

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জে সাদাপাথর ও বালু লুট-চুরি রোধে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন। এখন থেকে ধলাই নদীতে পর্যটকবাহী নৌকা ছাড়া অন্য কোনো নৌকা চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
গত শুক্রবার বিকেলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন বালু ও পাথর লুট ঠেকাতে মাইকিং করে এ নির্দেশনা জারি করেছে।
প্রশাসনের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ধলাই সেতুর ৫০০ মিটার নিচ থেকে সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র পর্যন্ত শুধু পর্যটকবাহী নৌকা চলাচল করতে পারবে। এ এলাকায় অন্য কোনো নৌকা চলাচল করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন কালবেলাকে বলেন, নির্দেশনা ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই তা কার্যকর করা হয়েছে। যারা আদেশ অমান্য করবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রবিন মিয়া কালবেলাকে বলেন, বালু ও পাথর লুট বন্ধে পর্যটকবাহী নৌকা ছাড়া অন্যকোনো নৌকা চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। শুক্রবার ভোরে অভিযান চালিয়ে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত দুজনকে এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় ২ জনের কারাদণ্ড: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে দুজনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গত শুক্রবার মধ্যরাতে উপজেলার ভোলাগঞ্জ ধলাই সেতুর পাশে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। গতকাল শনিবার তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার ডাকঘর গ্রামের মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর ছেলে শফিক আহমেদ (৪০) ও একই এলাকার মো. বাবুল মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ কুদ্দুস (৩০)।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রবিন মিয়া বলেন, ‘ধলাই সেতুর পাশ থেকে নিজের জায়গা দাবি করে বালু উত্তোলনের খবর পাই। পরে ভোর রাতে অভিযান চালিয়ে বালু উত্তোলনকারী দুজনকে এক বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছি। যারা বালু উত্তোলন কাজে জড়িত, তাদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. রতন শেখ (পিপিএম) বলেন, বালু উত্তোলন করায় টাস্কফোর্স অভিযান চালিয়ে দুজনকে এক বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে। শনিবার দুপুরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।