

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যালঘু, আদিবাসী ও নারী ভোটারদের নিরাপত্তা সুরক্ষা ও নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের নিশ্চয়তার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে নাগরিক সমাজের ব্যানারে বিভিন্ন নাগরিক সংগঠন, আদিবাসী সংগঠন, নারী উন্নয়ন সংগঠন এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।
মানববন্ধনে মূল বক্তব্য পাঠ করেন এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা। এতে বক্তব্য দেন ‘নিজেরা করি’র সমন্বয়ক খুশী কবির, নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন, অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, বাংলাদেশ খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্মল রোজারিও, বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মনীন্দ্র কুমারনাথ, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী, মানবাধিকার সাংস্কৃতিক ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান, টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, মানবাধিকার ও আদিবাসী অধিকারকর্মী দীপায়ন খীসা, ঢাবি অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি কাজল দেবনাথ, গণস্বাক্ষরতা অভিযানের পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী প্রমুখ।
মানববন্ধনে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ভোটকে কেন্দ্র করে যে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে তাতে শুধু আদিবাসী, সংখ্যালঘু বা নারীরাই নন, প্রার্থীরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ভোটের যে পরিবেশ তৈরি করার কথা সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশন, সরকার উভয়ই নির্লিপ্ততা প্রদর্শন করছেন।
রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, নির্বাচনে নারী, সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শঙ্কাহীন উপস্থিতি নিয়ে আজকে আমাদের এখানে মানববন্ধন করার কথা নয়। ভোটাধিকার নির্বিঘ্নে প্রয়োগ করা আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার নিশ্চিতে সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তৎপর হতে হবে।
খুশী কবির বলেন, সরকারের কাজ গণভোটে ‘হ্যাঁ-না’ এর প্রচার করা নয়। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কাজ হলো সংখ্যালঘু, নারী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নির্বাচনপূর্ব, নির্বাচনকালীন এবং নির্বাচন-পরবর্তী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।