পুলিশের বাধায় পণ্ড ১২ দলের বিক্ষোভ সমাবেশ
পুলিশের বাধায় পণ্ড হয়েছে ১২ দলীয় জোটের ডাকা বিক্ষোভ সমাবেশ। গতকাল শনিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশের জন্য নেতাকর্মীরা দাঁড়ালে বাধা দেয় পুলিশ। সরেজমিন দেখা যায়, সকাল ১১টার দিকে জোটের নেতাকর্মীরা সমাবেশের জন্য প্রেস ক্লাবের সামনের ফুটপাতে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় পুলিশ এসে তাদের ব্যানার ছিনিয়ে নেয় এবং জোট নেতাদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। পুলিশের কর্মকর্তা জোট নেতাদের বলেন, ‘আপনারা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে কর্মসূচি করতে পারেন। এখানে আমাদের তরফ থেকে কোনো বাধা নেই। কিন্তু কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কর্মসূচি করতে দিতে পারি না।’ পরে নেতারা সেখান থেকে চলে গিয়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন। মিছিলটি পল্টন মোড় অভিমুখে মেহেরবা প্লাজার সামনে গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ সমাবেশ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ আমাদের ব্যানার ছিনিয়ে নিয়েছে, হুমকি দিয়েছে। আজকে মানুষের কথা বলার কোনো অধিকার নেই। এভাবে একটি রাষ্ট্র চলতে পারে না। সংকট উত্তরণে এই সরকারকে বিদায়ে চলমান আন্দোলন আরও বেগবান করতে হবে। জাগপার সিনিয়র সহসভাপতি রাশেদ প্রধান বলেন, সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। এ সময় বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা বক্তব্য দেন। কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন ১২ দলীয় জোটের প্রধান মোস্তফা জামাল হায়দার, জাতীয় পার্টির (জাফর) আহসান হাবীব লিংকন, লেবার পার্টির ফারুক রহমান, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আব্দুল করিম, কল্যাণ পার্টির শামসুদ্দিন পারভেজ প্রমুখ।
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ঢাকায় জামায়াতের আইনজীবী সমাবেশ
রাজধানীতে আইনজীবীদের নিয়ে সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।  সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।  কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মু. নূরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় মজলিসের শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও প্রচার সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মু. সেলিম উদ্দিন, বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের সভাপতি অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দিন সরকার।  প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, রাষ্ট্রের পুনর্গঠন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় দেশের আইনজীবীদের আরও তৎপর হতে হবে। বিচারাঙ্গনের উন্নয়ন ও আইনজীবীদের পেশাগত মান উন্নয়নের জন্য দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। আইনাঙ্গন বিচার প্রার্থীদের কাছে একটি জাগতিক আশ্রয়স্থল। যেখানে ন্যায়বিচার পাওয়ার আশায় ভুক্তভোগীরা দারস্থ হয়। কিন্তু বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে আজ বাংলাদেশের জনগণ এক অস্বস্তিকর পরিবেশে জীবনযাপন করছে। এই ভয়ানক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে আইনজীবীদের এগিয়ে আসতে হবে। আজকে উপস্থিত তরুণ আইনজীবীরা আমাদের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে তাদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।  তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী মানবতার মুক্তি ও কল্যাণকামী সংগঠন। এদেশে ইসলামের সু-মহান আদর্শের আলোকে একটি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। এজন্য জামায়াতে ইসলামীর শপথের জনশক্তি হিসেবে উপস্থিত আইনজীবীদের কৃত ওয়াদার আলোকে নিজ নিজ অঙ্গনে ঐক্যবদ্ধ ও বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে হবে। সামনে এশিয়ার সর্ববৃহৎ বার ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন। এই নির্বাচনে ঢাকা আইনজীবী সমিতিকে একটি আধুনিক ও উন্নত সুযোগ সুবিধা সংবলিত আইনজীবী সমিতি হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ইসলামী মূল্যবোধ ও জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী নীল প্যানেলকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা পালন করতে হবে।  অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, আইনজীবীরা স্বাধীনতা সংগ্রাম, স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামসহ জাতীয় সকল সংকটে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছেন। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, আইনাঙ্গনে গতিশীলতা এবং আইনজীবীদের অধিকার সমুন্নত রাখতে তিনি জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্রার্থীদের সহপূর্ণ প্যানেলে নীল প্যানেলকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। মুহা. সেলিম উদ্দিন বলেন, আজ গোটা বিচারাঙ্গণের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। স্বাধীন বিচারব্যবস্থার কথা বলা হলেও বাস্তব চিত্র তার পুরো উল্টো। অতীতে দেশের যে কোনো দুর্যোগ ও ক্রান্তিকালে আইনজীবীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বর্তমান সময়েও ইসলামের সু-মহান আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আইনজীবীদের বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে হবে। অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দিন সরকার বলেন, ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে জাতীয়তাবাদ ও ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্যানেলকে পরিপূর্ণভাবে নির্বাচিত করার জন্য সব আইনজীবী ভোটারদের এগিয়ে আসতে হবে। যাতে করে এই প্যানেল বিজয়ী হওয়ার পর সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে আইনজীবীদের অধিকার মান-মর্যাদা সমুন্নত রাখতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে পারে। সভাপতির বক্তব্যে নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, বাংলাদেশে আজ আইনের শাসন বলতে কিছু নেই। দেশের বিচারব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে আইনজীবীগণকে তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে আরও দক্ষতা প্রদর্শন করতে হবে। বিচারব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের পূর্ণ আস্থা ফিরিয়ে আনতে অবদান রাখতে হবে। বর্তমান এই ফ্যাসিস্ট, অগণতান্ত্রিক ও অনির্বাচিত সরকারের হাত থেকে দেশের আইনাঙ্গনকে রক্ষার জন্য এবং গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত ও আইনের শাসন কায়েমের লক্ষ্যে ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে নীল প্যানেল মনোনীত প্রার্থীদের নিরঙ্কুশভাবে বিজয়ী করার জন্য তিনি আইনজীবীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। আইনজীবী সমাবেশে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের জনশক্তি ছাড়াও ঢাকা মহানগরী উত্তর, ঢাকা জেলা উত্তর ও দক্ষিণ সহপার্শ্ববর্তী জেলার আইনজীবী জনশক্তিরা অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, আসন্ন ঢাকা আইনজীবী সমিতি নির্বাচন ২০২৪-২৫ এ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে নীল প্যানেল থেকে সিনিয়র সহসভাপতি প্রার্থী হিসেবে অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক ব্যালট নং ২, সদস্য প্রার্থী হিসেবে রেজাউল হক রিয়াজ ব্যালট নং ১৮ ও মো. আরিফ ব্যালট নং ৯ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।  সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় মজলিসের শূরা সদস্য ও ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট এস এম কামাল উদ্দিন, অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মাঈনুদ্দিন, অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী সহবিভিন্ন আইনজীবী নেতারা।  
২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ফরিদপুরে বইঘাঁটার উদ্যোগে ‌‘সাঁতার’ ষষ্ঠ প্রকাশনা সমাবেশ অনুষ্ঠিত
ফরিদপুরে বইঘাঁটার উদ্যোগে ‌‘সাঁতার’ ষষ্ঠ প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের মরহুম অ্যাডভোকেট লিয়াকত হোসেন মিলনায়তনে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা, পুস্তকের মোড়ক উন্মোচন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‌ও কবিতা আবৃত্তি অনুষ্ঠিত হয়। কবি জাহাঙ্গীর খানের সভাপতিত্বে ‌অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট লেখক মোহাম্মাদ ইদ্রিস, নাট্যতাত্ত্বিক ড. বিপ্লব বালা, অধ্যাপক শিপ্রা রায়, শিক্ষাব্রতী দাতব্য প্রতিষ্ঠান এ এফ মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি লোনা টি রহমান‌, জুনায়েদ পারভেজ বাবু, মাহফুজুল আলম মিলন প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শিপ্রা গোস্বামী।  এ সময় বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।   
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ধর্ষণ-নিপীড়নের বিরুদ্ধে শাহবাগে সংহতি সমাবেশ
ক্যাম্পাসের চলমান ধর্ষণ ও নিপীড়ন বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে সাবেক শিক্ষার্থীদের আয়োজনে সংহতি সমাবেশ হয়েছে।  শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় শাহবাগে এই সংহতি সমাবেশ হয়েছে। সমাবেশে বক্তারা ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি জানান।  এ ছাড়াও নিপীড়ন মুক্ত ক্যাম্পাস এবং পাবলিক হেল্থের নিপীড়ক শিক্ষক মাহমুদুর রহমান জনির অপসারণ দাবি করা হয় সমাবেশ থেকে। মূলত ধর্ষণ, মাদক ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে আজকের এই সংহতি সমাবেশ। যেখানে ধর্ষক ও নিপীড়কদের আশ্রয়দাতা প্রক্টর ও মীর মোশাররফ হোসেন হলের প্রোভোস্টের অপসারণের দাবি তোলা হয়।  সমাবেশে বক্তব্য দেন, ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি শরিফুজ্জামান শরিফ, ছাত্রফ্রন্টের সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন প্রিন্স, জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি মাহী মাহফুজ, ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি দীপক শিল, জাবির সিনেটর ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খানসহ অনেকে। 
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সুবর্ণচরে সহিংসতার প্রতিবাদে সমাবেশ
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় নারীর প্রতি ধারাবাহিক সহিংস ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার স্থানীয় জনগণ। মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে নারী ও শিশুর প্রতি সব ধরনের সহিংসতা ও ধর্ষণের নিন্দা জানান তারা। এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দলমত নির্বিশেষে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। গতকাল রোববার দুপুরে সুবর্ণচরের মুজিব চত্বরে কর্মসূচির আয়োজন করে নোয়াখালী নারী অধিকার জোট। তাদের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে অংশ নেন সাগরিকা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা, নিজেরা করি, পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক-প্রান, নোয়াখালী পল্লী উন্নয়ন সংস্থাসহ (এনআরডিএস) স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। এ ছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মানবাধিকারকর্মী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও কলেজ শিক্ষার্থীরাও সেখানে যুক্ত হন। ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন তারা। সমাবেশে বক্তারা বলেন, একের পর এক নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় সুবর্ণচর সারা দেশের কাছে আলোচিত। কতিপয় নরপশুর ঘৃণিত আচরণে জনপদটি অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। স্বামী-সন্তানকে বেঁধে গণধর্ষণের ঘটনার রায়ের দিনই আরেকটি গণধর্ষণের ঘটনা দেশবাসীকে স্তম্ভিত করেছে। ঐক্যবদ্ধভাবে এই সামাজিক অনাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন নোয়াখালী নারী অধিকার জোটের সভাপতি লায়লা পারভীন। বক্তব্য দেন চর ক্লার্ক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল বাশার, সংগঠনের সদস্য সচিব মনোয়ারা আক্তার ওরফে মিনু, মানবাধিকার কর্মী ও সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়ন পরিষদের নারী সদস্য রৌশন আক্তার, উন্নয়ন সংগঠন নিজেরা করির অঞ্চল সমন্বয়ক পরিতোষ দেবনাথ, সুবর্ণ ক্যাডেট একাডেমির প্রধান শিক্ষক হানিফ মাহমুদ, নারী অধিকার জোটের সদস্য মারজাহান আক্তার, মেরিনা আক্তার প্রমুখ।
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সাংবাদিক সমাবেশ থেকে আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত নিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ আখ্যা দিয়ে তার পদত্যাগ দাবি করেছেন সাংবাদিক নেতারা। ঘটনার এক যুগ পরেও কেন বিচার চেয়ে আন্দোলন করতে হচ্ছে এ প্রশ্ন তুলে আর কত বছর অপেক্ষা করতে হবে তা জানতে চান তারা। গতকাল রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সামনে সাগর-রুনি হত্যার বিচারের দাবিতে সংগঠনটি আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে এ দাবি জানান বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা। গত ১ ফেব্রুয়ারি আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘তদন্তে যত দিন সময় লাগে সঠিকভাবে দোষী নির্ণয় করতে, তাদের ততটুকু সময় দিতে হবে। সেটি যদি ৫০ বছর হয়, ৫০ বছর দিতে হবে।’ আইনমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ উল্লেখ করে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ খান বলেন, ‘আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই। আমরা ৫০ বছর অপেক্ষা করব না।’ ডিআরইউর দপ্তর সম্পাদক রফিক রাফি বলেন, ‘আমি মনে করি আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।’ ডিআরইউর সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম শামীম বলেন, ‘১২ বছর ধরে আমরা একই জায়গায় প্রতিবাদ করে আসছি সাগর-রুনির বিচার দাবিতে। কিছুদিন আগে আইনমন্ত্রী যা বলেছেন তাতে আমরা আরও বেশি মর্মাহত হয়েছি। সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কারও কাছ থেকে এমন মন্তব্য আমরা আশা করি না।’ ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম হাসিব বলেন, ‘এখানে আইনমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন তার প্রতিবাদ জানাই। একই সঙ্গে আপনাকে আপনার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে হবে।’ সমাবেশে বক্তারা জানান, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পূর্ব রাজাবাজারের ফ্ল্যাটে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির রক্তাক্ত লাশ পাওয়া যায়। তখন তাদের পাঁচ বছরের ছেলেটিই শুধু ঘরে ছিল। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হত্যা রহস্য উদ্ঘাটনে সরকারের ঘোষণা গড়াল ১২ বছরে, তারপরেও জানা গেল না কীভাবে নিজের ঘরে খুন হলেন এই সাংবাদিক দম্পতি। থানা পুলিশ থেকে তদন্তভার গিয়েছিল ডিবির হাতে, তাদের ব্যর্থতা স্বীকারের পর এক যুগ ধরে তদন্ত চালিয়ে আসছে র্যাব, কিন্তু এখনা কূলের সন্ধান পায়নি তারা। অভিযোগপত্র দিতে আদালতের কাছে ১০৭ বার সময় নেওয়া হয়ে গেছে। বিচারপ্রক্রিয়া থমকে আছে। নিষ্ঠুর এ হত্যাকাণ্ড ও বিচারহীনতায় হতবাক গোটা জাতি। ডিআরইউর সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সাগর সরওয়ারের সাবেক সহকর্মী মাছরাঙা টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক রাশেদ আহমেদ, ডিআরইউর সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, সিনিয়র সাংবাদিক আশিষ কুমার দে, ক্র্যাবের সাবেক সভাপতি মধুসূদন মণ্ডল, ডিআরইউর সাবেক সভাপতি শাহেদ চৌধুরী, সাবেক সভাপতি মোরসালীন নোমানী প্রমুখ।
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ঢাকায় আ.লীগের সমাবেশ স্থগিত, চলবে দেশজুড়ে
দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় পূর্বঘোষিত শান্তি, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন সমাবেশে হলেও রাজধানীতে কর্মসূচি স্থগিত করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলীয় সূত্রে জানা যায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে আজ (মঙ্গলবার) থেকে। এদিন ঢাকায় আওয়ামী লীগের দলীয় কর্মসূচি না থাকাই ভালো—এমন ধারণা থেকেই সেটি স্থগিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান কালবেলাকে বলেন, রাজধানীতে স্থগিত করা হলেও সারা দেশে ঘোষিত কর্মসূচি পালিত হবে। জানা যায়, এদিন বিএনপিও ঢাকায় কালো পতাকা মিছিলের ঘোষণা দিয়েছে। একই দিন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সমাবেশ-মিছিল ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের মিছিল কর্মসূচি করার কথা ছিল। পরে দলীয় সিদ্ধান্তে তা স্থগিত করা হয়। ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক প্রলয় সমদ্দার বাপ্পি বলেন, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশেই কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অনিবার্য কারণবশত মঙ্গলবারের ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী কার্যসূচি জানিয়ে দেওয়া হবে। একই দিনের মিছিলের কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে বলে জানান ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রিয়াজউদ্দিন রিয়াজ। তিনি বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশের কাছে অনুমতি চেয়েও না মেলায় কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। গত শনিবার এক সমাবেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ৩০ জানুয়ারি সারা দেশে ওই কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
৩০ জানুয়ারি, ২০২৪

সিপিবির দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ ২ ও ৩ ফেব্রুয়ারি
আগামী ২ ও ৩ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি। গতকাল রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সেখানে আরও বলা হয়, ‘ডামি’ নির্বাচন বাতিল, সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতি প্রবর্তনসহ নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার ও নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, রেশন ব্যবস্থা ও ন্যায্যমূল্যের দোকান চালু, খেলাপি ঋণ ও বিদেশে পাচার হয়ে যাওয়া টাকা উদ্ধার, দুর্নীতি-লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, ন্যূনতম জাতীয় মজুরি নির্ধারণ, কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ, ক্ষেতমজুরসহ সবার কাজের নিশ্চয়তা, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির মূল্যবৃদ্ধির পাঁয়তারা বন্ধসহ দেশের অর্থনৈতিক ও জনজীবনের সংকট দূর করার দাবিতে আগামী ২ ও ৩ ফেব্রুয়ারি বিক্ষোভ-সমাবেশ করা হবে। এক বিবৃতিতে দলটির সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স সব জেলা ও উপজেলায় সভা-সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানান।
২৯ জানুয়ারি, ২০২৪

বিকেলে ঢাকায় আওয়ামী লীগের সমাবেশ
ঢাকায় শান্তি ও গণতন্ত্র সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ। শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।  শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের আয়োজনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে শান্তি ও গণতন্ত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে সমাবেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দেবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এর আগে গত ৭ জানুয়ারি দেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে টানা চতুর্থ মেয়াদে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনের পর ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করে আওয়ামী লীগ।
২৭ জানুয়ারি, ২০২৪

আওয়ামী লীগের শান্তি ও গণতন্ত্র সমাবেশ আজ
রাজধানীতে আজ শনিবার ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শান্তি ও গণতন্ত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। বিকেল ৩টায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে সমাবেশটি হবে। সমাবেশের অনুমতি চেয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে ২২ শর্তে অনুমতি দেওয়া হয়। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে শান্তি ও গণতন্ত্র সমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। একই দিন বিএনপির কালো পতাকা মিছিল থাকায় জনমনে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সব ধরনের প্রস্তুতি রেখেছে। ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকেও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকতে নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাতে কেউ আন্দোলনের নামে নাশকতা ও সহিংস কর্মকাণ্ড করতে না পারে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড কঠোর হস্তে দমনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। গত বছর ২৮ অক্টোবরের পর নতুন বছরে এই প্রথম আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি মাঠে গড়াল।
২৭ জানুয়ারি, ২০২৪
X