

ছোট পর্দা থেকে বড় পর্দায় যাত্রা হয়েছে অভিনেত্রী মেহজাবীনের। প্রমাণ রেখেছেন নিজের অভিনয় দক্ষতার। যার ফলে বেড়েছে দর্শকও। এখন অভিনেত্রীর পাশাপাশি চিত্রনায়িকা লেখা হচ্ছে তার নামের পাশে, যা অর্জন করতে দীর্ঘ সময় পরিশ্রম করতে হয়েছে তাকে। তারপরই এসেছে তারকা খ্যাতি। কিন্তু জনপ্রিয়তা বাড়লেও মানবিক কাজে নিজেকে প্রতিনিয়ত নিয়োজিত রেখেছেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে মেহজাবীন চৌধুরী বরাবরই সক্রিয় থাকেন। সেখানে নিজের ব্যক্তিজীবন থেকে কাজের খবর সবকিছুই অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে যুক্ত আছেন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, এক্স ও টিকটকে। যেখানে যথাক্রমে তার অনুসারীর সংখ্যা দুই কোটির কাছাকাছি। যাদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যুক্ত থাকেন তিনি। এখানেই ব্যক্তিজীবন ও কাজের পাশাপাশি মানবিক কাজের বার্তা দেন। যার মধ্যে মুমূর্ষু রোগীদের জন্য রক্তের প্রয়োজনে প্রতিনিয়ত পোস্ট করেন। রোগী দেশের যে প্রান্তেই থাকুক না কেন, মেহজাবীন তার সামাজিক মাধ্যমে তার জন্য রক্ত সংগ্রহের ব্যবস্থা করেন, যা অনেক দিন ধরেই করে আসছেন। পাশাপাশি যে কোনো মানবিক কাজে নিজেকে যুক্ত রাখারও চেষ্টা করেন এ তারকা।
বড় পর্দায় মেহজাবীন নাম লেখান ‘সাবা’ সিনেমার মাধ্যমে। যেটি পরিচালনা করেন মাকসুদ হোসাইন। এতে আরও অভিনয় করেছেন মোস্তফা মনওয়ার, রোকেয়া প্রাচী প্রমুখ। সিনেমার গল্পে ‘সাবা’ সাধারণ পরিবারের মেয়ে। তার বাবা নিখোঁজ এবং মায়ের হুইলচেয়ারের জীবন। কঠিন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে নিজের জীবন এগিয়ে নিতে হয় তাকে।
তবে ‘সাবা’ প্রথম সিনেমা হলেও দেশের প্রেক্ষাগৃহে প্রথম মুক্তি পাওয়া তার সিনেমা হচ্ছে ‘প্রিয় মালতী’। যেখানে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন এ তারকা। মালতী রানী দাশ নামে নিম্ন-মধ্যবিত্ত লড়াকু নারীর চরিত্র ধারণ করেছেন মেহজাবীন। যিনি পলাশ কুমার দাশ নামে এক তরুণের সঙ্গে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছিলেন। এটি পরিচালনা করেন তরুণ নির্মাতা শঙ্খ দাশগুপ্ত।