

ডেঙ্গুতে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের একজন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মারা গেছে। অপর রোগী বরিশালে মারা গেছেন। এসময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২২০ জন ডেঙ্গু রোগী। এ নিয়ে চলতি মাসে ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু হলো। একই সঙ্গে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯ জনে।
এদিকে, শনাক্ত রোগী বেড়ে চার হাজার ৯০০ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হওয়া ১৫৫ জনকে নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৪ হাজার ৫৬৮ জন।
রোববার (২১ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন্স অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় যারা ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৬ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) ২৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) ২০ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন ও সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) চারজন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে দুই নারীর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের বরিশাল বিভাগে ও একজনের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১৫৫ জন ডেঙ্গু রোগী। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে চার হাজার ৫৬৮ জন।
সাধারণত বাংলাদেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি দেখা যায় বর্ষা মৌসুমে, বিশেষ করে জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত। বৃষ্টির পানিতে জমে থাকা ছোট ছোট জলাধার এডিস মশার প্রজননের জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় জলবায়ু পরিবর্তন, অস্বাভাবিক আবহাওয়া, দীর্ঘ উষ্ণ সময়কাল ও দ্রুত নগরায়ণের কারণে ডেঙ্গুর মৌসুমি ধারা বদলে যাচ্ছে। এখন সংক্রমণ আগেভাগে শুরু হয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকে।