

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনার পরবর্তী ধাপ প্রথম ধাপের চেয়ে আরও কঠিন হতে পারে বলে জানিয়েছে চীন।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে এক ফোনালাপে বলেন, প্রাথমিক সমঝোতা ইতিবাচক হলেও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সব পক্ষকে আরও ধৈর্য ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠা সহজ হবে না। এ জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদেরও আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন। চীন এ বিষয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।
দুই নেতা হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তাদের মতে, এটি বিশ্ব অর্থনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি এখন দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করেছে। তিনি বলেন, এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ইরান যেন কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে।
অন্যদিকে, মার্কিন সংবাদপত্র ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর হওয়ার পর ইরানকে আবারও তেল ও জ্বালানি রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হতে পারে। তবে এ সুবিধা অব্যাহত থাকবে কি না, তা নির্ভর করবে ইরান চুক্তির শর্তগুলো কতটা মেনে চলে তার ওপর।