

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে প্রার্থী ঘোষণা শুরু করেছে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ)। এর অংশ হিসেবে ১১৯ আসনে ১৩২ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে এই জোট। ১১৯ আসনের মধ্য ঢাকা-১০, বরিশাল-৬, ঢাকা-১৭, চট্টগ্রাম-৯, শেরপুর-১, শরীয়তপুর-১, ঢাকা-১৮, বরগুনা-১, বরিশাল-৪, ঝালকাঠি-২ ও টাঙ্গাইল-৮ আসনে জোটটি একাধিক প্রার্থী মনোনীত করেছে। এ ছাড়া আগামী দুদিনের মধ্যে ৩০০ আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে জাতীয় পার্টি (একাংশ) ও জাতীয় পার্টি-জেপির নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ করা জোট এনডিএফ।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনের বলরুমে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির একাংশের নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। এ সময় বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির একাংশ ও এনডিএফের সভাপতি আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জেপির চেয়ারম্যান ও এনডিএফের প্রধান উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, জাপা মহাসচিব ও এনডিএফের প্রধান মুখপাত্র এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, জাপার সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশিদ এবং জনতা পার্টি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও জোটের প্রধান সমন্বয়ক গোলাম সারোয়ার মিলন।
এ বিষয়ে মিলন বলেন, সহস্রাধিক প্রার্থী জোটের মনোনয়ন পেতে আগ্রহী। এর মধ্য ১১৯ আসনে ১৩২ জনকে প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী দুদিনের মধ্য ৩০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।
ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৫), আনোয়ার হোসেন মঞ্জু (পিরোজপুর-২), এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার (পটুয়াখালী-১), কাজী ফিরোজ রশিদ (ঢাকা-১০), মুজিবুল হক চুন্নু (কিশোরগঞ্জ-৩), জেপির মহাসচিব শেখ শহিদুল ইসলাম (মাদারীপুর-৩), এনডিএফের প্রধান সমন্বয়ক গোলাম সারোয়ার মিলন (মানিকগঞ্জ-২), সাবেক এমপি শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর (ফরিদপুর-২), নাসরিন জাহান রতনা (বরিশাল-৬), শফিকুল ইসলাম সেন্টু (ঢাকা-১৩), লিয়াকত হোসেন খোকা (নারায়ণগঞ্জ-৩), জহিরুল ইসলাম জহির (টাঙ্গাইল-৭), মোস্তফা আল মাহমুদ (জামালপুর-২), সৈয়দ দিদার বখত (সাতক্ষীরা-১), ফখরুল ইমাম (ময়মনসিংহ-৮), জিয়াউল হক মৃধা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২) ও জাতীয় ইসলামী জোটের চেয়ারম্যান আবু নাসের অহেদ ফারুক (নোয়াখালী-১)। এ ছাড়া ঢাকা-১৭ আসনে প্রয়াত জহির রায়হানের ছেলে তপু রায়হান, একই আসনে তৃণমূল বিএনপির শেখ হাবিবুর রহমান ও শেরপুর-১ আসনে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের চেয়ারম্যান আবু লায়েস মুন্নাকে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
এনডিএফের পক্ষ থেকে অন্য প্রার্থীরা হলেন নুরুল ইসলাম মিলন (কুমিল্লা-৮), নুরুল ইসলাম ওমর (বগুড়া-৬), ইয়াহিয়া চৌধুরী (সিলেট-২), রানা মোহাম্মদ সোহেল (নীলফামারী-৩), পনির উদ্দিন আহম্মেদ (কুড়িগ্রাম-২), নাজমা আক্তার (ফেনী-১), সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১২), নজরুল ইসলাম (চট্টগ্রাম-৭), আব্দুস সালাম চাকলাদার (টাঙ্গাইল-৫), মামুন অর রশীদ (জামালপুর-৪), সোলায়মান আলম শেঠ (চট্টগ্রাম-৯), তপু রায়হান (ঢাকা-১৭), জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া (নেত্রকোনা-৩), সরদার শাহজাহান (পাবনা-১), মোবারক হোসেন আজাদ (নোয়াখালী-৪), ফকরুল আহসান শাহজাদা (বরিশাল-৩), বেলাল হোসেন (লক্ষ্মীপুর-১), আমানত হোসেন আমানত (ঢাকা-১৬), জাহাঙ্গীর আলম পাঠান (ঢাকা-১৪), শাহ জামাল রানা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩), মাতলুব হোসেন লিয়ন (সাতক্ষীরা-২), ইলিয়াস উদ্দিন (শেরপুর-১), আবু সালেক (পঞ্চগড়-১), অ্যাডভোকেট সেরনিয়াবাদ সেকান্দার আলী (বরিশাল-১), রেজাউর রাজী স্বপন চৌধুরী (ঠাকুরগাঁও-১), রাশেদুল ইসলাম (নীলফামারী-৪), নিগার সুলতানা রানী (লালমনিরহাট-২), আব্দুস সালাম (রংপুর-৪), শফিকুল ইসলাম বাদশাহ মিয়া (গাইবান্ধা-১), আওলাদ হোসেন (জয়পুরহাট-১), বরুণ সরকার (রাজশাহী-১), কামরুজ্জামান (রাজশাহী-৩), আসাদুজ্জামান (রাজশাহী-৫), ইকবাল হোসেন (রাজশাহী-৬), আব্দুর রাজ্জাক (সিরাজগঞ্জ-৩), এস এম হামেস রাজু (সিরাজগঞ্জ-৪), তরিকুল ইসলাম স্বাধীন (পাবনা-৬), সাজ্জাদ হোসেন সেনা (কুষ্টিয়া-৪), শফিকুল ইসলাম (যশোর-৩), আব্দুল লতিফ রানা (যশোর-৬), সুমন ঘোষ (মাগুরা-১), আলমগীর সিকদার (মাগুরা-২), এস এম আল যোবায়ের (বাগেরহাট-১), মাইনুল হাসান রাসেল (বরগুনা-১), মহসিন হাওলাদার (পটুয়াখালী-২), আনোয়ার হোসেন হাওলাদার (পটুয়াখালী-৪), গাজী সোহেব কবির (বরিশাল-৪), এম এ কুদ্দুস খান (ঝালকাাঠি-২), সেলিমা খান (ঝালকাঠি-১), সেকান্দার আলী মুকুল বাদশা (পিরোজপুর-৩), আব্দুল হালিম (টাঙ্গাইল-৩), রেজাউল করীম (টাঙ্গাইল-৮), ইদি আমিন এপোলো (ঢাকা-৯), এস এম আমিনুল হক সেলিম (ঢাকা-১১), নাসির উদ্দিন সরকার (ঢাকা-১২), মাসুদুর রহমান মাসুদ (শরীয়তপুর-১), ওয়াহিদুর রহমান ওয়াহিদ (শরীয়তপুর-২), ম ম ওয়াসিম (শরীয়তপুর-৩), মোখলেসুর রহমান বস্তু (জামালপুর-৪), ইলিয়াস উদ্দিন (শেরপুর-১), জাহাঙ্গীর আহমেদ (ময়মনসিংহ-৪), আলমগীর হোসেন (কুমিল্লা-৩), এইচ এম এন শফিকুর রহমান (কুমিল্লা-১১), জাফর আহমেদ রাজু (ফেনী-২), ফজলে এলাহী সোহাগ মিয়া (নোয়াখালী-৩), শামসুল আলম (কক্সবাজার-১), তারেক (কক্সবাজার-৩), সাইফুল ইসলাম স্বপন (নোয়াখালী-৫), নাসির উদ্দিন বায়জিদ (নোয়াখালী-৬), শেখ মোহা. ফায়িজ উল্লাহ স্বপন (লক্ষীপুর-২), জহিরুল ইসলাম রেজা (চট্টগ্রাম-২), এম এ সালাম (চট্টগ্রাম-৩), নজরুল ইসলাম (চট্টগ্রাম-৭), এম এ মঞ্জুর মাস্টার (কক্সবাজার-৪) ও শেখ মোহাম্মদ আলী (ঢাকা-১৮)।
আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ও শেখ শহিদুল ইসলাম ছাড়াও জাতীয় পার্টি-জেপির প্রার্থীরা হলেন সালাহ উদ্দিন মাহমুদ (কক্সবাজার), রুহুল আমিন (কুড়িগ্রাম-৪), মাহিন হোসেন (ঝালকাঠি-২), এনামুল ইসলাম রুবেল (ঝালকাঠি-১)। মনোনীত অন্য প্রার্থীরা হলেন জনতা পার্টি বাংলাদেশের আসাদুজ্জামান (ঠাকুরগাঁও-৩), শওকত মাহমুদ (কুমিল্লা-৫), আবদুল্লাহ (শেরপুর-১), জাতীয় ইসলামী মহাজোটের গোলাম মোর্শেদ রনি (নারায়ণগঞ্জ-৪), তৃণমূল বিএনপির কে এম জাহাঙ্গীর (ঝিনাইদহ-২), দীপক কুমার পালিত (চট্টগ্রাম-৯), টি এম জহিরুল হক তুহিন (বরিশাল-৬), শেখ শাহীন রহমান (খুলনা-৪), লায়ন আফরোজা বেগম (ঢাকা-১৮), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের শাহ জামিল আমিরুল (মেহেরপুর-২), বাংলাদেশ স্বাধীন পার্টির মির্জা আজম (খুলনা-১), হুমায়ুন কবির (কুমিল্লা-৫), মুনির হোসেন (চাঁদপুর-৩), শরীফ শাকি (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩), অ্যাপ্লাইড ডেমোক্রেটিক পার্টির এম আর করিম (টাঙ্গাইল-২), সেলিম রেজা (নওগাঁ-৫), ডেমোক্রেটিক পার্টির এস এম আশিক বিল্লাহ (নড়াইল-১), এস এম খায়রুজ্জামান (ঢাকা-১৫) ও আতাউর রহমান বিল্লাহ (গাইবান্ধা-৪), নাগরিক পার্টির লস্কর হারুন অর রশীদ (ঢাকা-১০), গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এ আর এম জাফর উল্লাহ চৌধুরী (ঝালকাঠি-২), লিবারেল গ্রিন পার্টির খোকন চন্দ্র মজুমদার (ফেনী-৩), জাতীয় জোটের সরদার মোহাম্মদ আব্দুস সত্তার (নওগাঁ-৬), সিরাজুল ইসলাম (হবিগঞ্জ-৪), মোস্তফা কামাল বাদল (টাঙ্গাইল-৮), বাংলাদেশ জাতীয় দলের জামাল হোসাইন (বরগুনা-১), বিলকিস সুলতানা (চট্টগ্রাম-১০), জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির মিজানুর রহমান মিজু (ঝিনাইদহ-২), জয় ওরফে নারায়ণ রক্ষিত (চট্টগ্রাম-১৩), জাসদের (শাহজাহান সিরাজ) মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিস (মানিকগঞ্জ-৩), বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল (বরিশাল-৪) ও সর্বজনীন দলের নূর মো. মনির (শরীয়তপুর-১)।