

পাঁচ দল নিয়ে ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসর। আগামী ১৭ নভেম্বর হবে টুর্নামেন্টের প্লেয়ার্স ড্রাফট। এরই মধ্যে টুর্নামেন্ট ঘিরে প্রস্তুতি শুরু করেছে বিসিবি। তবে আসন্ন আসরে বিদেশি ক্রিকেটারের সংখ্যা কমানোর ভাবনা বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের। ফ্র্যাঞ্চাইজি সংখ্যা কম হওয়ায় দেশি ক্রিকেটারদের সুযোগ তৈরি করে দিতে এমন ভাবনা তাদের।
বিপিএলের আগের আসরে প্রতিটি দলের একাদশে বিদেশি খেলোয়াড় রাখা যেত চারজন করে। কিন্তু এবার সংখ্যাটা কমিয়ে আনতে যাচ্ছে বিসিবি। গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য নাজমুল আবেদীন ফাহিম জানিয়েছেন এ কথা। তিনি বলেন, ‘অনেক কিছুই হতে পারে। যাতে আমাদের এবং খেলোয়াড়দের স্বার্থ রক্ষিত হয়। আমাদের চেষ্টা থাকবে যেভাবেই হোক না কেন... সাধারণত পাঁচটি দলে যতজন ঘরোয়া ক্রিকেটার থাকে, সেই সংখ্যাটা কোনো শর্ত দিয়ে বাড়ানো যায় কি না। তাতে আমাদের খেলোয়াড়দের স্বার্থটা রক্ষিত হবে। কিন্তু তারপরও আমি বলব, সাত বা আটটা দল না থাকার কারণে অনেকেই আছে যাদের যোগ্যতা থাকার পরও তারা হয়তো জায়গা পাবে না। এটা খুব দুঃখজনক হবে।’
বিপিএলের সঙ্গে একই সময়ে হবে আরও দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট। এতে করে বিদেশি ক্রিকেটাররাও ব্যস্ত থাকবেন নানা টুর্নামেন্টে। সেজন্য খেলোয়াড়দের আসা-যাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। বিসিবিও তাতে সায় দিচ্ছে। গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু বলেন, ‘হ্যাঁ, এটা থাকবে। কারণ, সবাই চায় টুর্নামেন্ট যাতে জমজমাট হয়, আমরাও চাই জমজমাট হবে। এখন জিনিসটা হচ্ছে একই সময়ে তিনটি লিগ চলছে, এটা আপনাদের বুঝতে হবে। বিশেষ করে আইএল টি-টোয়েন্টিতে সব বিদেশি খেলোয়াড়। সুতরাং এটা (নির্দিষ্ট ম্যাচের জন্য ইচ্ছামতো বিদেশি আনা) আমরা খোলা রাখছি। এবার আমরা বিদেশি রেজিস্ট্রেশন কোনো ক্যাপ (নির্দিষ্ট) করে দিইনি। দুটি ম্যাচ একজন গ্রেট খেলোয়াড় এসে খেলল, ওটাই তো আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া।’
এদিকে জানা গেছে, গত বিপিএলে অনিয়ম-দুর্নীতির নানা অভিযোগে অভিযুক্ত ক্রিকেটার, কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের কাছে বিশেষ চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড, যেখানে তাদের সামনের মৌসুমে সম্পৃক্ত না হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।