কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ জুন ২০২৬, ০৮:৫৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

তিস্তায় নতুন ব্যারেজ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে : প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

তিস্তা নদীতে শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণ এবং সেচ সুবিধা বাড়াতে নতুন একটি ব্যারেজ নির্মাণের লক্ষ্যে কারিগরি ও আর্থিক বিষয়গুলো বিভিন্ন পর্যায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে টেবিলে উপস্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি। এদিন প্রধানমন্ত্রী সংসদে উপস্থিত না থাকলেও তার লিখিত উত্তর সংসদে উপস্থাপন করা হয়।

রংপুর-৪ আসনের আখতার হোসেন এক প্রশ্নে জানতে চান তিস্তা নদীবেষ্টিত এবং ভৌগোলিক কারণে ঐতিহাসিকভাবে উন্নয়ন বঞ্চিত রংপুর-৪ (পীরগাছা ও কাউনিয়া) সংসদীয় আসনের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ এবং তিস্তা নদীর ওপর দ্বিতীয় সেতু বা পরিকল্পিত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ ও বড় আকারের প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে কোনো বিশেষ ‘সমন্বিত মহাপরিকল্পনা’ গ্রহণ কবার পরিকল্পনা আছে কি?

জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তিস্তা নদী উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিস্তা নদীর উজানে বাঁধ দেওয়াসহ নানা সীমাবদ্ধতার কারণে শুষ্ক মৌসুমে নদীর পানি প্রবাহ কমে যায়। যার ফলে তিস্তা সেচ প্রকল্পসহ কৃষি কার্যক্রম ব্যাহত হয়। অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে উজানে অতি বৃষ্টির কারণে হঠাৎ বন্যা ও নদীভাঙন সংগঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিস্তা এলাকার ৫টি জেলায় (রংপুর, নীলফামারি, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা এবং লালমনিরহাট) নদীভাঙন রোধে বিগত ও চলতি অর্থবছরে ২৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪২ দশমিক ৫ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ কাজ চলমান রয়েছে, যা এ মাসেই শেষ করার জন্য নির্ধারিত রয়েছে। এই কাজের মধ্যে রংপুর-৪ সংসদীয় এলাকার তিস্তা নদীর অংশে ভাঙন রোধে প্রায় ২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪.৬ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ কাজ চলমান আছে, যার বাস্তবায়নও চলতি মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীভাঙন অনেকাংশেই প্রশমিত হবে।

তারেক রহমান বলেন, তিস্তা নদীকেন্দ্রিক টেকসই ও সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি সমীক্ষা কার্যক্রম ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। এই সমীক্ষা প্রতিবেদনে তিস্তা মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে ১১০ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ (নদী শাসন), ১১০ কিলোমিটার নদী ড্রেজিং, ২২৪ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এবং বাঁধের উপর রাস্তা নির্মাণ, ৬৭টি গ্রোয়েন/স্পার নির্মাণ ও মেরামত এবং ১৭০ বর্গ কিলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন কাজ প্রস্তাব করা হয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওয়ালটনের পিসিবিএ রপ্তানি শিপমেন্ট উদ্বোধন

স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কোনো অবহেলা বরদাশত করবে না সরকার : প্রতিমন্ত্রী

‘তুই মরে যা, আমার কিছু যায় আসে না’, ইকরাকে বলতেন আলভী

জয়পুরহাটে শিশু ধর্ষণের দায়ে কৃষকের যাবজ্জীবন

ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন মোতাহার হোসেন

সরকারি কর্মকর্তাদের স্মার্টফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করল আফগানিস্তান 

হাইতির বিপক্ষে নামার আগে সুখবর পেল ব্রাজিল

বিশ্বকাপ খেলা দেখার সময় হল সংসদ নেতাকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ রাকসু জিএস আম্মারের বিরুদ্ধে

রাত ১টার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে

ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, সরকারি ও বিরোধী দলের তুমুল বিতর্ক

১০

বিএনপি নেতা রোকনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

১১

খুবি ছাত্রীকে অধ্যাপকের কুপ্রস্তাব, প্রতিবাদে কুশপুত্তলিকা দাহ ও জুতা নিক্ষেপ

১২

খালার বাড়ি থেকে ফেরার পথে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী

১৩

ট্রেলারেই রহস্যের ঝড়, ২৫ জুন আসছে ‘হেডলাইন’

১৪

স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, থানায় আত্মসমর্পণ স্বামীর

১৫

চাঁদপুর ট্রিবিউনের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

১৬

বিশ্বকাপে মিলে গেল মেসির ভবিষ্যদ্বাণী

১৭

এইচপিভি টিকা নেওয়া তরুণীদের জরায়ুমুখ ক্যানসারে মৃত্যু প্রায় শূন্য

১৮

দেশজুড়ে বৃষ্টির দাপট থাকবে আরও ৫ দিন, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আভাস

১৯

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে ট্রাম্পের সমর্থন চাইলেন জেলেনস্কি  

২০
X