

নিউইয়র্ক সিটির ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ফার্স্ট লেডি হতে যাচ্ছেন ২৮ বছর বয়সী রামা দুয়াজি। গত মঙ্গলবার রাতে তার স্বামী জোহরান মামদানি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তিনি, যিনি নীরবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন পুরো প্রচার অভিযানে।
বিজয়ী ভাষণে রামাকে পাশে নিয়ে মামদানি বলেন, ‘আর আমার অসাধারণ স্ত্রী, রামা, হায়াতি (আমার জীবন)। এ মুহূর্তে এবং প্রতিটি মুহূর্তে আমি তার চেয়ে বেশি আর কাউকে পাশে চাই না।’
সিরীয় বংশোদ্ভূত রামা দুয়াজি নিউইয়র্কভিত্তিক একজন চিত্রশিল্পী, যার কাজে প্রায়ই মধ্যপ্রাচ্যের বিষয়বস্তু উঠে আসে। তার শিল্পকর্ম বিবিসি নিউজ, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট, ভাইস এবং লন্ডনের টেট মডার্ন জাদুঘরে দেখা গেছে। ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট মামদানির নির্বাচনী প্রচারের স্বতন্ত্র চেহারা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার উপস্থিতি গড়ে তোলার পেছনে ২৮ বছর বয়সী এই শিল্পীর অবদানই সবচেয়ে বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস শহরে বেড়ে ওঠা ও দুবাইয়ে পড়াশোনা করা সিরীয়-মার্কিন রামা দুয়াজি চার বছর আগে নিউইয়র্কে যান। তিনি মামদানির নির্বাচনী প্রচারের লোগো থেকে শুরু করে সামগ্রিক নকশা তৈরি করেন; বিশেষ করে, উজ্জ্বল হলুদ, কমলা ও নীল রঙের ব্র্যান্ডিং, যা পরে তাদের তৃণমূল আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠে।
নির্বাচনের আগপর্যন্ত দুয়াজি কোনো বিতর্কসভা বা প্রচার সমাবেশে অংশ নেননি এবং অনলাইনে খুব কমই প্রচার-সম্পর্কিত কিছু শেয়ার করেছেন। স্ত্রীর অনুপস্থিতি নিয়ে সমালোচনার জবাবে নিউইয়র্ক সিটি ক্লার্কের অফিসে তোলা বিয়ের একাধিক ছবি শেয়ার করে মে মাসে একটি পোস্ট দেন মামদানি। লেখেন—‘আজকের টুইটার দেখলেই বোঝা যায়, এর জুনে মামদানির অপ্রত্যাশিত প্রাইমারি জয়ের পর ইনস্টাগ্রামে তিনি লিখেছিলেন, ‘এর চেয়ে বেশি গর্বিত হওয়া সম্ভব নয়।’