

বিশ্ব পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস আজ ২৫ জুলাই (শনিবার)। এবারের প্রতিপাদ্য ‘ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগে ডুবে মৃত্যুর ধারা বদলাই’।
পানিতে ডুবে মৃত্যুর মতো প্রতিরোধযোগ্য দুর্ঘটনার বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে ২০২১ সাল থেকে প্রতি বছর এ দিন দিবসটি পালন করা হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর বিশ্বে ৩ লাখেরও বেশি মানুষ পানিতে ডুবে মারা যান। এর প্রায় ৯০ শতাংশ মৃত্যু ঘটে বাংলাদেশসহ নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় জাতিসংঘ ও ডব্লিউএইচও ২০২৫ সালে পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধে একটি বৈশ্বিক কৌশলপত্র প্রকাশ করেছে। এর লক্ষ্য, ২০৩৫ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ডুবে মৃত্যুর হার ৩৫ শতাংশ কমিয়ে আনা।
এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২১ সাল থেকে প্রতি বছর ২৫ জুলাই ‘বিশ্ব পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস’ পালিত হচ্ছে।
বাংলাদেশ হেলথ অ্যান্ড ইনজুরি সার্ভে ২০২৩ অনুযায়ী, দেশে প্রতি বছর প্রায় ১৮ হাজার ৬৬৫ জন পানিতে ডুবে মারা যায়। এর মধ্যে ১৪ হাজার ২৬৯ জন শিশু। সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকে এক থেকে চার বছরের শিশুরা। অধিকাংশ মৃত্যুই ঘটে বাড়ির কয়েক গজের মধ্যে থাকা পুকুর, ডোবা কিংবা জলাশয়ে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পানিতে ডুবে মৃত্যুর প্রায় ৯০ শতাংশই প্রতিরোধযোগ্য। সচেতনতা, শিক্ষা ও নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এসব দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব।