মিল্টনের আশ্রমে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর

মিল্টনের আশ্রমে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর

বহুল আলোচিত মিল্টন সমাদ্দারের গড়া প্রতিষ্ঠান ‘চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এজ কেয়ারে’ প্রশাসক নিযুক্ত করেছে সমাজসেবা অধিদপ্তর। গতকাল রোববার (২৬ মে) সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো. রকনুল হকের স্বাক্ষতির এক অফিস আদেশে
মঙ্গলবার কেমন থাকবে আবহাওয়া?
মঙ্গলবার কেমন থাকবে আবহাওয়া?
পুলিশ-আওয়ামী লীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় সাভারে কারখানা দখল
পুলিশ-আওয়ামী লীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় সাভারে কারখানা দখল
দেশে একদিনে ৩ হাজার ৩৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি
দেশে একদিনে ৩ হাজার ৩৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি
ঘূর্ণিঝড়ে বিদ্যুৎহীন পৌনে ৩ কোটি গ্রাহক
ঘূর্ণিঝড়ে বিদ্যুৎহীন পৌনে ৩ কোটি গ্রাহক
অন্ধকারে দেড় লাখ বিদ্যুৎ গ্রাহক, বন্ধ রয়েছে মোবাইল নেটওয়ার্ক
অন্ধকারে দেড় লাখ বিদ্যুৎ গ্রাহক, বন্ধ রয়েছে মোবাইল নেটওয়ার্ক
রিমালের প্রভাবে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ৬ ফ্লাইট বাতিল
রিমালের প্রভাবে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ৬ ফ্লাইট বাতিল
  • সৈয়দ বোরহান কবীর
    সৈয়দ বোরহান কবীরনির্বাহী পরিচালক, পরিপ্রেক্ষিত

    আনার, আজিজ, বেনজীর: কীসের ইঙ্গিত

    তিনজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে নিয়ে সপ্তাহজুড়ে তোলপাড় দেশ। একজন জনপ্রতিনিধি। একজন সাবেক সেনাপ্রধান। তৃতীয় ব্যক্তি সাবেক পুলিশপ্রধান। ভিন্ন ভিন্ন কারণে এবং ঘটনায় তারা আলোচনায়। তিন ঘটনার প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ আলাদা। কিন্তু তিন ঘটনায় এক অদ্ভুত মিল খুঁজে পাওয়া যায়। গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি ও অনিয়ম। একজন জীবন দিয়ে তার অন্ধকার জগতের দরজা খুলে দিয়েছেন। একজন ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্য মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছেন। তৃতীয়জনের স্থাবর সম্পত্তি জব্দ করা হয়েছে দুর্নীতির অভিযোগে। এ তিনটি ঘটনার পর একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে—জনগণের সেবার দায়িত্ব কারা পাচ্ছেন? দুর্নীতিবাজরা, চোরাকারবারি, ক্ষমতা অপব্যবহারকারীরা কীভাবে জনপ্রতিনিধি হচ্ছেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাচ্ছেন? এ ধরনের ব্যক্তিদের হাতে জনগণ কতটা নিরাপদ? দুই. প্রথমেই জনপ্রতিনিধি

    মৌমাছি ‘গণহত্যা’র বিচার চাই

    এক নিদারুণ গণহত্যার খবর প্রকাশিত হয়েছে গণমাধ্যমে। প্রায় পাঁচ লাখ প্রাণের করুণ নির্দয় মৃত্যু ঘটেছে। লাখ লাখ লাশ নিয়ে বসে থাকা স্তব্ধ মৃতদেহের ‘মালিকের’ ছবিও প্রকাশিত হয়েছে। যদিও মানুষ নিহত হলে আমরা হিসাব করি না ‘এত টাকার মানুষ মারা গেল’ কিংবা ‘এত মানুষের মৃত্যুতে এত টাকার ক্ষতি হয়েছে’। কিন্তু সাম্প্রতিক গণহত্যার ক্ষেত্রে ‘মৃতদেহের’ আর্থিক হিসাবও করা হয়েছে। কীভাবে করা হয়েছে তা নিয়ে বিস্তর তর্ক আছে। খবরে প্রকাশ—‘পুলিশ ট্রাক আটকে রাখায় প্রাণ গেল ৫ লাখ টাকার মৌমাছির’। ‘মৃত মৌমাছি নিয়ে হতাশ মৌচাষির’ ছবি প্রকাশ করেছে দৈনিক কালবেলা (সূত্র: ১৮ মে, ২০২৪)। কীভাবে মারা গেল এই পাঁচ লাখ অসহায় মৌমাছি? ঠাকুরগাঁওয়ের মৌচাষি খলিফর

    খোঁড়াখুঁড়ির নগরী

    বর্ষা মৌসুম শুরু হবে কয়েক দিন বাদেই। এই মুহূর্তে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের দেড় শতাধিক রাস্তায় চলছে খোঁড়াখুঁড়ি। রাস্তা সংস্কারসহ চলছে বিভিন্ন সেবামূলক সংস্থার এসব খোঁড়াখুঁড়ির কাজ। বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতি ও অন্যতম শীর্ষ জনবসতির এ শহরে এসব কাজের ক্ষেত্রে চিত্রটি হওয়া উচিত ছিল সুপরিকল্পিত, সমন্বিত এবং যতটা সম্ভব জনভোগান্তিমুক্ত, কিন্তু বাস্তবতা তার উল্টো। অর্থাৎ রাস্তায় খোঁড়াখুঁড়ি এখন সারা বছরের নৈমিত্তিক দৃশ্য। এ কারণে স্বভাবতই প্রত্যহ অবর্ণনীয় ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে নগরবাসীর; একই সঙ্গে ঢাকা দিন দিন হয়ে উঠছে অচল-স্থবির। বছরজুড়ে এসব দৃশ্য দেখে মনে হয়, ঢাকা যেন একটি খোঁড়াখুঁড়ির নগরী! এটি অত্যন্ত দুঃখজনক, একই সঙ্গে হতাশার। রোববার দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত ‘খুঁড়তে
  • জওহরলাল নেহরু

    জওহরলাল নেহরু ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের রাজনীতিবিদ, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা এবং স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। ১৯৪৭ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত আমৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে গেছেন তিনি। এ ছাড়া ১৯৩০ ও ১৯৪০-এর দশকে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতার ভূমিকাও পালন করেছেন নেহরু। দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, আদর্শবাদী, পণ্ডিত এবং কূটনীতিবিদ নেহরু ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব। লেখক হিসেবেও ছিলেন বিশিষ্ট। ইংরেজিতে লেখা তার তিনটি বিখ্যাত বই ‘একটি আত্মজীবনী’, ‘বিশ্ব ইতিহাসের কিছু চিত্র’ ও ‘ভারত আবিষ্কার’ চিরায়ত সাহিত্যের মর্যাদা লাভ করেছে। জওহরলাল নেহরুর জন্ম ১৮৮৯ সালের ১৪ নভেম্বর, ব্রিটিশ ভারতের এলাহাবাদে এক কাশ্মীরি ব্রাহ্মণ পরিবারে। কাশ্মীরি পণ্ডিত সম্প্রদায়ের সঙ্গে তার সংযোগের কারণে

    রাজধানীর তীব্র যানজটে সময় ও আর্থিক ক্ষতি

    যানজট রাজধানী ঢাকা শহরের অতি পরিচিত দৃশ্য, যা নগরবাসীর জন্য এক চরম ভোগান্তির। প্রতিদিন শহরবাসীকে এ অসহনীয় সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। প্রতিদিন রাজধানীর সায়েন্সল্যাব, রামপুরা, বনশ্রী, মধ্য বাড্ডা, মালিবাগ, তেজগাঁও, মগবাজার, গুলিস্তান, মহাখালীসহ বিভিন্ন সড়কে তীব্র যানজটের দৃশ্য দেখা মেলে। কিন্তু কেন এ তীব্র যানজট সে প্রশ্ন থেকেই যায়! গবেষণায় দেখা গেছে, যানজটের কারণে রাজধানীতে পরিবহন প্রবেশ করতে না পারায় প্রতিদিন বিভিন্ন খাত থেকে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা আয় নষ্ট হচ্ছে। সব মিলিয়ে যানজটের কারণে দিনে আর্থিক ক্ষতি প্রায় ১০০ কোটি টাকা। এ ছাড়া সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা—এই ১২ ঘণ্টায় রাজধানীতে চলাচলকারী যানবাহনকে যানজটের কারণে প্রায় সাড়ে সাত ঘণ্টা
    ড. মইনুল ইসলাম
    ড. মইনুল ইসলামঅর্থনীতিবিদ; অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

    ঋণখেলাপিদের শাস্তি ছাড়া ব্যাংক একত্রীকরণে সুফল মিলবে না

    সম্প্রতি পাঁচটি দুর্বল ব্যাংককে পাঁচটি বড় ব্যাংকের সঙ্গে একত্রীকরণের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রাইভেট খাতের এক্সিম ব্যাংক সবচেয়ে দুর্বল প্রাইভেট ব্যাংক পদ্মা ব্যাংককে অধিগ্রহণ করেছে সবার আগে, এরপর সিটি ব্যাংককে বেসিকের সঙ্গে একীভূত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তারপর সোনালী ব্যাংক বিডিবিএলকে অধিগ্রহণ করার ঘোষণা এসেছিল, ১২ মে ২০২৪ তারিখে এই দুই ব্যাংক একীভূত হওয়ার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এরপর একীভূত হওয়ার ঘোষণা এসেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এবং রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের। এটা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।  সবশেষে ঈদুল ফিতরের ছুটি শুরু হওয়ার আগের দিন একীভূত হওয়ার ঘোষণা এসেছিল প্রাইভেট ব্যাংক ইউসিবি ও ন্যাশনাল ব্যাংকের। কিন্তু, ন্যাশনাল ব্যাংকের নবগঠিত পর্ষদ এই একীভূতকরণের ঘোষণার
  • পেনশনের ভোগান্তি শেষ কবে

    এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের অবসরের পর পেনশনের জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা এবং ভোগান্তির বিষয়টি নতুন নয়। আবার অনেকেই পেনশনের অর্থ না পেয়ে মৃত্যুবরণও করেছেন—এমন নজিরও রয়েছে; যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আরও দুঃখের বিষয় হচ্ছে, বছরের পর বছর এ সমস্যা চলে এলেও বিষয়টির আজও একটি স্থায়ী সমাধান তো সম্ভব হয়ই-নি; বরং দিন দিন সংকট আরও বেড়েছে। শনিবার দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পাওনা সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা’ শীর্ষক শিরোনামের একটি প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুসারে, পর্যাপ্ত অর্থের সংস্থান না থাকায় যথাসময়ে শিক্ষকদের অবসর ভাতা দেওয়া যাচ্ছে না। ফলে প্রতি বছর এ খাতে শিক্ষকদের অনিষ্পন্ন আবেদনের সংখ্যা
    ড. আলা উদ্দিন
    ড. আলা উদ্দিনঅধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

    সর্বজনীন পেনশন স্কিম কি ‘সর্বজনীন’ ও সমতাসূচক

    বিশ্বব্যাপী পেনশন খুবই নিরাপত্তা ও সম্মানজনক পদ্ধতি হলেও বাংলাদেশে এর প্রক্রিয়া ও তাৎপর্য ভিন্ন। দীর্ঘদিন ধরে লাখ লাখ সরকারি কর্মকর্তা ও তাদের পরিবার পেনশনের ওপর নির্ভর করে কোনোমতে জীবনের শেষের সময়টুকুতে সংসারের ব্যয় নির্বাহ করে আসছেন। তবে পেনশন গ্রহণ ও আদায় করার প্রক্রিয়া কখনোই সম্মানজনক ও সহজ ছিল না। তবে সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার অবসর জীবনকে ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে যেতে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম’।  শুরুতে সবাই উৎসুক থাকলেও, এটি ঘোষণার পর স্কিমে নিবন্ধনের হার প্রমাণ করে যেভাবে শুরু হয়েছে সেভাবে এটি সর্বজনীন ও সবার জন্য সম্মানজনক প্রতীয়মান হয়ে উঠতে পারেনি বলে হতাশা, শঙ্কা ও বৈষম্যের গন্ধ রয়েছে এই উদ্যোগের মধ্যে।  প্রথমে
    সুভাষ সিংহ রায়
    সুভাষ সিংহ রায়রাজনীতি বিশ্লেষক

    নীড় ছোট ক্ষতি নেই

    অনেকে বলে থাকেন আওয়ামী লীগ আর সেই আওয়ামী লীগ নেই। যারা জন্মসূত্রে আওয়ামীবিরোধী তারা তো এ-কথা বলেই; কিন্তু যারা জন্মসূত্রে আওয়ামী লীগের সমর্থক তারাও বলে থাকেন। আমি তাদের বলে থাকি, পুরোনো আওয়ামী আর নতুন আওয়ামী লীগের মধ্যে পার্থক্য তো থাকবেই। কিন্তু একটি দলের ৭৫ বছরের ইতিহাসে কত দুর্গম গিরি কান্তার মরু পথ পাড়ি দিতে হয়েছে, সে বিষয়টি অনেকে খেয়াল রাখেন না। যারা সবসময় ভাবতেন রাজনীতি মানুষের জন্য, তারাই মূলত আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছেন। একটু কষ্ট করে গ্রাম-বাংলায় রাজনীতিবিদদের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে তা স্পষ্ট হয়ে যাবে। হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের একটা গান আছে—‘নীড় ছোট ক্ষতি নেই, আকাশ তো বড়’ (গীতিকার: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার, কণ্ঠ:
অনলাইন জরিপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মঙ্গলবার কেমন থাকবে আবহাওয়া?

নির্মাণাধীন ভবনের পিলার পড়ে স্কুলছাত্র নিহত

ঘূর্ণিঝড় রিমাল / বাউফলে ঘরচাপায় বৃদ্ধের মৃত্যু

নাটোরে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

প্রধানমন্ত্রী না ঘুমিয়ে মানুষের কথা ভাবেন : প্রতিমন্ত্রী

স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক

আসামির বিয়ে, পুলিশের খবর নেই

মিল্টনের আশ্রমে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর

মাথা গোঁজার সম্বল হারিয়ে দুশ্চিন্তায় দুর্গতরা

পছন্দের প্রার্থীকে জেতাতে ঘরে ঘরে টাকা বিতরণ

১০

পুলিশ-আওয়ামী লীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় সাভারে কারখানা দখল

১১

চুয়েটে দুর্যোগসহনীয় শহর নির্মাণবিষয়ক কর্মশালা

১২

আশুলিয়ায় ৩৯৫ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক ২

১৩

খাদ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক

১৪

জাল নোট শনাক্তকরণ ও প্রচলন প্রতিরোধে আইএফআইসি ব্যাংকের কর্মশালা

১৫

কৃষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করল সাউথইস্ট ব্যাংক

১৬

উচ্চশিক্ষার সকল তথ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণের আহ্বান ইউজিসি’র

১৭

ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড হাতিয়া

১৮

পটুয়াখালীতে কুকুরের কামড়ে আহত অর্ধশতাধিক 

১৯

ঘূর্ণিঝড়ে বিদ্যুৎহীন পৌনে ৩ কোটি গ্রাহক

২০
ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে পাহাড়ধসের আশঙ্কা
ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে বৃষ্টিতে পার্বত্যাঞ্চলে পাহাড়ধসের শঙ্কার কথা জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তর। এরপর থেকে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবানে শুরু হয়েছে মাইকিং। সতর্ক করা হয়েছে ঝুঁকিতে বসবাস করা মানুষকে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র। রাঙামাটিতে
মৌমাছি ‘গণহত্যা’র বিচার চাই
এক নিদারুণ গণহত্যার খবর প্রকাশিত হয়েছে গণমাধ্যমে। প্রায় পাঁচ লাখ প্রাণের করুণ নির্দয় মৃত্যু ঘটেছে। লাখ লাখ লাশ নিয়ে বসে থাকা স্তব্ধ মৃতদেহের ‘মালিকের’ ছবিও প্রকাশিত হয়েছে। যদিও মানুষ নিহত
ঘূর্ণিঝড়ে মহাবিপৎসংকেতের সাইরেনটি অকেজো
দুর্যোগপ্রবণ উপকূলীয় জেলা হিসেবে পরিচিত বরগুনা। এ জেলার আমতলী উপজেলা পরিষদের সামনে ঘূর্ণিঝড়ের মহাবিপৎসংকেত প্রচারে জাইকার অর্থায়নে স্থাপন করা হয়েছিল পলিফোনিক সাইরেন। স্থাপনের সময় সাইরেনটি বাজলেও বর্তমানে শুধু সাইরেনটিই আছে,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় / ক্যাম্পাসে সুদের কারবার ডেপুটি রেজিস্ট্রারের
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নিরাপত্তা দপ্তর থেকে উগ্র জঙ্গিবাদবিষয়ক বই উদ্ধারের ঘটনার পর নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে দপ্তরের ঊর্ধ্বতন সহকারী মো. ফেরদৌসের সুদের ব্যবসা। আর এই ব্যবসায় লগ্নি রয়েছে খোদ
মঙ্গলবার কেমন থাকবে আবহাওয়া?
মঙ্গলবার কেমন থাকবে আবহাওয়া?
ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে সোমবার সারাদেশে ভারি বৃষ্টি হেয়েছে। যার প্রভাব থাকবে আগামীকাল মঙ্গলবারও (২৮ মে)। দিনভর বৃষ্টি ঝড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়া অফিস বলছে, চট্টগ্রাম বিভাগের সব জেলায় ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, ও খাগড়াছড়ি জেলায় সোমবার রাত থেকে ব্যাপক বৃষ্টি ও তীব্র বজ্রপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়াও দেশের বাকি বিভাগগুলোতে সারাদিন ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় খুলনা, বরিশাল ও চট্রগ্রাম বিভাগে বৃষ্টির পরিমাণ কমে আসতে পারে।  রিমালপরবর্তী সময়ে দেশে তিন হাজার ৩৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে, যা চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ। সোমবার (২৭ মে) রাতে এমন তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানিয়েছেন, সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে চট্টগ্রামে ২৩৫ মিলিমিটার। ঢাকায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে ১৫১ মিলিমিটার, যা মৌসুমের সর্বোচ্চ বর্ষণ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে কুতুবদিয়ায় ১৮৭ মিলিমিটার। এ ছাড়া সাতক্ষীরায় ১৭২ মিলিমিটার, খুলনায় ১৬৩ মিলিমিটার, গোপালগঞ্জে ১৫১ মিলিমিটার, বরিশালে ১৪৭ মিলিমিটার, সন্দ্বীপে ১৪৬ মিলিমিটার, চাঁদপুর ও ফেনীতে ১৩৯ মিলিমিটার, সীতাকুণ্ডে ১১৩ মিলিমিটার, মাইজদীকোর্টে ১০৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। পাশাপাশি দেশের অন্যান্য স্থানেও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বর্ষণ হয়েছে। আবহাওয়া অফিসের বিভিন্ন স্টেশনে ২৪ ঘণ্টায় মোট তিন হাজার ৩৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
২ মিনিট আগে

উন্নত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ / জাপান থেকে ফিরে ১৩ কর্মকর্তার ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ

৫ ঘণ্টা আগে

কমিশনারের সঙ্গে জাপানে প্রশিক্ষণ নেওয়া ডিএমপির ১৩ কর্মকর্তার সাক্ষাৎ

৫ ঘণ্টা আগে

জিএম শস্যের স্বপক্ষে বিজ্ঞানের প্রচারণা বিভ্রান্তিমূলক

৬ ঘণ্টা আগে

নারী সাতারু প্রশিক্ষকদের মেন্সট্রুয়াল কাপ ব্যবহারের উদ্যোগ

৬ ঘণ্টা আগে

নতুন প্রতিরক্ষা সচিব আশরাফ উদ্দিন

৭ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী না ঘুমিয়ে মানুষের কথা ভাবেন : প্রতিমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী না ঘুমিয়ে মানুষের কথা ভাবেন : প্রতিমন্ত্রী
শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাতে না ঘুমিয়ে গরীব অসহায় মানুষের কথা ভাবেন। তিনি বলেন, আমার কাছে মনে হয় প্রধানমন্ত্রী রাতের বেলা না ঘুমিয়ে শুয়ে শুধু গরীব অসহায় মানুষকে কিভাবে সহযোগিতা করবেন সেটাই ভাবতে থাকেন। রোববার (২৬ মে) বেলা ১১টায় কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিবেশ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে এবং সিলেট বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সহযোগিতায় শিশুশ্রম নিরসন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, শিশুশ্রম নিরসনে আমরা ইতোমধ্যে তৃণমূল পর্যায়ে কাজ শুরু করেছি। সরকারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংস্থা সহায়তা করছে। সকলের সহযোগিতা ছাড়া শিশুশ্রম বন্ধ করা সম্ভব হবে না।  এ সময় সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার আবু আহমদ ছিদ্দিকী, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার জাকির হোসেন খানসহ প্রশাসনের কর্মকর্তরা উপস্থিত ছিলেন।
২ ঘণ্টা আগে
ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের
ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের
ইসলামী আন্দোলনের মিডিয়া উপকমিটি গঠন
ইসলামী আন্দোলনের মিডিয়া উপকমিটি গঠন
দুর্যোগে সহযোগিতার নামে ফটোসেশন করে বিএনপি : কাদের
দুর্যোগে সহযোগিতার নামে ফটোসেশন করে বিএনপি : কাদের
যে কারণে তারেকের প্রতি শেখ হাসিনা রাগান্বিত, জানালেন নজরুল
যে কারণে তারেকের প্রতি শেখ হাসিনা রাগান্বিত, জানালেন নজরুল
সমাজ পরিবর্তনে যোগ্য নেতৃত্ব তৈরির বিকল্প নেই : জামায়াত
সমাজ পরিবর্তনে যোগ্য নেতৃত্ব তৈরির বিকল্প নেই : জামায়াত
ক্ষমতাসীনদের দুর্নীতির কারণেই অর্থনৈতিক সংকট : আমিনুল হক 
ক্ষমতাসীনদের দুর্নীতির কারণেই অর্থনৈতিক সংকট : আমিনুল হক 

১০ মাসে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ৪৯.২৬ শতাংশ

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গত তিন অর্থবছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে এই সময়ে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) সংশোধিত এডিপি বরাদ্দের ৪৯ দশমিক ২৬ শতাংশ বা ১ দশমিক ২৫ লাখ কোটি টাকা ব্যয় করেছে সরকার।  সোমবার (২৭ মে) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। আইএমইডির হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে এডিপি বরাদ্দের ৪৯ দশমিক ২৬ শতাংশ বা ১ লাখ ২৫ হাজার ৩১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ব্যয় করেছে সরকার। এ অর্থবছরে মোট বরাদ্দ ২ লাখ ৫৪ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। ফলে দুই মাসে খরচের টার্গেট ১ লাখ ২৯ হাজার ৭৬ কোটি টাকা। এ সময়ে গত তিন অর্থবছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে। আইএমইডি জানায়, একই সময়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫০ দশমিক ৩৩, ২০২১-২২ অর্থবছরে ৫৪ দশমিক ৫৭, ২০২০-২১ অর্থবছরে ৪৯ দশমিক শূন্য ৯ এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল ৪৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। গত ১০ মাসে এডিপি বাস্তবায়নে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এগিয়ে রয়েছে, বাস্তবায়ন হার ৯৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এ ছাড়া জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় ৮৩ দশমিক ১৪ শতাংশ, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ৬৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ, তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ৬৭ শতাংশ, বিদ্যুৎ বিভাগ ৬৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ৫৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ ও বেসরকারি বিমান ও পর্যটনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এডিপি বাস্তবায়ন হার ৫৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ। কৃষি মন্ত্রণালয় ৫৮ দশমিক ৮১ শতাংশ এডিপি বাস্তবায়ন করেছে। তবে, সবচেয়ে বেহালদশা দেখা গেছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে। এডিপি বাস্তবায়ন হার মাত্র ১৭ শতাংশ। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এডিপি বাস্তবায়ন হার মাত্র ২২ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

আম রপ্তানি বাড়াতে ৮ দাবি ব্যবসায়ীদের

বিদেশে আমের রপ্তানি বাড়াতে ৮ দফা দাবি জানিয়েছে আম ব্যবসায়ী ও চাষিরা। সংবাদমাধ্যমে অতিরঞ্জিতভাবে খবরগুলো প্রচারিত করার কারণেই রাজশাহী অঞ্চলের আম ব্যবসায়ী ও চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বক্তারা। সোমবার (২৭ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরাম, ঢাকা, (সিজেএফডি)’-এর আয়োজনে ‘বাংলাদেশে আম উৎপাদন : সমস্যা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক জাতীয় আম সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। আম শিল্পে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ অন্যতম আম উৎপাদক দেশ। আবহাওয়া ও মাটি অনুকূল। মৌসুম মে-সেপ্টেম্বর, পিক জুন-জুলাই। চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ, সাতক্ষীরাসহ সারা দেশে এর উৎপাদন হয়।  সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে আম চাষের এরিয়া ও ফলন বৃদ্ধি পেয়েছে। আমের জাতগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো গোপালভোগ, খিরসাপাত, হিমসাগর, ল্যাংড়া, ফজলি, আশ্বিনা বারি আম-৩, বারি আম-৪, বারি আম-১১, বারি আম-১২ ইত্যাদি। পুরোনো বয়স্ক বাগানের উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। প্রতিবছর প্রায় ২৫ লাখ টন আম উৎপন্ন হয়। সংগ্রহ না করার কারণে ক্ষতি হচ্ছে প্রায় ৩০-৪০ শতাংশ। পিক মৌসুমে উৎপাদন প্রাচুর্যে মূল্য হ্রাস পায়, কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।  ফলের গুণমান পরীক্ষার জন্য পূর্ণ সক্ষমতা সম্পন্ন অ্যাক্রিডিটেড ল্যাবরেটরির অভাব, আমের উন্নত সংগ্রহোত্তর ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষ করে কোয়ারেন্টাইন পেস্ট যেমন ফ্রুট ফ্লাই, অ্যানথ্রাকনোজ ও বোঁটা পচা রোগে (Stem end rot) ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণের জন্য ভ্যাপার হিট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, অবকাঠামো ও উন্নত প্রযুক্তির অভাব। উৎপাদন ও সংগ্রহোত্তর পর্যায়ে ফসলে ব্যবহৃত যাবতীয় উপকরণ ও কার্যক্রম ফার্ম রেকর্ড বইয়ে লিপিবদ্ধ ও সংরক্ষণ না করা ইত্যাদি। বক্তারা রাসায়নিক উপাদানের ব্যবহার সীমিত রেখে যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে আম উৎপাদন করা, প্যাকিং ব্যবস্থার উন্নয়ন করা, পরিবহনের জন্য আধুনিক যানবাহনের ব্যবস্থা করা, বিমানের কার্গোতে পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত ও সহজতর করা, রপ্তানি উপযোগী আমের চাষ সম্প্রসারণ করা, আম চাষি বিশেষ করে রপ্তানির জন্য আম উৎপাদনকারীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। আম থেকে উৎপাদিত পণ্য যেমন জুস, জ্যাম, জেলি, আচার, কেন্ডি ইত্যাদির বিদেশে বাজার সম্প্রসারণ করা, আমভিত্তিক শিল্প স্থাপনে সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করা, জৈব প্রযুক্তিনির্ভর আম উৎপাদন উৎসাহিত করা, আম সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্যাকিং ও পরিবহন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া, আম রপ্তানির জন্য সব রপ্তানিকারকের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা এবং মানদণ্ড ঠিক করে দেওয়ার দাবি জানানো হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরাম, ঢাকা, (সিজেএফডি) সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মু. জিয়াউর রহমান এমপি, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার, পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতি, ঢাকার সভাপতি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ এগ্রো-কেমিক্যাল ম্যানুফাকচারাস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কে এস এম মুস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।  মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রাব্বানী। প্রধান আলোচক ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক উদ্যান তত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মোখলেসুর রহমান।

নজর এখন রূপালী ব্যাংকে, নেতৃত্বের শক্তিতে দুর্দান্ত সাফল্য

খেলাপি আদায়ে দৃষ্টিনন্দন অঙ্ক। নতুন অ্যাকাউন্টের হিড়িক। শাখায় স্বনামধন্য করপোরেট গ্রাহকদের আনাগোনা। গত দুই বছরে এসবই ঘটেছে রূপালী ব্যাংকে। ঝানু ব্যাংকার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে আর্থিক খাতে নিজেদের পেশি দেখাচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটি। রূপালী ব্যাংকের জন্য যোগ্য নেতৃত্ব বাছাইয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও সরকারপ্রধানের দূরদর্শিতার সুফল পাচ্ছে দেশের অর্থনীতি।  খেলাপি ঋণ আদায় থেকে মুনাফা- সর্বত্র ‘ম্যাজিক্যাল ফিগার’। এক বছরে সাড়ে ৫শ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ আদায়ের ঘটনা ঈর্ষণীয় ও অনুকরণীয় অবস্থানে নিয়েছে ব্যাংকটিকে। অবলোপনকৃত খেলাপি ঋণ থেকে চলতি বছরে ৪০ কোটি টাকা আদায় এখন ব্যাংক খাতে চর্চিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি এক বছরে ৮ লাখ নতুন ব্যাংক হিসাব খুলে রেকর্ড সৃষ্টির মাধ্যমে তাক লাগিয়েছে রূপালী। এসবের ফলে ২০২৩ সালে ৭শ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা অর্জন সামনে বড় কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে। যেখানে ২০২২ সালে রূপালী ব্যাংকের মুনাফা হয়েছে ১শ কোটি টাকা।  বড় আশার বিষয়, দুর্দান্ত গতিশীলতার মাঝেও ভারসাম্য রক্ষা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারছে রূপালী ব্যাংকের নেতৃত্ব। যে কারণে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও গত দুই বছরে বিতরণকৃত কোনো ঋণ খেলাপি হয়ে পড়েনি।  রূপালী ব্যাংকের নেতৃত্বের প্রতি কর্মীদের নিষ্ঠাশীল আনুগত্য ও ব্যাংকের প্রতি গ্রাহকদের আকাশচুম্বী আস্থার প্রমাণ পাওয়া যায় গত এক বছরে ব্যাংকটির নতুন হিসেব খোলার সংখ্যা বিশ্লেষণে। যেখানে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ৫১ বছরে ব্যাংকটির সক্রিয় অ্যাকাউন্ট ছিল ২২ লাখ, সেখানে এক বছরেই নতুন অ্যাকাউন্ট যুক্ত হয়েছে ৮ লাখ। বর্তমানে ৩০ লাখ গ্রাহকের রূপালী ব্যাংক জাতীয় সঞ্চয়ের বড় অংশীদারে পরিণত হয়েছে। গত দুই বছরে ৫৩ হাজার কোটি টাকা থেকে ৬৮ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে ব্যাংকটির আমানত। পাশাপাশি ব্যাংকটিতে লোকসানি শাখা নেই বললেই চলে। মাত্র ৭টি লোকসানি শাখা রয়েছে বর্তমানে যা ইতিহাসে সর্বনিম্ন।  সম্প্রতি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ২০২৩ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় ব্যাংকের ইপিএস সমন্বিতভাবে দ্বিগুণের বেশি বেড়ে ৬১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৩৫ পয়সা হয়েছে এবং এককভাবে তিন গুণের বেশি বেড়ে ৪৫ পয়সা থেকে ১ টাকা ১৭ পয়সা হয়েছে। পাশাপাশি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো ঋণাত্মক ২৭ টাকা থেকে বেড়ে ১১০ টাকা ৩২ পয়সা হয়েছে। ২০২৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সমাপ্ত সময়ে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৮৯ পয়সায়।  এক সময়ে পিছিয়ে পড়া ব্যাংকটির বর্তমান অগ্রগতির কারণ হিসেবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন তাদের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন গতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা। বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর মাঠ পর্যায় থেকে প্রধান কার্যালয়- ৩৪ বছরের ব্যাংকিং অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ। ১৯৯০ সালে ব্যাংকটিতে অফিসার হিসেবে যোগ দিয়ে ২০২২ সালের আগস্ট থেকে প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
নজর এখন রূপালী ব্যাংকে, নেতৃত্বের শক্তিতে দুর্দান্ত সাফল্য

চালের বাজার স্থিতিশীল আছে : কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ বলেছেন, বোরোতে উৎপাদন ভালো হয়েছে। চালের কোনো ঘাটতি নেই এবং চালের দাম স্থিতিশীল আছে। সোমবার (২৭ মে) বিকেলে সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে নিত্যপণ্যের দাম পর্যালোচনা ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। কৃষিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়াহিদা আক্তার, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। নিত্যপণ্যের দাম পর্যালোচনা ও নিয়ন্ত্রণে এটি তৃতীয় আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা। এর আগে অর্থ মন্ত্রণালয়ে ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত দুটি সভা হয়েছে।  আলু ও পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমদানি উন্মুক্ত রয়েছে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ মুহূর্তে ডিমের দাম কিছুটা বেশি। হিমাগারে ডিম মজুদ রাখার খবর আমরা পাচ্ছি, এ বিষয়ে তদারকি করা হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে আমরা চার মন্ত্রণালয় একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। প্রতিদিন বাজার মনিটর করা হচ্ছে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। মনিটরিং আরো জোরদার করা হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবসময় চান সরকার পরিচালনায় যাতে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে। সেভাবেই তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষের যাতে কষ্ট না হয়, সেজন্য নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে তিনি আমাদের চার মন্ত্রণালয়কে একসঙ্গে কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা আবার মিটিংয়ে বসবো, প্রতিনিয়ত প্রতিটি পণ্যের দাম যাচাই করব এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।  সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় বেশিরভাগ নিত্যপণ্যের দাম সহনশীল অবস্থায় আছে বলেও জানান তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
চালের বাজার স্থিতিশীল আছে : কৃষিমন্ত্রী

কুড়িগ্রামে বেবী তরমুজ চাষে মাসে আয় অর্ধ লাখ

কুড়িগ্রামে পলিথিন দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে উঁচু জমিতে গ্রীষ্মকালীন বেবী তরমুজ চাষ করে লাভবান হয়েছে কৃষক। মাত্র তিন মাসের মধ্যে ৩৫ হাজার টাকা খরচ করে দেড় লক্ষ টাকা আয় করতে পেরে খুশি তরমুজ চাষি। জেলার রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের মীরেরবাড়ী এলাকার রাজমিস্ত্রী শফিকুল ইসলাম স্বপনের স্ত্রী লাভলী বেগম নিজেই এই তরমুজ চাষ করে সাঁড়া ফেলে দিয়েছেন। কলেজে পড়ুয়া মেয়ে সন্তান ও স্কুলে পড়া ছেলে সন্তানের খরচ মেটাতে শফিকুল ইসলাম স্বপন রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে রাজমিস্ত্রীর কাজ করেন। স্বামীর অনুপস্থিতে লাভলী বেগম তার ২০ শতক জমিতে এবার ব্লাক ডায়মন্ড কালারের বেবী তরমুজ চাষ করে সাড়া ফেলে দিয়েছেন। লাভলী বেগম বলেন, স্থানীয় বেসরকারি সংগঠন আরডিআরএস বাংলাদেশ থেকে তিনি জানতে পারেন স্বল্প সময়ে মালচিং পদ্ধতিতে সুস্বাদু তরমুজ চাষে তারা আর্থিকভাবে সহযোগিতা করছেন। তাদের কাছে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ নিয়ে এই প্রথম এই এলাকায় বেবী তরমুজ চাষে উদ্বুদ্ধ হই। জমি তৈরি, সার ও বীজ কেনায় আরডিআরএস থেকে তিনি ১৫ হাজার টাকা সহায়তা পান। এরপর ফেন্সিং তৈরি করতে তার নিজের খরচ হয় প্রায় ২০ হাজার টাকা। সবমিলিয়ে ৩৫ হাজার টাকা খরচ করে তিনি তরমুজ চাষ করে সাফল্যের মুখ দেখেছেন। প্রায় তিন মাসের মধ্যে প্রায় এক হাজারের ওপর তরমুজ গাছে বেড়ে উঠছে। রাজমিস্ত্রী শফিকুল ইসলাম স্বপন বলেন, আমার স্ত্রী আর মেয়ে সুমী মিলে তরমুজ চাষে সহযোগিতা করেছে। আমি বাইরে ছিলাম। বাড়িতে এসে কালো সোনা রঙের তরমুজ বৃদ্ধি হতে দেখে খুব আনন্দ পেয়েছি। পাইকারদের সঙ্গে কথা হয়েছে তারা ৩৫ টাকা কেজি দরে তরমুজ কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আমার জমিতে প্রায় এক ১১০০ তরমুজ আছে। গড়ে ৫ কেজি করে ওজন হবে। আমি ১ লাখ ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পারবো। এতে খরচ মিটিয়ে দেড় লাখ টাকার মতো আয় হবে। পলিথিন দিয়ে বেবী তরমুজ চাষে সাফল্য পাওয়ায় অনেকে শুধু দেখতে আসেননি। তারা চাষের কায়দা কানুনও জানতে এসেছেন। যাতে নিজেরাও চাষ করতে পারেন। আগ্রহী চাষি মালতী রানী বলেন, আমি এখানে আসলাম, দেখলাম আবাদটা সুন্দর। পরে লাভলী দিদির কাছে শুনলাম মালচিং পলিথিন দিয়ে দিদি সেটা আবাদ করেছে। এখন আমারও ইচ্ছে হচ্ছে, আমিও সেরকমভাবে আবাদ করবো। আমার বাড়ির আশপাশে যে জায়গা আছে সেখানে চাষ করবো। সেজন্য এখানে এসেছি। লাভলী বেগমের প্রতিবেশী হাজেরা খাতুন বলেন, আমাদের এলাকায় মানুষ সবসময় সবজি চাষ করেন। কখনো কাউকে তরমুজ চাষ করতে দেখিনি। লাভলী আপা তরমুজ চাষ করেছে শুনে দেখতে এসেছি। এসে অবাক হয়ে গেছি। সত্যি সত্যি আপা অসাধ্য সাধন করেছে। মেয়েকে নিয়ে তিনি যে কষ্ট করে তরমুজ চাষ করেছেন সেগুলো বড় হওয়ার পর তা দেখে তার সঙ্গে সঙ্গে আমরাও খুশি হয়েছি। আরডিআরএস রংপুর বিভাগের টিম লিডার বিদ্যুৎ কুমার সাহা জানান, স্মার্ট লাইভলিহুড কৃষি ব্যবস্থাপনা সম্প্রসারণে পল্লীকর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তায় কুড়িগ্রাম জেলায় গত বছর থেকে মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করা হচ্ছে। যা কৃষকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। খেতেও খুব সুস্বাদু। রংটাও আকর্ষণীয়। বর্তমানে কৃষকদের মাঝে চাষে আগ্রহ বাড়ছে। এ বিষয়ে রাজারহাট উপজেলা কৃষি অফিসার মোছা. সাইফুন্নাহার সাথী বলেন, বর্তমানে উচ্চমূল্য ফসলের মধ্যে তরমুজ একটি অন্যতম ফসল। তরমুজ মূলত চরাঞ্চলের ফসল। কুড়িগ্রামে প্রায় সাড়ে ৪০০ চরাঞ্চল রয়েছে। চরগুলোতেও এই ফসলটি আমরা সম্প্রসারণ করতে পারি। কৃষকদের চাষাবাদ প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হলে ব্যাপকভাবে এর সম্প্রসারণ ঘটাতে পারি।
১৮ ঘণ্টা আগে
কুড়িগ্রামে বেবী তরমুজ চাষে মাসে আয় অর্ধ লাখ
নির্মাণাধীন ভবনের পিলার পড়ে স্কুলছাত্র নিহত
নির্মাণাধীন ভবনের পিলার পড়ে স্কুলছাত্র নিহত
বাউফলে ঘরচাপায় বৃদ্ধের মৃত্যু
ঘূর্ণিঝড় রিমাল / বাউফলে ঘরচাপায় বৃদ্ধের মৃত্যু
নাটোরে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
নাটোরে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক
স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক
আসামির বিয়ে, পুলিশের খবর নেই
আসামির বিয়ে, পুলিশের খবর নেই
মাথা গোঁজার সম্বল হারিয়ে দুশ্চিন্তায় দুর্গতরা
মাথা গোঁজার সম্বল হারিয়ে দুশ্চিন্তায় দুর্গতরা
পুলিশ-আওয়ামী লীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় সাভারে কারখানা দখল
পুলিশ-আওয়ামী লীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় সাভারে কারখানা দখল
আশুলিয়ায় ৩৯৫ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক ২
আশুলিয়ায় ৩৯৫ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক ২
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান

বিশ্ববাসীকে চমকে দিয়ে লাল কেফিয়ায় বেলা হাদিদ

বিজ্ঞাপনের কাজ হাতছাড়া এবং ব্র্যান্ড ভ্যালু কমে যাওয়ার ভয়ে যখন প্রায় সব তারকারাই ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিপক্ষে চুপটি মেরে আছেন, তখন ব্যতিক্রম মার্কিন সুপার মডেল বেলা হাদিদ। পৃথিবীর বাঘা বাঘা পরিচালক, প্রযোজক এবং মুভি সাইনিং এজেন্সিগুলোর চোখের সামনেই ফিলিস্তিনিদের পক্ষে নিজের সমর্থন জানিয়ে গেলেন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন এই সুপার মডেল। বুঝিয়ে দিলেন, সত্যের পক্ষে বলতে বিজ্ঞাপন আর ব্র্যান্ড ভ্যালুর থোড়াই কেয়ার করেন তিনি।  সম্প্রতি কান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে হাজির হয়েছিলেন বেলা হাদিদ। আর সেখানেই ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতীক লাল কেফিয়াহ দিয়ে বানানো পোশাকে বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছেন তিনি। ফ্রান্সের কান সৈকত থেকে বেলা যেন দ্যুতি ছড়ালেন স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনিদের দূত হয়ে !  এখানেই শেষ নয়। ফিলিস্তিনিদের পক্ষে দূতিয়ালি করে বেলা হাদিদ যেসব ছবি তুলেছেন, সেগুলো আবার শেয়ারও করেছেন ইনস্টাগ্রামে। পোশাকের ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন ফরেভার’। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতীক লাল কেফিয়াহ দিয়ে বানানো বেলার পোশাকটি ডিজাইন করেছেন ডিজাইনার জুটি মাইকেল এবং হুশি।  এদিকে বেলার সাহসী এই উদ্যোগের জন্য সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন তিনি। এক্স হ্যান্ডেলে একজন লিখেছেন, ‘ফিলিস্তিনি শিকড়ের প্রতি তাঁর এই ভালোবাসায় আমি মুগ্ধ।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘ফ্যাশনের সঙ্গে বিশ্ববাসীকে অমূল্য বার্তা দিয়ে বেলা নিজের শিকড়ের প্রতি সম্মান জানিয়েছেন।’  ফিলিস্তিনিদের দুর্দশা নিয়ে সবসময়ই সরব বেলা হাদিদ ও তার সুপার মডেল বোন জিজি হাদিদ। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে তো বটেই, মডেলিং জগতেও চাপে পড়তে হয়েছে তাঁদের। কিন্তু ফিলিস্তিনি রক্তের দায় মেটাতে প্রায়ই বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নিজেদের দেশের পক্ষে সরব থাকেন তারা। জানা গেছে, ফিলিস্তিনের গাজায় অবরুদ্ধ মানুষদের জন্য মোটা অঙ্কের অনুদানও পাঠিয়েছেন দুই বোন।  বেলা হাদিদ ও জিজি হাদিদের বাবা ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক মোহামেদ হাদিদ। তাদের মা ইয়োলান্ডা হাদিদ একজন মার্কিন নাগরিক। মডেলিংয়ের দুনিয়ায় মা ও বোন জিজি হাদিদ বেশ প্রভাবশালী। বেলার পুরো নাম ইসাবেলা খাইরিয়াহ হাদিদ। ক্যারিয়ারে ১৯ বার ভোগ ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে স্থান করে নেওয়া বেলা ২০২২ সালে ব্রিটিশ ফ্যাশন কাউন্সিল থেকে ‘মডেল অব দ্য ইয়ার’ খেতাব পান। ২০২৩ সালে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান করে নেন বেলা হাদিদ।
কিশোরীকে ইভটিজিংয়ের জেরে বারে গোলাগুলি, ডিজে নিহত
কিশোরীকে ইভটিজিংয়ের জেরে বারে গোলাগুলি, ডিজে নিহত
এবার আরেক দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের গোলাগুলি
এবার আরেক দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের গোলাগুলি
অভিনব হজ প্যাকেজ চালুর ঘোষণা সৌদি আরবের
অভিনব হজ প্যাকেজ চালুর ঘোষণা সৌদি আরবের
ইরানকে যেভাবে অশান্তিতে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানকে যেভাবে অশান্তিতে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র
রাইসির মৃত্যুর কথা আগেই জানতেন এই জ্যোতিষী!
রাইসির মৃত্যুর কথা আগেই জানতেন এই জ্যোতিষী!
ফিলিস্তিনের জন্য ইসরায়েলকে স্বীকৃতির ইঙ্গিত সৌদির
ফিলিস্তিনের জন্য ইসরায়েলকে স্বীকৃতির ইঙ্গিত সৌদির
মনীষা কৈরালার কাছে জীবন মানে কী...
মনীষা কৈরালার কাছে জীবন মানে কী...
জি-সিরিজের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ করল শিরোনামহীন
জি-সিরিজের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ করল শিরোনামহীন
তমাকে ২০ কোটি টাকার নোটিশ মিষ্টির
তমাকে ২০ কোটি টাকার নোটিশ মিষ্টির
আদালতের রায় পেয়ে যা বললেন ডিপজল
আদালতের রায় পেয়ে যা বললেন ডিপজল
সাধারণ সম্পাদক পদে ডিপজলের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই
সাধারণ সম্পাদক পদে ডিপজলের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই
সাবধান করলেন নুসরাত 
সাবধান করলেন নুসরাত 
গুরুতর অসুস্থ অভিনেত্রী সীমানা, মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন
গুরুতর অসুস্থ অভিনেত্রী সীমানা, মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
অসুস্থ মায়ের জন্যই আইপিএল জয় গুরবাজের
অসুস্থ মায়ের জন্যই আইপিএল জয় গুরবাজের
টাকার জন্য ওয়ানডে ছাড়ছেন স্টার্ক!
টাকার জন্য ওয়ানডে ছাড়ছেন স্টার্ক!
কোচদের নিয়েই বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে অজিরা
কোচদের নিয়েই বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে অজিরা
অদ্ভুত এক সমস্যায় পড়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিটরা ট্রফি জয়ের জন্যই এবার মাঠে নামবে। মূল আসর শুরুর আগে নামিবিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে অজিরা। এই দুই প্রস্তুতি ম্যাচ নিয়েই হয়েছে যত সমস্যা। বিশ্বকাপের আগে এই দুটি ম্যাচ খেলার জন্য প্রয়োজনীয় প্লেয়ার নেই তাই মিচেল মার্শদের জন্য তাদের কোচদের নামতে হতে পারে মাঠে।     অস্ট্রেলিয়ার ঘোষিত টি-টোয়েন্টি দলের অনেক খেলোয়াড়ই সদ্য শেষ হওয়া আইপিএলে খেলেছেন। তার মধ্যে আইপিএলের প্লে অফ ও ফাইনাল খেলা অজি ক্রিকেটাররা ঠিক সময়ে দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারছেন না। যার ফলে প্রস্তুতি ম্যাচে স্কোয়াডের ৯ জনের বেশি খেলোয়াড় পাচ্ছে না ২০২১ সালের আসরের শিরোপাজয়ীরা। যে কারণে নামিবিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একাদশ গড়তে কোচিং স্টাফদের মাঠে নামা লাগতে পারে। রোববার (২৬ মে) শেষ হয়েছে আইপিএল। যার ফাইনালে ছিলেন তিন অজি। এর আগের প্লে অফেও খেলেছেন আরও দুই ক্রিকেটার। এই পাঁচ ক্রিকেটার দীর্ঘসময় ক্রিকেটের মধ্যে থাকায় তাই তাদের শারীরিক ও মানসিকভাবে সতেজ হতে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) ছুটি দিয়েছে। অবশ্য ৬ জুন ওমানের বিপক্ষে ম্যাচের আগেই দলের সঙ্গে যোগ দিবেন তারা। এ নিয়ে অজি অধিনায়ক মার্শ বলেন, ‘ওরা অনেকদিন ক্রিকেটের মধ্যেই ছিল। শেষ কয়েক দিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি ম্যাচ খেলেতে হয়েছে তাদের। তাই ক্লান্তি কাটিয়ে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে তারা যাতে সতেজ মনে যোগ দিতে পারে সেজন্য তাদের ছুটি দেওয়া হয়েছে । শেষ পর্যন্ত আমরা সবাকই পাব, তবে ওদের বিশ্রাম দেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল, সেটা মাত্র কয়েক দিন হলেও।’ ফলে এ কারণে ১৫ জনের জায়গায় মাত্র ৯ জন রয়েছে তাদের তাই ২৯ ও ৩১ মে’র ম্যাচে একাদশ গড়তে কোচিং স্টাফদের মাঠে নামাতে হতে পারে অজিদের। প্রধান কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড, সাপোর্ট স্টাফ ব্রাড হজ, নির্বাচক জর্জ বেইলি ও সহকারী কোচ আন্দ্রে ব্রোভেককে তাই আবারও ব্যাট-প্যাড পড়ে একবার নামাতে হতে পারে। তবে সহকারী কোচ ডেনিয়েল ভেট্টরি কিউই হওয়ায় তার মাঠে নামার সুযোগ নেই। অবশ্য আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করা এ কোচকেও কিছু দিনের ছুটি দেওয়া হয়েছে। এদিকে অজি অধিনায়ক মার্শ ছিলেন আবার ইনজুরিতে। পুরোপুরি এখনো ফিট নন তবে তবুও দুটি প্রস্তুতি ম্যাচই খেলবেন তিনি।  
বিশ্বকাপ জার্সি নিয়ে বিসিবিকে নেটিজেনদের তুলাধুনা
বিশ্বকাপ জার্সি নিয়ে বিসিবিকে নেটিজেনদের তুলাধুনা
ভারতের কোচ নিয়ে গম্ভীর-জয় শাহর দীর্ঘ আলাপ!
ভারতের কোচ নিয়ে গম্ভীর-জয় শাহর দীর্ঘ আলাপ!
ইভেন্ট
লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
X