বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৬, ০৩:৩০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রিমান্ডে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ দিয়েছেন অভিনেতা আলভী

আদালতে নেওয়া হচ্ছে অভিনেতা আলভীকে। ছবি: সংগৃহীত
আদালতে নেওয়া হচ্ছে অভিনেতা আলভীকে। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুরের বাসা থেকে স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের মামলায় ছোটপর্দার অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে যাহের আলভীকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আলভী রিমান্ডে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ দিয়েছেন বলে আদালতকে জানিয়েছেন পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদ তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী আবজাল হোসাইন মৃধা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

দুই দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার আলভীকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের মিরপুর জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর আব্দুল মালেক।

আবেদনে বলেন, ‘আসামিকে ঘটনার বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের মামলার ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা মামলার তদন্তকাজে সহায়তা করবে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মামলার ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তদন্ত অব্যাহত। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক প্রয়োজন।’

শুনানিকালে আলভীকে এজলাসে তোলা হয়। তবে তার পক্ষে জামিনের আবেদন ছিল না। বাদীপক্ষের আইনজীবী আবজাল হোসাইন মৃধা এ মামলায় আর কার কার সম্পৃক্ততা আসছে তা লিখিত আকারে জানাতে আদালতের কাছে আবেদন করেন। বিচারক তাকে জানান, তদন্ত কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে কল করা হবে।

এরপর বিচারক আলভীর কিছু বলার আছে কি না জানতে চান। আলভী মাথা নেড়ে জানান, ‘না।’ কোনো টর্চার করা হয়েছে কি না বিচারক জানতে চাইলে আলভী বলেন, ‘না।’ পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ১৮ জুন আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন যাহের আলভী। তবে আদালত সেদিন জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর গত ২১ জুন আলভীর ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদনের পর ২৪ জুন শুনানি শেষে তার দুই দিনের আদেশ দেন।

এর আগে গত ৪ জুন আলভীর মা নাসরিন সুলতানা আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পল্লবীর ডিওএইচএসের বাসায় বেলা পৌনে ১২টার দিকে বাসার সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরে পুলিশ খবর পেয়ে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট করাসহ বাসা থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে।

এদিকে ইকরার আত্মহত্যার পর ওই রাতেই মামলা করেন বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ছয় আর্জেন্টাইনের মধ্যে রইল বাকি চার

শ্রমিক দল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

সবুজায়নের অঙ্গীকারে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

পেলের রেকর্ড ভেঙ্গে নতুন উচ্চতায় হ্যারি কেইন

ধর্ষণের ১৪ বছর পর রায়, দুই যুবকের ফাঁসির আদেশ

বিএসইসি’র প্রধান কার্যালয়ে শিল্প সচিবের সৌজন্য ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

রাজধানীতে সন্ত্রাসী হামলায় বিএনপি নেতা নিহত

সুফিয়া কামাল হলে ছাত্রদলের ফল উৎসব

৩৩টি বিয়ে নিবন্ধনে স্বাক্ষরে অনিয়ম, কাজীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আদালতের নির্দেশ

প্রতারণা মামলায় এসএমপির সহকারী কমিশনার কারাগারে

১০

শাসরুদ্ধকর ম্যাচে ইংল্যান্ডের জয়

১১

শিবির নেতা হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভ

১২

আসছে টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

১৩

পুলিশকে ‘ইট দিয়ে আঘাত করে’ আসামি ছিনতাইয়ের অভিযোগ

১৪

ঢাকা-নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইট চাইলেন ব্যবসায়ীরা

১৫

'ভয়ে’ পেনাল্টি নিতে রাজি হননি জার্মানির ৪ ফুটবলার

১৬

টানলেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

১৭

শেখ হা‌সিনাকে ফেরানোর অগ্রগ‌তি নিয়ে যে তথ্য জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

১৮

পরশুরামে মানসিক ভারসাম্যহীন বাংলাদেশিকে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ

১৯

৩০০ কোটি বাজেটের সিনেমায় রণবীর সিং, সেপ্টেম্বরে শুরু শুটিং

২০
X