কারা চায় নির্বাচন বানচাল

কারা চায় নির্বাচন বানচাল

দেশ এখন নির্বাচনী ট্রেনে। তপশিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। আর আগামী বুধবার প্রতীক বরাদ্দের পর আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারে নামতে যাচ্ছে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলো। দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েনের পর দেশ যখন একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে, তখন নতুন করে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার অপতৎপরতা চলছে বলে
আবারও নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করবে ছাত্রদল
আবারও নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করবে ছাত্রদল
আজ থেকে সাত কলেজের ভ্রাম্যমাণ মঞ্চ ও গণজমায়েত
আজ থেকে সাত কলেজের ভ্রাম্যমাণ মঞ্চ ও গণজমায়েত
স্পেনে দুটি হাই-স্পিড ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ২১, আহত অনেকে
স্পেনে দুটি হাই-স্পিড ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ২১, আহত অনেকে
জানুয়ারির ১৭ দিনে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি যে ৮ ব্যাংকে 
জানুয়ারির ১৭ দিনে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি যে ৮ ব্যাংকে 
পরিত্যক্ত ভবনে ৬ মরদেহ, সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ল সিরিয়াল কিলার
পরিত্যক্ত ভবনে ৬ মরদেহ, সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ল সিরিয়াল কিলার
সকাল থেকে টানা ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
সকাল থেকে টানা ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
  • জাতিকে উজ্জীবিত করেন তিনি

    ফিদেল কাস্ত্রোর সেই অমর উক্তি, ‘Men do not shape destiny. Destiny produces the man for the hour.’ অর্থাৎ, মানুষ নিজে ভাগ্যকে গড়ে তোলে না; বরং ইতিহাসের নির্ধারিত ক্ষণে ভাগ্যই জন্ম দেয় তার উপযুক্ত মানুষকে, উক্তিটি যেন অবিকল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবনের জন্যই লেখা। আজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী। এই দিনে তার জীবন ও কর্ম নিয়ে বহু আলোচনাই হবে—স্মৃতিচারণ, মূল্যায়ন, ইতিহাসের পুনঃপাঠ। কিন্তু সময়ের সীমাবদ্ধতায় আমি ইতিহাসের দীর্ঘ বর্ণনায় না গিয়ে শহীদ জিয়ার জীবনের কয়েকটি সংক্ষিপ্ত অথচ গভীর বাঁক, কিছু স্থিরচিত্রের মতো মুহূর্ত তুলে ধরতে চাই। হয়তো আমি পুরোপুরি নির্মোহ থাকতে পারব না—কারণ কিছু মানুষ শুধু ইতিহাসের বিষয় হয় না,

    প্রযুক্তির উন্নয়নে শহীদ জিয়া

    বাংলাদেশ রাষ্ট্রের গঠন ও উন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান বহুমাত্রিক। স্বাধীনতা-উত্তর এক সংকটময় সময়ে তিনি একদিকে যেমন দেশে সফলভাবে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করেছেন, অন্যদিকে একটি আত্মনির্ভরশীল, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর রাষ্ট্র গঠন প্রক্রিয়ার ভিত্তি রচনা করেছেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশে যখন বিদ্যুৎ, যোগাযোগ ও শিল্প খাত বিপর্যস্ত এবং কারিগরিভাবে সক্ষম জনশক্তির চরম ঘাটতি—তখন তিনি বাস্তববাদী উন্নয়ন দর্শনের মাধ্যমে অবকাঠামোগত ও প্রযুক্তিনির্ভর খাতে দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তি স্থাপন করেন, যা পরবর্তীকালে দেশের অগ্রগতির পথকে সুদৃঢ় করেছে। বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল রাষ্ট্রে রূপান্তরের লক্ষ্যে তিনি যে বাস্তবধর্মী উন্নয়ন দর্শন গ্রহণ করেছিলেন, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল বিদ্যুৎ, টেলিযোগাযোগ, প্রকৌশল খাত এবং প্রকৌশল ও কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থার

    আলো ছড়ানো এক নাম

    জিয়া মূলত একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ আলো, দীপ্তি, জাঁকজমক, জ্যোতি, মহিমা বা উজ্জ্বলতা। ফারসি ভাষাতেও জিয়া শব্দটি একই অর্থ বহন করে। হিন্দি ভাষায় জিয়া বলতে বোঝায় বিজয় বা সাফল্য। চীনা ভাষায় জিয়াই নামের একটি শব্দ আছে, যা তরুণ বা আনন্দ উভয় অর্থে ব্যবহৃত হয়। আর ইতালীয় ভাষায় খালা বা ফুপুর মতো অতি আপনজনদের জিয়া নামে সম্বোধন করা হয়। বাংলাদেশের টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ার প্রতিটি ধানের শীষে মিশে থাকা জিয়া নামের চির আপন মানুষটির জন্ম ১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ সালে। আজ তার ৯১তম জন্মদিন। পুরো নাম জিয়াউর রহমান। শুধু বাংলাদেশই নয়, সার্ক নামের দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো, মুসলিমবিশ্ব ও সচেতন পৃথিবীজুড়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে
  • একজন চারণ রাষ্ট্রনায়ক

    আমাদের রাষ্ট্রগঠনের ইতিহাসে বিশেষ করে আমাদের জাতীয় স্বাধীনতার চূড়ান্তলগ্নে এবং স্বাধীনতার অব্যবহিত পরেও রাষ্ট্রনায়কোচিত নেতৃত্বের অভাব পরিলক্ষিত হয়। পশ্চিমা শাসন-শোষণের রক্তাক্ত পিচ্ছিল মহাসড়ক অতিক্রম করে জাতি যখন স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তে, তখন দিশেহারা জাতিকে ফেলে রেখে দিগ্বিদিক চলে গেলেন জাতীয় নেতারা। স্বাধীনতা যুদ্ধের নির্দেশনার জন্য জাতি যখন উন্মুখ, সে প্রত্যাশা যখন মেটেনি জাতীয় নেতৃবৃন্দের সিদ্ধান্তহীনতার দোলাচালে, তখন জাতির ওই ক্রান্তিকালে আশ্বাসবাণী পাওয়া গেল চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত এক মেজরের কণ্ঠে স্বাধীনতা যুদ্ধের আহ্বান, যে আহ্বান জনগণের মধ্যে বিশ্বাস ও ভরসার মন্ত্রধ্বনি হয়ে বেজে ওঠে। অসংখ্য প্রাণের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন হয়। কিন্তু নতুন দেশ পরিচালনার প্রকৃত রাষ্ট্রনায়ক পাওয়া গেল না। যিনি

    সুষ্ঠু নির্বাচন এবং গণতন্ত্র পুনর্গঠনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অপরিসীম

    বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন কখনোই নিছক একটি সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা ছিল না। প্রতিটি নির্বাচনই রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক অভিমুখ, রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতার দিকনির্দেশ নির্ধারণ করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেবল আরেকটি নির্বাচন নয়; এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনর্গঠনের এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ। দীর্ঘ দেড় দশকের রাজনৈতিক অচলাবস্থা, একতরফা ক্ষমতা চর্চা, ভয়ের সংস্কৃতি এবং প্রশাসনিক অবক্ষয়ের পর এই নির্বাচনই ঠিক করে দেবে—রাষ্ট্র কি আবার জনগণের হাতে ফিরে যাবে, নাকি অনিশ্চয়তার বৃত্তে ঘুরপাক খাবে। এই বাস্তবতায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি হলো: জনগণের আস্থা কীভাবে ফেরানো যাবে? উত্তরটি একক কোনো রাজনৈতিক দল, প্রশাসন বা অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং বর্তমান পরিস্থিতিতে

    ইসির কাঠগড়ায় দ্বৈত নাগরিকত্ব

    শিরোনামের বিষয়বস্তু এ সময়ের বার্নিং ইস‍্যু। প্রক্রিয়াগত সঙ্গতির প্রশ্নে হুমকির মুখে পড়েছে জাতীয় নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিকদের সম্ভাব‍্য প্রার্থিতা। অ‍্যাপিলে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে নির্বাচন কমিশন আর অস্থির হয়ে উঠছে রাজনীতি। এ বিষয়ে তাই আমার সংক্ষিপ্ত মতামত তুলে ধরলাম। নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার নির্বাচন কমিশন (ইসি) কেবল প্রশাসনিক ও বিধিবদ্ধ অ‍্যাপিল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে। সাংবিধানিক প্রশ্ন নিষ্পত্তি করার কোনো ক্ষমতা ইসির নেই। এ ক্ষমতা আছে কেবল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের। ইসিকে অবশ্যই নির্বাচন সংক্রান্ত আইন, বিধি ও নিজস্ব প্রকাশিত নির্দেশনার সীমার মধ্যে অবস্থান করতে হবে। কোনোভাবেই তারা সংবিধানিক আদালতের ভূমিকা গ্রহণ করতে পারবে না। নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা  দ্য রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডার, ১৯৭২ (আরপিও), সংশ্লিষ্ট অন‍্যান‍্য আইন
  • বন্দর চুক্তি: বন্ধ হোক অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক

    বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় সমুদ্রবন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম। দেশের আমদানি-রপ্তানির প্রায় নব্বই শতাংশ কার্যক্রম প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বন্দরনির্ভর। ফলে বন্দর ব্যবস্থাপনার দক্ষতা কেবল পণ্য পরিবহনের প্রশ্ন নয়; বরং এটি সরাসরি জাতীয় প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ পরিবেশ, কর্মসংস্থান এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থানের সঙ্গে যুক্ত।  এই বাস্তবতায় চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনায় ডেনমার্কের এপিএম টার্মিনালসের সঙ্গে সরকারের চুক্তি স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এই আলোচনা অনেক ক্ষেত্রে তথ্যনির্ভর বিশ্লেষণের বদলে আবেগ, সন্দেহ ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিতর্কে রূপ নিয়েছে, যা খুবই দুঃখজনক। প্রশ্ন হচ্ছে, এই বিতর্ক কি সত্যিই জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য, নাকি এটি উন্নয়নবিরোধী এক চেনা মানসিকতার প্রকাশ? চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া চরে একটি

    সুযোগ ও সতর্কতা

    দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই একটি ভয়াবহ অভিযোগ ঘুরপাক খাচ্ছে। যোগ্যতা নয়, টাকা কিংবা রাজনৈতিক প্রভাবই নাকি প্রধান শর্ত। লোভনীয় এসব পদ ঘিরে প্রতিষ্ঠানভেদে ৫০ লাখ থেকে কোটি টাকা পর্যন্ত ঘুষ লেনদেনের কথাও উঠে এসেছে নানা সময়ে। ফলে শিক্ষা প্রশাসনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের পদগুলো ধীরে ধীরে পরিণত হয়েছে এক ধরনের ‘বাণিজ্যিক পণ্যে’। এ বাস্তবতায় সরকার নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তা হলো, ম্যানেজিং কমিটির হাত থেকে প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগের ক্ষমতা সরিয়ে এনটিআরসিএর হাতে দেওয়া। বিষয়টি নিঃসন্দেহে ইতিবাচক ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ নীতিমালা-২০২৬’ খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে এবং অনুমোদন পেলেই কার্যক্রম শুরু হবে। সবচেয়ে

    সাদত হাসান মান্টো

    সাদত হাসান মান্টো উর্দু ভাষার কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক। তিনি ১৯১২ সালের ১১ মে পাঞ্জাব লুধিয়ানার পাপরউদি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। মান্টোর পূর্বপুরুষ কাশ্মীরি বংশোদ্ভূত। কঠোর শাসনেও মান্টো ছোটবেলা থেকে বোহেমিয়ান হয়ে ওঠেন। লেখাপড়ার হাতেখড়ি অমৃতসরের মুসলিম হাই স্কুলে। কিন্তু স্কুলের গণ্ডিতে তার মন-প্রাণ হাঁপিয়ে উঠত। ১৯৩১ সালে কলেজে পাঠকালীন অবিভক্ত ভারতে স্বাধীনতা সংগ্রামের অশান্ত পরিবেশে মান্টোর লেখাপড়ায় ব্যাঘাত ঘটে। ১৯৩২ সালে পিতার মৃত্যুর পর তিনি আরও অসহায় হয়ে পড়েন। পরিবারের অর্থকষ্ট লাঘবের জন্য তখন থেকেই আয়-উপার্জনের পথ খুঁজতে থাকেন। সে সময় তার্কিক লেখক আবদুল বারি আলিগের সঙ্গে মান্টোর সাক্ষাৎ হয়। এ সাক্ষাৎ তার জীবনে একটি মাইলফলক। আবদুল বারি আলিগ সে সময়ের তরুণ
  • ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২৬ এএম
    এক জরিপে নির্বাচনে ৭০ শতাংশ ভোট পেতে যাচ্ছে বিএনপি। অন্য জরিপে বিএনপি-জামায়াতের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস। আপনি কী মনে করছেন?

    এক জরিপে নির্বাচনে ৭০ শতাংশ ভোট পেতে যাচ্ছে বিএনপি। অন্য জরিপে বিএনপি-জামায়াতের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস। আপনি কী মনে করছেন?

    • ৭০ শতাংশ ভোট পেতে যাচ্ছে বিএনপি
    • বিএনপি-জামায়াতের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
    • কোনোটাই না
    +
    =
    সাবমিট
    মোট ভোটদাতাঃ ৯,৪৮০ জন
    মোট ভোটারঃ ৯,৪৮০
    ভোট দিন
    Link Copied
অনলাইন জরিপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

তারেক রহমানের গাড়িতে লাগানো খামটিতে কী ছিল

আবারও নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করবে ছাত্রদল

পর্দায় প্রথমবারের মতো একসঙ্গে চঞ্চল-পরী

চিলিতে জরুরি অবস্থা / ভয়াবহ দাবানলে নিহত ১৮, বাস্তুচ্যুত ২০ হাজার মানুষ

জানুয়ারির ১৭ দিনে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি যে ৮ ব্যাংকে 

এলপিজি নিয়ে সুখবর দিল সরকার

পরিত্যক্ত ভবনে ৬ মরদেহ, সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ল সিরিয়াল কিলার

সিরিয়া সরকার ও এসডিএফের যুদ্ধবিরতি চুক্তি

পাকিস্তান পয়েন্টে চা খেয়ে ফেরা হলো না ২ ভাইয়ের 

দেশের উন্নয়নে তরুণদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ : নুরুদ্দিন অপু

১০

জেআইসিতে গুম-নির্যাতন / শেখ হাসিনা ও ১২ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

১১

উচ্চ রক্তচাপে লবণ একেবারে বাদ? শরীরে হতে পারে যে সমস্যাগুলো

১২

বিচ্ছেদের পর সুখবর দিলেন তাহসান খান

১৩

বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকার সুযোগ হারাল আর্সেনাল

১৪

ঢাকায় শীত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের বার্তা

১৫

সকাল থেকে টানা ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

১৬

পরিত্যক্ত ভবনে রহস্যজনক মৃত্যু, ঝলসানো ২ মরদেহ উদ্ধার

১৭

সাইকেল চালানো শিখিয়েই আয় করলেন ৪৭ লাখ টাকা

১৮

চোখ ভালো আছে তো? যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেন

১৯

‘নাটকীয়’ ফাইনালে মরক্কোর স্বপ্ন ভেঙে আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন সেনেগাল

২০
দুই দেশের সমীকরণ কোন পথে
কথায় আছে যুক্তরাষ্ট্র যার বন্ধু তার শত্রুর প্রয়োজন নেই। ইরান যেন সেই প্রবাদের সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ। আমরা এখন দেখি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চিরশত্রু; কিন্তু তাদের সম্পর্কের গল্পটা সবসময় এমন ছিল না। বিংশ শতাব্দীর
কাঠের ফার্নিচারের চাহিদা বাড়ছে, খুশি ব্যবসায়ীরা
ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ৩০তম আসরের মাসব্যাপী আয়োজনে প্রায় অর্ধেক সময় পেরিয়েছে। সেইসঙ্গে প্রাণ ফিরেছে মেলায়। বিশেষ করে আবহাওয়ার বৈরিতা না থাকলে লোকসমাগমে ছুটির দিনগুলোতে পা ফেলার জায়গা থাকছে না
বন্ধ হয়ে যেতে পারে এসএস পাওয়ার
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অবস্থিত ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি যে কোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে। কয়লার মজুত ফুরিয়ে আসার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। কেন্দ্র সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যুতের বকেয়া বিল
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় / অগ্নিতাপে বেড়ে উঠেছে নাগলিঙ্গম
সবুজে ঘেরা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) ক্যাম্পাসে ৩০ বছরে ভিন্ন পরিচর্যায় একটু একটু করে বেড়ে উঠেছে বিরল বৃক্ষ নাগলিঙ্গম। পাশাপাশি ফুলের সৌন্দর্য, ফলের নানামুখী গুণে অনন্য এক প্রাকৃতিক প্রতিনিধিত্ব করে। বিশেষ
এলপিজি নিয়ে সুখবর দিল সরকার
এলপিজি নিয়ে সুখবর দিল সরকার
দেশে মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ সংকটের মধ্যে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি করতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) নীতিগত অনুমতি দিয়েছে সরকার।  সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে এলপিজি আমদানির জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত এই সংস্থাকে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে গণমাধ্যকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, বিপিসিকে এলপিজি আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে আমদানি করা হবে। এতে বাজারে সরবরাহ বাড়বে ও দাম নিয়ন্ত্রণে সহায়তা পাওয়া যাবে। তিনি আরও বলেন, এর মধ্যে প্রক্রিয়া শুরুর জন্য বিপিসির চেয়ারম্যানকে মৌখিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হচ্ছে। এখন সরকার থেকে সরকার পর্যায়ে এলপিজি আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। আমদানি করা গেলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং ভারসাম্য আসবে। সম্প্রতি দেশে এলপিজির সংকট দেখা দিলে তা আমদানির অনুমতি চেয়ে ১০ জানুয়ারি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবকে চিঠি দিয়েছিল বিপিসি। চিঠিতে বলা হয়, দেশে এলপিজির বাজার পুরোপুরি বেসরকারি খাতনির্ভর হওয়ায় সংকটের সময় সরকারিভাবে বাজারে হস্তক্ষেপের সুযোগ সীমিত। ফলে সরবরাহ-ঘাটতি ও কৃত্রিম সংকট তৈরি হলে তা মোকাবিলার কার্যকর কোনো হাতিয়ার সরকারের হাতে থাকে না। বিপিসির ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সংস্থাটিকে এলপিজি আমদানির অনুমতি দেওয়া হলো।
৫২ মিনিট আগে

মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মামলা

১০ ঘণ্টা আগে

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন / সাইফুল হকের সঙ্গে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মতবিনিময়

৯ ঘণ্টা আগে

বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে কমিউনিটি ব্যাংকের টিডিএফ উদ্যোক্তাদের রিফাইন্যান্সিং সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর

৯ ঘণ্টা আগে

প্রার্থীকে বললেন নির্বাচন কমিশনার / ‘ব্যাংকের টাকাটা দিয়ে দিয়েন, না দিলে জনরোষ তৈরি হবে’

৯ ঘণ্টা আগে

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ৪ শতাধিক, মোট বৈধ প্রার্থী দাঁড়াল যত

১০ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমানের গাড়িতে লাগানো খামটিতে কী ছিল
তারেক রহমানের গাড়িতে লাগানো খামটিতে কী ছিল
রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চলন্ত গাড়িতে টেপ দিয়ে একটি সাদা খাম সাঁটিয়ে পালিয়েছেন মোটরসাইকেল চালক। বিএনপির চেয়ারম্যান তখন বুলেটপ্রুফ ওই গাড়িতেই ছিলেন। খাম সাঁটানোর সময় তারেক রহমানের গাড়ির সামনে-পেছনে বিএনপির চেয়ারম্যানের নিজস্ব নিরাপত্তা দলের (সিএসএফ) সদস্যরা ছিলেন। তবে তারা তখন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি বলে জানা গেছে। এ ঘটনাটি গত বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে গুলশান ৬৫ নম্বর সড়কে ঘটে থাকলেও তা জানাজানি হয় গতকাল রোববার (১৮ জানুয়ারি)।  এ ঘটনায় গুলশান থানায় পুলিশের পক্ষ থেকে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তবে রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই মোটরসাইকেল কিংবা খাম সাঁটানো চালককে শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। তদন্তসংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, তদন্ত চলছে। গুলশান থানার ওসি রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘একটি মোটরসাইকেল দ্রুতগতিতে এসে বিএনপির চেয়ারম্যানের বুলেটপ্রুফ গাড়িতে স্কচটেপ লাগানো একটি খাম লাগিয়ে টান দিয়ে চলে যায়। কী উদ্দেশ্যে বা কেন এমনটি করা হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।’ তবে, ওই সাদা খামে কী ছিল জানতে চাইলে তিনি বলেন, খাম আমাদের হাতে দেওয়া হয়নি এবং আমরা দেখিনি। তবে বিএনপি ও তারেক রহমানের নিরাপত্তায় যারা নিয়োজিত তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খামের ভেতরে কোনো চিরকুট কিংবা চিঠি ছিল না। খামের ভেতর ফাঁকা ছিল, কোনো কিছু ছিল না। খালি খামটি টেপ দিয়ে লাগানো ছিল। তবে কী উদ্দেশ্যে এমন কাজ করা হয়েছে তা আমরা তদন্ত করে দেখছি। একই বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) রওনক আলম বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত চলছে। খামের ভেতরে কী লেখা ছিল বা কী ছিল, সে তথ্য পুলিশকে জানানো হয়নি। খামটি বর্তমানে সিএসএফের কাছে রয়েছে।’
১৪ মিনিট আগে
আবারও নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করবে ছাত্রদল
আবারও নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করবে ছাত্রদল
ক্ষণজন্মা এক রাষ্ট্র নায়কের জন্মদিন
ক্ষণজন্মা এক রাষ্ট্র নায়কের জন্মদিন
গণভোটের সিদ্ধান্ত যার যার ব্যক্তিগত
গণভোটের সিদ্ধান্ত যার যার ব্যক্তিগত
নারীরা যখন সুযোগ পায় ভবিষ্যৎ বদলে দেয়
নারীরা যখন সুযোগ পায় ভবিষ্যৎ বদলে দেয়
কর্মকর্তাদের পক্ষপাত এখন দৃশ্যমান
জামায়াতের অভিযোগ / কর্মকর্তাদের পক্ষপাত এখন দৃশ্যমান
খালেদা জিয়া প্রতিহিংসার রাজনীতি বাদ দিতে বলেছেন : রবিন
খালেদা জিয়া প্রতিহিংসার রাজনীতি বাদ দিতে বলেছেন : রবিন

জানুয়ারির ১৭ দিনে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি যে ৮ ব্যাংকে 

চলতি মাসের প্রথম ১৭ দিনে দেশে ১৮৬ কোটি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্সে এলেও দেশের ৮টি ব্যাংকে আসেনি কোনো রেমিট্যান্স। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদন বলা হয়, জানুয়ারি মাসের প্রথম ১৭ দিনে দেশের ৮টি ব্যাংকে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এর মধ্যে রয়েছে একটি বিশেষায়িত ব্যাংক, ২টি বেসরকারি ব্যাংক ও ৫টি বিদেশি ব্যাংক। ব্যাংক গুলো হলো—রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা বিডিবিএল, বিশেষায়িত খাতের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক বা রাকাব ও বেসরকারি খাতের পদ্মা ব্যাংক পিএলসি ও আইসিবি ইসলামী ব্যাংকে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি।   এ ছাড়া কোনো রেমিট্যান্স আসেনি বিদেশি খাতের ব্যাংক আল ফারাহ, হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ও উরি ব্যাংক লিমিটেডেও। এদিকে জানুয়ারির প্রথম ১৭ দিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩১ কোটি ৬৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার। এ ছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২৭ কোটি ৩৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১২৭ কোটি ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।   এর আগে, ডিসেম্বর মাসে দেশে এসেছে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এর মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব থেকে। পাশাপাশি শীর্ষ ১০ রেমিট্যান্স প্রেরণকারী দেশের তালিকায় রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ আরও কয়েকটি দেশ।

বাজারে নতুন রেকর্ডে স্বর্ণের দাম, অপরিবর্তিত রুপা

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রোববার ১৮ জানুয়ারি থেকে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে। তবে এ দফায় রুপার দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গত ১৪ জানুয়ারি রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের নতুন দাম ঘোষণা করে। এতে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৬২৫ টাকা বাড়ানো হয়। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম বাড়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকায়। এটি এখন পর্যন্ত স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম। একই সঙ্গে ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজুস আরও জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মান অনুযায়ী মজুরির পরিমাণ কমবেশি হতে পারে। এর আগে চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সেদিন ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়, যা ১৩ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছিল। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম ৭ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫ বার দাম বেড়েছে এবং ২ বার কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম মোট ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। সে বছর ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ২৯ বার কমানো হয়। অন্যদিকে, স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৯৪৯ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৭১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৬৭৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২ বার দাম বেড়েছে এবং ২ বার কমেছে। আর ২০২৫ সালে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ বার বেড়েছিল এবং ৩ বার কমানো হয়েছিল।

কাঠের ফার্নিচারের চাহিদা বাড়ছে, খুশি ব্যবসায়ীরা

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ৩০তম আসরের মাসব্যাপী আয়োজনে প্রায় অর্ধেক সময় পেরিয়েছে। সেইসঙ্গে প্রাণ ফিরেছে মেলায়। বিশেষ করে আবহাওয়ার বৈরিতা না থাকলে লোকসমাগমে ছুটির দিনগুলোতে পা ফেলার জায়গা থাকছে না মেলা প্রাঙ্গণে। ব্যবসায়ীরা জানান, কাঠের ফার্নিচারের চাহিদা বেড়েছে ব্যাপক। মেলায় আসা ক্রেতা-দর্শনার্থীরা ফার্নিচারের স্টলগুলো ঘুরে ঘুরে দেখছেন। পছন্দের ফার্নিচার অর্ডার করছেন। গতকাল শনিবার সরেজমিন দেখা যায়, মেলায় কাঠের ফার্নিচারের প্যাভিলিয়নগুলোর জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে চায়না এক্সিবিশন সেন্টারের ভেতর। সারি করে পাশাপাশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কাঠের ফার্নিচারের প্যাভিলিয়নগুলো হওয়ায় কোনো ঝক্কি-ঝামেলা ছাড়াই পছন্দের পণ্য বা আসবাব কিনতে পারছেন ক্রেতারা। পুরান ঢাকার বংশাল থেকে আসা আকলিমা বেগম নামে এক ক্রেতা বলেন, প্রতি বছরই মেলায় ব্র্যান্ড ফার্নিচার কোম্পানিগুলো আধুনিক ও গতানুগতিক ধারার বাইরে ডিজাইন বা নকশার পণ্য নিয়ে আসে। সেসব নতুন নকশার পণ্য দেখতে এসেছেন। পছন্দের সঙ্গে দাম মিলে গেলে কিনে ফেলবেন। নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া এলাকার বাসিন্দা বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরে ঘর সাজানোর জন্য এক সেট সোফা কিনব ভাবছিলাম। হাতিল, আক্তার, নাদিয়াসহ কয়েকটি প্যাভিলিয়ন ঘুরে দেখেছি। কিন্তু দামের সঙ্গে বনিবনা হচ্ছে না, বলে কিনতে পারিনি।’ আক্তার ফার্নিচারের এবিপি সেলস সাগর রায় বলেন, ‘বেড, ন্যাচারাল মার্বেলের ডাইনিং টেবিলসহ বেশকিছু এক্সক্লুসিভ পণ্য এসেছে। সেগুলো মেলার শোরুম ছাড়া বাজারের কোনো শোরুমে এখনো ডিসপ্লে করা হয়নি। ক্রেতাদের আকর্ষণের জন্য বেশকিছু পণ্যে ছাড়াসহ নানা অফার রাখা হয়েছে।’ নাদিয়া ফার্নিচারের ডেপুটি ম্যানেজার সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মেলায় নিয়ে আসা ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ পণ্যই একেবারে নতুন ও বাহারি নকশার হয়। সিজনিং করা অরজিন কাঠের পণ্য নিয়ে এসেছি। যাতে ক্রেতা দর্শনার্থীরা সামর্থ্যের মধ্যে পণ্য ক্রয় করতে পারেন।’ হাতিল ফার্নিচারের সিনিয়র অফিসার রাইসুল ইসলাম জানান, এবার মেলায় হাতিল ফার্নিচার কোম্পানি বেশকিছু আসবাব নিয়ে এসেছে একেবারে নতুন। রিসাইক্লিং চেয়ার, ডাইনিং টেবিল, বেড, সোফাসহ বেশ কয়েকটি পণ্য। সব শ্রেণি-পেশার মানুষ যাতে তাদের পছন্দমতো কিনতে পারে, সেভাবে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া কিউটস ফার্নিচার, জেএমজি ফার্নিচার, ব্রাদার্স ফার্নিচারসহ বেশ কয়েকটি ফার্নিচার কোম্পানি তাদের পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছে। এ বিষয়ে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ইপিবির সচিব ও বাণিজ্য মেলার পরিচালক তরফদার সোহেল রহমান বলেন, শনিবার ছুটির দিনে বেশ ভালো লোকজন এসেছেন। ব্যবসায়ী ও ক্রেতা-দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে।
১৮ জানুয়ারি, ২০২৬
কাঠের ফার্নিচারের চাহিদা বাড়ছে, খুশি ব্যবসায়ীরা

বন্ধ হয়ে যেতে পারে এসএস পাওয়ার

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অবস্থিত ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি যে কোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে। কয়লার মজুত ফুরিয়ে আসার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। কেন্দ্র সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যুতের বকেয়া বিল না পাওয়ার কারণে কয়লা কেনা যাচ্ছে না। অর্থাভাবে কয়লা কিনতে এলসি খোলা যাচ্ছে না। এমনকি সরবরাহকারী বাকিতে কয়লা দিতে রাজি হচ্ছে না। এ অবস্থায় যে কোনো সময় কেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কাছে কেন্দ্রটির পাওনা ৩ হাজার ৮০২ কোটি টাকা। এদিকে, গত ১৫ জানুয়ারি ভারতের আদানি পাওয়ার একটি ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ রয়েছে। এখন যদি বাঁশখালী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে দেশব্যাপী ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, গ্যাসের অভাবে অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। তেলে উৎপাদনের খরচ বেশি। কম দামে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের একমাত্র বিকল্প কয়লা। কিন্তু কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলো বন্ধ হলে লোডশেডিং ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য পিডিবির চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি। তবে পিডিবির সংশ্লিষ্ট এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, গত ডিসেম্বরে এসএস পাওয়ারকে কিছু বকেয়া পরিশোধ করা হয়েছে। প্রতি মাসেই বকেয়ার একটি অংশ পরিশোধ করা হচ্ছে। পিডিবিও আর্থিক সংকটে রয়েছে। তারপরও দ্রুত বকেয়া পরিশোধের চেষ্টা করা হচ্ছে। এসএস পাওয়ার ওয়ান লিমিটেডের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) এবাদত হোসেন ভূঁইয়া বলেন, কয়লার মজুত ফুরিয়ে এসেছে। পিডিবির কাছে অনেক বকেয়া। টাকার অভাবে কয়লার এলসি খুলতে পারছি না। সরবরাহকারীও বাকিতে কয়লা দিতে চাচ্ছে না। এ অবস্থায় কেন্দ্র বন্ধ না করার বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, আমরা পিডিবিকে বকেয়া পরিশোধে একাধিকবার চিঠি দিয়েছি। পিডিবি বকেয়া টাকা না দিয়েই কেন্দ্র চালু রাখার অনুরোধ করেছে। জানা গেছে, গত ১৫ জানুয়ারি বকেয়া পরিশোধের অনুরোধ জানিয়ে পিডিবির চেয়ারম্যানকে চিঠি দেয় এসএস পাওয়ার। চিঠিতে বলা হয়, বর্তমানে বকেয়া বিলের পরিমাণ ৩ হাজার ৮০২ কোটি টাকার বেশি। এই বকেয়া না পাওয়ায় কয়লা আমদানি, কেন্দ্র পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় বিঘ্ন ঘটছে। পিডিবির সঙ্গে থাকা বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ না হলে কেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে যাবে। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বকেয়া বিল না পাওয়ার কারণে কয়লা আমদানির জন্য এলসি খোলা যাচ্ছে না। সরবরাহকারীর মূল্য পরিশোধ না করায় কয়লার একটি শিপমেন্ট ফেরত গেছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, গত ১৫ জানুয়ারি নতুন কয়লা আসার কথা থাকলেও তা আসেনি। এ অবস্থায় চুক্তির নিয়ম অনুযায়ী কেন্দ্রটি বন্ধ করা ছাড়া আমাদের হাতে কোনো বিকল্প নেই। এসএস পাওয়ারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জরুরি ভিত্তিতে বকেয়া পরিশোধের জন্য পিডিবিকে ২৮, ২৯, ৩০ ও ৩১ ডিসেম্বর চারটি চিঠি দেওয়া হয়েছিল; কিন্তু কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ গত ১৫ জানুয়ারি দেওয়া জরুরি চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ওই দিনই বিকেলে পিডিবি পাল্টা চিঠিতে কেন্দ্রটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় যে কোনোভাবে চালু রাখার অনুরোধ জানায়। এসএস পাওয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে দেওয়া পিডিবির সেক্রেটারি মো. রাশেদুল হক প্রধান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, মোট বকেয়ার একটি অংশ এরই মধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে দেড় হাজার কোটি টাকা এবং চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি আরও পাঁচশ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, পিপিএ অনুযায়ী যত দ্রুত সম্ভব বাকি বিল পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিদ্যুতের জাতীয় গ্রিডের স্থিতিশীলতা ও নিরাপদ সরবরাহের জন্য এই কেন্দ্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই যে কোনো পরিস্থিতিতে কেন্দ্রটি বন্ধ না করার অনুরোধ জানানো হয়। পিডিবি সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ জানুয়ারি থেকে ভারতের গেড্ডায় অবস্থিত আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ রয়েছে। গতকাল সেই কেন্দ্র থেকে ৭৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে। খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন শীতকালীন হওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা কিছুটা কম। তবে ফেব্রুয়ারির পর থেকে চাহিদা বাড়তে থাকবে। এ অবস্থায় বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বকেয়া দ্রুত পরিশোধ করে, কম দামে উৎপাদনে সক্ষম কেন্দ্রগুলো সচল রাখতে হবে। তা না হলে সামনে লোডশেডিং ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। জ্বালানি ও টেকসই উন্নয়নবিষয়ক বিশেষজ্ঞ এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন এ বিষয়ে বলেন, গ্যাস সংকটে অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণ উৎপাদনে যেতে পারছে না। এখন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো যে কোনো মূল্যে চালু রাখতে হবে পিডিবিকে। না হলে সামনে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
১৮ জানুয়ারি, ২০২৬
বন্ধ হয়ে যেতে পারে এসএস পাওয়ার

অফুরন্ত সম্ভাবনার সঙ্গে রয়েছে চ্যালেঞ্জও

দেশের মানুষের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণে এজেন্ট ব্যাংকিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব, নীতিগত সহায়তার অভাব, প্রযুক্তিগত দুর্বলতা, নিরাপত্তা ঝুঁকি প্রত্যাশিত অগ্রগতি আনতে পারেনি। বর্তমানে এটি শহর ও গ্রাম উভয় ক্ষেত্রেই অ্যাকাউন্ট খোলা, নগদ জমা-উত্তোলন ও ফান্ড ট্রান্সফারের মতো সেবা দিচ্ছে। যার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে থাকা বিপুল জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। নিম্ন আয়ের-প্রবীণ ব্যক্তি, নারীদের আর্থিক সেবার আওতায় এনে নারীর ক্ষমতায়ন, যুব ও বয়স্কদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গ্রামীণ উদ্যোক্তা উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে। তবে এর পুরোপুরি সাফল্য নির্ভর করছে বেশকিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার ওপর। স্থানীয় নিয়মকানুন মেনে লাইসেন্সপ্রাপ্তি প্রক্রিয়া জটিল ও সময়সাপেক্ষ। এখনো বাংলাদেশ ব্যাংকে যে পরিমাণ আবেদন পড়ে আছে, সে তুলনায় অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে না, যা নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতির পরিপন্থি। ব্যাংকগুলো কর্তৃক দক্ষ এজেন্ট সংগ্রহ এবং প্রশিক্ষণযোগ্য ও বিশ্বস্ত এজেন্ট নিয়োগ, তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ প্রদান একটি বড় চ্যালেঞ্জ। নতুন এ ব্যবস্থা সম্পর্কে গ্রাহকের সন্দেহ দূর করা এবং আর্থিক সাক্ষরতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। পর্যাপ্ত প্রণোদনা না থাকলে এজেন্টদের মানসম্পন্ন সেবা দিতে উৎসাহ হ্রাস পায়। অন্যদিকে সাইবার হুমকি ও জালিয়াতির ভয়ও রয়েছে গ্রাহকদের মধ্যে, যা শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা দাবি করে। গ্রামীণ পর্যায়ে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতার বিষয়টিও এখানে উল্লেখ করতে হয়। এনজিওগুলো এজেন্ট ব্যাংকিংকে প্রতিযোগী না ভেবে বরং দেশের উন্নয়নে উভয়ের সম্মিলন ঘটাতে পারলে ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে। দীর্ঘমেয়াদে এর কার্যক্রম বজায় রাখতে নিয়মিত মূল্যায়ন ও বাজার অবস্থার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া সম্ভব হলে দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য হাতিয়ার হতে পারে এজেন্ট ব্যাংকিং। দেশে এখন সময় এসেছে যুবক ও প্রবীণদের সৃজনশীলতার নতুন দিক যুক্ত করে গ্রাম-শহরের বস্তিবাসীর মধ্যে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিনিয়োগ করে কর্মসংস্থান তৈরি করার। বাংলাদেশ সরকার এবং বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন ও সক্রিয় পদক্ষেপ নিতে হবে। শুধু গ্রাম থেকে আমানত সংগ্রহ করে শহুরে ব্যবসায় বিনিয়োগ নয়, বরং গ্রামেও বিনিয়োগের দিকে নজর দিতে হবে।
১৮ জানুয়ারি, ২০২৬
অফুরন্ত সম্ভাবনার সঙ্গে রয়েছে চ্যালেঞ্জও
পরিত্যক্ত ভবনে ৬ মরদেহ, সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ল সিরিয়াল কিলার
পরিত্যক্ত ভবনে ৬ মরদেহ, সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ল সিরিয়াল কিলার
লুট হওয়া অস্ত্র নির্বাচনে ব্যবহার করতে পারবে না
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার প্রতিশ্রুতি / লুট হওয়া অস্ত্র নির্বাচনে ব্যবহার করতে পারবে না
পাকিস্তান পয়েন্টে চা খেয়ে ফেরা হলো না ২ ভাইয়ের 
পাকিস্তান পয়েন্টে চা খেয়ে ফেরা হলো না ২ ভাইয়ের 
দেশের উন্নয়নে তরুণদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ : নুরুদ্দিন অপু
দেশের উন্নয়নে তরুণদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ : নুরুদ্দিন অপু
পরিত্যক্ত ভবনে রহস্যজনক মৃত্যু, ঝলসানো ২ মরদেহ উদ্ধার
পরিত্যক্ত ভবনে রহস্যজনক মৃত্যু, ঝলসানো ২ মরদেহ উদ্ধার
গণভোট জনগণের উপরই ছেড়ে দেওয়া উচিত : নুরুদ্দিন অপু
গণভোট জনগণের উপরই ছেড়ে দেওয়া উচিত : নুরুদ্দিন অপু
বড়পুকুরিয়ায় সব ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ
বড়পুকুরিয়ায় সব ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ
১২৫ কেজি ওজনের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার
১২৫ কেজি ওজনের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
.

চিলিতে জরুরি অবস্থা / ভয়াবহ দাবানলে নিহত ১৮, বাস্তুচ্যুত ২০ হাজার মানুষ

চিলির দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানলে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছেন দমকলকর্মীরা। তীব্র গরম ও প্রবল বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) চিলির প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বরিক নুবলে ও বিয়োবিয়ো অঞ্চলে জরুরি অবস্থা (স্টেট অব ক্যাটাস্ট্রোফি) ঘোষণা করেন। এ দুটি অঞ্চল রাজধানী সান্তিয়াগো থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণে। দেশটির বন বিভাগ কনাফ জানায়, সারা দেশে অন্তত ২৪টি সক্রিয় দাবানল জ্বলছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় আগুন লাগে নুবলে ও বিয়োবিয়ো অঞ্চলে। দাবানলে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার ৫০০ হেক্টর বনভূমি পুড়ে গেছে। নিরাপত্তার জন্য প্রায় ২০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ২৫০টির বেশি ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ওঠায় এবং প্রবল বাতাস বইতে থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়েছে। একই ধরনের তাপপ্রবাহ ও দাবানলে চলতি মাসে প্রতিবেশী আর্জেন্টিনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সিরিয়া সরকার ও এসডিএফের যুদ্ধবিরতি চুক্তি
সিরিয়া সরকার ও এসডিএফের যুদ্ধবিরতি চুক্তি
সাইকেল চালানো শিখিয়েই আয় করলেন ৪৭ লাখ টাকা
সাইকেল চালানো শিখিয়েই আয় করলেন ৪৭ লাখ টাকা
ট্রাম্পের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করল ইউরোপের ৮ দেশ
ট্রাম্পের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করল ইউরোপের ৮ দেশ
স্পেনে দুটি হাই-স্পিড ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ২১, আহত অনেকে
স্পেনে দুটি হাই-স্পিড ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ২১, আহত অনেকে
খাদের কিনারায় ইরান, ঘুরবে নাকি পতন
খাদের কিনারায় ইরান, ঘুরবে নাকি পতন
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমাদ আল-শারার সঙ্গে কুর্দিশ নেতার ফোনালাপ
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমাদ আল-শারার সঙ্গে কুর্দিশ নেতার ফোনালাপ
পর্দায় প্রথমবারের মতো একসঙ্গে চঞ্চল-পরী
পর্দায় প্রথমবারের মতো একসঙ্গে চঞ্চল-পরী
বিচ্ছেদের পর সুখবর দিলেন তাহসান খান
বিচ্ছেদের পর সুখবর দিলেন তাহসান খান
পর্দা নামল ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের
পর্দা নামল ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের
ফিরছে ‘ফ্যামিলি ফিউড বাংলাদেশ’
ফিরছে ‘ফ্যামিলি ফিউড বাংলাদেশ’
তাহসানের ছবি ও পদবি, দুটোই মুছলেন রোজা
তাহসানের ছবি ও পদবি, দুটোই মুছলেন রোজা
‘পাগল’ সাজে কে এগিয়ে— মাহি নাকি পায়েল?
‘পাগল’ সাজে কে এগিয়ে— মাহি নাকি পায়েল?
নারী অধিকারের নিঃশব্দ লড়াইয়ের গল্প ‘হক’
দ্বিতীয় বিয়ে ধর্মের ব্যাখ্যা / নারী অধিকারের নিঃশব্দ লড়াইয়ের গল্প ‘হক’
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
‘নাটকীয়’ ফাইনালে মরক্কোর স্বপ্ন ভেঙে আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন সেনেগাল
‘নাটকীয়’ ফাইনালে মরক্কোর স্বপ্ন ভেঙে আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন সেনেগাল
বিপিএল ফাইনালের সময় এগিয়ে আনল বিসিবি
বিপিএল ফাইনালের সময় এগিয়ে আনল বিসিবি
বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকার সুযোগ হারাল আর্সেনাল
বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকার সুযোগ হারাল আর্সেনাল
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আর্সেনালের সুযোগ ছিল পয়েন্ট তালিকায় স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়া। শনিবার রাতের ম্যাচে একের পর এক আক্রমণ করলেও ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতা ছিল চোখে পড়ার মতো। ফরোয়ার্ডদের সেই ব্যর্থতায় শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য ড্র করে স্বপ্নপূরণের সেই সুযোগ হাতছাড়া করেছে মিকেল আর্তেতার দল। হোঁচট খেলেও অবশ্য দ্বিতীয় স্থানে থাকা ম্যানসিটির সঙ্গে ৭ পয়েন্টের ব্যবধান বেড়েছে আর্সেনালের। অন্যদিকে ৩২ শটের পর ১-১ গোলের ড্রয়ে হতাশায় পুড়েছে লিভারপুল। ৩৬ পয়েন্ট নিয়ে লিভারপুলের অবস্থান পয়েন্ট তালিকার চার নম্বরে। দিনের শুরুতে ম্যানচেস্টার ডার্বিতে সিটি হেরে যাওয়ায় দারুণ এক সুযোগ তৈরি হয়েছিল আর্সেনালের সামনে। ৯ পয়েন্টে এগিয়ে শীর্ষস্থান সুসংহত করার সুযোগ ছিল। কিন্তু তা কাজে লাগাতে পারল না দলটি। নটিংহ্যাম ফরেস্টের মাঠে জালের দেখাই পেল না তারা। আগের ম্যাচে লিভারপুলের সঙ্গেও গোলশূন্য ড্র করেছিল আর্সেনাল। লিগে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে পয়েন্ট হারিয়েছে আর্সেনাল। ২২ ম্যাচে ১৫ জয় ও পাঁচ ড্রয়ে ৫০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে আর্সেনাল। দিনের প্রথম ম্যাচে, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মাঠে ২-০ গোলে হেরে যাওয়া ম্যানচেস্টার সিটি ২২ ম্যাচে ৪৩ পয়েন্ট নিয়ে আছে দ্বিতীয় স্থানে। তাদের সমান পয়েন্ট নিয়েই তৃতীয় স্থানে অ্যাস্টন ভিলা, একটি ম্যাচ অবশ্য কম খেলেছে দলটি। বার্নলির সঙ্গে ঘরের মাঠে ১-১ গোলে ড্র করা লিভারপুল ২২ ম্যাচে ৩৬ পয়েন্ট নিয়ে আছে চার নম্বরে। ১ পয়েন্ট কম নিয়ে তাদের পরেই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ম্যাচের শুরু থেকে বল পজেশন ধরে রেখে আক্রমণাত্মক ফুটবলে বারবার সুযোগ তৈরি করলেও, লক্ষ্যে শটই রাখতে পারছিল না আর্সেনাল। ২৯তম মিনিটে ব্রাজিলিয়ান গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির চমৎকার শট অল্পের জন্য সেটা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। দূরের ফাঁকা পোস্টে শট নিলেও পোস্টে না থাকাকে দুর্ভাগ্যই বলা যায়। ম্যাড়ম্যাড়ে প্রথমার্ধে গোলের জন্য আর্সেনাল আটটি ও নটিংহ্যাম ফরেস্ট তিনটি শট নেয়, কারোর প্রচেষ্টাই লক্ষ্যে ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে মার্তিনেল্লিকে তুলে লিয়ান্দ্রো ত্রোসারকে নামান আর্সেনাল কোচ। ৫৭তম মিনিটে একসঙ্গে আরও তিনটি পরিবর্তন করেন তিনি; ননি মাদুয়েকে, ভিক্তর ইয়োকেরেশ ও মার্টিন ওডেগোরের বদলি হিসেবে বুকায়ো সাকা, গাব্রিয়েল জেসুস ও মিকেল মেরিনোকে নামান কোচ। বদলির পরপরই আক্রমণের ধার বাড়ে আর্সেনালের। মিডফিল্ডার ডেক্লান রাইসের জোরালো শট অসাধারণ রিফ্লেক্সে কর্নারের বিনিময়ে আটকান গোলরক্ষক। ৬৫তম মিনিটে রাইসের ক্রসে কোনাকুনি হেড করেন সাকা, সেই দফায়ও ঝাঁপিয়ে বল পোস্টের বাইরে পাঠান গোলরক্ষক মাটস সেলস। পাঁচ মিনিট পর জেসুসের একটি প্রচেষ্টা দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দলকে সমতায় রাখেন সেলস। বাকি সময়ে অনেক চেষ্টা করেও ডেডলক ভাঙতে পারেনি সবশেষ ২০০৩-০৪ মৌসুমের প্রিমিয়ার লিগ জয়ী দলটি। জবাবে ফরেস্ট পুরো ম্যাচে গোলের জন্য ছয়টি শট নিলেও একটিও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি। ২২ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে ১৭ নম্বরে আছে দলটি।  
২১ জানুয়ারির মধ্যেই ঠিক হবে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য
২১ জানুয়ারির মধ্যেই ঠিক হবে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য
৩৭ বছর পর নিউজিল্যান্ডের ‘ভারত’ জয়
৩৭ বছর পর নিউজিল্যান্ডের ‘ভারত’ জয়
ইভেন্ট
লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
X