নির্বাচনের আগে টার্গেট কিলিংয়ের শঙ্কা

নির্বাচনের আগে টার্গেট কিলিংয়ের শঙ্কা

দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করতে ‘টার্গেট কিলিং’য়ের আশঙ্কা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো। তারা জানিয়েছে, এমন শঙ্কা থেকেই নির্বাচনে অংশ নেওয়া দলীয়প্রধান থেকে শুরু করে প্রায় প্রত্যেক প্রার্থীর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। দেশজুড়ে ছড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা জাল। সীমান্তেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অবৈধ পারাপার ঠেকাতে তালিকা
রাজধানীতে বাসে আগুন
রাজধানীতে বাসে আগুন
দেশে স্বর্ণের দাম কমলো
দেশে স্বর্ণের দাম কমলো
৫০তম বিসিএস পরীক্ষা শুরু
৫০তম বিসিএস পরীক্ষা শুরু
সোহরাওয়ার্দীর পরীক্ষাকেন্দ্রে কবি নজরুল কলেজ শিক্ষার্থীদের নকলের ছড়াছড়ি
সোহরাওয়ার্দীর পরীক্ষাকেন্দ্রে কবি নজরুল কলেজ শিক্ষার্থীদের নকলের ছড়াছড়ি
গণভোটের পর সরকারের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রসঙ্গে প্রেস উইংয়ের বিবৃতি
গণভোটের পর সরকারের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রসঙ্গে প্রেস উইংয়ের বিবৃতি
জামিন ছাড়াই কারামুক্তি পাওয়া সেই ৩ আসামি গ্রেপ্তার
জামিন ছাড়াই কারামুক্তি পাওয়া সেই ৩ আসামি গ্রেপ্তার
  • জালিয়াতি ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের সম্ভাবনা ও সংকট উভয়ই এক বাস্তব ও কঠিন সত্য হিসেবে উঠে এসেছে। অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, ‘জালিয়াতির জন্য বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে কুখ্যাত হয়ে উঠেছে’—এ মন্তব্য নিঃসন্দেহে অনেকের মনে নাড়া দিয়েছে। তবে এ বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে একটি মৌলিক প্রশ্নও উঠে আসে, তা হলো—এ জালিয়াতির দায় কি পুরো জাতির? বাস্তবতা হলো, জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত একটি সীমিত গোষ্ঠী। তারা সংখ্যায় খুব বেশি নয়, কিন্তু তাদের অপকর্মের প্রভাব ভয়াবহ ও বহুমাত্রিক। ভুয়া নথিপত্র, ডিজিটাল প্রতারণা,

    জহির রায়হান

    জহির রায়হান কালজয়ী বাঙালি চলচ্চিত্রকার, শক্তিমান কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক—এ তিন পরিচয়েই তিনি ছিলেন সফল। পুরো নাম আবু আবদার মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ। জহির রায়হান নামেই তিনি বিখ্যাত। ১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট ফেনী জেলার মজুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। দুর্ভাগ্যের বিষয়, তার মৃত্যুর দিনটি আজও রয়ে গেছে অজ্ঞাতই। ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি ঢাকার মিরপুরে তার ভাই শহীদুল্লা কায়সারকে খুঁজতে গিয়ে তিনি আর ফিরে আসেননি। ধারণা করা হয়, মিরপুরে বিহারি এলাকায় ছদ্মবেশী পাকিস্তানি সৈন্যরা তাকে গুলি করে হত্যা করে। জহির রায়হান নামটি আসলে রাজনীতির সূত্রে পাওয়া। ষাটের দশকের মাঝামাঝির দিকে তিনি কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হন। এ সময়ে মণি সিংহের দেওয়া রাজনৈতিক নাম ‘রায়হান’ গ্রহণ

    ফরেনসিক বিজ্ঞান: ন্যায়বিচারের নীরব সাক্ষী

    বিচার ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা কিন্তু সেই ন্যায়বিচার তখনই অর্থবহ হয়, যখন তা সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়। এ সত্য উদঘাটনের পথে ফরেনসিক বিজ্ঞান আজ এক অবিচ্ছেদ্য সহযাত্রী। অপরাধ সংঘটনের মুহূর্তে যে সত্য উচ্চারিত হয় না, যে আলামত কথা বলে না, যে মৃতদেহ নীরব-ফরেনসিক বিজ্ঞান; সেখানেই নীরব সাক্ষীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। ফরেনসিক বিজ্ঞান সাক্ষ্য দেয় যুক্তি দিয়ে, প্রমাণ দিয়ে, বিজ্ঞানের নিরপেক্ষ ভাষায়। ফরেনসিক বিজ্ঞান বিচার ব্যবস্থায় একটি মৌলিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এনেছে। যেখানে একসময় সাক্ষীর স্বীকারোক্তি বা পরিস্থিতিগত অনুমানের ওপর বিচার নির্ভর করত, সেখানে এখন ডিএনএ প্রোফাইল, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ব্যালিস্টিক মিল, ডিজিটাল ট্রেইল ও টক্সিকোলজিক্যাল ও মাদকের উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্লেষণ বিচারিক
  • শহীদ জিয়া রাষ্ট্রচিন্তার এক ভিন্ন প্রবাহ

    রাষ্ট্রের জন্ম শুধু বিজয়ের মধ্য দিয়ে সম্পূর্ণ হয় না; প্রকৃত রাষ্ট্র জন্ম নেয় বিজয়ের পরের অনিশ্চয়তা, ভাঙন ও পুনর্গঠনের সংগ্রামে। বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বাধীনতা অর্জনের মুহূর্ত যতটা গৌরবোজ্জ্বল, স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্র নির্মাণের পথ ততটাই কণ্টকাকীর্ণ, দ্বিধাগ্রস্ত ও রক্তাক্ত। এ সংকটময় ইতিহাসের মধ্যেই জিয়াউর রহমান আবির্ভূত হন—একজন ব্যক্তি হিসেবে নয়, বরং একটি সময়ের প্রতিনিধি হয়ে। জিয়াউর রহমানকে বোঝা মানে শুধু একজন সামরিক কর্মকর্তা বা রাষ্ট্রপতির জীবনী পাঠ করা নয়; বরং স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের রাষ্ট্রচিন্তার এক ভিন্ন প্রবাহ, এক বিকল্প ভাষা ও এক অনিশ্চিত অভিযাত্রাকে অনুধাবন করা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের সেই কালরাত্রির পর বাংলাদেশ ছিল নেতৃত্বহীন এক বিস্তীর্ণ অন্ধকার। রাষ্ট্র তখনো জন্ম নেয়নি, কিন্তু মানুষের

    মৃত্যুর পরও মর্যাদাবঞ্চিত ফিলিস্তিনিরা

    ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মঙ্গলবার একটি ঘটনাকে ‘অসাধারণ সাফল্য’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি বাহিনী উত্তর গাজার একটি ফিলিস্তিনি কবরস্থান থেকে রান গিভিলি নামের এক ইসরায়েলি নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে। রান গিভিলি ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর নিহত হন। এ অভিযানের দৃশ্য ইসরায়েলি টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হয়। টেলিভিশনে দেখা যায়, ইসরায়েলি সৈন্যরা কবরস্থানের ভেতরে দাঁড়িয়ে একটি হিব্রু গান গাইছে। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো এ অভিযানের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করে। পাশাপাশি তারা একে ‘জাতীয়ভাবে ক্ষত সারানোর একটি মুহূর্ত’ বা ‘জাতীয় নিরাময়ের প্রতীক’ হিসেবে তুলে ধরে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ধরনের অভিযান ইসরায়েলি সমাজের জন্য আবেগের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু গাজার মানুষের কাছে এই

    নির্বাচনী প্রচারণায় সহিংসতা বন্ধ করতেই হবে

    গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে বাকি আর মাত্র দুই সপ্তাহ। এরপরই ফয়সালা হয়ে যাবে কার হাতে উঠছে ক্ষমতার মসনদ। গণতন্ত্রের প্রাণ হচ্ছে নির্বাচন, আর নির্বাচনের প্রাণশক্তি হচ্ছে নির্বাচনী প্রচারণা—যেখানে প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের সামনে নিজেদের আদর্শ, কর্মসূচি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে।  কিন্তু সেই প্রচারণাই যদি সহিংসতা, ভয়ভীতি, হামলা-মামলা ও সংঘর্ষে কলুষিত হয়ে ওঠে, তবে তা শুধু একটি নির্বাচনের পরিবেশই নষ্ট করে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা ভেঙে পড়ে। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে চলমান প্রচারণায় সহিংসতার ঘটনাগুলো গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা মোটেও কাম্য নয়। গত ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হওয়ার পরপরই
  • রহমান মৃধা
    রহমান মৃধাসাবেক পরিচালক, ফাইজার, সুইডেন

    এই আলো কি সেই মেয়েটিই

    যুদ্ধ শেষ হয় কাগজে কলমে। কিন্তু মানুষের ভেতরে যুদ্ধ কখনো শেষ হয় না। বিশেষ করে যারা যুদ্ধে প্রিয়জনকে হারায়। ১৯৭১ সালে আমি সেটা বুঝিনি। তখন আমি শুধু দেখেছি আগুন, ভাঙা ঘর, আতঙ্কে ছুটে চলা মানুষ। দেখেছি এক মা তার মেয়েকে বুকে চেপে ধরে দৌড়াচ্ছে, আবার এক মুহূর্তেই জনতার ভিড়ে সেই বুকটা ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। শিশুটি হারিয়ে যায়। কেউ জানে না সে কোথায় গেল। নামটা তখনও জানা ছিল না। শুধু জানা ছিল, একটা আলো নিভে গেল। ১৯৮৭ সাল। ঢাকা থেকে দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছেছি। সামনে দীর্ঘ যাত্রা। দমদম থেকে বেলগ্রেড, তারপর স্টকহোম। বিমানবন্দরের কোলাহল তখনও আমার কাছে নতুন। দেশ ছেড়ে যাওয়ার ভারী অনুভূতির সঙ্গে

    শান্তির সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র দারিদ্র্য দূরীকরণ

    রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বলতে আমরা কী বুঝি? সীমান্তে সেনা, আকাশে যুদ্ধবিমান, সমুদ্রে নৌবহর—এ দৃশ্যই আমাদের মানসচক্ষে ভাসে। জাতীয় বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়, যা নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। কিন্তু একটি মৌলিক প্রশ্ন থেকে যায়— ক্ষুধার্ত, বেকার ও হতাশ জনগোষ্ঠী নিয়ে কি কোনো রাষ্ট্র নিরাপদ থাকতে পারে? আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বাস্তবতা বলছে, জাতীয় নিরাপত্তা শুধু সামরিক শক্তির ওপর নির্ভর করে না; এটি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক শান্তির ওপর নির্ভরশীল। আর এ স্থিতিশীলতার ভিত্তি হলো দারিদ্র্য হ্রাস ও জীবিকার নিরাপত্তা। বাজেটের আয়নায় নিরাপত্তা নীতি: প্রতিরক্ষা বনাম কৃষি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে প্রায় ৪২ হাজার ১৪ কোটি টাকা, যা

    কেমন ঢাকা চাই

    ঢাকা শহর একসময় পরিচিত ছিল নদী, খাল, সবুজ আর প্রাণচাঞ্চল্যের জন্য। আজ সে ঢাকা পরিচিত কংক্রিটের জঙ্গল, যানজট, শব্দদূষণ আর শ্বাসরুদ্ধকর জীবনের প্রতীক হিসেবে। প্রশ্ন উঠছে, ঢাকা কি মানুষের বসবাসের জায়গা নাকি শুধু কংক্রিট আর মুনাফার শহর? প্রতিদিন সকাল শুরু হয় যানজট দিয়ে, শেষ হয় ক্লান্তি আর হতাশা নিয়ে। কয়েক কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে লেগে যায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। ফুটপাত দখল হয়ে যায় দোকান আর অবৈধ স্থাপনায়, রাস্তা সংকুচিত হয় অপরিকল্পিত নির্মাণে। শহরের সাধারণ মানুষ যেন প্রতিদিন এক অদৃশ্য লড়াইয়ে নামছে—সময়ের সঙ্গে, দূষণের সঙ্গে আর বেঁচে থাকার ন্যূনতম স্বস্তির সঙ্গে। ঢাকার সবচেয়ে বড় সংকট পরিকল্পনার অভাব। শহর বাড়ছে, কিন্তু মানুষের চাহিদা ও
  • ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:১৪ এএম
    পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠের ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই সাকিবকে জাতীয় দলে ফেরাতে চায় বিসিবি। আপনি কি তাই চান?

    পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠের ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই সাকিবকে জাতীয় দলে ফেরাতে চায় বিসিবি। আপনি কি তাই চান?

    • হ্যাঁ
    • না
    • মন্তব্য নেই
    +
    =
    সাবমিট
    মোট ভোটদাতাঃ ১৮৭ জন
    মোট ভোটারঃ ১৮৭
    ভোট দিন
    Link Copied
অনলাইন জরিপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জবির বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আজ

যেসব কারণে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে স্বর্ণের দাম

রাজধানীতে বাসে আগুন

হাবিপ্রবির ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

নিখোঁজের ৩ দিন পর ডোবায় মিলল ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ

কিয়েভে হামলা বন্ধে রাজি হয়েছেন পুতিন

দেশে স্বর্ণের দাম কমলো

দুপুরে অপহরণ, রাতেই উদ্ধার মুগদার সেই শিশু

পাকিস্তান সিরিজেই জাতীয় দলে ফিরছেন সাকিব!

৫০তম বিসিএস পরীক্ষা শুরু

১০

আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু, ভরি কত

১১

গণভোটের পর সরকারের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রসঙ্গে প্রেস উইংয়ের বিবৃতি

১২

সোহরাওয়ার্দীর পরীক্ষাকেন্দ্রে কবি নজরুল কলেজ শিক্ষার্থীদের নকলের ছড়াছড়ি

১৩

ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে কর্মীদের সরিয়ে নিতে প্রস্তুত রাশিয়া

১৪

জামিন ছাড়াই কারামুক্তি পাওয়া সেই ৩ আসামি গ্রেপ্তার

১৫

সন্ত্রাসীদের পক্ষে দাঁড়ালে ১৭ বছরের নিপীড়নের গল্পকে ভুয়া ধরব : আসিফ মাহমুদ

১৬

রাজধানীতে আজ কোথায় কী

১৭

কী ঘটেছিল ইতিহাসের এই দিনে

১৮

চাকরি দিচ্ছে আবুল খায়ের গ্রুপ, লাগবে না অভিজ্ঞতা 

১৯

৫০তম বিসিএসের প্রিলি আজ

২০
প্রাধান্য পাচ্ছে নারী অধিকার কর্মসংস্থান ও শিক্ষানীতি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইশতেহার প্রকাশ করতে যাচ্ছে তরুণদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ইশতেহারের মূল মটো নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সুশাসন, সংস্কার, সার্বভৌমত্ব’। ইশতেহারে জাতীয় শিক্ষানীতি, স্বাস্থ্যসেবা
নির্বাচনের আগে টার্গেট কিলিংয়ের শঙ্কা
দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করতে ‘টার্গেট কিলিং’য়ের আশঙ্কা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো। তারা জানিয়েছে, এমন শঙ্কা থেকেই নির্বাচনে অংশ নেওয়া দলীয়প্রধান থেকে শুরু করে
চট্টগ্রাম বন্দরে ছড়িয়ে পড়েছে অসন্তোষ
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সংক্রান্ত চলমান প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি জাফর আহমেদের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ
বিএনপির মিত্ররা ‘বিদ্রোহী’ চাপে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে শরিকদের জন্য ১৬টি আসন ছেড়েছে বিএনপি। এর মধ্যে ১২টিতেই বিএনপির নেতারা ধানের শীষ না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে রয়েছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে থাকা
গণভোটের পর সরকারের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রসঙ্গে প্রেস উইংয়ের বিবৃতি
গণভোটের পর সরকারের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রসঙ্গে প্রেস উইংয়ের বিবৃতি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের অপপ্রচার ছড়িয়ে পড়ছে। এর মধ্যে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বেশি পড়লে অন্তর্বর্তী সরকার আরও ছয় মাস ক্ষমতায় থাকবে—এমন একটি দাবি প্রচার করা হচ্ছে। তবে সরকার এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ফ্যাক্টসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোটকে কেন্দ্র করে ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, গণভোটের ফল ‘হ্যাঁ’ হলে ইউনূস সরকার ছয় মাস পর ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। এই দাবির সঙ্গে একটি টেলিভিশনের ফটোকার্ড ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। টেলিভিশন চ্যানেলটির ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ওই ফটোকার্ডে শিরোনাম ছিল— ‘নির্বাচনের পর সংসদ সদস্যরা ১৮০ দিন গণপরিষদ হিসেবে কাজ করবেন: আলী রীয়াজ।’ এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট বক্তব্য অনুসন্ধানে দেখা যায়, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ও বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, ‘গণপরিষদ বা সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে ক্ষমতা হস্তান্তরে বাধা সৃষ্টি হবে-এমন ধারণা সঠিক নয়।’ আলী রীয়াজ আরও বলেন, নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম দিন থেকেই সংসদ স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে- সরকার গঠন, রাষ্ট্র পরিচালনা ও বাজেট প্রণয়ন করবে। তবে সংবিধানকে ফ্যাসিবাদের পথ থেকে সরাতে মৌলিক পরিবর্তন প্রয়োজন। সে জন্য নির্বাচিত সদস্যরা আলাদা শপথ নিয়ে ১৮০ দিনের মধ্যে সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন। বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়, অধ্যাপক আলী রীয়াজ কোথাও বলেননি যে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ১৮০ দিন গণপরিষদ হিসেবে কাজ করবে। বরং তিনি বলেছেন, এই দায়িত্ব পালন করবেন নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাই। এ ছাড়া ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সাংবিধানিক সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’-এ পরিষ্কারভাবে বলা আছে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পেলে সংসদের একটি দ্বৈত ভূমিকা থাকবে। অর্থাৎ নির্বাচিত প্রতিনিধিরা একই সঙ্গে জাতীয় সংসদের সদস্য এবং সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে কাজ করবেন। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ওই আদেশের ৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-গণভোটে উত্থাপিত প্রশ্নের বিপক্ষে নয়, বরং পক্ষে (‘হ্যাঁ’) ভোট বেশি পড়লে, পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ গঠিত হবে। এই পরিষদ প্রথম বৈঠকের দিন থেকে ১৮০ কর্মদিবসের মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের ফল অনুযায়ী সংস্কার কাজ শেষ করবে। এরপর পরিষদের কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হবে। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে সংসদ সদস্যরা একদিকে সরকার গঠন ও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন, অন্যদিকে সাংবিধানিক সংস্কারের ক্ষমতাও প্রয়োগ করবেন। তবে কোথাও বলা নেই যে অন্তর্বর্তী সরকার ১৮০ দিন ক্ষমতায় থাকবে। বিবৃতিতে আরও জাননো হয়, সাংবিধানিক সংস্কার প্রক্রিয়া শেষ হলে সংসদের দ্বৈত ভূমিকার অবসান ঘটবে এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিরা কেবল সংসদ সদস্য হিসেবেই দায়িত্ব পালন করবেন। সবশেষ সরকার জানায়, প্রচলিত আদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ বাড়ানোর কোনো ইঙ্গিত নেই। বরং এতে স্পষ্টভাবে সংসদের দ্বৈত ভূমিকার কথাই উল্লেখ রয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে

আ.লীগ থাকলে জামায়াত থাকবে, জামায়াত থাকলে আ.লীগ থাকবে : মাহফুজ আলম

১১ ঘণ্টা আগে

বিটিভিতে শুরু হচ্ছে বিনোদনমূলক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান অভিনন্দন

১২ ঘণ্টা আগে

একুশে বইমেলা পেছানোর প্রতিবাদে প্রতীকী মেলা হবে যেদিন

১৪ ঘণ্টা আগে

শেরপুরে বিজিবি মোতায়েন

১৪ ঘণ্টা আগে

টেংরাটিলা বিজয় : বাংলাদেশ ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে ৫১৬ কোটি টাকা

১৪ ঘণ্টা আগে
প্রাধান্য পাচ্ছে নারী অধিকার কর্মসংস্থান ও শিক্ষানীতি
প্রাধান্য পাচ্ছে নারী অধিকার কর্মসংস্থান ও শিক্ষানীতি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইশতেহার প্রকাশ করতে যাচ্ছে তরুণদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ইশতেহারের মূল মটো নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সুশাসন, সংস্কার, সার্বভৌমত্ব’। ইশতেহারে জাতীয় শিক্ষানীতি, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নারী অধিকার, কর্মসংস্থান এবং জুলাই চেতনার বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ পাচ্ছে। আজ শুক্রবার বিকেল ৩টায় রাজধানীর হোটেল লেকশোর গ্র্যান্ডের লা ভিটা হলে ‘তারুণ্য ও মর্যাদার ইশতেহার’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশ ও জনগণের কল্যাণে দলটির ভাবনা, লক্ষ্য ও কর্মপরিকল্পনা আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরা হবে বলে বলে জানিয়েছেন এনসিপির নির্বাচনী মিডিয়া উপকমিটির প্রধান মাহবুব আলম। কালবেলাকে তিনি বলেন, আগামীকাল (আজ) আনুষ্ঠানিকভাবে ইশতেহার ঘোষণা করবেন এনসিপি আহ্বয়ক নাহিদ ইসলাম। এবার এনসিপি তারুণ্যনির্ভর ইশতেহার দেবে। সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে ইশতেহারে গুরুত্বপূর্ণ অংশ থাকবে। তা ছাড়া, শিক্ষানীতি, কর্মসংস্থান, নারীদের নিরাপত্তা ও অধিকারে জোর দিচ্ছে এনসিপি। দল সূত্রে জানা যায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ‘৩৬ জুলাইয়ের’ সম্মানে ৩৬ দফা ইশতেহার ঘোষণা করবে জাতীয় নাগরিক পার্টি। ইশতেহার বিষয়ক উপকমিটিতে প্রধান এহতেশাম হক এবং সেক্রেটারি ইশতিয়াক আকিবের নেতৃত্বে তৈরি হয়েছে এই ইশতেহার। কমিটি সূত্রে জানা যায়, নতুন বাংলাদেশ গঠনে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি, বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং অন্যায় ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানকে ইশতেহারে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত আগস্টে ‘দ্বিতীয় রিপাবলিক’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নতুন সংবিধান প্রণয়ন; জুলাই অভ্যুত্থানের স্বীকৃতি; বিচার, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সংস্কারসহ ২৪ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছিল এনসিপি। সেই ২৪ দফার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নতুন করে পরিমার্জন, পরিবর্ধন ও সময়োপযোগী করে এবারের নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানান দলটির নেতারা। ইশতেহার বিষয়ক উপকমিটির প্রধান এহতেশাম হক বলেন, ইশতেহারের ন্যায়বিচার, কর্মসংস্থান, তরুণ নেতৃত্ব ও রাষ্ট্র সংস্কারকে প্রধান্য থাকবে। এনসিপি বিশ্বাস করে—তরুণদের ভবিষ্যৎ শুধু প্রতিশ্রুতি দিয়ে নয়, কাঠামোগত সংস্কার দিয়েই নিশ্চিত করতে হবে। তাই জুলাইয়ের গণহত্যাসহ সব মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার, ১৬ বছর বয়সে ভোটাধিকার, আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি সম্মানজনক কর্মসংস্থান, শিক্ষা-স্বাস্থ্যে রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ এবং কাঠামোর মাধ্যমে ক্ষমতার জবাবদিহি নিশ্চিত করাই আমাদের তরুণ্য ও মর্যাদার রাজনীতির ভিত্তি।’ ইশতেহার উপকমিটির সদস্যরা জানান, তাদের ইশতেহারে শিক্ষাকে অধিকার হিসেবে ধরে বরাদ্দ বাড়িয়ে দক্ষ ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও চিকিৎসা শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব, নৈতিকতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক তৈরির অঙ্গীকার রয়েছে। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কারিগরি শিক্ষার ভিত্তি শক্ত করা, গবেষণামুখী উচ্চশিক্ষা, সব ধারার শিক্ষার সমন্বয় ও আধুনিক জাতীয় পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করা হবে। কর্মমুখী ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করে টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিত, শিক্ষকদের মর্যাদা ও পৃথক বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ এবং শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতি বিষয়ে গ্রহণযোগ্য নীতিমালা প্রণয়নের কথা বলা হয়েছে। ইশতেহারে আরও যা থাকছে— কর্মসংস্থান: দেশে প্রায় ৩০ লাখ বেকারের বড় অংশ তরুণ—এ বাস্তবতায় মর্যাদাপূর্ণ দেশি-বিদেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি দলটির প্রধান লক্ষ্য। রপ্তানিমুখী শ্রমঘন শিল্পের বহুমুখীকরণ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শিক্ষাজীবনে বেতনভুক্ত ইন্টার্নশিপ সম্প্রসারণের কথা বলা হয়েছে। চাকরির পরীক্ষায় দুর্নীতি দূর করে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও গ্রেডভিত্তিক সমন্বিত পরীক্ষা ব্যবস্থা চালুর অঙ্গীকার রয়েছে। তরুণ উদ্যোক্তা ও ফ্রিল্যান্সিং-রিমোট ওয়ার্কে সহায়ক পরিবেশ, জেলা পর্যায়ে হাব, পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ও উচ্চগতির ইন্টারনেট নিশ্চিত করা হবে। আইটি, স্বাস্থ্য, নার্সিং, প্রকৌশলসহ বিভিন্ন খাতে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির জন্য আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও সনদ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। সামাজিক সুরক্ষা ও আর্থিক খাত: সামাজিক সুরক্ষা ভাতাগুলোকে নাগরিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা, পথশিশু ও ছিন্নমূল মানুষের পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিতের অঙ্গীকার করা হয়েছে। ন্যায্য কর সংস্কারে বৈষম্য হ্রাস ও সুষম উন্নয়ন, মধ্যম আয়ের ফাঁদ ও চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে। ব্যাংকিং ও আর্থিক খাত শক্তিশালীকরণ, বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতা, ঋণখেলাপি রোধে একক ক্রেডিট আইডি ও জাতীয় ক্রেডিট রেটিং ব্যবস্থা, পুঁজিবাজার সংস্কার ও এসইসি পুনর্গঠনের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নারী অধিকার: নারীদের অধিকার ও নিরাপত্তার বিষয়ে এনসিপির ইশতেহারে নারীর রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন জোরদারে নিম্নকক্ষে ১০০ সংরক্ষিত আসনে সরাসরি নারী নির্বাচনসহ কাঠামোগত সংস্কারের অঙ্গীকার করা হয়েছে। উত্তরাধিকার সম্পত্তিতে নারীর অধিকার বাস্তবায়ন, নিয়োগ-পদোন্নতি-বেতনে লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণ এবং গৃহিণীদের অবদানকে জিডিপিতে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। নারী সহিংসতা রোধে প্রতিটি থানায় বিশেষ সেল, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল, ভুক্তভোগীর পরিচয় সুরক্ষা, কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সুবিধা ও কঠোর আইন প্রয়োগের কথা বলা হয়েছে। মাতৃত্ব-পিতৃত্বকালীন ছুটি, চাইল্ড কেয়ার ও বয়স্ক সেবায় প্রণোদনা, নিরাপদ যাতায়াত, স্বাস্থ্যসামগ্রীর প্রাপ্যতা, প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা এবং পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের নারীদের জন্য বৃত্তি চালুর লক্ষ্য রয়েছে। পাশাপাশি বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রতিরোধে সামাজিক ও ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। দুর্নীতি দমন ও আমলাতন্ত্র: সেবামুখী প্রশাসন ও দুর্নীতি দমনের ক্ষেত্রে এনসিপির ইশতেহারে সব ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করার কথা বলা হবে। ইশতেহার কমিটির সদস্যরা জানান, আমলাতন্ত্রকে সুদক্ষ ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা উন্নত প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন খাতের যোগ্য ও বিশেষজ্ঞদের সরকারে অধিকতর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করব। নিয়োগ, বদলি, পদায়ন ও প্রমোশনের ক্ষেত্রে মেধা ও যোগ্যতাই হবে একমাত্র মানদণ্ড। সরকারি কর্ম কমিশনের সব প্রশাসনিক নিয়োগের ক্ষেত্রে সততা, নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে যথাযথ নিয়োগ-কাঠামো তৈরি করব। সরকারি সেবায় কাগজ, সময় এবং সশরীর উপস্থিতির প্রয়োজন কমিয়ে ডিজিটাল গভর্ন্যান্স চালুর প্রতি আমরা বিশেষ গুরুত্ব দেব। রাষ্ট্রীয় সম্পদ চুরি-দুর্নীতি-স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণের মচ্ছব, বিচারহীনতা ও বিচারে দীর্ঘসূত্রতা পরিহার করে আমরা যে কোনো দুর্নীতির দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান করব।
১২ ঘণ্টা আগে
শান্তির পক্ষে বিএনপি, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় তদন্তের আহ্বান
শান্তির পক্ষে বিএনপি, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় তদন্তের আহ্বান
বিএনপির মিত্ররা ‘বিদ্রোহী’ চাপে
বিএনপির মিত্ররা ‘বিদ্রোহী’ চাপে
জামায়াতকে আরও ‘বন্ধু’ হিসেবে চায় শরিকরা
জামায়াতকে আরও ‘বন্ধু’ হিসেবে চায় শরিকরা
শুধু বগুড়া নয়, পুরো দেশের কথা চিন্তা করতে হবে : তারেক রহমান
শুধু বগুড়া নয়, পুরো দেশের কথা চিন্তা করতে হবে : তারেক রহমান
ক্ষমতা নয়, দায়িত্ব চাই : ডা. ফজলুল হক
ক্ষমতা নয়, দায়িত্ব চাই : ডা. ফজলুল হক
কওমি মাদ্রাসা আমাদের হৃদয়, আমাদের কলিজা : জামায়াত আমির
কওমি মাদ্রাসা আমাদের হৃদয়, আমাদের কলিজা : জামায়াত আমির

যেসব কারণে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে স্বর্ণের দাম

চলতি বছর সব রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে  স্বর্ণের দাম। এ সপ্তাহেই আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম আউন্সপ্রতি ৫ হাজার ৫০০ ডলার ছাড়িয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের বাজারেও।  বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারটের এক ভরি স্বর্ণের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭১ হাজার টাকায়। সঞ্চয়কারী থেকে শুরু করে বিনিয়োগকারী—সবাই কেন ক্রমেই স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলছে আলোচনা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জনপ্রিয় ধাতুর দাম বাড়ার পেছনে মূলত চারটি কারণ কাজ করছে। বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও নিরাপদ বিনিয়োগের আশ্রয় অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা বাড়লে স্বর্ণের দাম সাধারণত ঊর্ধ্বমুখী হয়। বর্তমান সময়ে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, বাণিজ্যযুদ্ধ, নতুন শুল্ক আর আন্তর্জাতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকিপূর্ণ খাত থেকে সরে এসে নিরাপদ সম্পদের দিকে ঝুঁকতে বাধ্য করছে। আর নিরাপদ বিনিয়োগ বা ‘সেফ হেভেন’ হিসেবে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সম্পদগুলোর তালিকায় শীর্ষেই রয়েছে স্বর্ণ। ব্যাপক পরিমাণ স্বর্ণ কিনছে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্বর্ণের দামের ঊর্ধ্বগতির অন্যতম বড় কারণ হচ্ছে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাপক স্বর্ণ ক্রয়। চীন ও ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশ ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভে স্বর্ণের অংশ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে। ডলারের মূল্যের অস্থিরতা থেকে নিজেদের অর্থনীতিকে সুরক্ষিত রাখতেই মূলত এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ডলারের শক্তি নিম্নমুখী এদিকে মার্কিন ডলারের শক্তি কমে গত চার বছরের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল অবস্থানে নেমে এসেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম সাধারণত ডলারে নির্ধারিত হওয়ায় ডলারের মান কমলে অন্যান্য মুদ্রায় স্বর্ণ কেনা তুলনামূলকভাবে সস্তা হয়ে পড়ে। এতে স্বর্ণের চাহিদা বাড়ে এবং এর প্রভাব হিসেবে দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হয়। অপরিবর্তিত সুদহার মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সুদের হার কম বা স্থিতিশীল থাকলে ব্যাংকে আমানত রেখে প্রত্যাশিত মুনাফা পাওয়া যায় না। ফলে সুদ না দিলেও দীর্ঘমেয়াদে মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাবনার কারণে স্বর্ণ বিনিয়োগকারীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ২০২৬ সালের বাকি সময়জুড়েও স্বর্ণের এই ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকতে পারে। গোল্ডম্যান স্যাক্সসহ শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো স্বর্ণের দামে আরও বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে। এমনকি কেউ কেউ মনে করছেন, বছরের শেষ নাগাদ আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৬ হাজার ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। সূত্র : এনডিটিভি

দেশে স্বর্ণের দাম কমলো

টানা কয়েক দফায় বাড়ার পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার ভরিতে ১৪ হাজার ৬৩৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৭৩ হাজার ৩৬৩ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর এ তথ্য জানিয়েছে সংগঠনটি।  বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট হলমার্ককৃত স্বর্ণের প্রতি গ্রামের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ হাজার ২৬৫ টাকা। সে হিসেবে দেশীয় পরিমাপ অনুযায়ী প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭১ হাজার ৩৬৩ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ৫৯ হাজার টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ২২ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৮২ হাজার ৮৩৩ টাকা। ২৯ জানুয়ারি সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সেদিন ভরিতে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়েছিল সংগঠনটি।

আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু, ভরি কত

দেশের বাজারে আজ শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) স্বর্ণ ভরিতে ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকায় বিক্রি হবে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) স্বর্ণ ভরিতে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৭২ হাজার ৯৯৬ টাকা ও ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৯৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ বেচাকেনা হচ্ছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯ টাকায়।   এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।   চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৬ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৩ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ৩ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
২ ঘণ্টা আগে
আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু, ভরি কত

রেকর্ড দামে স্বর্ণ, এক মাসে বেড়েছে ২৮ শতাংশ

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির দুর্বল ইঙ্গিতের মধ্যে নিরাপদ বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকছেন বিনিয়োগকারীরা। এর প্রভাবে বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম রেকর্ড উচ্চতায় উঠে গেছে। প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম প্রায় ৫ হাজার ৬০০ ডলারে পৌঁছেছে, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। বাজার তথ্য অনুযায়ী, স্পট স্বর্ণ ২ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫ হাজার ৫১৩ দশমিক ০৯ ডলারে লেনদেন হচ্ছিল। দিনের শুরুতে দাম উঠেছিল ৫ হাজার ৫৯৪ দশমিক ৮২ ডলার পর্যন্ত। টানা ৯টি সেশনে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে স্বর্ণ। চলতি মাসে এখন পর্যন্ত এর দাম বেড়েছে প্রায় ২৮ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ফেব্রুয়ারি ডেলিভারির স্বর্ণ ফিউচার ৩ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫ হাজার ৫০৬ দশমিক ৩০ ডলারে দাঁড়ায়। লেনদেনের এক পর্যায়ে এই ফিউচারের দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৬২৬ দশমিক ৮০ ডলার স্পর্শ করে। নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা বাড়ায় রুপার বাজারেও উত্থান দেখা গেছে। এক সময় রুপার দাম ১২০ ডলারের গুরুত্বপূর্ণ সীমা ছাড়িয়ে যায়। বৈশ্বিক রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সূচকে দুর্বলতা অব্যাহত থাকলে স্বর্ণ ও অন্যান্য নিরাপদ সম্পদের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ আরও বাড়তে পারে।
১৬ ঘণ্টা আগে
রেকর্ড দামে স্বর্ণ, এক মাসে বেড়েছে ২৮ শতাংশ

পদত্যাগের খবর, যা বললেন গভর্নর

নিজের ছুটি ও পদত্যাগ নিয়ে ছড়ানো গুজব সরাসরি নাকচ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, ‘আমি কোনো ছুটির দরখাস্ত দিইনি, ছুটি মঞ্জুর হয়নি, ছুটির কোনো ইচ্ছাও নেই। আমি প্রতিদিন রাত ১০টার আগে বাসায় যেতে পারি না। ছুটি নেওয়ার সময় কোথায়?’ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। গভর্নর বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল টাকা ছড়িয়ে উসকানি দিচ্ছে। মহলটি নবগঠিত ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত গুজব চালাচ্ছে। আমরা গণতান্ত্রিক চর্চায় বিশ্বাস করি। প্রতিবাদের অধিকার সবার আছে। কিন্তু কাজের মাধ্যমে আমরা প্রমাণ করতে চাই, গ্রাহকদের আমরা সন্তুষ্ট করতে পেরেছি। গভর্নর দাবি করে বলেন, গত এক বছরে বাংলাদেশ ব্যাংক যে পরিমাণ সংস্কার করেছে, তা গত ১৪-১৫ বছরেও হয়নি। তিনি বলেন, আমরা অপ্রয়োজনীয় রেগুলেটরি হস্তক্ষেপ কমাচ্ছি। ব্যাংকের শাখা অনুমোদন, ভাড়া, স্কয়ার ফিট—এসব আমাদের কাজ না। আমাদের কাজ ফরেন এক্সচেঞ্জ মার্কেট, ক্যাপিটাল অ্যাকাউন্ট, ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট ডেভেলপ করা। সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের মুনাফা দেওয়া প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, সরকার সবকিছু একা বহন করতে পারে না। পৃথিবীর সব জায়গায়ই বেয়ার্ডেন শেয়ারিং হয়। তিনি বলেন, কিছু আমানতকারী দুই বছরের জন্য মাত্র ৪ শতাংশ মুনাফা পেয়েছেন, কিন্তু এর আগের বছরগুলোতে তারা ১২ থেকে ১৩ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা পেয়েছেন। সামনের দিনগুলোতেও তারা ৯ দশমিক ৫ শতাংশ করে মুনাফা পাবেন। গভর্নর বলেন, সরকার জনগণের টাকায় এই ব্যাংককে অস্বাভাবিকভাবে সহায়তা করেছে। আমার প্রত্যাশার তুলনায় সরকার অনেক বেশি সহায়তা দিয়েছে। এ জন্য আমানতকারীদের সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। চট্টগ্রাম অঞ্চলের কিছু শাখায় বিশৃঙ্খলা ও ভিডিও ধারণ করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার অভিযোগের বিষয়ে গভর্নর বলেন, বিষয়টি নজরে রয়েছে। প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া হবে। সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের উদ্বোধন নির্ধারিত তারিখে না হওয়ার কারণেও এসব অপতৎপরতাকে দায়ী করেন তিনি। ইসলামী ব্যাংকিংয়ে মুনাফা বিতরণ নিয়ে আউফি (এএওআইএফআই) স্ট্যান্ডার্ডের প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, এটি কোনো নতুন স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণের বিষয় নয়। এটি একটি চলমান ব্যাংকের সমস্যা সমাধানের বিষয়। ব্যাংক না থাকলে মুনাফা দেবে কে? তাই বিষয়টি বাস্তবতার আলোকে দেখতে হবে। সাধারণ মানুষকে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে গভর্নর বলেন, আপনারা নিজেরা ব্যাংকে গিয়ে দেখুন, শুনুন, বুঝুন। অন্যের কথায় বিশ্বাস করবেন না। সাবেক পাঁচ ব্যাংক এখন সরকার মালিকানাধীন ব্যাংক হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে। সবাই আস্থা রাখুন, কারও টাকার তছরুপ হবে না।
১৮ ঘণ্টা আগে
পদত্যাগের খবর, যা বললেন গভর্নর
নিখোঁজের ৩ দিন পর ডোবায় মিলল ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ
নিখোঁজের ৩ দিন পর ডোবায় মিলল ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ
দুপুরে অপহরণ, রাতেই উদ্ধার মুগদার সেই শিশু
দুপুরে অপহরণ, রাতেই উদ্ধার মুগদার সেই শিশু
জামিন ছাড়াই কারামুক্তি পাওয়া সেই ৩ আসামি গ্রেপ্তার
জামিন ছাড়াই কারামুক্তি পাওয়া সেই ৩ আসামি গ্রেপ্তার
সন্ত্রাসীদের পক্ষে দাঁড়ালে ১৭ বছরের নিপীড়নের গল্পকে ভুয়া ধরব : আসিফ মাহমুদ
সন্ত্রাসীদের পক্ষে দাঁড়ালে ১৭ বছরের নিপীড়নের গল্পকে ভুয়া ধরব : আসিফ মাহমুদ
আজ টানা ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
আজ টানা ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
আজ যেসব এলাকায় ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না
আজ যেসব এলাকায় ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না
সম্প্রীতির চট্টগ্রাম গড়তে রাজনীতি করছি : সাঈদ আল নোমান
সম্প্রীতির চট্টগ্রাম গড়তে রাজনীতি করছি : সাঈদ আল নোমান
শুধু বগুড়া নয়, পুরো দেশের কথা চিন্তা করতে হবে : তারেক রহমান
শুধু বগুড়া নয়, পুরো দেশের কথা চিন্তা করতে হবে : তারেক রহমান
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
.

কিয়েভে হামলা বন্ধে রাজি হয়েছেন পুতিন

হাড় কাঁপানো শীতে নাস্তানাবুদ কিয়েভ ও মস্কো। তবু থেমে নেই পারস্পরিক হামলা। এতে তুলনামূলক বেশি ক্ষতির মুখে ভলোদিমির জেলেনস্কির বাহিনী। অন্যদিকে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আন্তর্জাতিক তৎপরতা বেশ এগিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সুখবর জানালেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার ট্রাম্প জানিয়েছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন কিয়েভসহ ইউক্রেনের অন্যান্য শহরে হামলা বন্ধ রাখতে রাজি হয়েছেন।  এএফপির খবরে বলা হয়, হোয়াইট হাউসে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে ট্রাম্প ওই তথ্য জানান। তিনি বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রেসিডেন্ট পুতিনকে অনুরোধ করেছি যেন এ সময়ে এক সপ্তাহের জন্য কিয়েভ এবং অন্যান্য শহর ও জনপদে কোনো হামলা চালানো না হয়। তীব্র শীতের কারণে আমি এ অনুরোধ করেছি। ব্যক্তিগত এ অনুরোধে  রুশ হামলা বন্ধে পুতিন রাজি হয়েছেন।  ইউক্রেনের লাখ লাখ মানুষ যখন প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যে বিদ্যুৎ ও তাপহীন অবস্থায় কাটাচ্ছেন। এরই মধ্যে নতুন হামলায় পরিস্থিতির আরও বিপর্যয় ঘটে। ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় রাশিয়ার সাম্প্রতিক হামলার কারণে বিদ্যুৎ, তাপ ও পানি সরবরাহব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। হাড় কাঁপানো শীতে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি যখন নতুন করে মানবিক সংকটের মুখে। এদিকে রাশিয়ার পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতির বিষয়ে কিছু নিশ্চিত করা হয়নি। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, হামলা বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করতে তিনি ওয়াশিংটনের ওপর আস্থা রাখছেন।
ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে কর্মীদের সরিয়ে নিতে প্রস্তুত রাশিয়া
ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে কর্মীদের সরিয়ে নিতে প্রস্তুত রাশিয়া
ইরানে হামলা হলে কী হবে
ইরানে হামলা হলে কী হবে
ইরানে বড় হামলা করবেন কি না ভাবছেন ট্রাম্প
ইরানে বড় হামলা করবেন কি না ভাবছেন ট্রাম্প
বন্দি বিনিময়ের শেষ ধাপে ১৫ ফিলিস্তিনির মরদেহ হস্তান্তর করল ইসরায়েল
বন্দি বিনিময়ের শেষ ধাপে ১৫ ফিলিস্তিনির মরদেহ হস্তান্তর করল ইসরায়েল
বাংলাদেশ ভ্রমণে নাগরিকদের সতর্ক করল যুক্তরাজ্য
বাংলাদেশ ভ্রমণে নাগরিকদের সতর্ক করল যুক্তরাজ্য
ইরানের সেনাবাহিনীতে বিপুল সংখ্যক ড্রোন সংযোজন
ইরানের সেনাবাহিনীতে বিপুল সংখ্যক ড্রোন সংযোজন
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছেন আইনুন পুতুল ও আফরান নিশো
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছেন আইনুন পুতুল ও আফরান নিশো
৯৮তম অস্কার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেন বাংলাদেশি সাংবাদিক 
৯৮তম অস্কার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেন বাংলাদেশি সাংবাদিক 
তারেক রহমানের প্রিয় সিনেমা  ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’
তারেক রহমানের প্রিয় সিনেমা  ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’
কল্কির সিক্যুয়েলে সাই পল্লবী
কল্কির সিক্যুয়েলে সাই পল্লবী
বিতর্কে দিলজিৎ দোসাঞ্জ
বিতর্কে দিলজিৎ দোসাঞ্জ
মির্জা আব্বাসের ধৈর্য দেখে বাবার কথা মনে পড়ে: ফারিয়া
মির্জা আব্বাসের ধৈর্য দেখে বাবার কথা মনে পড়ে: ফারিয়া
রণবীর সিংয়ের বিরুদ্ধে এফআইআর, অভিযোগ গুরুতর
রণবীর সিংয়ের বিরুদ্ধে এফআইআর, অভিযোগ গুরুতর
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
টিভিতে আজকের যত খেলা
টিভিতে আজকের যত খেলা
রোহিতের রেকর্ড ভেঙে স্টার্লিংয়ের ইতিহাস
রোহিতের রেকর্ড ভেঙে স্টার্লিংয়ের ইতিহাস
পাকিস্তান সিরিজেই জাতীয় দলে ফিরছেন সাকিব!
পাকিস্তান সিরিজেই জাতীয় দলে ফিরছেন সাকিব!
দীর্ঘ দেড় বছর বাংলাদেশের জার্সি গায়ে মাঠে দেখা যায়নি সাকিব আল হাসানকে। কয়েকবার ব্যর্থ হওয়ার পর এবার সাকিবকে জাতীয় ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।  রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এত দিন দেশের বাইরে থাকা সাবেক এই অধিনায়ককে আসন্ন পাকিস্তান সিরিজগুলোতে খেলার জন্য বিবেচনায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড। বিসিবির লক্ষ্য, আসন্ন মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠের ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই সাকিবের প্রত্যাবর্তন ঘটানো। আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বর্তমান বোর্ডেও শুরু থেকেই সাকিবকে ফেরানোর একটি নীরব আগ্রহ ছিল। বিষয়টি নিয়ে পরিচালকদের মধ্যে একাধিকবার অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে বোর্ড সভায় প্রথমবার তা উঠে আসে গত ২৪ জানুয়ারি। সভার পর বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, সাকিবকে পুনরায় জাতীয় দলে বিবেচনায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড। ফর্ম ও ফিটনেস সন্তোষজনক হলে নির্বাচকরা তাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।  একই সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর জানান, এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম। সাকিবকে ফেরানোর প্রক্রিয়ার সর্বশেষ অবস্থা জানতে চাইলে আসিফ আকবর বলেন, এ ব্যাপারে আমাদের বোর্ড সভাপতি সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। আমরা আশা করছি, আগামী মার্চে ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজেই সাকিবকে আবার জাতীয় দলে দেখতে পাব। সেই সিরিজই দেশের হয়ে সাকিবের শেষ সিরিজ হবে কি না—জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন, আমরা চাই সাকিব দেশের হয়ে আবার খেলুক এবং সেটা এই পাকিস্তান সিরিজ থেকেই। তার আসার সুযোগটা আগে তৈরি হোক। এরপর সে খেলা চালিয়ে যাবে কি না, সেটা তার সিদ্ধান্ত। এদিকে বিসিবিও মনে করে, জাতীয় দলের হয়ে সাকিবের খেলায় কোনো বাধা থাকা উচিত নয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের ক্রিকেটে সাকিবের অবদানকে সম্মান জানিয়ে তাঁর দেশের মাটিতে খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলার ইচ্ছা পূরণ করা উচিত। সাকিব আল হাসান আগেও দেশে ফিরে আবার জাতীয় দলে খেলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন, তবে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের পর আর দেশে ফিরতে পারেননি সাকিব। ওই বছরের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।  সাকিব চেয়েছিলেন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ খেলে লাল বলের ক্রিকেটকে বিদায় জানাতে। তবে সে সময় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হওয়ায় দেশে ফিরলে গ্রেপ্তার হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। পাশাপাশি রাজনৈতিক বিরোধীদের প্রতিক্রিয়ার শঙ্কাও ছিল। এসব কারণেই ফারুক আহমেদের নেতৃত্বাধীন বোর্ড চাইলেও সাকিবের সেই ইচ্ছা পূরণ করতে পারেনি। বাংলাদেশে পাকিস্তান দল সিরিজটি খেলবে দুই ভাগে। মার্চে তিন ওয়ানডের সিরিজ খেলে ফিরে যাবে দেশে। ২৬ মার্চ থেকে শুরু পিএসএল শেষ হওয়ার পর দুই টেস্টের সিরিজ খেলতে আবার বাংলাদেশে আসবে মে মাসে।
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা, কমান্ডো নামাচ্ছে শ্রীলঙ্কা
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা, কমান্ডো নামাচ্ছে শ্রীলঙ্কা
শুটিং দলকে ভারত পাঠানোর ব্যাখ্যাসহ সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশনের বিষয়ে যা জানা গেল
শুটিং দলকে ভারত পাঠানোর ব্যাখ্যাসহ সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশনের বিষয়ে যা জানা গেল
ইভেন্ট
লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
X