

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে প্রত্যাহার করেছে পুলিশ সদরদপ্তর। তাকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত করে আগামী ২১ জুনের মধ্যে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে রিপোর্ট করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে শনিবার (২০ জুন) পুলিশ সদরদপ্তরের পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখা থেকে একটি চিঠি জারি করা হয়। চিঠিতে অতিরিক্ত ডিআইজি (সংস্থাপন) রায়হান উদ্দিন খান স্বাক্ষর করেছেন।
এর আগে দায়িত্ব পালনকালে দেওয়া একটি বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। ওই বক্তব্যকে বেফাঁস মন্তব্য হিসেবে দেখছে সংশ্লিষ্ট মহল। এর পরিপ্রেক্ষিতেই তাকে খুলনা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার অর্পণ করে আগামী ২১ জুন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স রিপোর্ট করতে হবে।
মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা। তিনি কেএমপিতে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার নগরীর লবণচরা থানার মহিরবাড়ি খালপাড় এলাকায় স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় কেএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ২৫ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, দারোগা বা ইন্সপেক্টরকে বলার পরও কোনও ইনফরমেশন যদি ফাঁস হয়, আমি মুসলমান হিসেবে কথা দিচ্ছি; ইন্সপেক্টরকে ঝুলায় দেবো, আপনারা পিটায় মারবেন। আপনারা গোপন তথ্য দেবেন, আল্লাহ ছাড়া কেউ জানলে আমি কথা দিচ্ছি গাছের সঙ্গে ঝুলাইয়া পিটাবো।