কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ মে ২০২৬, ০৮:৫০ এএম
অনলাইন সংস্করণ

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স
ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী আজ। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অনন্য এই কবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে তিনি বিশ্বকবির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পোস্ট করেন।

কালবেলার পাঠকদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো :

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লেখেন, বাংলা সাহিত্যের মহোত্তম কণ্ঠস্বর বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার অমর, অম্লান স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা। তার বিদেহী আত্মার জন্য কামনা করি অনন্ত শান্তি।

বিশ্বশান্তি ও মানবকল্যাণই ছিল তার অবিনাশী সৃজনশীলতার মূল অন্বেষা। কাব্য, সংগীত, ছোটোগল্প, উপন্যাস, নাটক, নৃত্যনাট্য, চিত্রকলার পরতে পরতে এই মানুষ, মানবতা, শান্তি, প্রেম ও প্রকৃতির জয়গান গেয়েছেন অনন্যসাধারণ শৈল্পিক কুশলতায়, যা আমাদের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও চিন্তার জগতের অমূল্য সম্পদ।

তার সারা জীবনের যুক্তিবোধ ও মঙ্গল ভাবনা থেকেই তিনি আন্তর্জাতিকতার মর্মকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দিতে অকুণ্ঠ থেকেছেন সবসময়।

আমাদের জাতীয় জীবনের বহু ক্ষেত্রে বিশ্বকবির অবদান অনস্বীকার্য। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান হয়ে উঠেছিল প্রেরণার বিশেষ উৎস। শাশ্বত বাংলার মানুষের দুঃখ-কষ্ট, আনন্দ-বেদনা অর্থাৎ সব অনুভব বিশ্বস্ততার সঙ্গে উঠে এসেছে রবীন্দ্রসাহিত্যে। সাধারণ মানুষের দুঃখ-বেদনার কথা হিসেবে যে রবীন্দ্রনাথকে আমরা পেয়েছি, তা তৎকালীন পূর্ববঙ্গ তথা আজকের বাংলাদেশেরই সৃষ্টি।

রবীন্দ্রনাথের অনবদ্য সৃষ্টি ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ আমাদের জাতীয় সংগীত হিসেবে আজ প্রতিষ্ঠিত।

রবীন্দ্রনাথ বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসেন ১৯১৩ সালে, গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থ রচনার জন্য নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির মধ্য দিয়ে। তিনিই প্রথম এশীয় হিসেবে বিশ্বসাহিত্যের এই সর্বোচ্চ স্বীকৃতি অর্জন করেন।

তিনি আমাদের সংস্কৃতির বহুত্ববাদ, অহিংস মতাদর্শ ও বাংলার মরমি-ভাববাদী চেতনার সমন্বয় সাধন করে বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছে দেন পরম মমতায়।

বর্তমান বিশ্বে চলমান যুদ্ধ-সংঘাত, বীরের রক্তস্রোত, মায়ের অশ্রুধারায় ক্ষতবিক্ষত, রক্তাক্ত পরিস্থিতি, উগ্রবাদের উত্থান, জাতিতে জাতিতে হানাহানি— এসবের কারণে রবীন্দ্রনাথ আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছেন।

মানুষের প্রত্যক্ষ কল্যাণ কামনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায় নিয়ে ভেবেছেন। শিশুসহ নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন শান্তিনিকেতন।

সেসঙ্গে তিনি পুথিগত শিক্ষার পাশাপাশি ব্যাবহারিক শিক্ষাকেও সমান গুরুত্ব দিয়েছেন। মানবতাবাদী কবি রবীন্দ্রনাথ শিক্ষার ক্ষেত্রে চিরকাল বিশ্বের জানালাকে খুলে দেওয়ার কথা বলেছেন।

রবীন্দ্র-জন্মবার্ষিকীর এবারের আয়োজন সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হোক, এটাই আমার আন্তরিক প্রত্যাশা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাবার মৃত্যুশোকে পেনাল্টিতে শট নেননি ফুটবলার

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি পরিদর্শনে স্লোভেনিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য টাডেজ স্ল্যাপনিক

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ঘণ্টা বাজার পরেই শুনলেন বাবাও বেঁচে নেই

৮৬ মিনিট পর্যন্ত ২ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষে বিদায়, মানতেই পারছেন না কোচ

আরব সাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর হেলিকপ্টারের জরুরি অবতরণ

ব্যাংককে আকিজ সিমেন্টের বিজনেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

ইয়ামালকে নিয়ে বড় সুখবর দিলেন স্পেনের কোচ

‘আমার আব্বা সাংবাদিক, চাচা আইনমন্ত্রী’ রাবি ছাত্রদল কর্মীর হুঁশিয়ারি

টানা কমার পর বিশ্ববাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

নতুন দায়িত্বে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

১০

পুলিশ সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর: চট্টগ্রামের এসপি

১১

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার অপরিবর্তিত

১২

আপিল বিভাগের রায় / ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

১৩

পে-স্কেল কার্যকর, শেষের ১০ গ্রেডের বেতন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত

১৪

হুহু করে কমছে তেলের দাম

১৫

নিখোঁজের ১০ দিন পর মাসুদের গলিত মরদেহ উদ্ধার

১৬

মালয়েশিয়ার আইন মেনে চলার আহ্বান যুবদল নেতাদের

১৭

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে দেশ ছাড়লেন স্পিকার

১৮

২ জুলাই / আজকের ৫ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি

১৯

সরকারি চাকরিতে লম্বা ছুটির সুযোগ, বেসরকারিতেও আছে বড় সুসংবাদ

২০
X