

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীজুড়ে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। বিভিন্ন ঈদগাহ ও মসজিদে অনুষ্ঠিত হচ্ছে একাধিক ঈদের জামাত। এবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদের পাঁচটি জামাতের আয়োজন করা হয়েছে। জামাতগুলো অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৭টা, ৮টা, ৯টা, ১০টা ও ১০টা ৪৫ মিনিটে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে ঈদের দুটি জামাত হবে সকাল ৭টা ৩০ মিনিট ও ৮টা ৩০ মিনিটে। এছাড়া সলিমুল্লাহ মুসলিম হল মসজিদে সকাল ৭টায়, শহীদুল্লাহ হল লনে সকাল ৮টায় এবং ফজলুল হক মুসলিম হলের পূর্ব পাশের মাঠে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়ও সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে ঈদের জামাতের আয়োজন করা হয়েছে। অন্যদিকে গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদ (আজাদ মসজিদ)-এ তিনটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। জামাতের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ৫টা ৪৫ মিনিট, ৭টা ৩০ মিনিট এবং ৯টা ৩০ মিনিটে।
এছাড়া রাজধানীর শতাধিক ঈদগাহ ও দেড় হাজারের বেশি মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও ঈদের শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন।
রাজধানীর হাইকোর্ট-সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান জামাতকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিচারপতি, কূটনীতিক, রাজনৈতিক নেতা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সেখানে ঈদের নামাজ আদায় করবেন।
জাতীয় ঈদগাহের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক।
এদিকে ঈদ উপলক্ষে সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে করা হয়েছে আলোকসজ্জা। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রচার করছে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। পাশাপাশি হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা ও শিশুসদনে পরিবেশন করা হবে বিশেষ খাবার।