

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারতের বন্ধুত্ব ঐতিহাসিক। ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিনিময় দুদেশের সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করবে। ভিসা জটিলতা শিগগিরই সমাধান হবে। বর্তমানে মেডিকেল ভিসা চালু আছে। গতকাল সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার রণদা প্রসাদ সাহা দুর্গা মন্দির পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
এর আগে প্রণয় কুমার ভার্মা কুমুদিনীতে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট অব বেঙ্গলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা। পরে সন্ধ্যায় বজরায় লৌহজং নদী পার হয়ে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার দুর্গামণ্ডপ পরিদর্শন করেন হাইকমিশনার এবং সেখানে ভারতেশ্বরী হোমসের মেয়েদের পরিবেশনায় আরতি নৃত্য উপভোগ করেন।
এদিকে একই দিন বিকেলে কানাডার রাষ্ট্রদূত অজিত সিং ও নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি এবং বিচারপতি বিশ্বদেব চক্রবর্তী কুমুদিনী কমপ্লেক্সে পরিদর্শন করেন।
‘স্টার্টআপ দুই দেশের সেতুবন্ধ তৈরি করবে’: রোববার ভারতীয় হাইকমিশন আয়োজনে ‘স্টার্টআপ কানেক্ট’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে ভারত-বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে উদ্ভাবনী-নেতৃত্বাধীন প্রবৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরে প্রণয় ভার্মা বলেছেন, দুই দেশের স্টার্টআপগুলো শুধু কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সমাধান প্রদানই করে না, বরং নতুন ধারণা এবং অংশীদারত্বের মাধ্যমে দুই দেশকে সংযুক্ত করার সেতু হিসেবেও কাজ করে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি এবং ভারতীয় উভয় স্টার্টআপই প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং উদ্যোক্তাদের সুযোগ কাজে লাগানো, শক্তিশালী আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যৎমুখী অংশীদারত্বে ভাগাভাগি করে প্রবৃদ্ধি অর্জনসহ নানা দিক তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে টেকনোহেভেন কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং এমসিসিআইর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হাবিবুল্লাহ এন করিম বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্টার্টআপ খাতের দ্রুত প্রবৃদ্ধি সম্পর্কে বক্তব্য দেন। আইকোরি এবং টেন মিনিট স্কুলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মির্জা সালমান হোসেন বেগ বাংলাদেশে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সুযোগ এবং স্টার্টআপ খাতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সফল সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন। শপআপ বাংলাদেশের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও আতাউর রহিম চৌধুরী, বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি প্রতিভাদের অ্যাক্সেস এবং সর্বোত্তম অনুশীলন গ্রহণে ভারতের সঙ্গে অংশীদারত্বের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন।
৯-১০ অক্টোবর কোয়েম্বাটুরে অনুষ্ঠিতব্য তামিলনাড়ু গ্লোবাল স্টার্টআপ সামিট সামনে রেখে আয়োজন করা হয়, যেখানে বেশ কয়েকটি বাংলাদেশি স্টার্টআপ অংশগ্রহণ করবে।