কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ মার্চ ২০২৬, ০৬:৫০ পিএম
আপডেট : ১২ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

বিশ্ব কিডনি দিবস পালনে ‘ক্যাম্পস’-এর র‌্যালি ও পথসভা

ক্যাম্পস’-এর র‌্যালি ও পথসভা। ছবি : সংগৃহীত
ক্যাম্পস’-এর র‌্যালি ও পথসভা। ছবি : সংগৃহীত

‘বিশ্ব কিডনি দিবস-২০২৬’ পালন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও পথসভার আয়োজন করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় কিডনিবিষয়ক বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা কিডনি অ্যাওয়ারনেস মনিটরিং অ্যান্ড প্রিভেনশন সোসাইটি (ক্যাম্পস)।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ ) রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এ বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও পথসভার আয়োজন করে।

বিশ্ব কিডনি দিবস-২০২৬ এর প্রতিপাদ্য বিষয় হলো ‘সবার জন্য সুস্থ কিডনি- জীবন রক্ষায় বাঁচাও ধরণী।’ এ প্রতিপাদ্যের আলোকেই ক্যাম্পস তার এ বছরের সমস্ত আয়োজন সাজিয়েছে।

ঢাকার ধানমন্ডি এলাকা থেকে শুরু করে এ র‌্যালি মোহাম্মাদপুর, শাহবাগসহ নগরীর বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ করে। ক্যাম্পস এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম এ সামাদ এর নেতৃত্বে এ র‌্যালিতে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার শতাধিক লোক অংশগ্রহণ করে।

রাল্যিতে বক্তব্য দেন অধ্যাপক ডা. এম এ সামাদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশে কিডনি রোগ মারাত্মক আকার ধারণ করছে, যার মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন একটি নতুন ভয়াবহ হুমকি হিসেবে যুক্ত হয়েছে। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, সংক্রমণ, ভেজাল খাদ্য, কীটনাশকের সঙ্গে তাপপ্রবাহ, লবণাক্ততা, বিশুদ্ধ পানির সংকট কিডনি রোগকে আরও ত্বরান্বিত করছে।

প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ মানুষ কিডনি রোগে আক্রান্ত। এর মধ্যে প্রতি বছর প্রায় ৪০ হাজার কিডনি রোগী ডায়ালাইসিসের উপর নির্ভরশীল হয়। তিনি বলেন, ২৪ থেকে ৩০ হাজার রোগী হঠাৎ কিডনি বিকল হয়ে সাময়িক ডায়ালাইসিস প্রয়োজন হয়। পক্ষান্তরে, সবাই যদি কিডনি রোগের ব্যাপকতা, ভয়াবহতা, পরিণতি ও কারণ সম্পর্কে সচেতন থাকে এবং স্বাস্থ্য সম্মত জীবনযাপন করে তাহলে ৬০-৭০ ভাগ ক্ষেত্রে এ মরণঘাতী কিডনি রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ডা. এম এ সামাদ বলেন, কিডনি বিকলের চিকিৎসা সর্বাধিক ব্যয়বহুল। ফলে চিকিৎসা করতে গিয়ে পুরো পরিবার নিঃস্ব হয়ে যায়। তাই ক্যাম্পস এর স্লোগান ‘কিডনি রোগ জীবননাশা-প্রতিরোধই বাঁচার আশা’ ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চাই। অর্থাৎ কিডনি রোগ প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত করে চিকিৎসার মাধ্যমে মরণব্যাধি কিডনি বিকল প্রতিরোধ করা যায়। এর জন্য প্রয়োজন গণসচেতনতা।

তিনি বলেন, ডায়াবেটিস আর উচ্চ রক্তচাপের হার কমাতে না পারলে কিডনি রোগ নিয়ন্ত্রণ করা অনেক কঠিন হবে। অসচেতনতাই মূল কারণ, আমরা জানি কিন্তু মানি না, ঝুঁকি জেনেও কেউ টেস্ট করাতে চাই না, অথচ প্রথম এবং দ্বিতীয় ধাপে ধরা পরলে কিডনি রোগ নিরাময় করা সম্ভব যা ৩য় বা পরের ধাপে গেলে একেবারেই সুস্থ করা যায় না।

কালবেলা/এইচআর/এমএ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

আবারও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ

নিট প্রশ্নফাঁসে উত্তাল ভারত / টপার বললেন ‘আন্দোলনে না গিয়ে বাসায় পড়াশোনা করেছি’

অঞ্জন দত্তকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ঢাকায় ট্রিবিউট কনসার্ট

ইউপি নির্বাচনের আগাম প্রচারণা, বিএনপি নেতাকে শোকজ

এফএসআরইউতে ত্রুটি / জাতীয় গ্রিডে কমেছে গ্যাস সরবরাহ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও তপশিলের সম্ভাব্য সময় জানালেন ইসি আনোয়ারুল

বেনাপোল কাস্টমসের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ১০ হাজার ৫৮৮ কোটি

সাইদুর রহমানের নতুন দায়িত্ব বাংলাদেশের জনকূটনীতির নতুন সম্ভাবনা

ভিসা সুবিধায় উগান্ডার চেয়ে অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশি পাসপোর্ট

১০

ইস্তাম্বুলের অলিগলিতে আধুনিকতার ছোঁয়া: মেট্রো পাল্টে দিয়েছে শহরের চিত্র

১১

আর্জেন্টিনাকে স্পেনের হারানোর ম্যাচটি দেখেছেন ৬৩ মিলিয়ন মানুষ

১২

গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কি না, ব্যাখ্যা দিলেন শিশির মনির

১৩

জামায়াতের যুদ্ধাপরাধের বিষয়টি বহুল আলোচিত ও সুপ্রতিষ্ঠিত: চরমোনাই পীর  

১৪

আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

১৫

শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

১৬

মোটরসাইকেল-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে পরীক্ষার্থী নিহত

১৭

রজার্সকে কিনতে ট্রান্সফার ফির যে রেকর্ড ভাঙল চেলসি

১৮

ইরানের ৪ ড্রোন ভূপাতিত করল জর্ডান

১৯

মাদ্রাসাছাত্রকে রড দিয়ে পিটিয়ে নির্যাতন, শিক্ষক আটক

২০
X