রেজাউল রেজা
প্রকাশ : ২০ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ২০ জুন ২০২৬, ০৫:৪১ পিএম
প্রিন্ট সংস্করণ

গতি কমবে উৎপাদনে মূল্যস্ফীতি বাড়ার শঙ্কা

বাজেটে কৃষির গুরুত্ব কম
ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স
ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স

কৃষিতে উৎপাদন ব্যয় অনেক হারে বেড়েছে। কৃষি অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির গতিও মন্থর। এমন প্রেক্ষাপটে কৃষিতে যেখানে বাজেট বাড়ার কথা, কৃষি সুরক্ষায় ভর্তুকি ও প্রণোদনা বাড়ার কথা, সেখানে এর সংকোচন ঘটেছে। এতে উৎপাদনের গতি কমবে, মূল্যস্ফীতির ওপর চাপও বাড়বে

ড. জাহাঙ্গীর আলম

কৃষি অর্থনীতিবিদ

দুই মাসে সার বস্তায় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বেড়ে গেছে। ওল চাষে আমাদের বাংলা টিএসপি সার লাগে, সেটার বস্তা এখন ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা হয়েছে। আগে ২ হাজার টাকার নিচে ছিল। সেচে খরচ বেড়েছে। যেভাবে খরচ বাড়ছে, তাতে কৃষিকাজ ছেড়ে দিতে হবে

মো. জহিরুল ইসলাম

ধান ও সবজিচাষি, কুমিল্লা

কৃষি খাতে ক্রমবর্ধমান উৎপাদন ব্যয়, জলবায়ু ঝুঁকি ও বাজারের অনিশ্চয়তার মধ্যে কৃষকদের জন্য তেমন কোনো সুখবর বয়ে আনেনি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট। বাজেটে কৃষি খাতে বরাদ্দ কিছুটা বাড়লেও মোট বাজেটের আকার অনুপাতে খাতটির হিস্যা কমেছে। সেইসঙ্গে কমেছে ভর্তুকি ও প্রণোদনার পরিমাণও। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন অর্থবছরের জন্য ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট ঘোষণা করা হলেও কৃষি খাতকে প্রত্যাশিত গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এর ফলে নানামুখী চাপে থাকা কৃষকরা কৃষিতে আরও নিরুৎসাহিত হতে পারেন। তাদের আশঙ্কা, প্রয়োজনীয় সহায়তা না পেলে কৃষিপণ্য উৎপাদনের গতি শ্লথ হয়ে যেতে পারে, যা খাদ্য নিরাপত্তায় বিরূপ প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে তা মূল্যস্ফীতি, বিশেষ করে খাদ্য মূল্যস্ফীতির ওপরও প্রভাব ফেলবে। গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। নতুন অর্থবছরের জন্য এবার প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করা হয়েছে। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের চেয়ে যা প্রায় ১৯ শতাংশ (১৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ) বেশি। নতুন অর্থবছরের জন্য বাজেটের আকার এতটা বাড়লেও কৃষি খাতে বাজেট সেভাবে বাড়েনি। বাজেট পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সার্বিকভাবে কৃষি খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪৬ হাজার ৮২১ কোটি টাকা। গত বছর যা ছিল ৪৬ হাজার ২৬৮ কোটি টাকা। এ হিসাব অনুযায়ী কৃষিতে বরাদ্দ বেড়েছে মাত্র ১ দশমিক ১৯ শতাংশ, যা পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে বাজেটে কৃষির হিস্যা কমেছে। এবার কৃষি বাজেট মোট বাজেটের ৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম কালবেলাকে বলেন, বর্তমানে কৃষিতে উৎপাদন ব্যয় অনেক হারে বেড়েছে। তাছাড়া, অতিখরা, অতিবৃষ্টিসহ জলবায়ুর প্রভাব রয়েছে। কৃষি অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির গতিও মন্থর। গত দুই বছর ধরে তা কমছে। এমন প্রেক্ষাপটে বাজেটে কৃষি যেভাবে গুরুত্ব পাওয়ার কথা, সেভাবে পায়নি। অবমূল্যায়ন হয়েছে। কৃষিতে যেখানে বাজেট বাড়ার কথা, কৃষি সুরক্ষায় ভর্তুকি ও প্রণোদনা বাড়ার কথা, সেখানে এর সংকোচন ঘটেছে।

বাজেট যেভাবে বাড়ছে, কৃষি বাজেট সেভাবে বাড়ছে না উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এবার বাজেটে কৃষিতে বরাদ্দ ৫৫৩ কোটি টাকা বা ১ দশমিক ১৯ শতাংশ বেড়েছে। কিন্তু মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপর ধরলে বরাদ্দ তো ৮ শতাংশ কমে গেছে। ‍শুধু তাই নয়, বাজেটে আমাদের কৃষির হিস্যা বা অংশীদারত্বটা পর্যায়ক্রমে কমে যাচ্ছে। গত অর্থবছর কৃষির বরাদ্দ যেখানে বাজেটের ৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ ছিল, এবার তা ৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ। গত ২০১১-১২ অর্থবছরে এটা ছিল ১০ দশমিক ৬৫ শতাংশ। কৃষি বাজেটে এমন অবহেলা উৎপাদনকে নিরুৎসাহিত করবে। এতে উৎপাদনের গতি কমবে। সেই সঙ্গে মূল্যস্ফীতির ওপরও চাপ বাড়বে।

নতুন বাজেটে কৃষি খাতে ভর্তুকি ও প্রণোদনায়ও সুখবর নেই। প্রস্তাবিত বাজেটে এ খাতে ভর্তুকি ও প্রণোদনার পরিমাণ ১৭ হাজার ১ কোটি টাকা। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে যা ছিল ১৭ হাজার ২৪১ কোটি টাকা। অর্থাৎ ভর্তুকি কমেছে ২৪০ কোটি টাকা। গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরও যা ছিল ১৭ হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, খরচের চাপে বিপর্যস্ত কৃষি খাতে নতুন করে যুদ্ধের প্রভাবে তেল, সার, ফিড, বিদ্যুৎ সবকিছুর দাম বেড়েছে। এতে বেকায়দায় কৃষিপণ্য উৎপাদনকারীরা। সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছেন প্রান্তিক পর্যায়ের উৎপাদকরা। লোকশানের মুখে তাদের অনেকেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন, যা খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এ বিষয়ে কথা হলে কুমিল্লা সদরের চৌধুরীখলা গ্রামের ধান ও সবজি চাষি মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, আমাদের খরচ কেবল বাড়ছে। মাত্র দুই মাসে পটাস, ইউরিয়া সারের বস্তায় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বেড়ে গেছে। ওল চাষে আমাদের বাংলা টিএসপি সার লাগে, সেটার বস্তা এখন ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা হয়েছে। আগে ২ হাজার টাকার নিচে ছিল। আমাদের সেচে খরচ বেড়েছে। যেভাবে খরচ বাড়ছে, তাতে কৃষিকাজ ছেড়ে দিতে হবে। কৃষকের খরচ যাতে কমে, সরকারের সেই উদ্যোগ নেওয়া দরকার।

নবাবগঞ্জের সোল্লা ইউনিয়নের আওনা বাজার গ্রামের ডিম উৎপাদনকারী ও ‘অরগানিক এগ্রো’র তরুণ উদ্যোক্তা মিরাজুল হাসান ভূঁইয়া বলেন, খরচসহ নানামুখী সংকটে ডিমের খামার বন্ধ করে দিতে হয়েছে। এখন খামারে কিছু গরু রয়েছে। সেগুলোও টিকিয়ে রাখতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের সুরক্ষায় বিশেষ বরাদ্দ বা উদ্যোগ দরকার ছিল।

কৃষি বাজেট নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানার মোবারকপুর গ্রামের আম চাষি ও ‘হাসনাত ম্যাংগো’র উদ্যোক্তা মো. হাসনাত মামুন বলেন, বিগত কয়েক বছরের ব্যবধানে উৎপাদন খরচ ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ বেড়েছে। শ্রমিক মজুরি ২০০ টাকা রোজ থেকে বেড়ে ৬০০ টাকা হয়েছে। কীটনাশকের দাম এক বছরে ৪০ শতাংশ বেড়েছে। সারের দাম লাফিয়ে বেড়েছে। বেশি দামেও পাওয়া যায় না, লবিং লাগে। খরচের চাপ কমাতে সরকারের উদ্যোগ না থাকলে আমরা বেশিদিন টিকে থাকতে পারব না। কৃষি খাত টিকিয়ে রাখতে বাজেটে বরাদ্দ ও ভর্তুকি-প্রণোদনা বাড়ানো দরকার। তবে, সেখানেও সমস্যা রয়েছে। দুর্নীতির কারণে এই বরাদ্দ ও ভর্তুকি আমাদের পর্যন্ত পৌঁছায় না। প্রণোদনা চলে যায় অন্যের পকেটে। সুতরাং বরাদ্দ, ভর্তুকির সঠিক বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হবে। নইলে আমাদের মতো তরুণ চাষিরা উৎপাদনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।

কৃষি অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. রিপন কুমার মণ্ডল কালবেলাকে বলেন, শিল্প খাতকে চাঙ্গা করতে বাজেটে অনেক উদ্যোগ রাখা হয়েছে, সেগুলো ইতিবাচক। কিন্তু কৃষি খাতকেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন ছিল। প্রবৃদ্ধি বাড়াতে শিল্প ও কৃষি দুই খাতেই উৎপাদন বাড়াতে হবে। কিন্তু বাজেটে কৃষি খাতের হিস্যা অনেকটা আগের মতোই। যেখানে দেশের সিংহভাগ মানুষ এই কৃষির ওপর নির্ভরশীল। সুতরাং কৃষির হিস্যাটা বাড়ার দরকার ছিল। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে কৃষি খাতেও খরচ বেড়েছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও উৎপাদন খাতে খরচ কমাতে হবে, সরবারহ বাড়াতে হবে।

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, কৃষি খাতে সারের দাম, পোলট্রি খাতে ফিডের দাম অনেক বেড়েছে। এখন উৎপাদন খরচ কমাতে হলে সার আমদানি কিংবা ফিডের কাঁচামাল আমদানিতে ভর্তুকি দিতে হবে। কিন্তু বাজেটে ভর্তুকি বাড়ানো হয়নি। শুধু তাই না, এ ভর্তুকির সুবিধা যাতে খামারি থেকে ভোক্তা পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছায় তাও নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে, খামারিরাও টিকে থাকতে পারবে। মূল্যস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণে আসবে। তাছাড়া ‘গুড এগ্রিকালচার’ (মানসম্পন্ন কৃষি) চর্চা উদ্বুদ্ধ করতেও কিন্তু ভর্তুকি ও প্রণোদনা দিতেই হবে। এতে দেশীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানি বাড়ানো যাবে। উৎপাদকরা মধ্যস্বত্বভোগীদের হাতে জিম্মি। তাদের বাজারের পাশাপাশি খাদ্য প্রক্রিয়াজাত ও প্রস্তুতকারীদের সঙ্গে সংযুক্ত করতে উদ্যোগ নিতে হবে। কিন্তু বাজেটে কৃষি খাতের সামগ্রিক বিষয়গুলো কম প্রাধান্য পেয়েছে। এটা উৎপাদনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্য বলছে, গত দুই মাস ধরে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে রয়েছে। গত মে মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়ায় ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ, যা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের পর সর্বোচ্চ। যেখানে বর্তমানে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশে।

কৃষি খাত ও কৃষি উৎপাদনকে গুরুত্ব না দিলে তা মূল্যস্ফীতির জন্যও সুখকর নয় বলে জানান ড. জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি কমিয়ে সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। সেটা অর্জনেও কৃষি খাতকে প্রাধান্য দিতে হবে। কারণ আমাদের খাদ্য মূল্যস্ফীতি এখনও ৯ শতাংশের ওপরে। আমাদের আমদানিনির্ভরতা বাড়ছে, বিপুল পরিমাণ খাদ্যশস্য আমদানি করতে হচ্ছে। এটা থেকে বেরুতে হবে। আন্তর্জাতিক পূর্বাভাসগুলোতেও খাদ্য সংকট, খাদ্যের দাম বাড়ার কথা বলা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের কৃষি খাতকে গুরুত্ব দিতেই হবে। নইলে তা শুধু খাদ্য মূল্যস্ফীতি বাড়াবে না, খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। উৎপাদন বাড়াতে কৃষি খাতের আধুনিকীকরণ এবং আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বাড়াতে হবে। আর সে জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে ভর্তুকি বাড়ানোর দরকার ছিল। শুধু তাই নয়, ভর্তুকি ও প্রণোদনা ব্যবস্থাপনায়ও সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে আমাদের।

কালবেলা/এসএ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এমপির নির্দেশে উন্মুক্ত হলো তিন বছর ধরে বন্ধ কালভার্ট, জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি ৩০০ পরিবারের

জামায়াত এমপি গাজী নজরুলের থেকে ৫৭ বছরের ছোট তার দ্বিতীয় স্ত্রী

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার

চাটখিলে সাংবাদিককে হুমকি, থানায় লিখিত অভিযোগ ভুক্তভোগীর

২১ দিনে জাবির মেডিকেল সেন্টার থেকে উধাও সাড়ে ১৯ হাজার ওষুধ

প্রবাসী ছেলের জন্য ওষুধ পাঠিয়ে আর বাড়ি ফেরা হলো না মায়ের

‘যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে নদীপাড়ে চলে আসেন, বাঁধ ভাঙছে’

প্রকল্পের অব্যয়িত প্রায় ৪২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

ভারতে পাচারের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে ৬৫ কচ্ছপ জব্দ, সালদা নদীতে অবমুক্ত

মহাকবি কায়কোবাদ স্মরণে নবাবগঞ্জে ‘আজান’ কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা

১০

সারাদেশে খাল খননের নামে বালু-মাটি লুটপাট করা হচ্ছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১১

গোয়ালন্দে ওয়ে ব্রিজ স্কেলের গার্ডার ভেঙে বন্ধ ওজন কার্যক্রম, ভোগান্তিতে ট্রাকচালকরা

১২

নড়াইল জেলা ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র আহ্বায়ক জাকারিয়া, সদস্যসচিব সাগর

১৩

স্কুলে যাওয়ার পথে ১০ম শ্রেণির ছাত্রী অপহরণের অভিযোগ, থানায় মামলা

১৪

নিখোঁজের চারদিন পর বন্ধ ঘর থেকে ববি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১৫

শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীকে মারধর, দুই ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার

১৬

ডিমলায় বাড়ছে অনলাইন জুয়ার বিস্তার, উদ্বেগে অভিভাবক ও সচেতন মহল

১৭

বিকেলে বাবার দাফন, রাতে এটিএম বুথে ডিউটি, সকালে এইচএসসি পরীক্ষা

১৮

জুলাই শহীদদের স্মরণে ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ বুধবার

১৯

বিয়ে নিয়ে শুভঙ্করের ফাঁকি, জামায়াত এমপির গোমর ফাঁস করলেন কাজী  

২০
X