

নারী দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতিকে জড়িয়ে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন পেসার জাহানারা আলম। জ্যোতির বিরুদ্ধে গ্রুপিং থেকে শুরু করে নানা ধরনের স্পর্শকাতর অভিযোগ এনেছিলেন জাহানারা। এর পরই এক বিবৃতিতে অভিযোগগুলো অসত্য বলে জানায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নীরব থাকতে পারেননি অভিযুক্ত জ্যোতিও। নীরবতা ভেঙে গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন তিনি। তবে অভিযোগগুলো নিয়ে সরাসরি কোনো উত্তর দেননি তিনি।
জ্যোতি লেখেন, ‘কিছু বলছি না তার মানে এই নয় যে বলতে পারি না, কিছু বলার নেই এমন! দলটা আমাদের সবার, এই দলটা যখন সবথেকে ভালো সময় পার করছে, তখন এত নেগেটিভ বিবৃতি, ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা, ক্ষোভ, আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে। আমার খুব অবাক লাগে, যে বা যারা এসব করছেন তারা একসময় দলটাকে ভালোবেসে আগলে রেখেছেন, দলটাকে একটা পর্যায়ে দাঁড় করিয়েছেন, অনেক অর্জন, অনেক ব্যর্থতা দেখেছেন।’
জ্যোতির পাল্টা অভিযোগ, দল থেকে বাদ পড়লেই নাকি এভাবে কথা বলেন কেউ কেউ! তিনি আরও লেখেন, ‘যখন কেউ দল থেকে বাদ পড়েন বা অফ ফর্মে থাকেন, অন্য একটা option তার পরিবর্তে আসে, তখনি সেই দলটার প্রতিটা জিনিস খারাপ হয়ে পড়ে। সেখানকার মানুষ, পরিবেশ সবকিছু! শ্রদ্ধা আসে তাদের প্রতি, যারা আস্থা রেখেছেন এই দলের এবং সদস্যদের প্রতি। গুজব ছড়িয়ে সাময়িকভাবে আলোচনায় এলেও সেটা কার্যকর হবে না আশা করি।’
জাহানারার অভিযোগ—অনৈতিক সুবিধা নেওয়া থেকে শুরু করে জুনিয়র খেলোয়াড়দের সঙ্গে খারাপ আচরণ পর্যন্ত করেন অধিনায়ক জ্যোতি। তার এ বক্তব্য আলোড়ন তুলে ক্রিকেট মহলে। স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি পৌঁছেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কানে। আর বোর্ডের প্রতিক্রিয়া এসেছে যথেষ্ট দৃঢ় ও স্পষ্ট ভাষায়—‘অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন, মনগড়া ও অসত্য।’ বিসিবি আরও জানিয়েছিল, ‘সম্প্রতি বাংলাদেশ নারী দলের এক সাবেক সদস্য গণমাধ্যমে বর্তমান অধিনায়ক, খেলোয়াড়, স্টাফ ও টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন। বোর্ড এসব অভিযোগকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন, মনগড়া ও অসত্য বলে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছে।’