কালবেলায় সংবাদের পর বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের হোস্টেলে অভিযান

কালবেলায় সংবাদের পর বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের হোস্টেলে অভিযান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজের ডক্টরস হোস্টেলে প্রকাশ্যে মাদক সেবন হচ্ছে এমন একটি খবর প্রকাশ করে কালবেলা। এরপর ওই হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে মাদক সেবন অবস্থায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ জুন)
হাঁড়িভাঙা আম দেখলেই মায়া লাগে : কৃষিমন্ত্রী
হাঁড়িভাঙা আম দেখলেই মায়া লাগে : কৃষিমন্ত্রী
তীব্র গরমে সৌদিতে এক হাজারের বেশি হজযাত্রীর মৃত্যু
তীব্র গরমে সৌদিতে এক হাজারের বেশি হজযাত্রীর মৃত্যু
বারবার কারা নির্যাতনেই মাখনের মৃত্যু, অভিযোগ রিজভীর
বারবার কারা নির্যাতনেই মাখনের মৃত্যু, অভিযোগ রিজভীর
দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরির অপেক্ষায় দুই শতাধিক যানবাহন
দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরির অপেক্ষায় দুই শতাধিক যানবাহন
দিল্লি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী 
দিল্লি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী 
এবার বাবরের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ
এবার বাবরের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ
  • জোয়েল লেইডেন
    জোয়েল লেইডেনসম্পদ উপদেষ্টা ও লেখক

    হামাসের সঙ্গে যুদ্ধে কি ইসরায়েল হেরে যাচ্ছে?

    আমার জীবনের ২৫টি বছর কেটেছে ইসরাইলে এবং এখানে সেবা দিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু আমি এমন কথা কখনোই উচ্চারণ করিনি- ইসরায়েল কি যুদ্ধে হেরে যাচ্ছে? এমনকি ইসরাইলে যাওয়ার পূর্বে ‘ইওম কিপুর যুদ্ধে’র সময় মিশর ও সিরিয়ার সেনারা যখন আমাদের সীমান্তের ভেতরে ঢুকে পড়েছিল এবং সেসময় রাশিয়া সিনাই, মিশর এবং প্রধান সীমান্ত কিবুতযে স্থলবাহিনী পাঠানোর হুমকি দিয়েছিল তখনও আমি ততটা ভীত ছিলাম না। বরং এই বলে দেশ রক্ষায় এগিয়ে গিয়েছিলাম যে, একদিন নিশ্চয়ই আমরা বিজয়ের সূর্যোদয় দেখবো। আমি কি কখনো পরাজয়ের গন্ধ পেয়েছি? কিন্তু এখনকার দিনগুলো একেবারেই ভিন্ন। আমি শাবাতের (ইহুদিদের সাপ্তাহিক বিশেষ দিন) আলো ঝলমলে সকালে সিনাগগে (ইহুদি উপাসনালয়) গিয়েছিলাম, তখন আমার মোবাইল
    সৈয়দ সাফিউল হাসান চিশতী
    সৈয়দ সাফিউল হাসান চিশতীছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা

    যার ওপর বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে

    উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তার ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন করতে যাচ্ছে। ১৯৪৯ সালের প্রতিষ্ঠিত হওয়া আদর্শভিত্তিক এ রাজনৈতিক দলটি নানা চড়াই উতরাই, ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে সমসাময়িক বিশ্বে ক্ষমতায় আসীন থাকা বিশ্বের অন্যতম রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। অনেকেই বলে থাকেন আওয়ামী লীগের ইতিহাস আছে, ঐতিহ্য আছে।  কিন্তু ইতিহাস, ঐতিহ্য আসলে কী? ইতিহাস হচ্ছে সময় পরিক্রমায় ঘটে যাওয়া বিভিন্ন দেশ জনপদ বা ভূখণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। আওয়ামী লীগের সৃষ্টিই ছিল ব্রিটিশ শাসন পরবর্তীতে এ উপমহাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা। আর ঐতিহ্য হচ্ছে আমাদের পরিচয়ের অংশ যা আমাদের ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে সংজ্ঞায়িত করে। ’৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ’৬৬ এর ছয় দফা, ’৭০
    ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া
    ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়াউপাচার্য, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

    ‘প্রতিবেশী কূটনীতিতে বাংলাদেশ’

    ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে বিজয় লাভের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের কূটনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। ভারতের সমর্থনে বাংলাদেশ তার কূটনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তি স্থাপন করে স্বাধীনতা ঘোষণা করে। তরুণ বাংলাদেশ দ্রুত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করতে সক্ষম হয়, যা বিশ্ব আসরে তার বৈধতা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ তার উদ্দেশ্যের প্রতি সহানুভূতিশীল দেশি-বিদেশি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকে অগ্রাধিকার দিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য পশ্চিমা শক্তিগুলোর স্বীকৃতি নবজাতক রাষ্ট্রের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে কাজ করেছে।  একইসঙ্গে, জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনে মিত্রদের সমর্থন আদায় করে বাংলাদেশ এশিয়া, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এক কূটনৈতিক বিজয়গাঁথা রচনা করেছে। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে স্বাধীনতার
  • ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ
    ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদঅধ্যাপক, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    বাংলাদেশের অর্থনীতি যেন ‘কৈ মাছের প্রাণ’

    কৈ মাছের প্রাণ- এই বাগধারাটির সাথে আমরা সবাই পরিচিত। 'কৈ মাছের প্রাণ' বলতে বোঝায় শক্তপ্রাণ যা সহজে মরে না বা যে সহজে মরে না। ব্যাংক ও পুঁজি বাজার লোপাটকারী, ঋণখেলাপি, মাফিয়া এবং অর্থ পাচারকারী হায়ানা, শকুন এবং হাঙ্গরদের তীক্ষ্ণ ক্ষুর, নখ এবং ধারালো দাঁতের আঘাতে বাংলাদেশের অর্থনীতি বারংবার ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে। তাই ২০২২ সালে শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক সংকটের পর থেকে জোরে-সোরে আলোচিত হচ্ছিল শীঘ্রই বাংলাদেশের অর্থনীতি অনুরূপ সংকটে পতিত হতে যাচ্ছে।  এ আশঙ্কা এখনো পর্যন্ত সত্যে পরিণত না হলেও এই সকল হায়ানা, শকুন এবং হাঙ্গরদের ত্রিমুখী ক্রমাগত আক্রমণে এক সময়ের তেজি অর্থনীতি এখন নিস্তেজ প্রায়। পাশাপাশি তারা অর্থনীতির চারণক্ষেত্র ধ্বংস করে দিয়েছে। ভোরের

    সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা

    ইদানীং ভারি বর্ষণ ও বন্যার কারণে সাপে কাটা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বাংলাদেশে প্রায় ৮০ প্রজাতির সাপ রয়েছে যার মধ্যে ২৭ প্রজাতির সাপ বিষধর। সর্প দংশন পরবর্তী বিষক্রিয়ায় অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু ঘটে অনেকের। সর্প দংশন সম্বন্ধে অনেক ভুল ধারণা এখনো সমাজে বিরাজমান। প্রয়োজন সচেতনা বাড়ানো ও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া এসব কুসংস্কার রোধ করার জন্য। সাপে কাটার পর কী করবেন? ভয় পাবেন না। শান্ত থাকুন। বেশিরভাগ সাপ অবিষধর। এমনকি বিষধর সাপের দংশনেও অনেক সময় পর্যাপ্ত বিষ নাও থাকতে পারে। প্যানিক অ্যাট্যাকে অনেকে মৃত্যু ভয়ে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে অসংগত আচরণ, মূর্ছা যেতে পারেন। তাই যথাযথ আশ্বস্ত করুন। বিজ্ঞানভিত্তিক ও কার্যকরী চিকিৎসা রয়েছে এ ব্যাপারে বারবার অভয় দিন।

    মুমিনের মর্যাদা বাড়ে কীসে

    মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে সম্মানিত করে। তবে এ সম্মান অর্জন ও সংরক্ষণের দায়িত্ব মানুষের। বিশেষ কিছু কাজ করলে মানুষ অর্জন করতে পারবে বিশেষ সম্মান। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো মুসলমানের পার্থিব কোনো একটি বিপদ দূর করে দেবে, আল্লাহতায়ালা বিনিময়ে তার আখেরাতের কোনো একটি কঠিন বিপদ দূর করে দেবেন। যে ব্যক্তি অভাবগ্রস্ত লোককে সাহায্য করবে, আল্লাহ কেয়ামতের দিনে তাকে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য প্রদান করবেন। যে ব্যক্তি কোনো মুসলমানের দোষ-ত্রুটি গোপন করবে, আল্লাহ দুনিয়া-আখেরাতে তার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবেন। আল্লাহ তার বান্দাদের ততক্ষণ পর্যন্ত সাহায্য করতে থাকেন, যতক্ষণ সে তার ভাইকে সাহায্য করতে থাকে। যে ব্যক্তি
  • মুফতি আরিফ খান সাদ
    মুফতি আরিফ খান সাদমুহাদ্দিস ও ইসলামী চিন্তাবিদ

    কোরবানির পশুর চামড়া গরিবের অধিকার

    কোরবানির ঈদ একই সঙ্গে উৎসব, ইবাদত ও ত্যাগের অনুশীলন। কোরবানির ঈদে নামাজ, পশু কোরবানি, তাকবির প্রদানসহ বিভিন্ন আমল রয়েছে। তবে কোরবানির ঈদের সবচেয়ে বড় আমল হলো আল্লাহর নামে পশু কোরবানি করা। কোরবানির মাধ্যমে আল্লাহ পরীক্ষা করেন—বান্দা কতটুকু ত্যাগ স্বীকার করতে পারে তার রবের জন্য। একই সঙ্গে সামর্থ্যবান ব্যক্তির সম্পদ থেকে পশু কোরবানির মাধ্যমে গরিবের ঘরেও আনন্দ বিলানোর ব্যবস্থা করেন আল্লাহ। তাই তো বিধান হয়েছে—কোরবানির গোশত মালিক একা খাবেন না, পাড়া-প্রতিবেশী অসহায়-গরিবকেও দিতে হবে। কোরবানির গোশত তিন ভাগ করা সুন্নত। এক ভাগ নিজের পরিবারের জন্য, এক ভাগ আত্মীয়-প্রতিবেশীদের জন্য, আরেক ভাগ অসহায়-গরিবের জন্য। এভাবেই কোরবানি মুসলিম সমাজে উদ্যমতা তৈরি করে। ধনী-গরিবের
    মেজর (অব.) ড. নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ
    মেজর (অব.) ড. নাসির উদ্দিন আহাম্মেদগবেষক, বিশ্লেষক ও কলামিস্ট

    আমলাদের নৈতিক স্খলন কি মানসিক রোগ

    ১৯৮৪ সালের কথা। আমরা তখন বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে (বিএমএ) জেন্টলম্যান ক্যাডেট (জিসি) হিসেবে প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলাম। সে সময় বিএমএতে একসঙ্গে চারটি ব্যাচের প্রশিক্ষণ হতো। আমরা ছিলাম প্রথম টার্মে অর্থাৎ সবচেয়ে জুনিয়র। হঠাৎ একদিন দুপুরের পরপর জরুরি ভিত্তিতে আমাদের চার ব্যাচকেই দ্রুত প্যারেড গ্রাউন্ডে জমায়েত হওয়ার আদেশ এলো।‌ শুনলাম তো ‘প্রোমালগেশন প্যারেড’ হবে। কিছুই বুঝলাম না, শুধু ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটলাম প্যারাগ্রাউন্ডের দিকে। পরে জানলাম, ইংরেজি ‘প্রোমালগেশন’ শব্দের অর্থ একটি বিচারিক রায় বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সবাইকে জানানো ও জনসম্মুখে কার্যকর করা। সেদিন ‘প্রোমালগেশন প্যারেড’ আয়োজন করা হয়েছিল আমাদের সিনিয়র ব্যাচের দুজন ক্যাডেটের অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের পরিপ্রেক্ষিতে। এ সিনিয়ররা অর্থাৎ তাদের পুরো ব্যাচ প্রায় দুই বছর বিএমএতে

    উত্তম ব্যবহারে সদকার সওয়াব

    পৃথিবীতে সব মানুষ অন্যের সাহায্য নিয়ে চলে। ধনী ব্যক্তির প্রয়োজন হয় গরিবের শ্রম, গরিবের দরকার হয় ধনী ব্যক্তির অর্থ। এভাবেই পারস্পরিক সাহায্য-সহযোগিতার মাধ্যমে মানবসভ্যতা এগিয়ে চলে। পৃথিবীর সব মানুষ যদি ধনী হয়ে যেত তাহলে সভ্যতা নির্মাণ করার লোক খুঁজে পাওয়া যেত না। ধনীদেরও কর্তব্য, গরিবের প্রতি আন্তরিক হওয়া, তাদের মুখে হাসি ফোটানো। দান ও অনুদানের হাত প্রসারিত করা। মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষের প্রতি বিরাট অনুগ্রহ হলো রবের সন্তুষ্টিতে দান-সদকা করা। এটা মানুষের জন্য আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ। কেননা এর মধ্য দিয়ে মহান আল্লাহ মানুষের জন্য রেখেছেন প্রভূত কল্যাণ। দান-সদকার ফলে আল্লাহতায়ালা বান্দার গুনাহ মাফ করেন, আয়ের মধ্যে বরকত দেন, পারস্পরিক
অনলাইন জরিপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীকে লালগালিচা অভ্যর্থনা

কালবেলায় সংবাদের পর বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের হোস্টেলে অভিযান

হাঁড়িভাঙা আম দেখলেই মায়া লাগে : কৃষিমন্ত্রী

পাবনায় ‘ঢালারচর এক্সপ্রেস’ ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

ন্যাটোর পরবর্তী প্রধান হচ্ছেন মার্ক রুটে

বারবার কারা নির্যাতনেই মাখনের মৃত্যু, অভিযোগ রিজভীর

আকস্মিক বন্যায় ৭ লাখ ৭২ হাজারের বেশি শিশু ক্ষতিগ্রস্ত 

দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরির অপেক্ষায় দুই শতাধিক যানবাহন

আমেরিকা প্রবাসী মামার জন্য ছাগল কেনেন ইফাত

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের বিশ্লেষণ / হামাসের সঙ্গে যুদ্ধে কি ইসরায়েল হেরে যাচ্ছে?

১০

আওয়ামী লীগ দলে বাড়ছে তরুণনির্ভরতা

১১

অস্ট্রেলিয়ায় নেমেসিসের তিন কনসার্ট

১২

নানা আয়োজনে বাগেরহাটে কবি রুদ্রের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

১৩

তীব্র গরমে সৌদিতে এক হাজারের বেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

১৪

এবার বাবরের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ

১৫

তারা সুতারিয়ার স্বপ্ন

১৬

উজানের পানিতে গাইবান্ধায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত

১৭

নেত্রকোনায় পানিতে ডুবে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

১৮

সড়ক দুর্ঘটনায় লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ইরান আহত 

১৯

‘জামায়াতের সর্বস্তরের জনশক্তি বন্যার্তদের পাশে রয়েছে’ 

২০
তিন আদালতে বিচারাধীন পরিবেশের ২% মামলা
বন উজাড়, পানি দূষণসহ নানা কারণে পরিবেশগত সমস্যায় পড়ছে দেশ। দৃশ্যমানভাবে পরিবেশ দূষণ বেড়েই চলেছে। সেই তুলনায় পরিবেশের তিনটি আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা অনেক কম। অন্য আইনের ১৩ হাজার মামলার
ছাব্বিশ পাহাড়ে ঝুঁকি নিয়ে বাস ৬৫৫৮ পরিবারের
চট্টগ্রাম শহরে রয়েছে ২৬টি পাহাড়। এসব পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে অন্তত ৬ হাজার ৫৫৮ পরিবার। পাহাড়ে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস না করা, পাহাড় কর্তন না করা, পাহাড়ের ক্ষতি না
বিএনপির রদবদলে ফ্যাক্টর ‘কমিটমেন্ট’
ঈদুল আজহার আগে হঠাৎ করেই নির্বাহী কমিটিতে বড় ধরনের রদবদল করেছে বিএনপি। এর মধ্য দিয়ে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন ৪৫ নেতা। এই রদবদলের নেপথ্যে সাধারণভাবে বিগত আন্দোলনে রাজপথে ভূমিকার বিষয়টি আলোচনায়
নরসিংদীতে দুই যুগে ২ হাজারের বেশি খুন
দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জোন হিসেবে পরিচিত নরসিংদী জেলা। এখানে রয়েছে অসংখ্য কলকারখানা। এসব কারখানায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে বিপুলসংখ্যক মানুষ। সেই নরসিংদী এখন এক আতঙ্কিত জনপদের নাম। এখানে
কালবেলায় সংবাদের পর বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের হোস্টেলে অভিযান
কালবেলায় সংবাদের পর বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের হোস্টেলে অভিযান
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজের ডক্টরস হোস্টেলে প্রকাশ্যে মাদক সেবন হচ্ছে এমন একটি খবর প্রকাশ করে কালবেলা। এরপর ওই হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে মাদক সেবন অবস্থায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ জুন) সন্ধ্যার পরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) একটি দল সেখানে তল্লাশি চালাচ্ছে। বিস্তারিত আসছে...
৬ মিনিট আগে

দিল্লি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী 

৪ ঘণ্টা আগে

পুলিশকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশে গণমাধ্যমকে সতর্ক থাকার অনুরোধ

৪ ঘণ্টা আগে

প্রবাসীরা সহজেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে যেতে পারেন : পররাষ্ট্রমন্ত্রী 

৫ ঘণ্টা আগে

রাসেল ভাইপার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অজানা তথ্য দিলেন চিকিৎসক

৫ ঘণ্টা আগে

ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ

৬ ঘণ্টা আগে
বারবার কারা নির্যাতনেই মাখনের মৃত্যু, অভিযোগ রিজভীর
বারবার কারা নির্যাতনেই মাখনের মৃত্যু, অভিযোগ রিজভীর
বারবার কারা নির্যাতনেই ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য ও ভাসানটেক থানা শাখার সাবেক সভাপতি গোলাম কিবরিয়া মাখনের অকাল মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।  শুক্রবার (২১ জুন) বাদ আসর রাজধানীর ভাসানটেকে মরহুম মাখনের জানাজাপূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন তিনি। এর আগে দুপুর দেড়টার দিকে আকস্মিকভাবে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন গোলাম কিবরিয়া মাখন। রিজভী বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন করতে গিয়ে মাখনের ওপর সরকারের ভয়াবহ নিপীড়ন চলে। একাধিকবার সে কারা নির্যাতিত হয়। এছাড়াও বারবার গ্রেপ্তারের পর পুলিশি নির্যাতনও চলে তার ওপর। আমি কারাগারে গেলে তার সঙ্গে দেখা হয়েছিল। তার ওপর যে ভয়াবহ নির্যাতন হয়েছিল, সে বর্ণনা আমাকে সে শুনিয়েছিল।  তিনি বলেন, মাখনের অকাল মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তার মতো সাহসী নেতার মৃত্যুতে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে তা সহজে পূরণ হবার নয়। আমি তার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।  জানাজায় আরও অংশ নেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক আমিনুল হক, কেন্দ্রীয় নেতা নাজিম উদ্দীন আলম, তারিকুল আলম তেনজিং, যুবদলের সদ্য সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুন হাসান, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি তৌহিদুর রহমান আউয়ালসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা।
১৯ মিনিট আগে
আওয়ামী লীগ দলে বাড়ছে তরুণনির্ভরতা
আওয়ামী লীগ দলে বাড়ছে তরুণনির্ভরতা
সড়ক দুর্ঘটনায় লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ইরান আহত 
সড়ক দুর্ঘটনায় লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ইরান আহত 
‘জামায়াতের সর্বস্তরের জনশক্তি বন্যার্তদের পাশে রয়েছে’ 
‘জামায়াতের সর্বস্তরের জনশক্তি বন্যার্তদের পাশে রয়েছে’ 
‘প্রধানমন্ত্রী এবার কী নিয়ে আসেন, জনগণ তা দেখার প্রতীক্ষায়’
‘প্রধানমন্ত্রী এবার কী নিয়ে আসেন, জনগণ তা দেখার প্রতীক্ষায়’
জামিনে কারামুক্ত যুবদলের সাবেক সভাপতি নিরব
জামিনে কারামুক্ত যুবদলের সাবেক সভাপতি নিরব
বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ তৎপরতা জোরদারের আহ্বান খেলাফত মজলিসের
বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ তৎপরতা জোরদারের আহ্বান খেলাফত মজলিসের

কাঁচামরিচ ও পেঁয়াজের ঝাঁজে নাভিশ্বাস মধ্যবিত্তের

ঈদ চলে গেলেও এখনো নিয়ন্ত্রণ হয়নি বাজার। ব্যয় সংকুলান করতে না পারায় মধ্য নিম্নবিত্তের নাভিশ্বাস উঠেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে আলু-পেঁয়াজ-মুরগির দাম। এ ছাড়া কাঁচামরিচের দাম বেড়ে ৩০০ টাকা ছাড়িয়েছে।  শুক্রবার (২১ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। বিক্রেতাদের দাবি, দেশের বিভিন্ন জায়গায় অতি ঝড়বৃষ্টি এবং বন্যার কারণে বাজারে সরবরাহ কম থাকায় কাঁচামরিচের দাম অনেক বেড়ে গেছে। এক সপ্তাহ আগেও কাঁচামরিচের কেজি ছিল ২০০ থেকে ২২০ টাকা। আজকের বাজারে দেখা যায় তা বেড়ে হয়েছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি কাঁচামরিচে ১০০ টাকার বেশি দাম বেড়েছে। পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ঈদের বন্ধের মধ্যে বাজারে নিত্যপণ্যের সরবরাহ কম। যার কারণে বেশকিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। তবে দু-একদিনের মধ্যে বাজারে পণ্য সরবরাহ আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে বলে জানান তারা।  এদিকে ঈদের আগে পাইকারিতে ৭৫-৮০ টাকা কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল। কিন্তু সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পাইকারিতে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকা। আলুর ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। এছাড়া বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম ১০ টাকা পেলেও  ডিমের দাম বেড়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রতি ডজন ডিম ১৬০-১৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এদিকে বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ৬০-৮০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৩০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, শসা ৫০-৬০ টাকা ও লতি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতি কেজি পেঁপে ৪০-৫০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, টমেটো ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ টাকা ও পটোল বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। আর ধনেপাতা ২০০ টাকা, কহি ৩০ টাকা, আর চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। এ ছাড়া প্রতি পিস লাউয়ের জন্য গুনতে হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা। আর বাজারে লালশাকের আঁটি ১৫ টাকা, পাটশাক ১৫ টাকা, পুঁইশাক ২০ টাকা, লাউশাক ৩০ টাকা, কলমি ১৫ টাকা ও পালংশাক ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  

সুইস ব্যাংক থেকে দ্রুত টাকা তুলে নিচ্ছে বাংলাদেশিরা

সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংক বা সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে গেছে। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে দেশটির বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা বাংলাদেশিদের অর্থ প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ সুইস ফ্রাঁ বা ৬৭ শতাংশ কমে গেছে। সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (এসএনবি) বার্ষিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (এসএনবি) প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের আমানতের পরিমাণ সাড়ে ৫ কোটি সুইস ফ্রাঁ থেকে কমে ১ কোটি ৮০ লাখ ফ্রাঁ হয়েছে। দেশটির ব্যাংকগুলো থেকে বাংলাদেশিদের অর্থ তুলে নেওয়ার এই গতিকে তীব্র বলা হচ্ছে। যদিও সুইজারল্যান্ডের ব্যাংক থেকে বাংলাদেশিদের অর্থ তুলে নেওয়ার হার গত এক দশক ধরে বাড়ছিল। তবে, প্রায় এক দশক ধরে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশির আমানত বৃদ্ধির পর হুট করে তা কমছে কেন, এর ব্যাখ্যা নেই ওই প্রতিবেদনে। এর আগে, এসএনবির ২০২২ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২১ সালেও সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের আমানতের পরিমাণ ছিল ৮৭ কোটি ১১ লাখ সুইস ফ্রাঁ। কিন্তু পরের বছর অর্থাৎ ২০২২ সালে তা কমে ৫ কোটি ৫০ লাখ ফ্রাঁতে দাঁড়ায়। আর বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসএনবি বলেছে, সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত ৫ কোটি ৫০ লাখ ফ্রাঁ থেকে কমে ১ কোটি ৮০ লাখ ফ্রাঁ হয়েছে। বাংলাদেশে সুইস ফ্রাঁর খুব বেশি লেনদেন হয় না। তবে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতি সুইস ফ্রাঁর বিনিময় মূল্য প্রায় ১৩১ টাকা। সেই হিসাবে টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৩৮ কোটি টাকা। সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে বাংলাদেশিদের যে অর্থ জমা হয়, তা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে জমা হয়। সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বিভিন্ন দেশ থেকে জমা হওয়া এসব অর্থ সে দেশের দায় হিসাবে আর্থিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করে থাকে। সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থের পরিমাণ একলাফে এক বছরে ৬৭ শতাংশ কমে যাওয়ায় তথ্যটি এমন একসময়ে এসেছে, যখন দেশে অর্থ পাচারের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। জানা গেছে, গোপনে অর্থ গচ্ছিত রাখার জন্য বহুদিনের খ্যাতি সুইজারল্যান্ডের। কঠোরভাবে গ্রাহকদের নাম-পরিচয় গোপন রাখে সুইস ব্যাংকগুলো। যে কারণে প্রচলিত বিশ্বাস, অবৈধ আয় আর কর ফাঁকি দিয়ে জমানো টাকা জমা রাখা হয় সুইস ব্যাংকে। নির্দিষ্ট গ্রাহকের তথ্য না দিলেও এক দশক ধরে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক। তাতেই ওঠে আসছে এসব তথ্য। ধারণা করা হচ্ছে, সুইজারল্যান্ডে গোপনীয়তা কমতে থাকায় বাংলাদেশিসহ অনেক দেশের ধনীরাই এখন অবৈধ টাকা জমা রাখার জন্য কানাডা, দুবাই, লুক্সেমবার্গ, কেম্যান আইল্যান্ড, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড কিংবা বারমুডার মতো ট্যাক্স হ্যাভেন দেশগুলোর দিকে ঝুঁকছেন। সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে যাওয়ার পেছনে গোপনীয়তার অভাবকে দায়ী করেছেন দেশের অর্থনীতিবিদরাও। তারা বলছেন, এখনো প্রতি বছর দেশ থেকে টাকা পাচার হচ্ছে। তবে আগে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিরা পাচারের অর্থ জমা করলেও এখন আর করছে না। কারণ সেখানে কোনো গোপনীয়তা নেই। সরকার চাইলে বা সুইস ব্যাংক নিজে থেকেও সেসব তথ্য প্রকাশ করে থাকে। সেজন্য সুইস ব্যাংকের আমানত তুলে কানাডা, দুবাই বা অন্যকোনো দেশে সরিয়ে নিচ্ছেন তারা। এ ছাড়া দেশের চলমান ডলার–সংকটও অন্যতম কারণ। তারা বলছেন, দেশে ডলারের সংকট দেখা দেওয়ায় দেশটিতে অর্থ জমার বা বিনিয়োগের সক্ষমতা হারিয়েছে অনেক প্রতিষ্ঠান। এ প্রসঙ্গে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর কালবেলাকে বলেন, দেশ থেকে এখনো প্রতি বছর অর্থ পাচার বাড়ছে। যা দেশের অন্যতম সমস্যা। তবে পাচারের এই অর্থ আগে সুইস ব্যাংকে গোপনে রাখার সুযোগ পেলেও এখন আর সেই সুযোগ পাচ্ছে না পাচারকারীরা। কারণ রাষ্ট্রীয়ভাবে সুইস ব্যাংকের কাছে রাখা অর্থের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা সেটা প্রকাশ করে। আবার সুইস ব্যাংক নিজেও সেই তথ্য প্রকাশ করে থাকে। তাই পাচারকারীরা গোপনীয়তা রক্ষা করে এমন কোন জায়গায় যেমন কানাডা বা দুবাই বা অন্য কোনো দেশে তাদের অর্থ সরিয়ে নিতে পারেন। তিনি আরও বলেন, সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশি অনেক প্রতিষ্ঠান প্রাতিষ্ঠানিকভাবেও অর্থ জমা রাখে। বাংলাদেশ ব্যাংকসহ দেশের বাণিজ্যিক অনেক ব্যাংকও দেশটিতে অর্থ রাখে। দেশে ডলার-সংকট দেখা দেওয়ায় হয়তো এসব প্রতিষ্ঠান সেখান থেকে অর্থ তুলে নিয়েছে বা নতুন করে অর্থ জমা রাখতে পারেনি। এ ছাড়া সুইজারল্যান্ডে এখন অনেক বাংলাদেশি থাকেন। তারাও বৈধভাবে সেখানকার ব্যাংকে অর্থ জমা রাখেন। যেহেতু বিশ্বজুড়ে এক ধরনের অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে, তাই হয়তো বৈধভাবে যারা সেখানে অর্থ জমা রাখতেন, তাদের সঞ্চয়ের সক্ষমতা কমে গেছে। তাই সার্বিকভাবে হয়তো বাংলাদেশিদের অর্থের পরিমাণ কমেছে দেশটিতে। প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০২১ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা রাখা অর্থের পরিমাণ ৮৭২ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁতে পৌঁছায়। যা দেশটির ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ পরিমাণ অর্থ জমা। তবে ২০২০ সালে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের জমা অর্থের পরিমাণ তার আগের বছরের তুলনায় কম ছিল। ওই বছর সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ ছিল ৫৬ কোটি ৩০ লাখ সুইস ফ্রাঁ; যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫ হাজার ২০৩ কোটি টাকার বেশি। তার আগের বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে দেশটির বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা করা অর্থের পরিমাণ ছিল ৬০ কোটি ৩০ লাখ ফ্রাঁ। ২০১৮ সালে এই অর্থের পরিমাণ ছিল ৬২ কোটি সুইস ফ্রাঁ। আর ২০১৭ সালে এর পরিমাণ ছিল ৬৬ কোটি ১৯ লাখ সুইস ফ্রাঁ। এদিকে সুইস কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে শুধু যে বাংলাদেশিদের অর্থ কমেছে, তা নয়। ভারত, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুর, চীন, রাশিয়া, সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ জমার পরিমাণও কমেছে। ভারতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকের সুইস ব্যাংকে অর্থ আমানতের হার ২০২৩ সালে প্রায় ৭০ শতাংশ কমেছে। গত চার বছরের মধ্যে ভারতীয়দের আমানতের পরিমাণ সর্বনিম্নে পৌঁছেছে ২০২৩ সালে। আমানত হ্রাস পাওয়ার পরও সুইস ব্যাংকে ভারতীয়দের অর্থের পরিমাণ ১ দশমিক ০৪ বিলিয়ন সুইস ফ্রাঁতে দাঁড়িয়েছে; যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৯ হাজার ৭৭১ কোটি রুপি। এ নিয়ে সুইস ব্যাংকে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকদের আমানত টানা দ্বিতীয়বারের মতো কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের যেসব অর্থ জমা রয়েছে, সেগুলো যে সব পাচারের অর্থ, তা বলা যাবে না। কারণ, সুইজারল্যান্ড ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারীরাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা বৈধভাবেও দেশটিতে অর্থ জমা রাখেন। ব্যক্তির পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিকভাবেও অর্থ জমা রাখা হয় দেশটির বিভিন্ন ব্যাংকে।

বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী মালয়েশিয়া : পলক 

বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ ও তথ‌্যপ্রযুক্তি খাতে মালয়েশিয়া বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ব্যবসার পরিসর বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনাহ মো. হাশিমের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে একথা জানান পলক। সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার এ আগ্রহের কথা ব‌্যক্ত করেন। তবে সেক্ষেত্রে কিছু চ‌্যালেঞ্জের কথাও এ সময় তুলে ধরা হয় বলে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন পলক। বৈঠক শেষে পলক সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশে বেশ কিছু মালয়েশিয়ান প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ রয়েছে। মালয়েশিয়ার সরকার-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগ আরও বৃদ্ধি করতে চায় এবং ব্যবসার পরিসর বাড়াতে চায়। সেক্ষেত্রে রাজস্বসহ অন্যান্য কিছু বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. মুশফিকুর রহমান এবং বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ইডটকোর পরিচালক (ফিন্যান্স) আহমেদ জুবায়ের আলী উপস্থিত ছিলেন।
২০ জুন, ২০২৪
বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী মালয়েশিয়া : পলক 

নামমাত্র মূল্যে কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রি

প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো বৃহত্তর সিলেট বিভাগের চামড়ার বড় ব্যবসা কেন্দ্র সদর উপজেলা শ্রীমঙ্গল উপজেলায়। গত কয়েক বছর কোরবানির ঈদে চামড়া নিয়ে কেঁদেছেন অনেক মৌসুমি ব্যবসায়ী। ফলে এবার কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার দাম কিছুটা বেশি। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল কোরবানির পশুর চামড়া নামমাত্র মূল্যে বিক্রয় হয়েছে। আড়তদারদের হাঁকডাকে সরব ছিল শ্রীমঙ্গলের বেশ কয়েকটি জায়গায়। তবে সন্ধ্যার পর পুরোদমে চামড়া কেনা-বেচা শুরু হয় বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতিবছরের মতো এবারও পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। শ্রীমঙ্গলে বড় বড় ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি আছেন ছোট ও ক্ষুদ্র এবং মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও। মঙ্গলবার (১৮ জুন) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কিছুক্ষণ পরপর বিভিন্ন এলাকা থেকে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা চামড়া সংগ্রহ করে সেখানে এনে বিক্রি করছেন। কোরবানি দেওয়া অনেকে ব্যক্তিগতভাবেও চামড়া বিক্রি করছেন। বিভিন্ন মাদ্রাসা থেকেও চামড়া বিক্রি করতে আনা হচ্ছে। শ্রীমঙ্গল শহরের জুড়ে আশপাশে গলির ভেতর চামড়া বিক্রি হয় সন্ধ্যা পর্যন্ত। যদিও দিনভর চামড়া সংগ্রহ ও বিক্রি চলেছে। বিভিন্ন স্থানে সংগ্রহ করে রাখা চামড়া পিকআপে করে কিনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। জানা গেছে, শ্রীমঙ্গলে উপজেলা জুড়ে গরুর চামড়া সর্বোচ্চ দেড়শ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। অপরদিকে ছাগলের চামড়া ফ্রিতে দিচ্ছে বিক্রেতারা। বিভিন্ন স্থান থেকে আসা চামড়া বিক্রি করতে না পারায় সৃষ্টি হয়েছে নানা বিড়ম্বনার। আর লাভবান হচ্ছে মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীরা। তারা বেশি দাম দিয়ে চামড়া কিনতে নারাজ। ফলে অনেকে হতাশ হয়ে চামড়া সরকারি দাম ৫৫-৬০ টাকা নির্ধারণ করলেও ২৫-৩০ টাকায় বাধ্য হয়েই বিক্রি করতে হচ্ছে। অপরদিকে ছাগলের চামড়া নিয়ে আসলে ক্রেতা ক্রয় করতে আগ্রহী না হওয়ায় ফেলে যাচ্ছেন। লাখ টাকায় ক্রয় করা গরুর চামড়া সেখানে বিক্রি হচ্ছে মাত্র ২০০-৩০০ টাকায়। অথচ বিক্রেতারা পাচ্ছেন না সরকার নির্ধারিত দাম। যারা বিক্রি করেছেন তারা দাম না পেয়ে ছিলেন হতাশ। আর যারা ক্রয় করছেন তারা পরবর্তীতে দাম পাবেন কিনা, সে নিয়ে আছেন শঙ্কায়। শ্রীমঙ্গলে চামড়া বিক্রি করতে আসা আনকার মিয়া বলেন, লাখ টাকায় কেনা গরুর চামড়ার দাম নিয়ে অসন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন কোরবানিদাতারাও। আমরা বাসাবাড়ি থেকে ৩০০-৫০০ টাকায় একেকটি চামড়া কিনে এনেছি। এখানে একেকটি বিক্রি করেছি ২০০ টাকায়। আরও একজন চামড়া বিক্রেতা শুকুর মিয়া জানান, ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা কোরবানি পশুর চামড়া বিক্রি করেছি মাত্র ১৫০ টাকায়। এর চেয়ে বেশি দাম দিতে রাজি হননি স্থানীয় মৌসুমি ব্যবসায়ী। বর্গফুটের হিসেবে কোথাও চামড়া বিক্রি হয়নি। দাম কম পাওয়ায় বিক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। চামড়া ব্যবসায় মনসুর মিয়া বলেন, মৌসুমি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন তারা গত বছর কোরবানির পশুর চামড়া সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে কিছুটা কমে কিনলেও এবার চেষ্টা করবেন সরকারের বেঁধে দেওয়া নির্ধারিত দামে নিতে। ছোট-বড় সাইজের আড়াইশ চামড়া কিনেছেন সর্বোচ্চ ৪০০-৫০০ টাকা। চামড়া ব্যবসায়ী সামছুল মিয়ার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবার সরকারিভাবেও চামড়ার দাম বাড়ানো হয়েছে। লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। যা গত বছর ছিল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। তিনি বলেন, এখনও কিনতে পারছি না। দাম বেশি চাওয়া হচ্ছে। আমরাও কিছু লাভ করতে হবে। যে অবস্থা, ২০-৩০ টাকা থাকতে পারে প্রতি পিছে। দামের সময় ২০০-৩০০ টাকা লাভ হতো। ৯০০ টাকা লবণের বস্তা এখন। যা আগে ৪০০-৫০০ টাকা ছিল। মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক ডক্টর উর্মি বিনতে সালাম বলেন, সরকার যে দাম নির্ধারিত করে দিয়েছে সে দামেই ব্যবসায়ীদের চামড়া কিনতে হবে। লবণের দাম তেমন বাড়েনি। বিভিন্ন স্থানে আমাদের মনিটরিং সেল কাজ করছে।
১৯ জুন, ২০২৪
নামমাত্র মূল্যে কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রি

চামড়া / দিনে বাজিমাত, রাতে মাথায় হাত

চলতি বছর আরও এক দফা কোরবানির পশুর চামড়া বাড়িয়েছে সরকার। এমন ঘোষণায় ট্যানারি ব্যবসায়ীদের মাঝে জ্বলেছে আশার আলো। যদিও মাথায় হাত বেশি লাভবানের আশায় থাকা মৌসুমি ব্যবসায়ীদের। কোরবানির প্রথম দিনে সন্ধ্যা নামার আগ মুহূর্তে চামড়ার দর ভালো ছিল। সে সময় অনেকে চামড়া বিক্রি করে হয়েছেন লাভবান। আর যারা আরও একটু বেশি লাভের আশায় ধরে রেখেছেন তাদের মাথায় হাত। সন্ধ্যার পর হয় চামড়ার দরপতন। দিনে চামড়ার দরের সঙ্গে রাতের দর ফারাক। বন্দর নগরী চট্টগ্রামের অন্যতম চামড়ার বাজার শেখ মুজিব রোড চৌমুহনী থেকে এ তথ্য জানা যায়। সোমবার (১৭ জুন) রাত ১২টায় সংশ্লিষ্টরা কালবেলাকে জানান, বিকেল ৪টা পর্যন্ত চামড়ার দর ভালো ছিল। সন্ধ্যার পর থেকে দরপতন। অনেকের মাথায় হাত। দিনে চামড়া কিনেছে অনেক পার্টি।  মৌসুমি ব্যবসায়ী মো. আলমগীর হোসেন কালবেলাকে জানান, লাভের ওপর টাকা নিয়ে চামড়ার ব্যবসায় নেমেছি। যে দামে কিনেছি এখন লাভ তো দূরের আশা পুঁজিও হারাতে হবে। মঙ্গলবার (১৮ জুন) সরেজমিনে দেখা গেছে, চৌমুহনীতে ভোর ৫টার সময়ও হাহাকার চামড়া ব্যবসায়ীদের। এমন পরিস্থিতিতে লোকসানে বিক্রি করেছেন অনেকে। আবার বাকিতেও। লবণ না দেওয়ায় বের হচ্ছে দুর্গন্ধ। ভারি হচ্ছে পরিবেশ। দুপুর ২টার দিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ময়লাবাহী ট্রাকে চামড়া তুলছে পরিচ্ছন্ন কর্মীরা। সেখানে ছিল প্রায় চারশর মতো চামড়া। বৃহত্তর চট্টগ্রাম কাঁচা চামড়া আড়তদার সমবায় সমিতি লিমিটেড এবার তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের টার্গেট নির্ধারণ করেছে। তবে পুরো চট্টগ্রামে কী পরিমাণ চামড়া সংগ্রহ হয়েছে, তা জানাতে আরও কমপক্ষে একদিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছে আড়তদার সমিতি। গত বছর তারা ৩ লাখ ৪২ হাজার কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করেছিল। এবার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা না থাকলেও সরকারি দাম মেনে চামড়া সংগ্রহ এখন আড়তদারদের কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা বলছেন, একদিকে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা চামড়া কেনার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দর দিচ্ছেন কোরবানিদাতাদের, যে দামে তাদের কেনা সম্ভব নয়। অন্যদিকে ট্যানারি মালিকদের বিভিন্ন কারসাজির কারণে তারা লোকসানের আশঙ্কা করছেন। এদিকে চামড়ার দরপতনে ট্যানারি ব্যবসায়ীরা কলকাঠি নাড়াচ্ছেন বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। জামাল উদ্দীন নাম এক ব্যবসায়ী কালবেলাকে বলেন, ৬০০ টাকার চামড়া দর করে ২০০ টাকা। সরকার এ বছর চামড়ার দর আরও একধাপ বাড়াল।অপরদিকে গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ নাকি এবারও চামড়ার বাজারে সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিয়েছে। তা হলে চামড়ার বাজার দরের এই অবস্থা কেন? তবে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের এমন অভিযোগ মানতে নারাজ গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ। ওই কমিটির মিডিয়া পার্সন সাবের আহমেদ কালবেলাকে বলেন, চামড়ার বাজারে আমাদের কোনো হাত নেই। আমরা আঞ্জুমানের জন্য এক লাখ চামড়া কালেকশন করি। আঞ্জুমানের একটি ট্যানারির অধীনে চামড়াগুলো কালেকশন করা হয়। আঞ্জুমানের ভক্ত আশেকবৃন্দরা মূলত ওই চামড়ার জোগান দেন। উপজেলা থেকেও চামড়া সংগ্রহ করা হয়।
১৮ জুন, ২০২৪
দিনে বাজিমাত, রাতে মাথায় হাত
হাঁড়িভাঙা আম দেখলেই মায়া লাগে : কৃষিমন্ত্রী
হাঁড়িভাঙা আম দেখলেই মায়া লাগে : কৃষিমন্ত্রী
দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরির অপেক্ষায় দুই শতাধিক যানবাহন
দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরির অপেক্ষায় দুই শতাধিক যানবাহন
পাবনায় ‘ঢালারচর এক্সপ্রেস’ ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু
পাবনায় ‘ঢালারচর এক্সপ্রেস’ ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু
আমেরিকা প্রবাসী মামার জন্য ছাগল কেনেন ইফাত
আমেরিকা প্রবাসী মামার জন্য ছাগল কেনেন ইফাত
নানা আয়োজনে বাগেরহাটে কবি রুদ্রের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
নানা আয়োজনে বাগেরহাটে কবি রুদ্রের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
উজানের পানিতে গাইবান্ধায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত
উজানের পানিতে গাইবান্ধায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত
নেত্রকোনায় পানিতে ডুবে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
নেত্রকোনায় পানিতে ডুবে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
চট্টগ্রামে পাহাড়ি ঝরনা থেকে পড়ে পর্যটক আহত
চট্টগ্রামে পাহাড়ি ঝরনা থেকে পড়ে পর্যটক আহত
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান

ন্যাটোর পরবর্তী প্রধান হচ্ছেন মার্ক রুটে

পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোর পরবর্তী প্রধান হচ্ছেন নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে। জোটের বর্তমান মহাসচিব জেনারেল স্টলটেনবার্ জেনারেল স্টলটেনবার্গের মেয়াদ শেষ হলে তিনি এ পদে অধিষ্ঠিত হবেন। শুক্রবার (২১ জুন) ডয়েচে ভেলেও এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ন্যাটোর বর্তমান প্রধান জেনারেল স্টলটেনবার্গের মেয়াদ আগামী অক্টোবরে শেষ হবে। এরপর রুটে জোটের প্রধান হবেন। শরিকদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  নেদারল্যাান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে ২০২৩ সালের জুলাইয়ে সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসরের ঘোষণা দেন। দীর্ঘ ১৩ বছর প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। নেদারল্যান্ডসের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দেশটির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন রুটে।  অভিবাসীদের প্রতি নরম মনোভাব দেখানোর অভিযোগ ওঠে রুটের বিরুদ্ধে। এরপর তিনি অবসরের ঘোষণা দেন। ফলে দেশটির চারদলীয় জোট ভেঙে যায়। এরপর নির্বাচনে দক্ষিণপন্থিরা সবচেয়ে বেশি আসন পায় এবং রুটে নিজের রাজীনতিক জীবনে সবচেয়ে বড় পরজায়ের মুখে পড়েন। এরপর থেকে নেদারল্যান্ডসের কার্যকরী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রুটে।  অবসরের পরিকল্পনা বাতিল  ২০২৩ সালে রাজনীতি থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেও ওই বছরই তিনি ন্যাটোর শীর্ষ পদে দায়িত্ব নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এরপর জোটের সদস্য দেশগুলোর প্রধানদের সঙ্গে দেখা করতে শুরু করেন তিনি। দীর্ঘদিন প্রধানমন্ত্রী থাকার কারণে সদস্য দেশগুলোর কাছ থেকে খুব সহজেই সমর্থন আদায় করে নেন রুটে।  ইউক্রেনের একান্ত সমর্থক হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন খুব সহজে পেয়েছেন রুটে। আর যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন দেওয়ায় বাকি দেশগুলোও তার পক্ষ নিয়েছে।  যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর সমর্থন সহজে পেলেও হাঙ্গেরির সমর্থন পেতে কিছুটা বেগ পেতে হয় রুটের। দেশটির প্রধানমন্ত্রী অরবানের সঙ্গে সম্পর্ক তেমন ভালো না হওয়ায় হাঙ্গেরিকে ন্যাটোর সীমার বাইরে ইউক্রেনকে সাহায্য করার প্রয়োজন হবে না এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে সমর্থন পেয়েছেন তিনি।  রুটে ব্যক্তিজীবনে খুব শৌখিন মানুষ। সাইকেলে করে অফিসে যাওয়ার সুনাম রয়েছে তার। রসিকতাবোধও তার স্বভাবের একটি লক্ষ্যণীয় দিক। এছাড়া হেগ সেন্ট্রাল স্টেশনে পিয়ানোও বাজানোর অভ্যাস রয়েছে তার।   
তীব্র গরমে সৌদিতে এক হাজারের বেশি হজযাত্রীর মৃত্যু
তীব্র গরমে সৌদিতে এক হাজারের বেশি হজযাত্রীর মৃত্যু
আবারও বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ঢলের আশঙ্কা
আবারও বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ঢলের আশঙ্কা
অবৈধ ভবনে বসবাস, প্রবাসীদের ফেরত পাঠাবে কুয়েত
অবৈধ ভবনে বসবাস, প্রবাসীদের ফেরত পাঠাবে কুয়েত
পুতিনের নতুন জোট তৈরির গতিতে বিস্মিত আমেরিকা
পুতিনের নতুন জোট তৈরির গতিতে বিস্মিত আমেরিকা
‘যুক্তরাষ্ট্রে স্নাতক পাস করা বিদেশি শিক্ষার্থীরা পাবেন গ্রিন কার্ড’
‘যুক্তরাষ্ট্রে স্নাতক পাস করা বিদেশি শিক্ষার্থীরা পাবেন গ্রিন কার্ড’
মুসলিম দেশটিতে নিষিদ্ধ হলো হিজাব, ঈদ উদ্‌যাপনে বাধা
মুসলিম দেশটিতে নিষিদ্ধ হলো হিজাব, ঈদ উদ্‌যাপনে বাধা
অস্ট্রেলিয়ায় নেমেসিসের তিন কনসার্ট
অস্ট্রেলিয়ায় নেমেসিসের তিন কনসার্ট
তারা সুতারিয়ার স্বপ্ন
তারা সুতারিয়ার স্বপ্ন
শিল্পী সমিতির ফান্ডে ১০ লাখ টাকা অনুদান দিলেন ডিপজল
শিল্পী সমিতির ফান্ডে ১০ লাখ টাকা অনুদান দিলেন ডিপজল
নামিয়ে দেওয়া হলো বুবলীর ‘রিভেঞ্জ’ 
নামিয়ে দেওয়া হলো বুবলীর ‘রিভেঞ্জ’ 
অনুপমের সিন্দুক নিয়ে পালিয়েছে চোর
অনুপমের সিন্দুক নিয়ে পালিয়েছে চোর
বুলগেরিয়া জয় করল ‘কাঠ গোলাপ’
বুলগেরিয়া জয় করল ‘কাঠ গোলাপ’
তুফান সিনেমার মুণ্ডুকাটা দৃশ্য নিয়ে কঠোর হচ্ছে সেন্সর বোর্ড 
তুফান সিনেমার মুণ্ডুকাটা দৃশ্য নিয়ে কঠোর হচ্ছে সেন্সর বোর্ড 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
মেসিরা দেরি করায় হেরেছে কানাডা?
মেসিরা দেরি করায় হেরেছে কানাডা?
ব্যাটারদের রান না পাওয়ার প্রশ্নের উত্তর নেই শান্তর কাছে
ব্যাটারদের রান না পাওয়ার প্রশ্নের উত্তর নেই শান্তর কাছে
এবার বাবরের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ
এবার বাবরের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ
কয়েকদিন আগে খবর আসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে উগান্ডার এক ক্রিকেটারকে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সেই ক্রিকেটার আইসিসিকে জানালে পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এখানে শেষ হতে পারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফিক্সিংয়ের অধ্যায়। এবার পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বাবর আজমের বিরুদ্ধে স্পট এবং ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে দেশটির গণমাধ্যম। এরপর নড়েচড়ে বসেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। ফিক্সিংয়ের অভিযোগ করা ব্যক্তিদের প্রমাণ নিয়ে আসতে বলেছে সংস্থাটি। বোর্ড আরও বলেছে, প্রমাণ ছাড়াই কোনো অভিযোগ করা হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদিও এটি পিসিবির আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি নয়। পিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে এ কথা জানিয়েছে দেশটির ক্রিকেটবিষয়ক গণমাধ্যম ক্রিকেট পাকিস্তান। যদিও সূত্রটি নিশ্চিত করেছে পিসিবি, ম্যাচ ফিক্সিংয়ের মতো নেতিবাচক মন্তব্য সম্পর্কে অবগত রয়েছে। অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করা হয়েছে। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে বাবর আজমের দল। এরপরই স্পট এবং ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অধিনায়কের বিরুদ্ধে। পাকিস্তানের গণমাধ্যমে পিসিবির সূত্রটি বলেছে, ‘এই নেতিবাচক মন্তব্য সম্পর্কে আমরা পুরোপুরি সচেতন। খেলার সীমার মধ্যে সমালোচনা গ্রহণযোগ্য এবং এতে কোনও আপত্তি নেই। তবে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের মতো ভিত্তিহীন অভিযোগ কোনও পরিস্থিতিতেই সহ্য করা যায় না।’ বোর্ড এমন অভিযোগের তদন্ত করবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে সূত্রটি জানায়, ‘বোর্ডের কোনও সন্দেহ নেই, তাহলে কেন আমাদের তদন্ত করা উচিত? যারা অভিযোগ করেছেন, তাদের প্রমাণ দিতে হবে। আমরা আমাদের আইনি বিভাগকে এই ধরনের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করে প্রমাণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। যদি তারা প্রমাণ দিতে না পারে, তাহলে আমরা মানহানির মামলা করে ক্ষতিপূরণ চাইব।’ গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার পর থেকেই বাবর-রিজওয়ানদের মুণ্ডুপাত চলছে। সাবেক ক্রিকেটার থেকে শুরু করে, পিসিবির কর্তা এবং সাধারণ মানুষ ব্যাপক সমালোচনা করছেন ক্রিকেটারদের। এর মধ্যে উঠেছে স্পট এবং ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ। পাকিস্তানের প্রবীণ সাংবাদিক মুবাশির লোকমান বাবরের বিরুদ্ধে গুরুতর এই অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। পাকিস্তানের অধিনায়ককে ব্যয়বহুল গাড়ি উপহার দেওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুবাশির। গত বছরের শেষের দিকে বাবরের বড় ভাই তাকে একটি অডি ই-ট্রন জিটি নামের দামি গাড়ি উপহার দিয়েছিলেন। বাংলাদেশের গাড়িটির আনুমানিক মূল্য ২ কোটি টাকার বেশি। পাকিস্তানের এই গাড়ির মূল্য প্রায় দ্বিগুণ। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে ওই সাংবাদিক জানান, ‘বাবর আজম নতুন ই-ট্রন পেয়েছেন। তিনি বলেছেন তার ভাই এটি উপহার দিয়েছিলেন। আমি ভাবছিলাম তার ভাই কী করে, যে সে ৭-৮ কোটি টাকার গাড়ি উপহার দিচ্ছে। আমি জানতে পেরেছি যে, সে কিছুই করে না। তখন কেউ একজন আমাকে বলেছিল আপনি যদি ছোট দলের কাছে হেরে যান, প্লট, গাড়ি আপনি পাবেন না, তাহলে কে পাবে? আমি ওই ব্যক্তিকে বলেছিলাম যে, এগুলো গুরুতর অভিযোগ। তিনি আমাকে বলেছিলেন সবাই জানে কে কী করছে।’ ভিডিওটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের অনেকের দাবি পাকিস্তান দলকে বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
জয়ের পরও স্কালোনির অসন্তোষ 
জয়ের পরও স্কালোনির অসন্তোষ 
ম্যাচ হারের পর যাদের দোষ দেখছেন শান্ত 
ম্যাচ হারের পর যাদের দোষ দেখছেন শান্ত 
ইভেন্ট
লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
X