শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০
দুদিন বন্ধের পর আজ থেকে মেট্রোরেল চালু 

দুদিন বন্ধের পর আজ থেকে মেট্রোরেল চালু 

টানা দুদিন ঈদের ছুটি শেষে আজ থেকে চালু হচ্ছে মেট্রোরেল। শনিবার (১৩ এপ্রিল) সকাল থেকে মেট্রোরেল চলাচল শুরু হয়। ফলে যাত্রীরা আগের মতোই বিদ্যুৎচালিত দ্রুতগতির এই গণপরিবহনে ভ্রমণ করছেন।  এর আগে মেট্রোরেল
চৈত্রসংক্রান্তি আজ
চৈত্রসংক্রান্তি আজ
১৩ এপ্রিল : নামাজের সময়সূচি
১৩ এপ্রিল : নামাজের সময়সূচি
নদী থেকে রেল ও ব্যাংক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ স্কুলছাত্র
নদী থেকে রেল ও ব্যাংক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ স্কুলছাত্র
বাস ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুই মাদ্রাসাছাত্র নিহত
বাস ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুই মাদ্রাসাছাত্র নিহত
সৌদি আরবে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাণ গেল বাংলাদেশির
সৌদি আরবে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাণ গেল বাংলাদেশির
এবারই প্রথম স্বস্তিতে মানুষ ট্রেন ভ্রমণ করছেন : রেলমন্ত্রী
এবারই প্রথম স্বস্তিতে মানুষ ট্রেন ভ্রমণ করছেন : রেলমন্ত্রী
  • ‘আজ ভুলে যা তোর দোস্ত-দুশমন, হাত মেলাও হাতে’

    বোধ করি, দীর্ঘ বিরতির পরে কোভিড পরিবর্তী জন-জীবনে ছায়া হয়ে এসেছে- ঈদের আনন্দ। নতুন জামা, হরেক রকমের ভোজন মুসলমান বাঙালির এটাইতো ঈদ উৎসব! আমরা মনে হয় বড্ড বেশি মেকি হয়ে গেছি আমাদের ঈদ উৎসব গুলোকে নিয়ে; রমজানের দর্শন ও এর মহিমা আমাদের জীবনের সঙ্গে কীভাবে মিশে আছে সেটা অনুপস্থিত!  যাই হোক, এই রমজান এলে ধর্মীয়ভাবে যেমন ইবাদাত ও ইফতার নিয়ে আমারা ব্যস্ত থাকি; ঠিক তেমনি আরেকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হলো- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সেই অনবদ্য গান- ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ।’ কবি গানটি এমনভাবে লিখে গিয়েছেন- রমজানের মূল্যবোধ, করণীয় সুনিপুণরূপে সুস্পষ্ট। কিন্তু, এই গানটির শানে নুজুল কী

    ঈদের আনন্দ, ঈদের খুশির মর্মার্থ সুগভীর এবং সুবিস্তৃত

    ছোটবেলায় আমরা পাঠ্যবইয়ে পড়েছিলাম, আজ ঈদ। মদিনার ঘরে ঘরে আনন্দ। পথে পথে ছেলেমেয়েদের কলরব। ঈদের নামাজ শেষে সবাই নিজ নিজ বাড়ি চলে যাচ্ছেন, তখন নবী করিম (সা.) দেখলেন ঈদগাহের এক কোণে বসে একটি শিশু কাঁদছে। কাছে গিয়ে নবীজি শিশুটিকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কাঁদছো কেনো? শিশুটি বলল, আমার মা-বাবা নেই। আজ ঈদ- আমি কোথায় যাব? আমার তো কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.)-এর মন ডুকরে কেঁদে উঠল।  তিনি এতিম ছেলেটিকে সঙ্গে করে বাড়ি গিয়ে মা আয়েশাকে (রা.) বললেন, তোমার জন্য ঈদ উপহার নিয়ে এসেছি। বাড়িতে নিয়ে ছেলেটিকে গোসল করিয়ে ভালো পোশাক পরিয়ে খেতে দিয়ে নবীজি বললেন, আজ থেকে আমরাই তোমার মা-বাবা। বিষয়টি

    দুর্বল পরিকল্পনা ও অদক্ষ ব্যবস্থাপনাই শ্রমিকদের বেতন না দিতে পারার কারণ

    আজ ০৯  এপ্রিল ২০২৪ তারিখ চমকে উঠার মতো একটি খবর প্রকাশ হয়েছে। খবরটির শিরোনাম - ‘শিল্পাঞ্চলে ৫১ শতাংশের বেশি কারখানায় মার্চের বেতন হয়নি’। এই রিপোর্টের খবর যদি সত্যি হয়ে থাকে, তাহলে বলতে হয় যে, আমাদের শিল্প কারখানাগুলো ক্লায়েন্ট ম্যানেজমেন্টে যারা করেন, তারা খুবই বাজে লিডার। কয়েকটি কারণে সময় মতো বেতন দেওয়া সম্ভব হয় না। সেগুলোর মাঝে অন্যতম দু'টি হচ্ছে- ১) কারখানায় তৈরী পণ্যগুলো বিক্রি কম হয়েছে। ২) ক্লায়েন্ট সময় মতো পণ্যের দাম পরিশোধ করছে না। ১ম কারণটি সত্যি হয়ে থাকলেঃ  যদি ১মটি হয়, অর্থাৎ, কারখানায় তৈরী পণ্যগুলো বিক্রি কম হওয়ায় শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করা যাচ্ছে না, তাহলে জিজ্ঞাসা করতেই হয়- সেলস টার্গেট কি ঠিক মতো
  • মুহাম্মদ ইরফান সাদিক
    মুহাম্মদ ইরফান সাদিকশিক্ষার্থী, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

    মিসরে সিসির আবারও নির্বাচনে জয় সম্ভাবনা নাকি চ্যালেঞ্জ?

    মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি প্রেসিডেনশিয়াল ইলেকশনে তৃতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। গত পহেলা এপ্রিল তিনি সংসদে শপথ গ্রহণ করেন। মিসরের নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী সারা দেশে সর্বমোট ৬৮ ভাগ  ভোট পড়েছে, যার মধ্যে সিসি ৮৯.৬ ভাগ ভোট পেয়ে বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। মিসরের সংবিধান অনুযায়ী তৃতীয় বার প্রেসিডেন্ট হিসেবে সিসি আরও ছয় বছর ক্ষমতায় থাকবেন, অর্থাৎ ২০৩০ সাল পর্যন্ত।  কিন্তু এই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে রয়েছে বিতর্ক। একই সঙ্গে আগামী ছয় বছর প্রেসিডেন্ট সিসির জন্য সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জগুলোই বা কি হতে পারে, তা নিয়েই আজকের আলোচনা। চলুন জেনে নিই! সিসির ক্ষমতায় পদার্পণ: ২০১১ সালের আরব বসন্তে মিসরের স্বৈরশাসক হোসনী মোবারকের ৩০ বছরের শাসনের পতন ঘটে।
    ড. মো. শফিকুল ইসলাম
    ড. মো. শফিকুল ইসলামসহযোগী অধ্যাপক, হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, ময়ম

    ঈদযাত্রা হোক নিরাপদ ও স্বস্তির

    ঈদ যেমন মুসলমানদের জীবনে খুশি নিয়ে আসে, ঠিক তেমনি ঈদে অনেক পরিবারে কালো মেঘ বা দুঃখও আসে। কারণ ঈদযাত্রায় অনেক পরিবারের কর্তা বা ছেলেমেয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়। যা কখনো মেনে নেওয়ার মতো না। সাধারণত ঈদে ঘরমুখো মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী ২৯ রমজান পর্যন্ত অফিস খোলা থাকবে। আগামী ৫ এবং ৬ এপ্রিল সাপ্তাহিক ছুটি। ৭ এপ্রিল শবেকদরের ছুটি। কিন্তু মাঝে ৮ ও ৯ এপ্রিল খোলা। দুদিন কর্মদিবস থাকায় যাত্রীর বড় অংশ আগেভাগে শহর ছাড়তে পারবে না। সড়কে ৯ এপ্রিল বিকেল থেকে চাপ বাড়বে।  ছুটি কমে যাওয়ায় একসঙ্গে যাত্রীর চাপ সড়কে পড়লে যানজটের ভোগান্তি অবধারিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সেজন্য অনেক
    আফসান চৌধুরী
    আফসান চৌধুরীকথাসাহিত্যিক, মুক্তিযুদ্ধ গবেষক

    ঈদের স্মৃতি

    জীবনে সত্তরের অধিক ঈদ পেরিয়ে—এত বছর পরে এসে পেছনের দিকে যখন তাকাই, দেখি যে জীবনে অনেক ঈদ ছিল যেগুলো খুবই সাধারণ। কিছু ঈদ ছিল বিচিত্র। সবার জীবনেই কিছু ঈদের এমন স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য থাকে। সবচেয়ে আলাদা। এ বয়সে এসে উৎসব আয়োজনের প্রতি আবেদন অবশ্যই আর আগের মতো থাকে না। তবে ঈদে-উৎসবে বাচ্চাদের দেখতে খুব ভালো লাগে। কারণ তারা যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যায়, ওই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে আমি কিন্তু যাচ্ছি না। আমার এখনকার ঈদ তো হলো, বয়স্ক বাবার ঈদ। সে হিসেবে আমার ঈদে সবার আগে ভাবতে হবে ছেলেমেয়েদের জন্য কী কিনতে হবে, স্ত্রীর জন্য কী কিনতে হবে—সেই টাকাটা পাওয়া যাবে কি না,
  • মহসীন হাবিব
    মহসীন হাবিবসাংবাদিক ও সাহিত্যিক

    নতুন যুগের ঈদ!

    এই ঢাকা শহরে ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে যারা বসবাস করছে, তাদের ৮০ ভাগ মানুষ এসেছে কোনো না কোনো জেলা থেকে। ঢাকা শহর তারা বেছে নিয়েছে কর্মের প্রয়োজনে, ভাগ্য বদল করতে। প্রত্যেক মানুষ, প্রতিটি পরিবার জীবন নিয়ে এই ইট-পাথরের শহরে ছোটাছুটি করলেও মনের কোণে লালন করে রাখে নিজের জন্মস্থান, জন্ম-ঠিকানা।
    ডা. মো. শহীদুল্লাহ সিকদার
    ডা. মো. শহীদুল্লাহ সিকদারসাবেক উপ-উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

    সবার ঈদ

    সব ধর্মাবলম্বীদের নিজস্ব ধর্মীয় উৎসব রয়েছে। যেসব ধর্মীয় উৎসব উদযাপিত হয় সেগুলোর মধ্যে ঈদুল ফিতর হচ্ছে কনিষ্ঠতম। এ মহান পুণ্যময় দিবসের প্রচলন শুরু হয় আজ থেকে মাত্র ১৩৮০ সৌর বছর পূর্বে। আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহম্মদ (সা.)-এর মদিনাতে হিজরতের অব্যবহিত পর থেকেই ঈদুল ফিতর উৎসব পালন শুরু হয়।

    অনিয়মের মোচ্ছব

    দেশে সরকারি প্রকল্পের টাকা নয়ছয়, বিভিন্ন অনিয়ম আর অব্যবস্থাপনার ঘটনা নতুন নয়। সুপেয় পানির সংকট মোকাবিলায় ২০২২ সালে শুরু হওয়া ‘উপকূলীয় জেলাসমূহে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে পানি সরবরাহ’ প্রকল্পটির বেলায়ও এই চিত্র ভিন্ন কিছু নয়। হাজার কোটি টাকার প্রকল্পটি ঘিরেও চলছে নানারকমের নয়ছয়। অধিকাংশ সরকারি প্রকল্পের এই দশা কি নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে? এটি অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জক ও দুঃখজনক। রোববার দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত প্রধান শিরোনামে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনটিতে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২২ সালে শুরু হয় ‘উপকূলীয় জেলাসমূহে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে পানি সরবরাহ’ প্রকল্পটি। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পটি শেষ হওয়ার কথা। সেই হিসেবে প্রকল্পের কাজ যথাযথ উপায়ে শেষ করতে যেখানে
অনলাইন জরিপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আড্ডা দিচ্ছিলেন ছাত্রলীগ কর্মীরা, অতর্কিত হামলায় আহত ৪

চৈত্রসংক্রান্তি আজ

১৩ এপ্রিল : নামাজের সময়সূচি

দুদিন বন্ধের পর আজ থেকে মেট্রোরেল চালু 

মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলার হুমকি ইরানের

বিমান থেকে সংকেত দেখেই দ্বীপ থেকে তিন নাবিককে উদ্ধার

বাস ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুই মাদ্রাসাছাত্র নিহত

সৌদি আরবে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাণ গেল বাংলাদেশির

এবারই প্রথম স্বস্তিতে মানুষ ট্রেন ভ্রমণ করছেন : রেলমন্ত্রী

খুলনায় ইজিবাইকের ধাক্কায় প্রাণ গেল শিশুর

১০

দিনদুপুরে তরুণীকে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল

১১

ঈদে পর্যটকে মুখরিত মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত

১২

‘বাঙালিত্বের সঙ্গে ধর্মের কোনো সংঘর্ষ নেই’

১৩

খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আ.লীগের তিন নেতা গুরুতর আহত

১৪

সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়াল বান্দরবান প্রশাসন

১৫

ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা চরমে, মার্কিন রণতরীর অবস্থান পরিবর্তন

১৬

দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস

১৭

মসজিদের টাকার হিসাবকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১২

১৮

স্ত্রী-সন্তানকে মাংস কিনে খাওয়াতে না পারায় চিরকুট লিখে আত্মহত্যা

১৯

মারাঠা বর্গীদের মতো দেশে লুটপাট চলছে : বিএসপিপি 

২০
ঈদের আগে মুরগির দাম বাড়ল সবচেয়ে বেশি
ঈদুল ফিতর কেন্দ্র করে রাজধানীতে অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে মুরগি ও গরুর মাংসের বাজার। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে মুরগির দামে। সপ্তাহে ব্যবধানে ব্রয়লারের দাম কেজিতে বেড়েছে ৪০ ও সোনালি মুরগির ৩০
ফাঁকা ঢাকায় নিরাপত্তা বাড়াতে তোড়জোড়
গত কয়েক বছর ধরে ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তা নিয়ে বারবারই প্রশ্ন উঠছে। ছিনতাইকারীদের হাতে পুলিশ সদস্যের প্রাণ হারানোসহ দুর্ধর্ষ ডাকাতি ও চুরির ঘটনাও ঘটেছে অনেক। এবার ঈদেও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া
রাজকুমার ঘিরে ইতিহাসের স্বপ্ন দেখছেন হল মালিকরা
জ্বলতে শুরু করেছে নিভে যাওয়া রূপালি পর্দার আলো। পরিষ্কার করা হচ্ছে ঘুণে ধরা নোংরা চেয়ার, টেবিলগুলো। রং করা হচ্ছে দেয়ালে-দেয়ালে। লাগানো হচ্ছে ঈদের সিনেমার পোস্টার। ঈদ কেন্দ্র করে দেশের সিনেমাহলগুলোর
ওদের ঘরে নেই ঈদ আনন্দ / বিষাদে ঈদ আনন্দ ফিকে আয়ান ও আয়হামের পরিবারে
দুদিন পরে ঈদ। সবার ঘরে আনন্দ। বাইরে শেষরাত পর্যন্ত কেনাকাটার ব্যস্ততা। বাবা-মায়ের হাত ধরে শিশুরাও ভিড় করছে শপিংমলে। আর ছোট্ট সোনাদের আবদার পূরণে পরিবারের কতশত আয়োজন।
ads
চৈত্রসংক্রান্তি আজ
চৈত্রসংক্রান্তি আজ
চৈত্র মাসের শেষ দিন আজ শনিবার (১৩ এপ্রিল)। এই দিনটিকে চৈত্রসংক্রান্তি হিসেবে উদযাপন করা হয়। এ ছাড়াও আগামীকাল রোববার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ, নতুন বাংলা বর্ষ ১৪৩১। আবহমান বাংলার চিরায়িত বিভিন্ন ঐতিহ্যকে ধারণ করে আসছে এই চৈত্রসংক্রান্তি। বছরের শেষ দিন হিসেবে পুরাতনকে বিদায় ও নতুন বর্ষকে বরণ করার জন্য প্রতিবছর চৈত্রসংক্রান্তিকে ঘিরে থাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান-উৎসবের আয়োজন। মনে করা হয়, চৈত্রসংক্রান্তিকে অনুসরণ করেই পহেলা বৈশাখ উদযাপনের এত আয়োজন। চৈত্রসংক্রান্তির মেলা সাধারণত হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি উৎসব। শাস্ত্র ও লোকাচার অনুসারে এইদিনে স্নান, দান, ব্রত, উপবাস প্রভৃতি ক্রিয়াকর্মকে পূণ্যকর্ম বলে মনে করা হয়।  চৈত্রসংক্রান্তি উপলক্ষে গ্রামগঞ্জে নানা ধরনের মেলা ও উৎসব হয়ে থাকে। বিশেষ করে হালখাতার জন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সাজানো, লাঠিখেলা, গান, সংযাত্রা, রায়বেশে নৃত্য, শোভাযাত্রাসহ নানা অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে উদযাপিত হয় চৈত্রসংক্রান্তি। চড়ককে চৈত্রসংক্রান্তির প্রধান উৎসব বলা হয়। চড়ক গাজন উৎসবের একটি প্রধান অঙ্গ। এ উপলক্ষে গ্রামের শিবতলা থেকে শোভাযাত্রা শুরু করে অন্য গ্রামের শিবতলায় নিয়ে যাওয়া হয়। একজন শিব ও একজন গৌরী সেজে নৃত্য করে এবং অন্য ভক্তরা নন্দি, ভৃঙ্গী, ভূত-প্রেত, দৈত্য-দানব সেজে শিব-গৌরীর সঙ্গে নেচে চলে। এদিকে, পুরোনো বছরের সব জরাজীর্ণতা মুছে ফেলে আগামী রোববার (১৪ এপ্রিল) বাঙালি মিলিত হবে পহেলা বৈশাখের সর্বজনীন উৎসবে। এদিন জরাজীর্ণতা, ক্লেশ ও বেদনার সবকিছুকে বিদায় জানানোর পাশাপাশি সব অন্ধকারকে বিদায় জানিয়ে আলোর পথে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার থাকবে গোটা জাতি।
৪১ মিনিট আগে

ভাসানটেকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৬ জনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক

১৭ ঘণ্টা আগে

তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে, বাড়বে গরম

১৯ ঘণ্টা আগে

হাজারীবাগের বস্তিতে আগুন

২০ ঘণ্টা আগে

দুপুরের মধ্যে বজ্রবৃষ্টিসহ ঝড়ের শঙ্কা

২৩ ঘণ্টা আগে

ঢাকাসহ ১৪ জেলা নিয়ে দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস 

১২ এপ্রিল, ২০২৪
ads
ফেসবুকে ওবায়দুল কাদেরের ভালোবাসার বার্তা
ফেসবুকে ওবায়দুল কাদেরের ভালোবাসার বার্তা
ঈদের দ্বিতীয় দিন ভালোবাসার বার্তা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।  শুক্রবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ১১টি ছবি পোস্ট করে এই বার্তা দেন তিনি।  ক্যাপশনে ওবায়দুল কাদের লিখেছেন, ঘৃণা দিয়ে ঘৃণা দূর করা যায় না। শুধু ভালোবাসাই তা করতে পারে। পোস্টটি ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকে। রাত ৯টা পর্যন্ত এই পোস্টে ৩১ হাজারের বেশি রিঅ্যাকশন পড়েছে। এই সময়ের মধ্যে মন্তব্যও পড়েছে সাড়ে ৭ হাজারের বেশি। শেয়ার হয়েছে ১৪ শ’র বেশি।  একজন মজা করে লিখেছেন ‘কাদের ভাই, আজকে ছবি এত কম দিলেন কেন?’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘মাননীয় মন্ত্রী, মাত্র ১১টা ছবি অ্যাটাচ করেছেন পোস্টে? মেনে নিতে পারলাম না।’ আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘মিনিস্ট্রি অব লাভের মিনিস্টার।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘লিডার আপনিই বাংলাদেশ।’ এর আগে, ঈদের দিন বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) এক ভিডিও বার্তা দেন মন্ত্রী। বার্তায় তিনি বলেন, ঈদের আগে ঘরমুখো মানুষের বাঁধভাঙা জনস্রোত দেখা গেছে এবারও। অনেকেই ঈদযাত্রা নিয়ে জনদুর্ভোগের আশঙ্কা করেছিলেন। তবে সবার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় সব সংশয় ও শঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে এবারের ঈদযাত্রা তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক হয়েছে। সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে যারা নিরলস পরিশ্রম করেছেন আমি তাদের জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। সবাইকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক।’
১১ ঘণ্টা আগে
আ.লীগের মতো ককটেল পার্টিতে বিশ্বাসী নয় বিএনপি : রিজভী
আ.লীগের মতো ককটেল পার্টিতে বিশ্বাসী নয় বিএনপি : রিজভী
খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ ৯ নেতা
খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ ৯ নেতা
ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করতে খালেদা জিয়ার বাসায় বিএনপি নেতারা
ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করতে খালেদা জিয়ার বাসায় বিএনপি নেতারা
ঈদের দিনে গুম পরিবারের খোঁজ নিলেন বিএনপি নেতা আমিনুল হক
ঈদের দিনে গুম পরিবারের খোঁজ নিলেন বিএনপি নেতা আমিনুল হক
আওয়ামী লীগের হাতে দেশের স্বাধীনতা অনিরাপদ : আজাদ
আওয়ামী লীগের হাতে দেশের স্বাধীনতা অনিরাপদ : আজাদ
ঈদের নামাজ শেষে সর্বসাধারণের সঙ্গে বিএনপি নেতা সালামের শুভেচ্ছা বিনিময়
ঈদের নামাজ শেষে সর্বসাধারণের সঙ্গে বিএনপি নেতা সালামের শুভেচ্ছা বিনিময়
ads

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে

ঈদের আগে চাঙা ছিল রেমিট্যান্স প্রবাহ। রপ্তানি আয়ও কিছুটা বেড়েছে। এর ফলে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ২০ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠেছে। গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৫ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, মার্চের শেষ দিকে রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৪৮১ কোটি ডলারে আর বিপিএম-৬ ছিল ১ হাজার ৯৪৫ কোটি ডলার (১৯ দশমিক ৯৬  বিলিয়ন)। চলতি মাসের ৮ এপ্রিল গ্রস রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৩৮ কোটি ডলারে, আর বিপিএম-৬  হয়েছে ২ হাজার ১০ কোটি ডলারে (২০ দশমিক ১০  বিলিয়ন)।  ২০২৩-২৪ অর্থবছরের শুরুতে গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন ডলার আর বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ২৩ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলার। তবে, এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা শুধু আইএমএফকে দেওয়া হয়। সাধারণের জন্য প্রকাশ করা হয় না।  সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। সেই মানদণ্ডে বাংলাদেশ এখন শেষ প্রান্তে রয়েছে। একটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম সূচক হলো বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ।  কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঈদের আগে প্রবাসীরা বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এ ছাড়া রপ্তানি প্রবাহও বেড়েছে। এসব কারণেই মূলত কিছুটা রিজার্ভ বেড়েছে।  বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার বলতে কোনো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে (বা মুদ্রাবিষয়ক কর্তৃপক্ষের কাছে) বৈদেশিক মুদ্রায় গচ্ছিত সম্পদের মজুতকে বোঝায়। এভাবে গচ্ছিত বৈদেশিক মুদ্রা প্রধানত আমদানি মূল্য এবং বৈদেশিক ঋণ ও ঋণের সুদ ইত্যাদি পরিশোধে ব্যবহৃত হয়।

একীভূত হচ্ছে না কোনো ইসলামী ব্যাংক 

দেশের দুর্বল ব্যাংকগুলোকে সবল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত  করার ধারা শুরু হলেও ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলোর বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংক দুর্বল ১০ টি ব্যাংকের যে তালিকা প্রণয়ন করেছে, সেখানে ইসলামি ধারার কয়েকটি ব্যাংকের নাম থাকলেও এখন পর্যন্ত তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি বলেই জানা গেছে।  জানা গেছে, ইসলামি ধারার যেসব দুর্বল ব্যাংক রয়েছে, সেই সব ব্যাংক মালিকেরা নিজ উদ্যোগেই ব্যাংকগুলোর স্বাস্থ্য ভালো করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ইতিমধ্যে এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে স্বেচ্ছায় একীভূত হওয়ার লক্ষ্যে চুক্তি করেছে পদ্মা ব্যাংক। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক বা ইউসিবির সঙ্গে একীভূত হচ্ছে ন্যাশনাল ব্যাংক; সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হচ্ছে বেসিক ব্যাংক। এছাড়া রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) কৃষি ব্যাংকের সঙ্গে এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল) সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হচ্ছে।   সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকে গভর্নরের সঙ্গে বিভিন্ন ব্যাংকের পরিচালক ও চেয়ারম্যানেরা বৈঠক করেন। বৈঠকে ১০টি দুর্বল ব্যাংককে বিভিন্ন সবল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই তালিকায় আছে পদ্মা ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, বিডিবিএল, বেসিক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার ও আইসিবি ইসলামি ব্যাংক। জানা গেছে, আইসিবি ইসলামি ব্যাংকের একীভূত হওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আইসিবি ইসলামি ব্যাংকের শেয়ার ওরিয়ন গ্রুপ কিনে নেবে—এমন আলোচনা হচ্ছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। এর আগে আইসিবি ইসলামি ব্যাংকের নাম ছিল দ্য ওরিয়েন্টাল ব্যাংক। সে সময় ব্যাংকটি ওরিয়ন গ্রুপের মালিকানায় ছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপে মালয়েশিয়াভিত্তিক আইসিবি ইসলামি গ্রুপ দেউলিয়াপ্রায় অবস্থায় ব্যাংকটির অধিকাংশ শেয়ার কিনে নেয়। নাম, মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আসলেও আইসিবি ইসলামি ব্যাংক আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে ব্যাংকগুলোকে একীভূত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কেউ একীভূত না হলে আগামী বছর মার্চ থেকে বাধ্যতামূলকভাবে ভালো ব্যাংকের সঙ্গে দুর্বল ব্যাংককে মিলিয়ে দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে স্বেচ্ছায় একীভূত হওয়ার বিষয়ে নীতিমালা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কীভাবে ব্যাংকগুলো একীভূত হবে, নীতিমালায় সে বিষয়ে বিস্তারিত বলা হয়েছে।     

রমজানে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.৮১ শতাংশ

রমজানে মাসে দেশের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যে লাগাম ছাড়িয়েছিল। যার প্রভাব পড়েছে মাস শেষের মূল্যস্ফীতিতে। মার্চ মাসে গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৮১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে যা ছিল ৯ দশমিক ৬৭। মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত মার্চ মাসের ভোক্তা মূল্য সূচকে এ তথ্য জানা গেছে। মার্চে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৮১ শতাংশের অর্থ হলো- ২০২৩ সালের মার্চে যে পণ্য ১০০ টাকায় কিনতে হয়েছিল, এ বছরের মার্চে তা ১০৯ টাকা ৮১ পয়সায় কিনতে হয়েছে। বিবিএসের তথ্য বলছে, মার্চে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ হয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। গত মাসে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতিও বেড়েছে। মার্চে এসব পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৬৪ শতাংশ, ফেব্রুয়ারিতে যা ছিল ৯ দশমিক ৩৩। বিবিএসের মার্চের তথ্য বলছে, রমজান মাসে গ্রামের তুলনায় শহরের মূল্যস্ফীতি বেশি। গ্রামে গড় মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৬৮, যেখানে শহরের মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ। শহরে খাদ্যের মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৯৮, গ্রামে ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ। গত সপ্তাহে বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাসে তিন কারণে বাংলাদেশের উচ্চ মূল্যস্ফীতি বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছিল। বিশ্বব্যাংকের ভাষ্য, বাংলাদেশে এখনো উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। চলতি অর্থবছরও এ উচ্চ মূল্যস্ফীতি বহাল থাকবে। এ মূল্যস্ফীতি বাড়ার পেছনে তিনটি মূল কারণ থাকতে পারে বলে মনে করে তারা।  এ তিনটি কারণ হলো- ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন, বিদেশি মুদ্রার সংকটের কারণে আমদানি সংকোচন ও জ্বালানি সংকট বহাল থাকবে, যার কারণে বিদ্যুতের দাম আরও বাড়তে পারে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মুদ্রানীতির রাশ আরও টেনে ধরা দরকার বলেও সংস্থাটি অভিমত দিয়েছে।
০৯ এপ্রিল, ২০২৪
রমজানে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.৮১ শতাংশ

ভিড় ফুটপাত ও অস্থায়ী দোকানে / রমজানের শেষে শুরু নিম্নবিত্তের কেনাকাটা

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ। ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে ধনী-দরিদ্র সবাই যে যার মতো করে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ঈদ সামনে রেখে ফুটপাতে জমে উঠেছে কেনাকাটা। সাধ আর সাধ্যের মধ্যে নিম্ন আয়ের লোকজনও তুলনামূলক অল্প দামে পছন্দের পোশাক, গহনা, জুতা কিনতে শেষ মুহূর্তে ভিড় করছেন ফুটপাত ও অস্থায়ী দোকানগুলোয়। সোমবার (৮ এপ্রিল) রাজধানীর গুলিস্তান, নিউমার্কেট, মালিবাগ, কারওয়ান বাজার, গ্রিন রোড, ফার্মগেট এলাকায় গিয়ে দেখা যায় নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ফুটপাতে অনেক দোকান সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। অস্থায়ী দোকানগুলোয় কেউ চৌকি পেতে, কেউ বা ভ্যানের ওপর, কেউ হ্যাঙারে ঝুলিয়ে, আবার কেউ চাদর বিছিয়ে বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাকের সঙ্গে প্রসাধনীসামগ্রী সাজিয়ে রেখেছেন।   নিউমার্কেটের সামনের ফুটপাতে দোকান সাজিয়ে বসা আব্বাস বলেন, কিছুদিন আগে বেচা-বিক্রি কম থাকলেও এখন বেশ বেড়েছে। ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে কারও চেষ্টার ত্রুটি নেই। ফুটপাতের ভ্রাম্যমাণ দোকানের ব্যবসায়ীরা বলছেন, নিম্ন আয়ের মানুষের পাশাপাশি অনেক মধ্যবিত্ত লোকজনও তাদের দোকানে কেনাকাটা করতে আসছেন। কম বাজেটের মধ্যে ক্রেতাদের পছন্দের বাহারি নকশা ও রঙের সব পোশাকের সংগ্রহ রয়েছে দোকানগুলোয়। ক্রেতারা বলছেন, শপিংমলে জিনিসপত্রের দাম অনেক বেশি, তাই ফুটপাত থেকেই কিনছেন তারা। নিউমার্কেট এলাকার ফুটপাতে বসা ক্ষুদ্র চা ব্যবসায়ী জামিল জানান, তার পরিবারে ৫ সদস্য রয়েছে। ভাড়া বাড়িতে থেকে চা-সিগারেট-রুটি-কলা বিক্রির আয় দিয়ে চলে সংসার। ঈদে মেয়ের মুখের দিকে চেয়ে ফুটপাত থেকে জামা কেনা হয়। মার্কেটে জিনিসের যে দাম, তাই ফুটপাতই একমাত্র ভরসা। নিম্নবিত্ত মানুষের ঈদবাজারের শেষ ভরসা ফুটপাত -বললেন ইডেন মহিলা কলেজের সামনে ফুচকা বিক্রেতা আলিম। তিনি আরও বলেন, আমাদের সামর্থ্য নেই মার্কেটে গিয়ে কেনাকাটা করার। তবে ঈদে তো সবাইকে ভালো-মন্দ পরতে হয়, তাই নিজেদের কথা বাদ দিলেও সন্তানদের জন্য ঈদবাজার করতে হয়। গ্রিন রোডে বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সের সামনের ফুটপাত থেকে জুতা কিনেছেন বেসরকারি ব্যাংকের অফিস সহকারী বাতেন মিয়া। তিনি বলেন, ফুটপাত থেকে স্ত্রীর জন্য এক জোড়া জুতা কিনলাম সামান্য বেতন ও বোনাসের টাকা থেকে।  গ্রিন রোডে ফুটপাতে ব্যবসা করেন মো. হাশেম। তিনি বলেন, এ বছর ঈদের আগে সব জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে, কিন্তু আমাদের আয় বাড়েনি। আগে একটি শার্টে লাভ করতে পারতাম ২০-৫০ টাকা। এ বছর তা ২০-৩০ টাকায় নেমেছে।
০৯ এপ্রিল, ২০২৪
রমজানের শেষে শুরু নিম্নবিত্তের কেনাকাটা

ঈদের কেনাকাটা / নিম্ন মধ্যবিত্তের ‘ফুটপাত’ মধ্যবিত্তদের দখলে

বছরজুড়েই মূল্যস্ফীতিতে সবচেয়ে বেশি ভুগছে মধ্যবিত্ত শ্রেণি। কারণ তাদের বেশিরভাগের আয় নির্দিষ্ট। কিন্তু ব্যয় বেড়েছে কয়েকগুণ। সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদুল ফিতর ঘিরে তারা তেমন বড় কোনো পরিকল্পনা করতে পারছেন না। অনেক দরদাম, হিসাব-নিকাশ করেই ঈদের কেনাকাটা করতে হচ্ছে তাদের।   মধ্যবিত্তদের কেনাকাটার সবচেয়ে বড় জায়গা নিউমার্কেট, গাউছিয়া, চাঁদনী চক, মৌচাক এবং এর আশপাশের মার্কেটগুলো। এক সপ্তাহ ধরে এসব মার্কেটের সামনে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেলেও ১৫ রমজানেও তেমন ভিড় ছিল না। ঈদের আগে আগামী এক বা দুই দিন ভিড় আরও বাড়বে বলে ধারণা করছেন দোকানিরা। আর মধ্যবিত্তের পরিচিত দোকানগুলোতে এবার বাজেটের সঙ্গে দরদামের হিসাব না মেলায় অনেকে ফুটপাত থেকে কেনাকাটা করছেন। ফলে নিম্ন মধ্যবিত্তদের কেনাকাটার জায়গা এখন অনেকটাই মধ্যবিত্তদের দখলে চলে গেছে। ফলে ফুটপাতের চেহারাও পাল্টে গেছে। সেখানেও দরদাম করার সুযোগ না রেখে একদামে বিক্রি হচ্ছে পণ্য। দামও তুলনামূলক বেশি।   আয়েশা শপিং কমপ্লেক্সের পাঞ্জাবি ব্যবসায়ী শাহীন মাহমুদ বলেন, পাঞ্জাবি সাধারণত শেষ মুহূর্তেই কেনেন সবাই। রমজানের শুরুতে বিক্রি কম হলেও গত এক সপ্তাহে বেড়েছে। পাঞ্জাবি কিনতে আসা মোহাম্মদ আলী বলেন, এখানে তুলনামূলক কম দামেই বাবা আর ছেলের জন্য পাঞ্জাবি কিনেছি। নিজের জন্য কী কিনলেন জানতে চাইলে বলেন, ওদের হাসিমুখ দেখলেই আমার ঈদের আনন্দ পাওয়া হয়ে যাবে। তবে শাড়ি আর গহনার দোকানে ভিড় ছিল সবচেয়ে কম। কারণ মধ্যবিত্তরা এবার বাজেট কাটছাঁট করতে গিয়ে পরিবারের ছোট আর বৃদ্ধদের বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন। ফলে অধিকাংশ মায়েরা নিজেদের জন্য শাড়ি কেনা বাদ দিয়েছেন। বাহুল্য হিসেবে পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে গহনাও বাদ দিয়েছেন অনেকেই। তবে যাদের সাধ্য আছে, তারা ঠিকই সবার জন্য সব কেনাকাটা করছেন। গাউছিয়া মার্কেটে ফারজানা হক নামে এক ক্রেতা বলেন, দুই মেয়ের জন্য জামা কিনতে এসেছি। পছন্দ আর বাজেট মেলাতে পারছি না। পরে তিন হাজার টাকায় দুই মেয়ের জন্য জামা কিনেছি। কিন্তু জুতা আর গহনার বায়না থাকলেও তা দেওয়ার সাধ্য নেই। মায়ের জন্য শাড়ি কিনতে এসেছেন হাসান আহমেদ। তিনি বলেন, মা অনেক বারণ করেছে। তার পরও মন মানছে না। তাই মায়ের জন্য অল্প বাজেটের মধ্যে একটা শাড়ি কিনেছি। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের ঈদের বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি এখন পর্যন্ত কমই দেখা যাচ্ছে। অন্যবার ১০ রমজানের পর থেকেই ঈদের বেচাবিক্রিতে দোকানিরা ব্যস্ত সময় পার করেছেন। তবে এবার এখনো আগের বছরের তুলনায় বিক্রি প্রায় ৫০ শতাংশ কম বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।   মৌচাক মার্কেটের সামনের ফুটপাতে শিশুদের পোশাক বিক্রি করা সাইফুল ইসলাম বলেন, গত বছরেও রমজানের এই সময়ে দিনে প্রায় ৪০ হাজার টাকার বিক্রি হতো। এখন মাত্র ৭-৮ হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে। আগের তুলনায় এবার পোশাকের দাম তুলনামূলক বেশি বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা। রাজধানীর গাউছিয়া মার্কেটে কেনাকাটা করতে এসেছেন বেসরকারি কলেজের শিক্ষক মুমেনুল। দুই মেয়ের জন্য ৪ হাজার টাকার পোশাক কিনেছেন। তিনি বলেন, এসব কাপড় সবসময় ১ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যেত, এখন এগুলো ২ হাজার টাকায় কিনতে হচ্ছে। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, তাদের কিনতেই হচ্ছে বেশি দামে। এর সঙ্গে বিদ্যুৎ বিল, দোকান ভাড়াসহ আনুষঙ্গিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় তার সব কিছু যুক্ত করতে হচ্ছে কাপড়ের দামে। সেজন্য অন্য বছরের তুলনায় এবার দাম বেশি রাখতে হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের কথার সঙ্গে দেশের মূল্যস্ফীতির স্পষ্ট চিত্র ফুটে উঠছে। দুই বছরে ধরে দেশে মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের কাছাকাছি বলে জানা যায় সরকারি হিসাবে। এ ছাড়া কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে ৫০-৬০ শতাংশ, যদিও মানুষের আয় ৫ শতাংশের বেশি বাড়েনি। তবে কয়েক দিন ধরে রাজধানীর ফুটপাতের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেড়েছে। তবে ফুটপাতে দেখা মেলে না আগের দৃশ্য। অল্প টাকায় দরদাম করে নিম্নবিত্তদের পোশাক কেনার পরিবর্তে একদামে মধ্যবিত্তরাই কিনছেন ফুটপাতের অধিকাংশ দোকান থেকে। আর ঈদের কেনাকাটা নিম্নবিত্তদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। বেশি দামে কিনতে হয় বলে পোশাকের দাম কম রাখতে পারেন না বলে জানান সাইফুল। তিনি বলেন, গতবার যে গেঞ্জি গড়ে ১৮০ টাকায় কিনেছি, সেগুলো এখন ২৫০ টাকায় পাইকারি কিনতে হচ্ছে। গ্রাহকদের ৩০০ টাকা দাম বললে তারা কেনা দামের চেয়েও কম দাম দিতে চায়।
০৯ এপ্রিল, ২০২৪
নিম্ন মধ্যবিত্তের ‘ফুটপাত’ মধ্যবিত্তদের দখলে
ads
আড্ডা দিচ্ছিলেন ছাত্রলীগ কর্মীরা, অতর্কিত হামলায় আহত ৪
আড্ডা দিচ্ছিলেন ছাত্রলীগ কর্মীরা, অতর্কিত হামলায় আহত ৪
বাস ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুই মাদ্রাসাছাত্র নিহত
বাস ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুই মাদ্রাসাছাত্র নিহত
খুলনায় ইজিবাইকের ধাক্কায় প্রাণ গেল শিশুর
খুলনায় ইজিবাইকের ধাক্কায় প্রাণ গেল শিশুর
এবারই প্রথম স্বস্তিতে মানুষ ট্রেন ভ্রমণ করছেন : রেলমন্ত্রী
এবারই প্রথম স্বস্তিতে মানুষ ট্রেন ভ্রমণ করছেন : রেলমন্ত্রী
দিনদুপুরে তরুণীকে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল
দিনদুপুরে তরুণীকে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল
ঈদে পর্যটকে মুখরিত মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত
ঈদে পর্যটকে মুখরিত মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত
খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আ.লীগের তিন নেতা গুরুতর আহত
খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আ.লীগের তিন নেতা গুরুতর আহত
সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়াল বান্দরবান প্রশাসন
সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়াল বান্দরবান প্রশাসন
ads
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান

মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলার হুমকি ইরানের

ইসরায়েলের ওপর যে কোনো মুহূর্তে আঘাত হানতে পারে ইরান। গত ১ এপ্রিল সিরিয়ার দামেস্কে অবস্থিত ইরানের কনস্যুলেটে হামলা চালিয়ে কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। এ ঘটনার প্রতিশোধ নিতে বদ্ধপরিকর ইরানের নেতারা। তবে ইরান যেন ইসরায়েলে হামলা না করে এ জন্য বারবার সতর্ক করছে যুক্তরাষ্ট্র।  মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আরব দেশগুলোর মাধ্যমে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে, যদি ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার দ্বন্দ্বে যুক্তরাষ্ট্র যোগ দেয় তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলা চালানো হবে।  যুক্তরাষ্ট্রের তিন কর্মকর্তা বিষয়টি এক্সিওসকে জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, ইরান মনে করে দামেস্কের কনস্যুলেটে যে হামলা হয়েছে সেটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। ফলে এসব হামলার সঙ্গে আর যুক্ত না হতে তাদের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। এক কর্মকর্তা বলেছেন, “ইরানের হুঁশিয়ারি বার্তাটি ছিল এ রকম, যারা আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে আমরা তাদের ওপর হামলা চালাব। তাই আমাদের ব্যাপারে কিছু বলবে না। আমরাও বলব না।” যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যম সিবিএসকে জানিয়েছন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলের সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালাতে পারে ইরান। আর এ হামলায় ব্যবহার করা হতে পারে ১০০টি ড্রোন ও কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র। এই কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, ইরান যদি ইসরায়েলের ওপর হামলা চালায় এবং ইসরায়েল যদি ইরানের ওপর পাল্টা হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়— তাহলে তাদের এ ব্যাপারে আগেই যুক্তরাষ্ট্রকে অবহিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।  মূলত যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে বার্তা দিয়েছে, তাদের কথা ছাড়া ইরানের ওপর কোনো হামলা যেন না চালানো নয়। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের ভয় এই দ্বন্দ্বের মাঝে পড়ে যেতে পারেন মার্কিন সেনারা। 
বিমান থেকে সংকেত দেখেই দ্বীপ থেকে তিন নাবিককে উদ্ধার
বিমান থেকে সংকেত দেখেই দ্বীপ থেকে তিন নাবিককে উদ্ধার
ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা চরমে, মার্কিন রণতরীর অবস্থান পরিবর্তন
ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা চরমে, মার্কিন রণতরীর অবস্থান পরিবর্তন
ইসরায়েলসহ কয়েক দেশে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা ফ্রান্সের
ইসরায়েলসহ কয়েক দেশে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা ফ্রান্সের
পাকিস্তানে থানায় ঢুকে পুলিশ সদস্যদের পেটাল সেনারা
পাকিস্তানে থানায় ঢুকে পুলিশ সদস্যদের পেটাল সেনারা
জম্মু এবং কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে : মোদি
জম্মু এবং কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে : মোদি
ইরানের ভয়ে ‘যুদ্ধ পরামর্শ’ দিতে ইসরায়েলে শীর্ষ জেনারেল পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ভয়ে ‘যুদ্ধ পরামর্শ’ দিতে ইসরায়েলে শীর্ষ জেনারেল পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র
ads
‘সোনার চর’ হাউসফুল, উচ্ছ্বসিত জায়েদ খান 
‘সোনার চর’ হাউসফুল, উচ্ছ্বসিত জায়েদ খান 
শাকিবকে বেচতে ব্যস্ত বুবলী
শাকিবকে বেচতে ব্যস্ত বুবলী
সুখবর দিলেন সালমান খান 
সুখবর দিলেন সালমান খান 
ঈদের দিন শাহরুখের বাড়ির সামনে লাখো জনতার ঢল
ঈদের দিন শাহরুখের বাড়ির সামনে লাখো জনতার ঢল
ঈদের দিনে রাজকুমারের জয়জয়কার  
ঈদের দিনে রাজকুমারের জয়জয়কার  
ঈদে মায়ের শাড়ি দিয়ে পাঞ্জাবি বানিয়ে পরেছেন আরিফিন শুভ
ঈদে মায়ের শাড়ি দিয়ে পাঞ্জাবি বানিয়ে পরেছেন আরিফিন শুভ
পারভেজ সাজ্জাদের গানে ভাইরাল কিং জায়েদ খানের ‘বিড়ি’
ভাইরাল কিং জায়েদ খানের ‘বিড়ি’ (ভিডিও)
ads
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
দর্শকদের কাছে কান ধরে ক্ষমা চাইলেন কোহলি
দর্শকদের কাছে কান ধরে ক্ষমা চাইলেন কোহলি
চূড়ান্ত হলো ২০২৭ বিশ্বকাপের ৮ ভেন্যু
চূড়ান্ত হলো ২০২৭ বিশ্বকাপের ৮ ভেন্যু
ভারত ছাড়তে চেয়েছিলেন বুমরাহ
ভারত ছাড়তে চেয়েছিলেন বুমরাহ
বর্তমান ক্রিকেট বিশ্বে সেরা বোলারের তালিকা তৈরি করতে বলা হলে সবার ওপরের নাম থাকবে জাসপ্রিত বুমরাহর। একসময়ের স্পিননির্ভর ভারত বোলিংকে পেস প্রধান বানানোর মূল কারিগর তিনি। তার অনুপস্থিতিতে নড়বড়ে হয়ে পড়ে রোহিত শর্মার দলের অবস্থা। বিশ্বের যে কোনো দল এরকম খেলোয়াড়কে পেলে মাথায় তুলে রাখবে। ভারতের দর্শকরা স্বস্তি পাবে যে এরকম বোলার অন্য কোনো দলে না খেলে শুধু তাদের দলেই খেলে। তবে ভারতের এই পেসার না কি একসময় ভারত ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমাতে চেয়েছিলেন। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে আইপিএলের চলতি মৌসুমে ব্যস্ত সময় কাটছে বুমরাহর। ৫ ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে বর্তমানে আসরের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারিও তিনি। আসরে ব্যস্ত সময় পার করার মধ্যেই জিও সিনেমাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অবাক করা তথ্য দিলেন এই পেসার। জানালেন একটা সময় নিজ দেশ ছেড়ে কানাডায় চলে যাওয়ার। সে অনুযায়ী প্রস্তুতও শুরু করেছিলেন তিনি। ২০১৩ সালে আইপিলের দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে যোগ দেওয়ার আগে ভারত ছাড়ার পরিকল্পনা প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছিলেন তিনি। সাক্ষাৎকারে বুমরাহ বলেন, ‘সব ছেলেই ক্রিকেটার হিসেবে বড় হতে চায়। বড় মঞ্চে খেলতে চায়। দেশের প্রতিটি রাস্তায় খেলা ২৫ জন করে ছেলে ভারতের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখে। তাই বিকল্প পরিকল্পনা থাকা উচিত। ওখানে (কানাডায়) আমার কয়েকজন আত্মীয় থাকেন। তাই ভেবেছিলাম ওখানে গিয়ে পড়াশোনা শেষ করব। তার পর কাকার বাড়িতে থেকে বাকিটা চেষ্টা করব। আমাদের পুরো পরিবারেরই কানাডায় চলে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।’ তবে মায়ের কারণে সে পরিকল্পনা থেকে ফিরে এসেছিলেন বুমরাহ। তার পরিবারের সবাই কানাডায় চলে যেতে রাজি থাকলেও মায়ের ছিল আপত্তি। শেষ পর্যন্ত ভারতে থেকে যেতে হয় বুমরাহকে। সুযোগ পান আইপিএলে। তারপর জাতীয় দলে। বল হাতে নজর কাড়েন বিশ্ব ক্রিকেটের। তিনি এখন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম স্তম্ভ। কানাডার হয়ে খেললে হয়তো আজকে বিশ্ব সেরাদের একজন হতে পারতেন না তিনি। এ অবস্থানে আসার জন্য তাই মায়ের কাছে কৃতজ্ঞ বুমরাহ। তিনি বলেন, ‘আমার মা পরে মত পরিবর্তন করেন। তিনি কানাডায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতে রাজি হননি। ওখানকার সংস্কৃতি পছন্দ নয় মায়ের। মায়ের ওই সিদ্ধান্ত আমারও উপকারে লেগেছে। তাই আমি খুশি। নিজেকে ভাগ্যবানও মনে করি। ওখানে একবার চলে গেলে হয়তো কানাডার হয়ে খেলার চেষ্টা করতাম। কানাডার হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভালো কিছু করার চেষ্টা করতাম।’ ভারতের হয়ে এখন পর্যন্ত ৩৬টি টেস্ট, ৮৯টি ওয়ানডে এবং ৬২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন বুমরাহ। যেখানে তার শিকার যথাক্রমে ১৫৯, ১৪৯ ও ৭৪ উইকেট। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে আইপিএলে ১২৪ ম্যাচ খেলে ১৫০টি উইকেট নিয়েছেন তিনি।
কী হয়েছে ম্যাক্সওয়েলের?
কী হয়েছে ম্যাক্সওয়েলের?
নেইমারকে নিয়েই ট্রফি উদযাপন আল হিলালের
নেইমারকে নিয়েই ট্রফি উদযাপন আল হিলালের
ইভেন্ট
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ
আইসিসি ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ
আইসিসি ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ
লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ
বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
স্বাধীনতা কাপ
স্বাধীনতা কাপ
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
*/ ?>
X