

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনের রাজনীতিতে নতুন মোড় সৃষ্টি হয়েছে। এ আসনে তরুণ ও সুপরিচিত নেতা বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা জনগণের মধ্যে বিপুল আগ্রহ ও আস্থা তৈরি করেছেন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক স্থবিরতা ও পুরোনো নেতৃত্বের প্রতি সাধারণ মানুষের অসন্তোষের মাঝে এহসানুল হুদা এক নতুন আশার প্রতীক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।
স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বলছেন, এহসানুল হুদা মূলত তরুণ প্রজন্ম এবং দলীয় কোন্দলে হতাশ কর্মীদের কাছে একটি আশার প্রতীক। তার প্রচারণায় স্থানীয় উন্নয়নের পাশাপাশি দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং জবাবদিহিমূলক রাজনীতির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে, বাজিতপুর ও নিকলী এলাকার কর্মসংস্থান, হাওর এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে তার প্রতিশ্রুতি সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
গত ৩ নভেম্বর বিএনপি ২৩৬টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা ঘোষণা করেছে। তবে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেনি। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক এহসানুল হুদা দীর্ঘদিন ধরে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির পক্ষে নানামুখী কর্মসূচি পালন করে আসছেন। রাজনীতিবিদের পাশাপাশি তিনি মানবিক, সমাজসেবক এবং স্বচ্ছ নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। গ্রাম থেকে গ্রাম, পাড়া থেকে মহল্লা, কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, শিক্ষক, মসজিদের ইমাম, মুসল্লি, রাজনৈতিক কর্মীসহ সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করছেন। তার পরিশ্রম, আন্তরিকতা ও নিরলস প্রচেষ্টায় তারেক রহমানের রাজনৈতিক দর্শন এবং উন্নয়নের বার্তা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে।
বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি কাইয়ুম খান হেলাল বলেন, তারেক রহমানের ৩১ দফা কর্মসূচি জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে প্রতিদিন মাঠে-ময়দানে কাজ করছেন সৈয়দ এহসানুল হুদা। নিকলী উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম লিটন বলেন, নিকলী ও বাজিতপুরের মানুষ এহসানুল হুদাকে একজন বিশ্বস্ত অভিভাবক হিসেবে দেখছেন।
নিকলী উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক প্রিন্স মাহমুদ তুহিন বলেন, এহসানুল হুদা মনোনয়ন পেলে তার নেতৃত্বে এলাকার উন্নয়ন ও জনসম্পৃক্ততা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজল ভূঁইয়া বলেন, সৈয়দ এহসানুল হুদা জাতীয়তাবাদী শক্তির একজন নিবেদিত কর্মী।
জেলা যুবদলের সহসভাপতি শাহ আলম বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে এহসানুল হুদা কারাবরণ করলেও আপস করেননি।
জানতে চাইলে এহসানুল হুদা বলেন, দীর্ঘদিন এলাকায় বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছি। বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনে শুরু থেকেই মাঠে রয়েছি। এলাকার মানুষের সঙ্গেও দীর্ঘদিনের যোগাযোগ রয়েছে। তারা কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে পরিবর্তন চান। আমি বিশ্বাস করি বিএনপির নীতিনির্ধারকরা আমাকে সেদিক থেকে মূল্যায়ন করলে আসনটি উপহার দিতে পারব, ইনশাআল্লাহ।