বিশ্ববেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:০২ পিএম
প্রিন্ট সংস্করণ

মার্কিন ‘এইচ-১বি’র বিকল্প হবে কি চীনের ‘কে ভিসা’

বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদদের আকৃষ্ট করছে বেইজিং
মার্কিন ‘এইচ-১বি’র বিকল্প হবে কি চীনের ‘কে ভিসা’

যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসার ফি সম্প্রতি বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার ধার্য করা হয়েছে। এরপরই চীনের ‘কে-ভিসা’ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। চলতি বছরের আগস্টে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে প্রতিভাবান ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানানোর জন্য এ ভিসা চালুর ঘোষণা দেয় চীন। দেশটির বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ভিসা অক্টোবর থেকেই দেওয়া শুরু হবে।

যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৯০ সাল থেকে ‘এইচ-১বি’ ভিসা ব্যবস্থা চালু হয়। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও অঙ্কশাস্ত্রের সঙ্গে যুক্ত দক্ষ লোকজনকে এই ভিসা দেওয়া হয়। সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় ‘এইচ-১বি’ ভিসা ভারতীয়রাই পেয়ে এসেছেন এতদিন। তালিকায় এরপরই রয়েছেন চীনের নাগরিকরা। ‘নিউজউইক’ পত্রিকা চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে উদ্ধৃত করে লিখেছে যে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতি নিয়ে কোনো মন্তব্য করবে না। তবে মন্ত্রণালয় এটা জানিয়েছে যে বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাকে চীন স্বাগত জানাবে। ‘কে-ভিসা’ চালু করার উদ্দেশ্য হলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রের প্রতিভাবান ব্যক্তিরা যেন চীনে গিয়ে কাজ করতে পারেন।

‘কে-ভিসা’র বিশেষত্ব: সিনহুয়া বলছে, চীনের এরই মধ্যে যে ১২ ধরনের ভিসা চালু আছে, তার চেয়ে ‘কে-ভিসা’ আলাদা। এই ভিসা নিয়ে চীনে যাওয়া ব্যক্তিকে দেশে প্রবেশ করা, সময়সীমা আর সেখানে বসবাসের ক্ষেত্রে বেশি সুবিধা দেওয়া হবে। এ ভিসা নিয়ে চীনে যারা যাবেন, তারা শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে পারবেন। একই সঙ্গে সে দেশে ব্যবসা ও শিল্প-স্থাপনও করতে পারবেন তারা। তবে এই ভিসার সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো যে, চীনের কোনো নিয়োগকর্তা বা প্রতিষ্ঠান থেকে আমন্ত্রণপত্র না পেলেও আবেদন করা যাবে। এর প্রক্রিয়াও সুবিধাজনক করা হচ্ছে।

কারা লাভবান হবেন: ভারত আর চীনের সম্পর্কে উন্নতি হতে থাকলে ভারতীয়দের পক্ষে চীনে যাওয়া সুবিধাজনক হয়ে উঠবে। দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের চীন এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অধ্যয়ন কেন্দ্রের সহযোগী অধ্যাপক অরবিন্দ ইয়েলেরি বলেন, চীন সাংহাই, শেনজেনসহ বেশ কিছু প্রদেশে টেকনোলজি পার্ক গড়ে তুলেছে। এগুলোতে চীনের বড়সড় বিনিয়োগ আছে। চীন সরকার ২০০৬-০৭ সাল থেকেই ভারতের আইআইটিগুলো থেকে বড় সংখ্যায় প্রকৌশলীদের নিয়ে যাচ্ছে। চীনা সংস্থাগুলো প্রযুক্তি গবেষণা ও উদ্ভাবনের জন্য নিজেদের সরকারের কাছ থেকে সস্তায় ঋণ নেয়, কিন্তু তার সঠিক ব্যবহার করতে পারে না। এ ব্যাপারে ভারতীয় প্রকৌশলীরা তাদের এই সংকট থেকে উদ্ধার করতে পারবেন বলে মনে করেন অরবিন্দ ইয়েলেরি।

চীনে কাজের পরিবেশ কেমন: এই প্রশ্নের জবাবে অরবিন্দ ইয়েলেরি বলেন, তিনি নিজে সেদেশে কাজ করেছেন। সেখানকার নীতিমাল খুবই শক্তপোক্ত। আবেদন করা থেকে শুরু করে নিয়োগ পাওয়া পর্যন্ত, এমনকি বিদেশ থেকে যাওয়া বিশেষজ্ঞদের জন্য থাকার জায়গা খুঁজে দেওয়া সব কিছুই খুব কম সময়ের মধ্যে হয়ে যায়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নিউজউইকের পর্যালোচনা / ট্রাম্পকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে ইরান যুদ্ধ, কমেছে জনপ্রিয়তা

সকালের মধ্যে বিভিন্ন অঞ্চলে হবে ঝড়, আছে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কাও

আওয়ামী লীগ নেতার পদত্যাগ

২৬ জুলাই / ইতিহাসের এই দিনে যা ঘটেছিল

৮-২২ জুলাই / মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দাবি আইআরজিসির

রোববার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ

গাজীপুরে আবাসিক হোটেলে অভিযান, আটক ৭

২৬ জুলাই / আজকের নামাজের সময়সূচি

ফিলিস্তিনিদের ব্যক্তিগত গাড়ি ছিনিয়ে নিচ্ছেন ইসরায়েলিরা

ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমাতে পান করুন এই তিন পানীয়

১০

ভিসা ছাড়া এশিয়ার যে ৬ দেশ ভ্রমণ করতে পারবেন বাংলাদেশিরা

১১

এবার গাঁজা গাছসহ গ্রেপ্তার ইয়াবাকাণ্ডে বহিষ্কৃত পুলিশ সদস্য

১২

সীতাকুণ্ডে যুবককে তুলে নিয়ে নির্যাতনের পর হত্যা, থানায় মামলা

১৩

মেজর লিগের অল-স্টার ম্যাচে খেলবেন না মেসি

১৪

পদ্মায় ঝাঁপ দেওয়া সেই নারীকে জীবিত উদ্ধার

১৫

রাজনীতি নিষিদ্ধ যবিপ্রবিতে ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটি, সদস্যদের কারও নেই ছাত্রত্ব

১৬

তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান 

১৭

প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আরেক ফুটবলারের অভিষেক

১৮

সিরিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৩৫

১৯

রাজবাড়ীতে সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ

২০
X