ঈদুল আজহায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির তারিখ ঘোষণা

ঈদুল আজহায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির তারিখ ঘোষণা

আগামী ২ জুন থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম।  মঙ্গলবার (২৮ মে) দুপুরে রেলমন্ত্রী এ ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আগামী
সরকারি চাকরিতে ৩ লাখ ৭০ হাজার পদ ফাঁকা : জনপ্রশাসনমন্ত্রী
সরকারি চাকরিতে ৩ লাখ ৭০ হাজার পদ ফাঁকা : জনপ্রশাসনমন্ত্রী
উপকূলে এখনো থামেনি ঘূর্ণিঝড় রিমালের দাপট
উপকূলে এখনো থামেনি ঘূর্ণিঝড় রিমালের দাপট
গুচ্ছে ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল
গুচ্ছে ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল
ভারতের কোচের পদে মোদি-অমিত শাহর আবেদন!
ভারতের কোচের পদে মোদি-অমিত শাহর আবেদন!
নিজেদের দাফন যেন সুন্দর হয়, চিন্তা করেন
আ.লীগ নেতাদের ফখরুল / নিজেদের দাফন যেন সুন্দর হয়, চিন্তা করেন
কোরবানির ঈদে ছুটি কতদিন?
কোরবানির ঈদে ছুটি কতদিন?
  • বাংলাদেশের জন্য কিছু করতে চাই

    রূপা আশা হক ব্রিটিশ পার্লামেন্টের একজন নির্বাচিত সদস্য। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রূপা আশা হকের পৈতৃক বাড়ি পাবনার মকসেদপুরে। তার জন্ম লন্ডনে। ইউএনএফপির আয়োজনে ‘আইসিপিডি-৩০ গ্লোবাল ডায়ালগ অন ডেমোগ্রাফিক ডাইভারসিটি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিতে সম্প্রতি বাংলাদেশে এসেছিলেন রূপা আশা হক। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রীতা ভৌমিক কালবেলা: ২০১৫ সালে প্রথম এমপি নির্বাচিত হন। এরপর আরও দুবার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। প্রথম নির্বাচিত হয়ে কাজ করা এবং এখন কাজ করার মধ্যে কোনো পার্থক্য খুঁজে পান কি? রূপা হক: সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক জিনিস পরিবর্তন হয়েছে। সে সময় সোশ্যাল মিডিয়া ছিল না। এমপির সঙ্গে যোগাযোগ করার মাধ্যম ছিল চিঠি। এখন সোশ্যাল মিডিয়া হওয়ায়
    এম এম মুসা
    এম এম মুসাসাংবাদিক

    অসাম্য, চুইয়ে পড়া তত্ত্ব ও দেশের ভবিষ্যৎ

    অর্থশাস্ত্র একটি বিচিত্র বিষয়। একদিকে তার শিকড় রয়েছে বিজ্ঞান, গণিত ও তথ্য-পরিসংখ্যানের গভীরে; অন্যদিকে তা সাধারণ বোধবুদ্ধির বিষয়। দ্বৈত চরিত্রের কারণেই নীতিনির্ধারণে জটিলতা তৈরি হয়। যিনিই ক্ষমতায় থাকুন না কেন বা যিনিই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন না কেন, ভুলের অবকাশ থেকেই যায়। আজকের দুনিয়ায় একটি প্রবণতা তৈরি হয়েছে—যে কোনো ধরনের সমালোচনা বা আলোচনা শাসকদের স্বার্থের প্রতিকূলে গেলেই তাকে সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা। এর ফলে নীতিনির্ধারণে গুণগত ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। বৈষম্যের কথাই ধরা যাক। গত অর্থবছরে বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বৃদ্ধির হার ছিল ৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ। কভিড-উত্তর পরিস্থিতিতে প্রবৃদ্ধির হারটি যে ভালো, তা নিয়ে সংশয় নেই। কিন্তু শুধু জাতীয় আয়ের বৃদ্ধির দিকে তাকালেই চলবে

    ক্রস বর্ডার ক্রাইম ও প্রাসঙ্গিক শঙ্কা

    সম্প্রতি বাংলাদেশের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার কলতাকাতার একটি ফ্ল্যাটে খুন হয়েছেন। খুন অবশ্য বাংলাদেশের মানুষদের হাতেই হয়েছেন, সেটা নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিঃসন্দেহে ঘটনাটি চাঞ্চল্যকর ও স্পর্শকাতর। এই প্রথম বাংলাদেশের কোনো সংসদ সদস্য বা রাজনীতিক ভারতে গিয়ে স্বদেশিদের হাতে খুন হলেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখে দুই দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভূতপূর্ব সহযোগিতা চালিয়ে যাচ্ছে। ভারতে গুরুত্বপূর্ণ লোকসভা নির্বাচনের সময় এ ঘটনাটি তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। অবশ্য বাংলাদেশের পুলিশই সুতোর আগা খুঁজে বের করেছে এ দেশে বসেই। কিন্তু কোথায়, কীভাবে, কেন, কখন খুন হয়েছেন—সব দুই দেশের পুলিশের সমন্বিত প্রচেষ্টায় একে একে বের হয়ে আসছে। এ হত্যাকাণ্ডের পুঙ্খানুপুঙ্খ বুঝতে এবং আরও তদন্তের
  • দুর্গতদের পাশে দাঁড়ান

    রাতজুড়ে তাণ্ডবের পর প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমাল উত্তর দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিমালের তাণ্ডবে বিভিন্ন জেলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১২ জন মারা গেছে। সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে খুলনার উপকূল কয়রায় বেড়িবাঁধ ভেঙে অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। একই সঙ্গে খুলনার দাকোপ উপজেলায় বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকছে। উপজেলার শিবসা ও ঢাকী নদীর বাঁধ ভেঙে তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের কামিনীবাসিয়া গ্রামের ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা তলিয়ে গেছে। ভেসে গেছে চিংড়ির ঘের, ভেঙে গেছে কাঁচা ঘরবাড়ি ও দোকানপাট। ভারি বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফসলের ক্ষেত, উপড়ে গেছে বহু গাছ। অনেক জায়গায়

    শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন

    জয়নুল আবেদিন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অসাধারণ প্রতিভাবান শিল্পী। ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফটস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের তিনিই পুরোধা। ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানের (বর্তমান চারুকলা ইনস্টিটিউট) তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ। তার নেতৃত্বের গুণে অন্য শিল্পীদের সংগঠিত করার জন্য সুপরিচিত ছিলেন। অসাধারণ শিল্প-মানসিকতা ও কল্পনাশক্তির জন্য তিনি শিল্পাচার্য উপাধিতে ভূষিত হন। শিল্পের মুখ্য শর্ত হচ্ছে সারল্য। শিল্প হবে চিন্তার অকপট প্রকাশ। এমন ভাবনায় ক্যানভাস রাঙিয়েছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন। সর্বসাধারণের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন শিল্পের আবেদন। তারই শ্রমসাধ্য প্রচেষ্টায় যাত্রা শুরু করে এ দেশের চারুকলা। আপন মনন ও সৃজনশীলতার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যে বিকশিত করেছেন বাংলার চিত্রকলার ভুবনকে। অনন্য সব শিল্প সৃষ্টি
    সৈয়দ বোরহান কবীর
    সৈয়দ বোরহান কবীরনির্বাহী পরিচালক, পরিপ্রেক্ষিত

    আনার, আজিজ, বেনজীর: কীসের ইঙ্গিত

    তিনজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে নিয়ে সপ্তাহজুড়ে তোলপাড় দেশ। একজন জনপ্রতিনিধি। একজন সাবেক সেনাপ্রধান। তৃতীয় ব্যক্তি সাবেক পুলিশপ্রধান। ভিন্ন ভিন্ন কারণে এবং ঘটনায় তারা আলোচনায়। তিন ঘটনার প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ আলাদা। কিন্তু তিন ঘটনায় এক অদ্ভুত মিল খুঁজে পাওয়া যায়। গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি ও অনিয়ম। একজন জীবন দিয়ে তার অন্ধকার জগতের দরজা খুলে দিয়েছেন। একজন ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্য মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছেন। তৃতীয়জনের স্থাবর সম্পত্তি জব্দ করা হয়েছে দুর্নীতির অভিযোগে। এ তিনটি ঘটনার পর একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে—জনগণের সেবার দায়িত্ব কারা পাচ্ছেন? দুর্নীতিবাজরা, চোরাকারবারি, ক্ষমতা অপব্যবহারকারীরা কীভাবে জনপ্রতিনিধি হচ্ছেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাচ্ছেন? এ ধরনের ব্যক্তিদের হাতে জনগণ কতটা নিরাপদ? দুই. প্রথমেই জনপ্রতিনিধি
  • মৌমাছি ‘গণহত্যা’র বিচার চাই

    এক নিদারুণ গণহত্যার খবর প্রকাশিত হয়েছে গণমাধ্যমে। প্রায় পাঁচ লাখ প্রাণের করুণ নির্দয় মৃত্যু ঘটেছে। লাখ লাখ লাশ নিয়ে বসে থাকা স্তব্ধ মৃতদেহের ‘মালিকের’ ছবিও প্রকাশিত হয়েছে। যদিও মানুষ নিহত হলে আমরা হিসাব করি না ‘এত টাকার মানুষ মারা গেল’ কিংবা ‘এত মানুষের মৃত্যুতে এত টাকার ক্ষতি হয়েছে’। কিন্তু সাম্প্রতিক গণহত্যার ক্ষেত্রে ‘মৃতদেহের’ আর্থিক হিসাবও করা হয়েছে। কীভাবে করা হয়েছে তা নিয়ে বিস্তর তর্ক আছে। খবরে প্রকাশ—‘পুলিশ ট্রাক আটকে রাখায় প্রাণ গেল ৫ লাখ টাকার মৌমাছির’। ‘মৃত মৌমাছি নিয়ে হতাশ মৌচাষির’ ছবি প্রকাশ করেছে দৈনিক কালবেলা (সূত্র: ১৮ মে, ২০২৪)। কীভাবে মারা গেল এই পাঁচ লাখ অসহায় মৌমাছি? ঠাকুরগাঁওয়ের মৌচাষি খলিফর

    খোঁড়াখুঁড়ির নগরী

    বর্ষা মৌসুম শুরু হবে কয়েক দিন বাদেই। এই মুহূর্তে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের দেড় শতাধিক রাস্তায় চলছে খোঁড়াখুঁড়ি। রাস্তা সংস্কারসহ চলছে বিভিন্ন সেবামূলক সংস্থার এসব খোঁড়াখুঁড়ির কাজ। বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতি ও অন্যতম শীর্ষ জনবসতির এ শহরে এসব কাজের ক্ষেত্রে চিত্রটি হওয়া উচিত ছিল সুপরিকল্পিত, সমন্বিত এবং যতটা সম্ভব জনভোগান্তিমুক্ত, কিন্তু বাস্তবতা তার উল্টো। অর্থাৎ রাস্তায় খোঁড়াখুঁড়ি এখন সারা বছরের নৈমিত্তিক দৃশ্য। এ কারণে স্বভাবতই প্রত্যহ অবর্ণনীয় ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে নগরবাসীর; একই সঙ্গে ঢাকা দিন দিন হয়ে উঠছে অচল-স্থবির। বছরজুড়ে এসব দৃশ্য দেখে মনে হয়, ঢাকা যেন একটি খোঁড়াখুঁড়ির নগরী! এটি অত্যন্ত দুঃখজনক, একই সঙ্গে হতাশার। রোববার দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত ‘খুঁড়তে

    জওহরলাল নেহরু

    জওহরলাল নেহরু ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের রাজনীতিবিদ, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা এবং স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। ১৯৪৭ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত আমৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে গেছেন তিনি। এ ছাড়া ১৯৩০ ও ১৯৪০-এর দশকে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতার ভূমিকাও পালন করেছেন নেহরু। দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, আদর্শবাদী, পণ্ডিত এবং কূটনীতিবিদ নেহরু ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব। লেখক হিসেবেও ছিলেন বিশিষ্ট। ইংরেজিতে লেখা তার তিনটি বিখ্যাত বই ‘একটি আত্মজীবনী’, ‘বিশ্ব ইতিহাসের কিছু চিত্র’ ও ‘ভারত আবিষ্কার’ চিরায়ত সাহিত্যের মর্যাদা লাভ করেছে। জওহরলাল নেহরুর জন্ম ১৮৮৯ সালের ১৪ নভেম্বর, ব্রিটিশ ভারতের এলাহাবাদে এক কাশ্মীরি ব্রাহ্মণ পরিবারে। কাশ্মীরি পণ্ডিত সম্প্রদায়ের সঙ্গে তার সংযোগের কারণে
অনলাইন জরিপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সরকারি চাকরিতে ৩ লাখ ৭০ হাজার পদ ফাঁকা : জনপ্রশাসনমন্ত্রী

সর্বজনীন পেনশন স্কিম বাতিলের দাবি বুটেক্স শিক্ষকদের

আম্বানির ছেলের বিয়েতে মঞ্চ মাতাবে শাকিরা, ডুয়া লিপা ও এ আর রহমান

গভীর রাতে ঘরে ঢুকে নাতি-দাদির প্রাণ নিল ডাকাতদল

অভিজ্ঞতা ছাড়া ইবনে সিনায় নিয়োগ, পাবেন অনেক সুবিধা

ঘুর্ণিঝড় রিমাল / গৌরনদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন স্থগিত

গাজীপুরে কাভার্ডভ্যান চাপায় পোশাক শ্রমিক নিহত

উপকূলে এখনো থামেনি ঘূর্ণিঝড় রিমালের দাপট

দেশ বাঁচাতে হলে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে : দুদু

ভারতীয় বিশ্বকাপ স্কোয়াডের আইপিএল পারফরম্যান্স কেমন

১০

আন্তর্জাতিক সংস্থায় চাকরি, বেতন ৬৩,৯৬৪ টাকা

১১

অবৈধ মাটির ট্রাক চলাচলে সড়ক ও ফসলি জমি হুমকির মুখে  

১২

আজই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিচ্ছে ইউরোপের ৩ দেশ

১৩

গুচ্ছে ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল

১৪

সাভারে সাংবাদিকের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ২

১৫

এবার হজের খুতবা পাঠ করবেন কে এই ইমাম?

১৬

পঞ্চগড়ে জামানত হারালেন সাবেক ২ ভাইস চেয়ারম্যানসহ ৬ প্রার্থী

১৭

ভারতের কোচের পদে মোদি-অমিত শাহর আবেদন!

১৮

আ.লীগ নেতাদের ফখরুল / নিজেদের দাফন যেন সুন্দর হয়, চিন্তা করেন

১৯

গাজীপুরে ডুয়েট শিক্ষকদের কর্মবিরতি

২০
রোহিঙ্গাদের ভরণপোষণে ঋণের পথে বাংলাদেশ
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য একটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। ‘বিল্ডিং কমোনিটি রেজিলেন্স অ্যান্ড সেলফ রিলাইয়েন্স’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় রোহিঙ্গাদের
বিশেষ সাক্ষাৎকার / বাংলাদেশের জন্য কিছু করতে চাই
রূপা আশা হক ব্রিটিশ পার্লামেন্টের একজন নির্বাচিত সদস্য। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রূপা আশা হকের পৈতৃক বাড়ি পাবনার মকসেদপুরে। তার জন্ম লন্ডনে। ইউএনএফপির আয়োজনে ‘আইসিপিডি-৩০ গ্লোবাল ডায়ালগ অন ডেমোগ্রাফিক ডাইভারসিটি অ্যান্ড সাসটেইনেবল
১২ জনের প্রাণহানি / বড় ক্ষত রেখে গেল রিমাল
‘চাচা ঝড় কি গেছেনি, কখন যাবে? ফেসবুক কী কয়? আর সহ্য হয় না। রোববার রাত ১২টা থেকে সোমবার বিকাল, এখনও বাতাস চলছে। আর কতক্ষণ?’—এভাবেই একের পর এক প্রশ্ন ছুড়ে দিচ্ছিলেন
ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে পাহাড়ধসের আশঙ্কা
ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে বৃষ্টিতে পার্বত্যাঞ্চলে পাহাড়ধসের শঙ্কার কথা জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তর। এরপর থেকে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবানে শুরু হয়েছে মাইকিং। সতর্ক করা হয়েছে ঝুঁকিতে বসবাস করা মানুষকে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র। রাঙামাটিতে
সরকারি চাকরিতে ৩ লাখ ৭০ হাজার পদ ফাঁকা : জনপ্রশাসনমন্ত্রী
সরকারি চাকরিতে ৩ লাখ ৭০ হাজার পদ ফাঁকা : জনপ্রশাসনমন্ত্রী
সরকারি চাকরিতে ৩ লাখ ৭০ হাজার ৪৪৭টি পদ ফাঁকা রয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। সোমবার (২৮ মে) সচিবালয়ে বাংলাদেশের সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত সংলাপে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। জনপ্রশাসনমন্ত্রী জানান, গত ৫ বছরে ৩ লাখ ৫৮ হাজার ২৩৭ জনকে সরকার চাকরি দিয়েছে। বর্তমানে ১৯ লাখ ১৫১ জন ১৩ লাখ ৯৬ হাজার মানুষ সরকারি চাকরিতে কর্মরত আছে। আর শূন্যপদ আছে ৩ লাখ ৭০ হাজার ৪৪৭টি।  তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষার মাধ্যমে ৪২ হাজার ৯ শত ৩১ জন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ননক্যাডার পদে নিয়োগে দেওয়া হয়েছে ৬৯ হাজার ২৩৯ জনকে। মন্ত্রী বলেন, বিসিএসে ১০ শতাংশ নারী কোটা বাতিলের পরেও নারীদের নিয়োগ পাওয়ার হার কমেনি। প্রতিটি বিসিএসে গড়ে ২৫ থেকে ২৯ শতাংশ পর্যন্ত নারী কর্মকর্তা রয়েছেন। তাই নারীরা সরকারি চাকরিতে কম নিয়োগ পাচ্ছে গণমাধ্যমের এমন খবর সঠিক নয়। ৫৮ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ১১ জন নারী সচিব, জেলা প্রশাসক সাতজন, ইউএনও ১৪১ জন এবং এসিল্যান্ড হিসেবে ১৮১ জন নারী কর্মরত আছেন। ৩৫তম বিসিএসে নারীর সংখ্যা ২৭ দশমিক ৯৫, ৪০তম বিসিএসে ২৬ দশমিক ০৩, ৪১তম বিসিএসে ২৬ দশমিক ৭১ জন নারী সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছে। এ ছাড়া ২৯ শতাংশ নারী সব ধরনের সরকারি চাকরিতে রয়েছে। ফরহাদ হোসেন বলেন, মেধাবী কাজের প্রতি আগ্রহী এবং কোয়ালিটি সম্পন্ন কর্মকর্তাদেরই পদোন্নতি দেওয়া হয়। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় খুবই সতর্ক। এ ছাড়া জেমস সফটওয়্যার অনুযায়ী তাদের কাজের মূল্যায়ন করা হয়। মন্ত্রী আরও বলেন, গত ৫ বছরে ১৭৮ জন কর্মকর্তার বিভিন্ন অনিয়মের (গ্রেড ১ থেকে গ্রেড ৯ পর্যন্ত) জন্য তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করে তদন্ত করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে তাদের দোষ প্রমাণ সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এমনকি ২২ জনকে গুরুদণ্ড, ৬৯ জনকে লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর অব্যাহতি পেয়েছে ৭৭ জন। 
১৮ মিনিট আগে

ঘূর্ণিঝড় রিমাল / উদ্ধারকাজে গিয়ে ফায়ারফাইটারের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে

দুপুর ১টার মধ্যে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

৭ ঘণ্টা আগে

ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে মৃত্যু বেড়ে ১৬

৮ ঘণ্টা আগে

মঙ্গলবার কেমন থাকবে আবহাওয়া?

১২ ঘণ্টা আগে

মিল্টনের আশ্রমে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর

১৫ ঘণ্টা আগে
দেশ বাঁচাতে হলে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে : দুদু
দেশ বাঁচাতে হলে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে : দুদু
বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, দেশ বাঁচাতে হলে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। আমরা যদি তাকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে না পারি, তাহলে আমরা দেশকে মুক্ত করতে পারবো না। তিনি নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হই, এই জুলুমের বিরুদ্ধে এদের তক্ত-তাউস খান খান করা ছাড়া কোনো দ্বিতীয় পথ আছে বলে মনে করি না। এজন্য চলমান আন্দোলনকে আরো বেগবান করতে হবে। মঙ্গলবার (২৮ মে) দুপুরে সেগুনবাগিচার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের উদ্যোগে ‘মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ভূমিকা ও তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তার অনন্য অবদান’- শীর্ষক আলোচনা সভায় দুদু এসব কথা বলেন। ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যদের প্রসঙ্গ টেনে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, এরা কোনো এমপি নয়, এরা কেউ ভোটে এমপি হয়নি। এদের অধিকাংশ চোরাকারবারি, লুণ্ঠনকারী, স্বর্ণ চোরাকারবারকারী। এদেরকে এমপি বললে ভোটে নির্বাচিত এমপিদেরকে ছোট করা হবে, সংবিধানকে ছোট করা হবে। বিএনপির এই ভাইস-চেয়ারম্যান বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় গেছে, তখনই এ দেশের গণতন্ত্রকে তছনছ করে দিয়েছে। তারা যখনই ক্ষমতায় গেছে, লুটপাট করেছে। তারা যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই মানুষ আতঙ্কিত হয়েছে। তারা যখনই ক্ষমতায় এসেছে, এ দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হয়েছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, কেউ ভাল হতে চাইলে জিয়াউর রহমানকে অনুসরণ করতে হবে। জিয়াকে বাদ দিয়ে এ দেশের প্রকৃত ইতিহাস লেখা যাবে না শিক্ষার ক্ষেত্রে, শিল্পের ক্ষেত্রে, সকল ক্ষেত্রে। এখন তাকে অনেক নীচু করার চেষ্টা করা হয়, যা ভাবা যায় না। সেজন্য জিয়াকে নিয়ে যারা সমালোচনা করে, তাদেরকে আমাদের করুণা করা ছাড়া করার কিছু নেই। বাংলাদেশের মানুষ বুকে ধারণ করেছিল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে।বাংলাদেশের মানুষ তাদের আপনজন হিসেবে গ্রহণ করেছিল জিয়াউর রহমানকে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন। এতে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, ফজলুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মজিবুর রহমান সরোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ার প্রমুখ নেতারা।  
৪৩ মিনিট আগে
নিজেদের দাফন যেন সুন্দর হয়, চিন্তা করেন
আ.লীগ নেতাদের ফখরুল / নিজেদের দাফন যেন সুন্দর হয়, চিন্তা করেন
শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ছাতা বিতরণ করেন মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল। সৌজন্য ছবি
যে কোনো বিপদ-মুসিবতে জামায়াত মানুষের পাশে আছে : বুলবুল
উপকূলীয় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান ফখরুলের
উপকূলীয় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান ফখরুলের
খালেদা জিয়ার জন্য ফল পাঠালেন জামায়াতের আমির
খালেদা জিয়ার জন্য ফল পাঠালেন জামায়াতের আমির
প্রধানমন্ত্রী না ঘুমিয়ে মানুষের কথা ভাবেন : প্রতিমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী না ঘুমিয়ে মানুষের কথা ভাবেন : প্রতিমন্ত্রী
ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের
ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের

ফিচের রেটিংস / বাংলাদেশের ঋণমানে আবারও অবনমন

আট মাসের ব্যবধানে আবারও বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি ঋণমান কমিয়েছে আন্তর্জাতিক রেটিং সংস্থা ফিচ রেটিংস। বাংলাদেশের ফরেন কারেন্সি ইস্যুয়ার ডিফল্ট রেটিং (আইডিআর) ‘বিবি মাইনাস’ থেকে ‘বি প্লাস’ করেছে বিশ্বের অন্যতম প্রধান এ ঋণমান নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠান। যদিও দেশের অর্থনীতি-সম্পর্কিত পূর্বাভাস স্থিতিশীল রেখেছে সংস্থাটি। গতকাল বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নিজেদের ওয়েবসাইটে বিস্তারিত এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। সেই প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেছে ফিচ রেটিংস। সংস্থাটি বলছে, বাংলাদেশের রেটিং বি প্লাসে নামিয়ে আনা আসলে দেশটির অর্থনীতির বহিঃস্থ খাতের অবনতির প্রতিফলন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের পর থেকে বৈদেশিক মুদ্রার পতন ঠেকাতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হলেও তা যথেষ্ট নয়। ঠেকানো যায়নি ডলারের বিপরীতে টাকার দরপতনও। সম্প্রতি ক্রলিং পেগ নীতি চালু করলেও তা বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে কতটুকু কার্যকর হবে, সেটাও অনিশ্চিত। ফিচ রেটিংস বলছে, দীর্ঘমেয়াদি ঋণমান অবনমন করা হলেও বাংলাদেশের স্বল্পমেয়াদি ঋণমান ‘বি’ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয় মুদ্রায় দীর্ঘমেয়াদি আইডিআর অবনমন করে ‘বিবি মাইনাস’ থেকে ‘বি প্লাস’; স্থানীয় মুদ্রায় স্বল্পমেয়াদি আইডিআর বি-তে অপরিবর্তিত এবং দেশের সীমা বা কান্ট্রি সিলিং বিবি মাইনাস থেকে অবনমন করে বি প্লাস করা হয়েছে। একটি দেশের দীর্ঘ ও স্বল্পমেয়াদি ঋণমান নির্ধারণের ক্ষেত্রে ফিচ এ কাঠামো ব্যবহার করে। গত সেপ্টেম্বরে দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা ইস্যুয়ার ডিফল্ট রেটিং (আইডিআর) স্থিতিশীল থেকে নেতিবাচক (বিবি মাইনাস) করেছিল ফিচ। বিশ্বে যে তিনটি ঋণমান নির্ধারণী প্রতিষ্ঠান একত্রে ‘বিগ থ্রি’ হিসেবে পরিচিতি, ফিচ তাদের একটি। বাকি দুটি মুডিস ও এসঅ্যান্ডপি। ফিচ জানাচ্ছে, অদূরভবিষ্যতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকবে। এটা যে কারণে সম্ভব হবে, সেটা হলো বহিস্থ অর্থায়নের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) মতো নির্ভরযোগ্য ঋণদাতার সঙ্গে চুক্তি, সংস্থাটির নির্দেশিত সংস্কারকাজে হাত দেওয়া ও ব্যাংকিং খাতের সমস্যা মোকাবিলায় ব্যবস্থা নেওয়া, সরকারি ঋণ সীমার মধ্যে রাখা এবং মধ্য মেয়াদে প্রবৃদ্ধির ভালো সম্ভাবনা।

আইএমইডির প্রতিবেদন / ১০ মাসে এডিপি বাস্তবায়ন অর্ধেকেরও কম

নানা উদ্যোগের কথা বলা হলেও গতি নেই বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে। এর প্রমাণ মেলে এডিপি বাস্তবায়ন হারে। চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) বাস্তবায়ন হয়েছে ৪৯ দশমিক ২৬ শতাংশ। অর্থবছর শেষ হতে বাকি আর দুমাস। এই সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে ৫০ দশমিক ৭৪ শতাংশ। ফলে শতভাগ বাস্তবায়ন নিয়ে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলতি অর্থবছর এডিপির শতভাগ বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। কয়েক বছর ধরে একই চিত্র দেখা গেলেও বাস্তবায়নের দিকে কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ১০ মাসের এডিপি বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে। গতকাল সোমবার এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আইএমইডি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরাদ্দের হিসাবে কয়েকটি মন্ত্রণালয় ছাড়া বেশিরভাগই তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারছে না। বিশ্লেষকরা বলছেন, অর্থবছরের ১০ মাসে এডিপি কর্মসূচির অর্ধেকও বাস্তবায়ন হয়নি। সেখানে মাত্র দুই মাসে কী করে পুরো বাস্তবায়ন করা সম্ভব। প্রতিবছরই শেষ সময়ে তাড়াহুড়া করে বাস্তবায়ন হার বাড়ানো হয়। এতে কাজের মান ঠিক থাকে না। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে জবাবদিহির আওতায় না আনলে শতভাগ এডিপি বাস্তবায়ন কোনো অর্থবছরেই সম্ভব নয়। বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন কালবেলাকে বলেন, বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলেও বড় আকারের এডিপি নেওয়া হচ্ছে। অর্থবছরের প্রথম ৮ বা ৯ মাসে বাস্তবায়ন হার অনেক কম থাকে। কিন্তু শেষের মাসগুলোয় এডিপি বাস্তবায়ন ব্যাপক হারে বেড়ে যায়। শেষ সময়ে তড়িঘড়ি করে বাস্তবায়ন হার বাড়ানো হয়। এতে গুণগত মান ঠিক থাকে না। এর পরও বাস্তবায়নের কোনো পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে না। গতানুগতিকভাবেই চলছে এডিপি। এজন্য বড় আকারের এডিপি নেওয়ার চেয়ে বাস্তবায়নের দিকে নজর দেওয়া উচিত। ধীরগতির বিষয়ে আইএমইডি সচিব আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন বলেন, গত অর্থবছরের তুলনায় এবার এডিপি বাস্তবায়ন কম হয়েছে, এটা ঠিক। তবে বাস্তবায়ন হার বাড়ানোর বিষয়ে জোর দেওয়া হচ্ছে। দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নেও জোর দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এনইসি বৈঠকে সচিবদের এডিপি বাস্তবায়ন বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আইএমইডির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরের এডিপিতে ১ হাজার ৬৭৪ প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দ রয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। প্রথম ১০ মাসে ৫৮ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের তত্ত্বাবধানে থাকা এসব প্রকল্পের বিপরীতে খরচ হয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ৩১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা, যা বরাদ্দের ৪৯ দশমিক ২৬ শতাংশ। গত ১০ অর্থবছরের এডিপি বাস্তবায়নের চিত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, করোনার সময় ছাড়া চলতি অর্থবছরের মতো এত কম এডিপি বাস্তবায়ন আর কখনো হয়নি। ১০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছিল ২০২০-২১ অর্থবছর। ওই অর্থবছর একই সময়ে বাস্তবায়ন হার ছিল ৪৯ দশমিক ০৯ শতাংশ। আর ২০১৯-২০ অর্থবছরে ছিল ৪৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি বাস্তবায়ন হয়েছিল ২০১৪-১৫ অর্থবছরে। ওই সময় বাস্তবায়ন হার ছিল ৫৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এ ছাড়া ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ছিল ৫৪ দশমিক ৯৪, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৫৪ দশমিক ৫৬, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৫২ দশমিক ৪২, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৫০ দশমিক ১৭ এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে ছিল ৫৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে এডিপির ৫০ দশমিক ৩৩ শতাংশ বাস্তবায়ন হয়েছিল। এদিকে, সামগ্রিকভাবে এডিপি বাস্তবায়ন হারের সঙ্গে মাসের হিসাবে চলতি অর্থবছরের এপ্রিলে গতবারের তুলনায় কম বাস্তবায়ন হয়েছে। আইএমইডির তথ্য অনুযায়ী, শুধু এপ্রিলে এডিপি বাস্তবায়নে খরচ হয়েছে ১৭ হাজার ৭০৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ এ সময় বাস্তবায়নের হার ৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ। ২০২২-২৩ অর্থবছরের এপ্রিলে খরচ হয় ২০ হাজার ৫৪৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা, যা বরাদ্দের ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ। অর্থাৎ মাসের হিসাবে বাস্তবায়ন প্রায় দুই শতাংশ কম হয়েছে। আইএমইডির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শতাংশের হিসাবে বাস্তবায়নে পিছিয়ে থাকলেও টাকা খরচে এগিয়ে রয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। বিভাগটির ২৬৩ প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দ ছিল ৪২ হাজার ৯৫৬ কোটি ৭১ লাখ টাকা। ১০ মাসে ব্যয় হয়েছে ২৩ হাজার ৭৬২ কোটি ২৬ লাখ টাকা, যা ৫৫ দশমিক ০৩ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থান বিদ্যুৎ বিভাগের, খরচ করেছে ২০ হাজার ৭৬২ কোটি ২৬ লাখ টাকা, যা মোট বরাদ্দের ৬৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। ১০ মাসে ৩০ শতাংশও এডিপি বাস্তবায়ন করতে পারেনি ৮ মন্ত্রণালয় ও বিভাগ। সবচেয়ে পিছিয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ। চলতি অর্থবছর ২৪২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে তারা ব্যয় করেছে ৪১ কোটি ৪২ লাখ টাকা বা ১৭ দশমিক ০৭ শতাংশ। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিবালয় খরচ করেছে ২২ দশমিক ৮৮ শতাংশ, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ ২৪ দশমিক ৩১, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২৪ দশমিক ৪২, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ২৬ দশমিক ৯৭ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ২৮ দশমিক ২৫ শতাংশ বাস্তবায়ন করেছে। চলতি অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি এডিপি বাস্তবায়ন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ৬ কোটি ১৯ লাখ টাকা। ১০ মাসে তারা ব্যয় করেছে ৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা, যা মোট বরাদ্দের ৯৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এ ছাড়া জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ ৮৩ দশমিক ১৪, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ৭৪ দশমিক ৪৪, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়র বিভাগ ৭২ দশমিক ৩২ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ৬৭ দশমিক ০১ শতাংশ এডিপি বাস্তবায়ন করেছে।

বৃষ্টিতে চা বাগানে ফিরেছে স্বস্তি, বাড়বে উৎপাদন 

টানা খরার পর হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে সোমবার দিনভর বৃষ্টিতে উপজেলার ২৪টি চা বাগানে স্বস্তি ফিরেছে। বৃষ্টির কারণে পরিবেশ ঠান্ডা হওয়ায় চা শ্রমিকরা খুবই খুশি। এতে চা উৎপাদন বাড়বে বলে আশা করছেন মালিকপক্ষ। চুনারুঘাট চন্ডিছড়া চা বাগান ঘুরে দেখা গেছে, বৃষ্টিভেজা চায়ের কুঁড়িতে অনন্য সৌন্দর্যের হাতছানি। চা পাতা তুলতে শ্রমিকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। এ বিষয়ে চা শ্রমিক মালিন্দ্রি গোয়ালা বলেন, গরমে চা গাছগুলো পুড়ে গিয়েছিল আমাদের কাজ করতে খুব কষ্ট হতো। সৃষ্টিকর্তার মেহেরবানিতে সোমবার দিনভর বৃষ্টি হচ্ছে। চা বাগানের স্বস্তি ফিরেছে। চা গাছে নতুন করে কুঁড়ি দিতে শুরু করেছে। চন্ডিছড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক সেলিমুর রহমান বলেন, এবার খরার ক্ষতি পুষিয়ে দ্বিগুণ চা উৎপাদন করা যাবে। ইতিমধ্যে আমরা প্রথম ধাপের চা উৎপাদন করে ফেলেছি। আশা করি এবার ভালো ফলন হবে। চন্ডিছড়া  চা বাগানে দেখা গেছে, চা কারখানায় সবুজ কুঁড়ির স্তূপ। কারখানা সবুজ চা পাতার কুঁড়ি থেকে চা প্রস্তুত করতে ব্যস্ত। সব প্রক্রিয়া শেষে কুঁড়িগুলো রয়েছে বাজার জাতের অপেক্ষায়। চা বাগান সূত্রে জানা যায়, এ বছর চুনারুঘাট উপজেলার ২৪টি চা বাগানে সোয়া এক কোটি কেজি চা পাতা উত্তোলনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বাগানগুলোতে উৎপাদন শুরু হওয়ায় এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আশা বাগান কর্তৃপক্ষের। বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স্বরজিৎ ফারসী বলেন, সারা দিনের বৃষ্টিতে চা বাগানগুলোর জন্য অনেক ভালো হয়েছে। এ সময়টাতে বৃষ্টি না হলে পাতা লালচে রঙ ধারণ করাসহ গাছে বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়। চা শিল্প প্রকৃতি এবং শ্রমিকের ওপর নির্ভরশীল। প্রকৃতির আচরণ যদি ভালো হয়, তাহলে উৎপাদন ভালো হয়। এ বছর যদিও বিলম্বে বৃষ্টির দেখা মিলেছে। তারপরও বাগানগুলোতে আশানুরূপ উৎপাদন হবে। দেউন্দি চা বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপক দেবাশীষ দাশ বলেন, বৃষ্টি হওয়াতে পোকা-মাকড়ের আক্রমণ কমেছে। দিনের বৃষ্টির পুরোপুরি সুফল পাওয়া যাবে। অন্যান্য বছর আরও আগেই বৃষ্টি হয়। ফলে এই সময়ে বাগানের উৎপাদন থাকতো সর্বোচ্চ পর্যায়ে। যেহেতু এখনও মৌসুমের শুরু অবস্থা, তাই যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে তাহলে মৌসুম শেষে অনেক ভালো উৎপাদন হবে। এ বছর দেউন্দি চা বাগানের লক্ষ্যমাত্রা ১০ লাখ ৫০ হাজার কেজি চা উৎপাদন ধরা হয়েছে। চুনারুঘাট ইউএনও আয়েশা আক্তার বলেন, রোদবৃষ্টি ঝরে চা বাগানের নারী শ্রমিকরা চা পাতার কুঁড়ি তুলতে ব্যস্ত থাকেন। বজ্রপাতসহ নানা দুর্যোগে তাদের যাতে সুরক্ষা দেওয়া হয় সে ব্যাপারে আমি চা বাগান ব্যবস্থাপকদের বারবার তাগিদ দিয়েছি এবং আমি নিয়মিত চা বাগান পরিদর্শন করছি। সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, শ্রমিকদের সর্বোচ্চ সুরক্ষা দিতে হবে। কাজের সময় তাদের খাবার পানির পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখতে হবে। খাবার স্যালাইনসহ ছাতার ব্যবস্থা রাখার জন্য বাগান মালিকদের আমি অনুরোধ করেছি।
৮ ঘণ্টা আগে
বৃষ্টিতে চা বাগানে ফিরেছে স্বস্তি, বাড়বে উৎপাদন 

১০ মাসে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ৪৯.২৬ শতাংশ

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গত তিন অর্থবছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে এই সময়ে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) সংশোধিত এডিপি বরাদ্দের ৪৯ দশমিক ২৬ শতাংশ বা ১ দশমিক ২৫ লাখ কোটি টাকা ব্যয় করেছে সরকার।  সোমবার (২৭ মে) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। আইএমইডির হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে এডিপি বরাদ্দের ৪৯ দশমিক ২৬ শতাংশ বা ১ লাখ ২৫ হাজার ৩১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ব্যয় করেছে সরকার। এ অর্থবছরে মোট বরাদ্দ ২ লাখ ৫৪ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। ফলে দুই মাসে খরচের টার্গেট ১ লাখ ২৯ হাজার ৭৬ কোটি টাকা। এ সময়ে গত তিন অর্থবছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে। আইএমইডি জানায়, একই সময়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫০ দশমিক ৩৩, ২০২১-২২ অর্থবছরে ৫৪ দশমিক ৫৭, ২০২০-২১ অর্থবছরে ৪৯ দশমিক শূন্য ৯ এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল ৪৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। গত ১০ মাসে এডিপি বাস্তবায়নে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এগিয়ে রয়েছে, বাস্তবায়ন হার ৯৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এ ছাড়া জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় ৮৩ দশমিক ১৪ শতাংশ, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ৬৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ, তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ৬৭ শতাংশ, বিদ্যুৎ বিভাগ ৬৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ৫৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ ও বেসরকারি বিমান ও পর্যটনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এডিপি বাস্তবায়ন হার ৫৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ। কৃষি মন্ত্রণালয় ৫৮ দশমিক ৮১ শতাংশ এডিপি বাস্তবায়ন করেছে। তবে, সবচেয়ে বেহালদশা দেখা গেছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে। এডিপি বাস্তবায়ন হার মাত্র ১৭ শতাংশ। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এডিপি বাস্তবায়ন হার মাত্র ২২ দশমিক ৮৮ শতাংশ।
১৯ ঘণ্টা আগে
১০ মাসে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ৪৯.২৬ শতাংশ

আম রপ্তানি বাড়াতে ৮ দাবি ব্যবসায়ীদের

বিদেশে আমের রপ্তানি বাড়াতে ৮ দফা দাবি জানিয়েছে আম ব্যবসায়ী ও চাষিরা। সংবাদমাধ্যমে অতিরঞ্জিতভাবে খবরগুলো প্রচারিত করার কারণেই রাজশাহী অঞ্চলের আম ব্যবসায়ী ও চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বক্তারা। সোমবার (২৭ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরাম, ঢাকা, (সিজেএফডি)’-এর আয়োজনে ‘বাংলাদেশে আম উৎপাদন : সমস্যা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক জাতীয় আম সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। আম শিল্পে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ অন্যতম আম উৎপাদক দেশ। আবহাওয়া ও মাটি অনুকূল। মৌসুম মে-সেপ্টেম্বর, পিক জুন-জুলাই। চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ, সাতক্ষীরাসহ সারা দেশে এর উৎপাদন হয়।  সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে আম চাষের এরিয়া ও ফলন বৃদ্ধি পেয়েছে। আমের জাতগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো গোপালভোগ, খিরসাপাত, হিমসাগর, ল্যাংড়া, ফজলি, আশ্বিনা বারি আম-৩, বারি আম-৪, বারি আম-১১, বারি আম-১২ ইত্যাদি। পুরোনো বয়স্ক বাগানের উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। প্রতিবছর প্রায় ২৫ লাখ টন আম উৎপন্ন হয়। সংগ্রহ না করার কারণে ক্ষতি হচ্ছে প্রায় ৩০-৪০ শতাংশ। পিক মৌসুমে উৎপাদন প্রাচুর্যে মূল্য হ্রাস পায়, কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।  ফলের গুণমান পরীক্ষার জন্য পূর্ণ সক্ষমতা সম্পন্ন অ্যাক্রিডিটেড ল্যাবরেটরির অভাব, আমের উন্নত সংগ্রহোত্তর ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষ করে কোয়ারেন্টাইন পেস্ট যেমন ফ্রুট ফ্লাই, অ্যানথ্রাকনোজ ও বোঁটা পচা রোগে (Stem end rot) ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণের জন্য ভ্যাপার হিট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, অবকাঠামো ও উন্নত প্রযুক্তির অভাব। উৎপাদন ও সংগ্রহোত্তর পর্যায়ে ফসলে ব্যবহৃত যাবতীয় উপকরণ ও কার্যক্রম ফার্ম রেকর্ড বইয়ে লিপিবদ্ধ ও সংরক্ষণ না করা ইত্যাদি। বক্তারা রাসায়নিক উপাদানের ব্যবহার সীমিত রেখে যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে আম উৎপাদন করা, প্যাকিং ব্যবস্থার উন্নয়ন করা, পরিবহনের জন্য আধুনিক যানবাহনের ব্যবস্থা করা, বিমানের কার্গোতে পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত ও সহজতর করা, রপ্তানি উপযোগী আমের চাষ সম্প্রসারণ করা, আম চাষি বিশেষ করে রপ্তানির জন্য আম উৎপাদনকারীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। আম থেকে উৎপাদিত পণ্য যেমন জুস, জ্যাম, জেলি, আচার, কেন্ডি ইত্যাদির বিদেশে বাজার সম্প্রসারণ করা, আমভিত্তিক শিল্প স্থাপনে সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করা, জৈব প্রযুক্তিনির্ভর আম উৎপাদন উৎসাহিত করা, আম সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্যাকিং ও পরিবহন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া, আম রপ্তানির জন্য সব রপ্তানিকারকের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা এবং মানদণ্ড ঠিক করে দেওয়ার দাবি জানানো হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরাম, ঢাকা, (সিজেএফডি) সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মু. জিয়াউর রহমান এমপি, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার, পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতি, ঢাকার সভাপতি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ এগ্রো-কেমিক্যাল ম্যানুফাকচারাস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কে এস এম মুস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।  মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রাব্বানী। প্রধান আলোচক ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক উদ্যান তত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মোখলেসুর রহমান।
১৯ ঘণ্টা আগে
আম রপ্তানি বাড়াতে ৮ দাবি ব্যবসায়ীদের
উপকূলে এখনো থামেনি ঘূর্ণিঝড় রিমালের দাপট
উপকূলে এখনো থামেনি ঘূর্ণিঝড় রিমালের দাপট
গাজীপুরে কাভার্ডভ্যান চাপায় পোশাক শ্রমিক নিহত
গাজীপুরে কাভার্ডভ্যান চাপায় পোশাক শ্রমিক নিহত
গৌরনদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন স্থগিত
ঘুর্ণিঝড় রিমাল / গৌরনদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন স্থগিত
গভীর রাতে ঘরে ঢুকে নাতি-দাদির প্রাণ নিল ডাকাতদল
গভীর রাতে ঘরে ঢুকে নাতি-দাদির প্রাণ নিল ডাকাতদল
পঞ্চগড়ে জামানত হারালেন সাবেক ২ ভাইস চেয়ারম্যানসহ ৬ প্রার্থী
পঞ্চগড়ে জামানত হারালেন সাবেক ২ ভাইস চেয়ারম্যানসহ ৬ প্রার্থী
অবৈধ মাটির ট্রাক চলাচলে সড়ক ও ফসলি জমি হুমকির মুখে  
অবৈধ মাটির ট্রাক চলাচলে সড়ক ও ফসলি জমি হুমকির মুখে  
ভুট্টা গাছের ডগা থেকে তৈরি হচ্ছে গোখাদ্য
ভুট্টা গাছের ডগা থেকে তৈরি হচ্ছে গোখাদ্য
সাভারে সাংবাদিকের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ২
সাভারে সাংবাদিকের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ২
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান

আজই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিচ্ছে ইউরোপের ৩ দেশ

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আজ মঙ্গলবার (২৮ মে) ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবে ইউরোপের আরও তিন দেশ। আজ বিকেলের দিকে এই স্বীকৃতি দেবে নরওয়ে, স্পেন ও আয়ারল্যান্ড। আলজাজিরার। এর আগে গত বুধবার নরওয়ে, স্পেন ও আয়ারল্যান্ডের শীর্ষনেতারা পৃথকভাবে ঘোষণা দিয়ে বলেন, ফিলিস্তিনকে তাদের স্বীকৃতি ২৮ মে থেকে কার্যকর হবে। পাশাপাশি তারা আরও দেশকে এ ঘোষণায় যুক্ত হতে আহ্বান জানায়। এমন স্বীকৃতিকে আরব নেতারা স্বাগত জানিয়েছেন। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন ফিলিস্তিনিরা। তবে এ পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে ইসরায়েল। তারা ওইসব দেশ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গর স্তোর তখন সংবাদ সম্মেলনে জানান, দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধান ইসরায়েলের স্বার্থের জন্যই ভালো। এ সময় তিনি বলেন, ‘নরওয়ে ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেবে ২৮ মে। যদি (ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে) স্বীকৃতি না দেওয়া হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে কখনোই শান্তি আসবে না।’ নরওয়ের ঘোষণার একটু পরই আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সিমন হ্যারিস সংবাদ সম্মেলনে জানান, তার দেশও শিগগির ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে। তিনি বলেন, ‘আজ (বুধবার) আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে ও স্পেন ঘোষণা দিচ্ছে যে আমরা ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিচ্ছি। এই দেশগুলো এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় জাতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’ এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী যে অন্যান্য দেশও আমাদের পথ অনুসরণ করবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।’ তারপর স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও সংবাদ সম্মেলনে জানান, তার দেশের মন্ত্রিপরিষদ ২৮ মে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবে। গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকেই সানচেজ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যাপারে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। এই তিন দেশের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাতজ নরওয়ে, আয়ারল্যান্ড ও স্পেনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আয়ারল্যান্ড ও নরওয়ে থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর সাত মাস ধরে ফিলিস্তিনে আগ্রাসন চালাচ্ছে তেল আবিব। এতে লাখো মানুষ উদ্বাস্তু হয়েছে। সেখানে দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ফিলিস্তিনকে ১৪০টি বেশি দেশ এরই মধ্যে স্বীকৃতি দিয়েছে অর্থাৎ জাতিসংঘের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য। যদিও পশ্চিমা প্রভাবশালী দেশগুলো এ নীতি এখনো অনুসরণ করেনি। এখন এটি ফ্রান্স ও জার্মানির জন্য কিছুটা হলেও চাপ দেবে। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যও ইসরায়েলের পাশাপাশি স্বাধীন ফিলিস্তিনের প্রস্তাবকে সমর্থন করে। এ ক্ষেত্রে তাদের দাবি হচ্ছে, ফিলিস্তিনকে আগে ইসরায়েলের সঙ্গে সমাঝোতা করে আসতে হবে।
এবার হজের খুতবা পাঠ করবেন কে এই ইমাম?
এবার হজের খুতবা পাঠ করবেন কে এই ইমাম?
জাহাজে হামলা বন্ধ করতে ইয়েমেনের প্রতি চীনের আহ্বান
জাহাজে হামলা বন্ধ করতে ইয়েমেনের প্রতি চীনের আহ্বান
ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামীদের ধ্বংস চান মাহমুদ আব্বাস?
ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামীদের ধ্বংস চান মাহমুদ আব্বাস?
ভারতে ভূমিধসে মৃত্যু ১০, চাপা পড়েছেন অনেকে
ঘূর্ণিঝড় রিমাল / ভারতে ভূমিধসে মৃত্যু ১০, চাপা পড়েছেন অনেকে
সমালোচনা সত্ত্বেও গাজায় হামলা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার নেতানিয়াহুর
সমালোচনা সত্ত্বেও গাজায় হামলা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার নেতানিয়াহুর
চীনের মধ্যস্থতায় থামবে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত?
চীনের মধ্যস্থতায় থামবে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত?
আম্বানির ছেলের বিয়েতে মঞ্চ মাতাবে শাকিরা, ডুয়া লিপা ও এ আর রহমান
আম্বানির ছেলের বিয়েতে মঞ্চ মাতাবে শাকিরা, ডুয়া লিপা ও এ আর রহমান
অপূর্বর দাদির চরিত্রে দিলারা
অপূর্বর দাদির চরিত্রে দিলারা
বৈষ্টমী রকফেস্টে মিজান-বাংলা ফাইভ
বৈষ্টমী রকফেস্টে মিজান-বাংলা ফাইভ
মনীষা কৈরালার কাছে জীবন মানে কী...
মনীষা কৈরালার কাছে জীবন মানে কী...
জি-সিরিজের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ করল শিরোনামহীন
জি-সিরিজের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ করল শিরোনামহীন
তমাকে ২০ কোটি টাকার নোটিশ মিষ্টির
তমাকে ২০ কোটি টাকার নোটিশ মিষ্টির
আদালতের রায় পেয়ে যা বললেন ডিপজল
আদালতের রায় পেয়ে যা বললেন ডিপজল
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
ভারতের কোচের পদে মোদি-অমিত শাহর আবেদন!
ভারতের কোচের পদে মোদি-অমিত শাহর আবেদন!
যেভাবে দেখবেন বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তুতি ম্যাচ
যেভাবে দেখবেন বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তুতি ম্যাচ
ভারতীয় বিশ্বকাপ স্কোয়াডের আইপিএল পারফরম্যান্স কেমন
ভারতীয় বিশ্বকাপ স্কোয়াডের আইপিএল পারফরম্যান্স কেমন
শেষ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। ১৭তম আসরের শিরোপা জিতেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। দু’মাস ব্যাপি ফ্র্যাঞ্চাইজি এই টুর্নামেন্ট শেষ হলেও অবসর নেওয়ার সুযোগ নেই ভারতীয় ১৫ ক্রিকেটারের। কয়েকদিন পরই মাঠে গড়াবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ৫ জুন আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে গত আসরের সেমিফাইনালিস্টদের বিশ্বকাপ মিশন। এর বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পাওয়া ১৫ ক্রিকেটারের আইপিএল পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম। রোহিত শর্মা (অধিনায়ক): আইপিএলে অধিনায়কত্ব হারালেও বিশ্বকাপে ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মাই। বিশ্বকাপে নামার আগে খুব আত্মবিশ্বাসী হওয়ার সুযোগ নেই তার। কারণ তলানিতে থেকে গ্রুপপর্ব শেষ করেছে তার দল মুম্বাই। ব্যাট হাতেও কিছুটা নড়বড়ে তার পারফরম্যান্স। ১৪ ম্যাচে একটি করে শতক ও অর্ধশতকে ৪১৭ রান করেছেন তিনি। হার্দিক পান্ডিয়া (সহ-অধিনায়ক): সহ-অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়াকে সইতে হয়েছে অনেক সমালোচনা। গুজরাট থেকে মুম্বাইয়ে এসে অধিনায়কের দায়িত্ব। এতে তাকে নিয়ে কটাক্ষ করেছে দুই দলের সমর্থকরা। তার পারফরম্যান্সও ছিল সাদামাটা। ১৪ ম্যাচে তার রান মাত্র ২১৬। আর উইকেট মোটে ১১টি। যশস্বী জয়শওয়াল: অধিনায়ক রোহিত শর্মার সঙ্গে ওপেনিংর দায়িত্ব থাকবে যশস্বী জয়সওয়ালের। সদ্য শেষ হওয়া আইপিএলে তার পারফরম্যান্স আশানুরূপ নয়। বেশ কিছু টেকনিক্যাল দুর্বলতাও ফুটে উঠেছে তার। বিরাট কোহলি: আইপিএল থেকে সবচেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাস যোগাড় করেছেন বিরাট কোহলি। আইপিএল শিরোপা অধরা থাকলেও নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে খুশি তিনি। ১৫ ম্যাচে ৭৪১ রান করেছেন জিতেছেন আসরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের পুরস্কার অ্যারেঞ্জ ক্যাপ। সূর্যকুমার যাদব: আইপিএলে ভালো খেলে সূর্যকুমার যাদব সুযোগ পান ভারতীয় দলে। আইসিসির টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে ব্যাটারদের তালিকার শীর্ষে ছিলেন তিনি। কিন্তু এবারের আইপিএলে আহামরি ছিল না তার পারফরম্যান্স। ১১ ম্যাচে করেন ৩৪৫ রান। ঋষভ পান্ত: ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা কামব্যাক স্টোরি তার। দুই বছর আগে গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়েছিলেন তিনি। প্রশ্ন উঠেছিল তার ক্রিকেট ক্যারিয়ার নিয়ে। কিন্তু এবারের আইপিএল দিয়ে মাঠে ফিরে ঠিকই জায়গা করে নিয়েছেন জাতীয় দলে। ১৩ ম্যাচে ৪৪৬ রান করেন তিনি। সাঞ্জু স্যামসন: তাকে ব্যাপারে বলা হয় ভারতীয় ক্রিকেটে ভুল সময়ে জন্মেছেন। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পরও নিয়মিত ভাবে সুযোগ পান না জাতীয় দলে। তবে এবারের বিশ্বকাপে দ্বিতীয় উইকেটকিপার হিসেবে তাকে রাখতে বাধ্য হয়েছেন নির্বাচকরা। ১৬ ম্যাচে ৫৩১ রান তার। শিবম দুবে: রিঙ্কু সিংহের বদলে শিবম দুবেকে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে নেওয়ায় সমালোচনা হয় ব্যাপক। দল ঘোষণার পর আরও খারাপ হয় তার পারফরম্যান্স। ১৪ ম্যাচে তার রান মাত্র ৩৯৬। রবীন্দ্র জাদেজা: এ স্পিন অলরাউন্ডারের আইপিএল পারফরম্যান্স খুব একটা ভালো নয়। । ১৪ ম্যাচে ২৬৭ রান করেছেন তিনি। উইকেট মাত্র ৮টি। অক্ষয় প্যাটেল: জাদেজার বিকল্প হিসেবে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন আরেক স্পিন অলরাউন্ডার অক্ষয় প্যাটেল। যদিও আইপিএল পারফরম্যান্স তার পক্ষে জোরালো নয়। ১৪ ম্যাচে দুই অর্ধশতকে ২৩৫ রান তার। উইকেট ১১টি। কুলদীপ যাদব: যুক্তরাষ্ট্র এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের উইকেটে তার বোলিং কাজে আসতে পারে। আইপিএল পারফরম্যান্সও তার পক্ষে। ১১ ম্যাচে ১৬ উইকেট তার। যুজবেন্দ্র চাহাল: সবশেষ দুই বিশ্বকাপে সুযোগ পাননি এই লেগ স্পিনার। তবে এবার তাকে বাদ দেওয়ার কারণ খুঁজে পাননি নির্বাচকরা। ১৫ ম্যাচে শিকার করেছেন ১৮ উইকেট। আর্শদ্বীপ সিং: ভারতীয় দলে নিয়মিত সুযোগ হয় না তার। তবে ১৪ ম্যাচে ১৯ উইকেট, বাঁহাতি পেসারকে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে রাখতে বাধ্য হন নির্বাচকরা। জসপ্রিত বুমরা: চোটের কারণে গত আইপিএলে খেলা হয়নি ডানহাতি এই পেসারের। তবে এবার ফিরে ধরে রাখেন নিজের পারফরম্যান্স। ১৩ ম্যাচে ২০ উইকেট নিয়ে ছিলেন আইপিএলের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির তালিকার দ্বিতীয়তে। মোহাম্মদ সিরাজ: বেঙ্গালুরু এলিমিনেটরে খেললেও বল হাতে নিষ্প্রভ ছিলেন তিনি। ১৪ ম্যাচে তার উইকেট ১৫টি। ওভার প্রতি প্রায় দশের কাছাকাছি রান দিয়েছেন তিনি। এরপর তার ওপর আস্থা রেখেছেন নির্বাচকরা।
শুরু হচ্ছে টাইগারদের আনুষ্ঠানিক বিশ্বকাপযাত্রা
শুরু হচ্ছে টাইগারদের আনুষ্ঠানিক বিশ্বকাপযাত্রা
কোচদের নিয়েই বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে অজিরা
কোচদের নিয়েই বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে অজিরা
ইভেন্ট
লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
X