসান, জেএমআই গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক, যমুনা স্পেস-টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বেলায়েত হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
৬ ঘণ্টা আগে
রমজানের আগেই এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিকের আশ্বাস

সরাসরি এলপি গ্যাস আমদানিতে যাচ্ছে সরকার

সংকট কাটাতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এ লক্ষ্যে গত ১০ জানুয়ারি সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে এলপিজি আমদানির অনুমতি চেয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি। জ্বালানি বিভাগ ও বিপিসি সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশের এলপিজি বাজার প্রায় পুরোপুরি বেসরকারি খাতনির্ভর হওয়ায় খুচরা পর্যায়ে সিলিন্ডারের দামের ওপর সরকারের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নেই। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সরবরাহ ঘাটতি ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগ উঠে আসছে। এই প্রেক্ষাপটে সরকারি উদ্যোগে এলপিজি আমদানির মাধ্যমে বাজারে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা এবং কৃত্রিম সংকট মোকাবিলাই বিপিসির প্রধান লক্ষ্য। বিপিসির চেয়ারম্যান মো. আমিন উল আহসান জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করেন, বর্তমানে বাজারে এলপিজি সিলিন্ডারের তীব্র সংকট ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। বেসরকারি অপারেটরদের অনেকেই নানা জটিলতার কারণে নিয়মিত আমদানি করতে পারছেন না, যার সুযোগ নিয়ে কোথাও কোথাও কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে। চিঠিতে আরও বলা হয়, সরকারিভাবে এলপিজি আমদানি করা হলে তা বেসরকারি অপারেটরদের মাধ্যমেই দ্রুত বাজারে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এতে বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকারের হাতে একটি কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। তবে বিপিসির নিজস্ব অবকাঠামো না থাকায় বেসরকারি অপারেটরদের টার্মিনাল ও খালাস সুবিধা ব্যবহার করেই এই কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানান, সরকার এরই মধ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে জিটুজি ভিত্তিতে এলপিজি আমদানির সম্ভাবনা যাচাই করছে। আপাতত সরকার শুধু আমদানির দায়িত্ব নেবে, আর সংরক্ষণ ও বোতলজাতকরণের কাজ বেসরকারি খাতের মাধ্যমেই সম্পন্ন হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত এলপি গ্যাস ও বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে এলপিজির চাহিদা বছরে প্রায় ১৭ লাখ টন। ব্যবহৃত এলপিজির প্রায় ৮০ শতাংশ খরচ হয় রান্নায়, বাকি ২০ শতাংশ শিল্পকারখানা ও যানবাহনে। প্রতিবছর এলপিজির চাহিদা বাড়ছে। রাষ্ট্রায়ত্ত এলপি গ্যাস লিমিটেডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালে দেশে এলপিজির চাহিদা বছরে প্রায় ৩০ লাখ টন ছাড়াতে পারে। সরকারি উৎস থেকে জোগান দাঁড়াতে পারে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টন, যা চাহিদার তুলনায় অতি সামান্য। ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবের জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা এম শামসুল আলম জানান, বিগত সরকারগুলো এলপিজি খাতকে পুরোপুরি বাণিজ্যিক করে ফেলেছে। তাই ভোক্তাবান্ধব সিদ্ধান্ত দরকার। প্রয়োজনে সরকারিভাবে আমদানি করে সরবরাহ বাড়াতে হবে। 
১৭ ঘণ্টা আগে
সরাসরি এলপি গ্যাস আমদানিতে যাচ্ছে সরকার

জ্বালানি তেল নিয়ে সুখবর

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবার কমেছে। দাম প্রায় ২ শতাংশ নামার পেছনে প্রধান কারণ হলো মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় বাজারের উদ্বেগ কমে আসা। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ফিউচারের দাম ১.৬৭ ডলার বা ২.৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৬৪.৮৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেলের দাম ১.৫৪ ডলার বা ২.৫ শতাংশ কমে ব্যারেল প্রতি ৬০.৪৮ ডলারে নেমেছে। এর আগে, বুধবার (১৪ জানুয়ারি, ২০২৬) উভয় সূচক ১ শতাংশের বেশি বেড়েছিল। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মন্তব্যের পর বাজারের বেশির ভাগ লাভ ফিরে গেছে। ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের হত্যা কমে এসেছে এবং বড় ধরনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কোনো পরিকল্পনা নেই। নিসান সিকিউরিটিজ ইনভেস্টমেন্টের প্রধান কৌশলবিদ হিরোয়ুকি কিকুকাওয়া বলেন, মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে না এমন প্রত্যাশার কারণে তেলের বাজারে বিক্রির চাপ ছিল। মন্দার অন্য কারণ হলো মার্কিন অপরিশোধিত তেলের মজুত বৃদ্ধি। তবে তিনি বলেছেন, ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি এখনো বেশি এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনা সরবরাহ-চাহিদার ভারসাম্যকে প্রভাবিত করতে পারে। আপাতত ডব্লিউটিআই ৫৫ থেকে ৬৫ ডলারের মধ্যে লেনদেন হতে পারে। গত সপ্তাহে মার্কিন অপরিশোধিত তেলের মজুত বিশ্লেষকদের অনুমানের চেয়ে বেশি বেড়ে ৪২২.৪ মিলিয়ন ব্যারেলে পৌঁছেছে। এর ফলে বাজারে মন্দার সুর আরও বেড়েছে। ভেনেজুয়েলাও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যে তেলের উৎপাদন পরিবর্তন শুরু করেছে। চাহিদার দিক থেকে, পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা জানিয়েছে, ২০২৭ সালে তেলের চাহিদা ২০২৬ সালের মতো একই গতিতে বাড়বে। সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ভারসাম্যের সম্ভাবনা রয়েছে, যা অতিরিক্ত তেলের পূর্বাভাসের সঙ্গে বিপরীত। এ ছাড়া, ডিসেম্বরে চীনের অপরিশোধিত তেল আমদানি এক বছরের আগের তুলনায় ১৭ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৫ সালে মোট আমদানিও ৪.৪ শতাংশ বেড়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরে এবং ২০২৫ সালের জন্য দৈনিক অপরিশোধিত তেল আমদানির পরিমাণ সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
জ্বালানি তেল নিয়ে সুখবর
প্রবাসীর বাসায় পোস্টাল ব্যালট গণনার বিষয়টি সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে : নুরুদ্দিন অপু ‎ ‎
প্রবাসীর বাসায় পোস্টাল ব্যালট গণনার বিষয়টি সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে : নুরুদ্দিন অপু ‎ ‎
১৬ মাসের শিশুকে নদীতে ছুড়ে ফেলে থানায় গেলেন মা
১৬ মাসের শিশুকে নদীতে ছুড়ে ফেলে থানায় গেলেন মা
তারেক রহমানের নির্দেশে সরে যাচ্ছেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী 
তারেক রহমানের নির্দেশে সরে যাচ্ছেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী 
হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর আঁচড় লাগলে প্রতিরোধ করা হবে : ড. ফরিদুজ্জামান 
হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর আঁচড় লাগলে প্রতিরোধ করা হবে : ড. ফরিদুজ্জামান 
প্রকাশ্যে ধূমপান করায় জরিমানা
প্রকাশ্যে ধূমপান করায় জরিমানা
সেনাবাহিনীর হাতে আটক বিএনপি নেতা
সেনাবাহিনীর হাতে আটক বিএনপি নেতা
সাতক্ষীরা সিটি কলেজে পিঠা উৎসব, চলবে দুদিন
সাতক্ষীরা সিটি কলেজে পিঠা উৎসব, চলবে দুদিন
খেলাধুলা নেতৃত্ব বিকাশের অন্যতম হাতিয়ার : সালাউদ্দিন বাবু
খেলাধুলা নেতৃত্ব বিকাশের অন্যতম হাতিয়ার : সালাউদ্দিন বাবু
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
.

ইরানে হামলা পেছাতে ট্রাম্পকে অনুরোধ করেন নেতানিয়াহু

ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক হামলা পিছিয়ে দিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অনুরোধ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এমন তথ্য জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস। প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলার পরিকল্পনা বাতিল করেনি, বরং সময় পরিবর্তন করেছে। ইসরায়েলের চ্যানেল ১৪ জানায়, বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে জানায় যে তারা রাতেই ইরানে হামলা চালাতে পারে, তবে পরে সেই পরিকল্পনা স্থগিত করা হয়। এর আগে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তার সতর্কবার্তার পর ইরানে আটক এক বিক্ষোভকারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে না। তিনি জানান, অন্যদের ক্ষেত্রেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে এএফপি জানিয়েছে, সৌদি আরবের এক কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়েছে—সৌদি আরব, কাতার ও ওমান ট্রাম্পকে ইরানকে আরও সময় দিতে এবং সামরিক হামলা থেকে বিরত থাকতে রাজি করিয়েছে। এ বিষয়ে ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে লেখেন, ‘এটি ভালো খবর… আশা করি এটি চলতে থাকবে।’ এর মধ্যেই ইরান সরকার জানিয়েছে, বিক্ষোভে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক এরফান সোলতানিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। দেশটির বিচার বিভাগ জানায়, তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে, যার সর্বোচ্চ শাস্তি কারাদণ্ড, মৃত্যুদণ্ড নয়। ট্রাম্প আরও জানান, তাকে জানানো হয়েছে যে ইরানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর বন্ধ রাখা হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ড বন্ধের পথে রয়েছে। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেন, ২০২৫ সালের যুদ্ধে যে ভুল হয়েছিল, তা যেন আবার না হয়। তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন সংঘাতে জড়াতে চাইছে। উল্লেখ্য, গত ২৮ ডিসেম্বর ইরানের মুদ্রা রিয়ালের বড় পতনের পর দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত অন্তত ২ হাজার ৫৭১ জন নিহত হয়েছেন। তবে ইরান সরকার নিহতের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার বলে স্বীকার করেছে।  
ইউরোপীয়দের দ্রুত ইরান ছাড়ার নির্দেশ
ইউরোপীয়দের দ্রুত ইরান ছাড়ার নির্দেশ
কোন ভিসায় স্থগিতাদেশ, জানাল যুক্তরাষ্ট্র
কোন ভিসায় স্থগিতাদেশ, জানাল যুক্তরাষ্ট্র
ক্যারিবীয়ান সাগরে আবারও ট্যাংকার জব্দ
ক্যারিবীয়ান সাগরে আবারও ট্যাংকার জব্দ
ভবিষ্যৎ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছি আমরা : ভারতীয় সেনাপ্রধান
ভবিষ্যৎ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছি আমরা : ভারতীয় সেনাপ্রধান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা, গ্রিনল্যান্ডে ইউরোপীয়দের সৈন্য সমাবেশ শুরু
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা, গ্রিনল্যান্ডে ইউরোপীয়দের সৈন্য সমাবেশ শুরু
কাতারের ঘাঁটিতে কর্মকর্তাদের ফেরাতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র
কাতারের ঘাঁটিতে কর্মকর্তাদের ফেরাতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র
কেন কেঁদেছিলেন শাহরুখ কন্যা?
কেন কেঁদেছিলেন শাহরুখ কন্যা?
নগরবাউল জেমসের উদ্দেশ্যে যে প্রশ্নটি করলেন আসিফ আকবর
নগরবাউল জেমসের উদ্দেশ্যে যে প্রশ্নটি করলেন আসিফ আকবর
জানুয়ারি মাতাবে পাকিস্তানি ৫ ড্রামা
জানুয়ারি মাতাবে পাকিস্তানি ৫ ড্রামা
মুক্তি প্রতিক্ষায় দৃশ্যম-৩
মুক্তি প্রতিক্ষায় দৃশ্যম-৩
জুবিনের মৃত্যুর কারণ জানাল সিঙ্গাপুর পুলিশ
জুবিনের মৃত্যুর কারণ জানাল সিঙ্গাপুর পুলিশ
সম্পত্তির দৌড়ে দিশার চেয়ে কতটা পিছিয়ে প্রেমিক তালবিন্দর!
সম্পত্তির দৌড়ে দিশার চেয়ে কতটা পিছিয়ে প্রেমিক তালবিন্দর!
মেকআপ করলে সমস্যা, না করলেও সমস্যা : হিমি
মেকআপ করলে সমস্যা, না করলেও সমস্যা : হিমি
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
শুক্রবার থেকেই মাঠে ফিরছে বিপিএল
শুক্রবার থেকেই মাঠে ফিরছে বিপিএল
মুঠোফোনে হুমকি পাওয়ার অভিযোগ কোয়াব সভাপতি মিঠুনের
মুঠোফোনে হুমকি পাওয়ার অভিযোগ কোয়াব সভাপতি মিঠুনের
কেন ১৪৭০৭ কোটির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন মেসি?
কেন ১৪৭০৭ কোটির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন মেসি?
বিশ্ব ফুটবলে হঠাৎ করেই কাড়ি কাড়ি টাকা নিয়ে আবির্ভাব ঘটে সৌদি প্রো লিগের। ফলে ইউরোপিয়ান ফুটবল থেকে সরে যাওয়ার পরে সৌদি আরবকে বেছে নেন ক্রিষ্টিয়ানো রোনালদো। এরপর পর্তুগীজ সুপারস্টারের পথে হেঁটে এই লিগে যোগদান করেছিলেন নেইমার, সাদিও মানে, করিম বেঞ্জেমার মতো রথি-মহারথিরা। কিন্তু এর মাঝেও ব্যতিক্রম ছিল ফুটবল দুনিয়ার এক মহাতারকা। হ্যাঁ, রোনালদো-নেইমার-বেঞ্জেমাদের পথে হাঁটেননি লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা গতানুগতিক পথে না হেঁটে যোগ দেন মেজর লিগ সকারে। ক্যারিয়ারের গোধূলীতেও  ইন্টার মায়ামির জার্সিতে মাঠ কাঁপাচ্ছেন এলএম টেন। অথচ, চাইলেই সৌদি প্রো লিগে খেলতে পারতেন মেসি। অবিশ্বাস্য মনে হলেও পিএসজি ছাড়ার পর ১৪৭০৭ কোটি টাকার প্রস্তাব পেয়েছিলেন ফুটবল দুনিয়ার এই ক্ষুদে জাদুকর। কিন্তু  সেই প্রস্তাব গ্রহন না করে বরং প্রত্যাখান করে দিয়েছিলেন ৩৮ বছর বয়সী এই তারকা ফরোয়ার্ড। কিন্তু কেন? ২০২৩ সালে পিএসজি ছাড়েন লিওনেল মেসি। সেই সময়েই আল ইত্তিহাদের পক্ষ থেকে বড় অংকের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল মেসিকে। দীর্ঘদিন পর মেসির সে বিষয়টি নিয়েই মুখ খুলেছেন সৌদি প্রো লিগের ক্লাব আল ইত্তিহাদের প্রেসিডেন্ট আনমার আল হাইলি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পিএসজি ছাড়ার পর আমি মেসির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। সেই সময়ে ১.৪ বিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে তাকে দলে ভেড়াতে প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু তিনি এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন পরিবারের কথা ভেবে। তার কাছে অর্থের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ পরিবার।’ তবে মেসিকে দলে ভেড়ানোর আক্ষেপ এখনও রয়েছে আনমার আল হাইলির। আল ইত্তিহাদের সভাপতি বলেন, ‘মেসি যখন চাইবেন, তখনই যোগ দিতে পারেন ক্লাবে। যত টাকা বেতন চান, দিতে প্রস্তুত। সারা জীবনের জন্য চুক্তি চাইলে, তাতেও সমস্যা নেই।’
মাঠে ফিরতে ২ শর্ত দিলেন ক্রিকেটাররা
মাঠে ফিরতে ২ শর্ত দিলেন ক্রিকেটাররা
বিপিএল বন্ধ, কে দেবে ৪০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ?
বিপিএল বন্ধ, কে দেবে ৪০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ?
ইভেন্ট
লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
X