আহমেদ সোহেল বাপ্পী
প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:১২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ফরাসি বিপ্লব: বাস্তিলের পতন থেকে আধুনিক গণতন্ত্রের জন্ম

ফরাসি বিপ্লব: বাস্তিলের পতন থেকে আধুনিক গণতন্ত্রের জন্ম

১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বিকেলে যখন ক্ষুব্ধ প্যারিসবাসীর একটি বিশাল জনস্রোত বাস্তিল দুর্গের সামনে জড়ো হয়েছিল, তখন কেউ জানত না যে এই একটি বিকেল ইতিহাসের গতিপথ চিরতরে পাল্টে দেবে। প্রায় চার ঘণ্টার তুমুল সংঘর্ষের পর দুর্গটির পতন ঘটে। এই লড়াইয়ে প্রায় আটানব্বই জন হামলাকারী নিহত হন, বিপরীতে দুর্গরক্ষীদের পক্ষে প্রাণ হারান মাত্র একজন; কেননা দুর্গের পুরু প্রাচীর তাদের অনেকটাই সুরক্ষা দিয়েছিল। আত্মসমর্পণের পরও দুর্গের সেনাপতি বার্নার্দ-রনে জর্দ্যাঁ দ্য লোনেকে জনতা হত্যা করে এবং তার মাথা বর্শায় গেঁথে শহরে প্রদর্শন করা হয়। 3

আরেকটি হৃদয়বিদারক ঘটনা, বেকার নামের এক সেনা কর্মকর্তা দুর্গের ফটক খুলে দেওয়ার পরও তাকে ভুল করে রক্ষী মনে করে জনতা তার হাত কেটে ফেলে; পরে সেই হাত বর্শার আগায় শহরের রাস্তায় ঘোরানো হয়। এই নির্মমতা শুধু ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ ছিল না, ছিল শত শত বছরের জমে থাকা অপমান, ক্ষুধা আর ভয়ের বিস্ফোরণ। যে জনতা সেদিন অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল, তারা রাজতন্ত্রের সৈনিক ছিল না, ছিল রুটির জন্য কাঁদতে থাকা কারিগর, দিনমজুর আর দোকানি; যাদের কাছে স্বাধীনতা ছিল বেঁচে থাকার শেষ আশ্রয়।

ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত সত্য হলো, সেদিন বাস্তিলের ভেতরে বন্দী ছিলেন মাত্র সাতজন: চারজন জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত, একজন মানসিক ভারসাম্যহীন হিসেবে চিহ্নিত, একজন ত্রিশ বছর আগে পঞ্চদশ লুইকে হত্যাচেষ্টার দায়ে বন্দী এবং পরিবারের অনুরোধে আটক এক আভিজাত্য-বিচ্যুত যুবক। রাজনৈতিক বন্দী তখন সেখানে ছিলেন না বললেই চলে। তবু এই দুর্গই কেন গণজাগরণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠল, তার উত্তর মিলবে সেই সময়ের ফ্রান্সের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতায়।

◆ ভাঙনের প্রাক্কালে ফ্রান্স

১৮ শতকের ফ্রান্স ছিল এক নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্র, যেখানে ষোড়শ লুই ঈশ্বরপ্রদত্ত ক্ষমতার দাবিদার। ফরাসি সমাজ তখন তিনটি এস্টেটে বিভক্ত: যাজকশ্রেণি, অভিজাতশ্রেণি এবং সাধারণ জনগণ। ইতিহাসবিদদের হিসাব অনুযায়ী প্রায় দুই কোটি সত্তর লাখ ফরাসির মধ্যে যাজকশ্রেণির সংখ্যা ছিল এক থেকে দেড় লাখের মতো, অভিজাতরা ছিল প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার লাখ; অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার দুই শতাংশেরও কম। বাকি সাতানব্বই থেকে আটানব্বই শতাংশ মানুষ ছিল তৃতীয় এস্টেটের অন্তর্ভুক্ত, অথচ রাষ্ট্রের প্রায় সমস্ত করের বোঝা বহন করত তারাই। যাজক ও অভিজাতরা করমুক্ত সুবিধা ভোগ করত, জমির বড় অংশের মালিকানাও ছিল তাদের হাতে।

সপ্তবর্ষীয় যুদ্ধ এবং আমেরিকার স্বাধীনতা সংগ্রামে ফ্রান্সের সামরিক সহায়তার ব্যয় রাষ্ট্রীয় কোষাগারকে প্রায় দেউলিয়া করে তোলে। রাজস্বের অর্ধেকেরও বেশি চলে যেত পুরনো ঋণের সুদ পরিশোধে। এর মধ্যেই ১৭৮৮-৮৯ সালের ব্যর্থ শস্য উৎপাদন রুটির দাম আকাশছোঁয়া করে তোলে; প্যারিসে চার পাউন্ড রুটির দাম নয় সু থেকে বেড়ে সাড়ে চৌদ্দ সুতে পৌঁছায়, যা একজন অদক্ষ শ্রমিকের প্রায় গোটা দিনের মজুরির সমান। রানি মারি আঁতোয়ানেতের বিলাসী জীবনযাপন জনরোষে নতুন ইন্ধন জোগায়। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষুধা, অপমান আর ভবিষ্যৎহীনতা একত্রে জনতাকে বিদ্রোহের পথে ঠেলে দেয়।

◆ বাস্তিল কেন প্রতীক হয়ে উঠল

বাস্তিলে বন্দীর সংখ্যা যত কমই থাকুক না কেন, এর প্রতীকী গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। দুর্গটি ছিল রাজার নির্বিচার ক্ষমতার জীবন্ত স্মারক, যেখানে বিচার ছাড়াই যে কাউকে বন্দী করে রাখা যেত রাজকীয় পরোয়ানার মাধ্যমে। মানুষ ভয় পেত এই দুর্গকে, ঠিক যেমন ভয় পেত স্বেচ্ছাচারী শাসনব্যবস্থাকে। তাই বাস্তিলের পতন কেবল একটি ভবনের পতন ছিল না, ছিল স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে জনগণের বিজয়ের প্রথম দৃশ্যমান প্রমাণ। এই কারণেই ফ্রান্স আজও ১৪ জুলাইকে জাতীয় দিবস হিসেবে পালন করে, আর সারা বিশ্ব এই দিনকে স্মরণ করে স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে।

◆ যেভাবে বদলে গেল একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা

বাস্তিলের পতনের ঠিক তিন সপ্তাহ পর, ৪ আগস্ট ১৭৮৯ তারিখে জাতীয় পরিষদ সামন্তীয় সুযোগ-সুবিধা ও করমুক্তির অধিকার বিলুপ্ত করে এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর ২৬ আগস্ট গৃহীত হয় ‘মানুষ ও নাগরিকের অধিকার ঘোষণাপত্র’, যা আইনের চোখে সবার সমতা, নাগরিকত্বের ধারণা এবং জনগণের সার্বভৌমত্বের নীতি প্রতিষ্ঠা করে। রাজার ঐশ্বরিক ক্ষমতার ধারণা প্রথমবারের মতো প্রশ্নবিদ্ধ হয়: রাষ্ট্র আর ব্যক্তির সম্পত্তি নয়, বরং জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠার পথে পা বাড়ায়। শাসকের জবাবদিহিতা, ক্ষমতার বিভাজন এবং সংবিধানভিত্তিক শাসনের ধারণা, এই সবকিছুরই আধুনিক রূপরেখা তৈরি হয় এই বিপ্লবের হাত ধরে।

◆ স্বাধীনতা, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব = তিনটি শব্দের ওজন

ফরাসি বিপ্লবের কেন্দ্রীয় আদর্শ: লিবার্তে, এগালিতে, ফ্রাতেরনিতে; আজও বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার আন্দোলনের ভাষা গঠন করে। ফরাসি ঐতিহাসিক ফ্রঁসোয়া ফ্যুরে তার বিশ্লেষণে দেখিয়েছেন কীভাবে বিপ্লব একটি নতুন রাজনৈতিক কল্পনা তৈরি করেছিল, যেখানে জনগণই সার্বভৌম ক্ষমতার উৎস। ইতিহাসবিদ লিন হান্ট তার গবেষণায় দেখিয়েছেন যে এই সময়েই মানবাধিকারের ধারণা প্রথমবারের মতো সর্বজনীন ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক রূপ পায়; অধিকার আর কেবল জন্মপরিচয় বা শ্রেণির উপর নির্ভর করে না। টমাস পেইন তার লেখায় বিপ্লবকে মানবজাতির সার্বজনীন অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন এবং একে আমেরিকার স্বাধীনতা সংগ্রামের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখেছিলেন।

তবে সবাই এই বিপ্লবকে একইভাবে দেখেননি। ব্রিটিশ রাজনৈতিক দার্শনিক এডমন্ড বার্ক শুরু থেকেই সতর্ক করেছিলেন যে বিমূর্ত আদর্শের নামে হঠাৎ প্রতিষ্ঠানভাঙা পরিবর্তন সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা ডেকে আনতে পারে। ইতিহাস প্রমাণ করেছে তার আশঙ্কা সম্পূর্ণ অমূলক ছিল না।

◆ অর্জন ও সীমাবদ্ধতা

ফরাসি বিপ্লব নিখুঁত ছিল না। ১৭৯৩-৯৪ সালের ‘সন্ত্রাসের রাজত্ব’: এ সময় হাজার হাজার মানুষ বিনা বিচারে বা তড়িঘড়ি বিচারে গিলোটিনে প্রাণ হারান। রাজনৈতিক অস্থিরতা এক দশক ধরে অব্যাহত থাকে এবং শেষ পর্যন্ত নেপোলিয়ন বোনাপার্টের একনায়কী উত্থানের মধ্য দিয়ে বিপ্লবের গণতান্ত্রিক প্রতিশ্রুতি সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়। ফরাসি ঐতিহাসিক ও লেখক সিমন শামা তার আলোচিত গ্রন্থে এই দ্বন্দ্বকেই তুলে ধরেছেন কীভাবে মুক্তির স্বপ্ন সহিংসতার সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিল। তা সত্ত্বেও ঐতিহাসিকরা একমত যে বিপ্লবের মূল অর্জন; সামন্তবাদের অবসান, আইনের শাসনের ভিত্তি স্থাপন এবং নাগরিক অধিকারের ধারণা: ইউরোপীয় ও বৈশ্বিক রাজনীতির অভিমুখ চিরতরে বদলে দিয়েছে। ফরাসি রাজনৈতিক চিন্তাবিদ আলেক্সিস দ্য তোকভিল পরবর্তীতে দেখিয়েছিলেন যে বিপ্লবের অনেক প্রশাসনিক কেন্দ্রীকরণ আসলে পুরনো রাজতান্ত্রিক কাঠামোরই ধারাবাহিকতা ছিল, যদিও রাজনৈতিক বৈধতার উৎস আমূল বদলে গিয়েছিল। দার্শনিক হানা আরেন্ট বিপ্লবকে বিশ্লেষণ করেছিলেন এই দৃষ্টিকোণ থেকে, রাজনৈতিক স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম কীভাবে অর্থনৈতিক দুর্দশা মোকাবিলার চাপে বিকৃত হয়ে যেতে পারে।

◆ বিশ্বজোড়া প্রভাব

বাস্তিলের পতনের অভিঘাত ফ্রান্সের সীমানায় আটকে থাকেনি। ইউরোপজুড়ে সামন্তীয় ব্যবস্থা প্রশ্নবিদ্ধ হতে শুরু করে। লাতিন আমেরিকার স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতারা ফরাসি বিপ্লবের ভাষা ও আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা নেন। ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা পরবর্তী শতাব্দীর আন্দোলনগুলোতেও জনগণের সার্বভৌমত্ব ও আত্মনিয়ন্ত্রণের যে ধারণা কাজ করেছে, তার শিকড় প্রোথিত এই বিপ্লবের দর্শনেই। ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র রচিত হওয়ার পেছনেও ফরাসি বিপ্লবের মানবাধিকার-ঘোষণার প্রত্যক্ষ প্রভাব স্বীকার করেন ইতিহাসবিদরা। ব্রিটিশ ইতিহাসবিদ এরিক হবসবম তার বিখ্যাত বিশ্লেষণে ফরাসি বিপ্লবকে আধুনিক যুগের সূচনাবিন্দু হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যেখান থেকে গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ ও নাগরিক অধিকারের ধারণা সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে।

◆ বাংলাদেশের জন্য শিক্ষা

দুই শতাব্দীরও বেশি সময় পেরিয়ে আজ যখন আমরা বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতার দিকে তাকাই, তখন ফরাসি বিপ্লবের কিছু শিক্ষা প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। কোনো রাষ্ট্র যখন প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা হারায়, যখন বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না, যখন ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ নাগরিকের কণ্ঠরোধ করে, তখন সেই রাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল থাকতে পারে না; এই সত্য ফরাসি বিপ্লব দুই শতাব্দী আগেই দেখিয়ে দিয়েছে। অমর্ত্য সেন তার গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার বিষয়ক লেখায় বারবার বলেছেন যে গণতন্ত্রের মূল্য কেবল ভোটাধিকারে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা, মুক্ত মতপ্রকাশ ও জনআলোচনার সুযোগের মধ্য দিয়েই পূর্ণতা পায়।

বাংলাদেশের জন্য এই শিক্ষা কেবল রাষ্ট্রের প্রতি নয়, নাগরিকের প্রতিও প্রযোজ্য। স্বাধীন গণমাধ্যম, স্বাধীন বিচার বিভাগ, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক অংশগ্রহণ: এই স্তম্ভগুলো ছাড়া কোনো গণতন্ত্র টেকসই হতে পারে না। একই সঙ্গে দায়িত্বশীল নাগরিকত্বের প্রশ্নও উঠে আসে শুধু অধিকার দাবি করাই যথেষ্ট নয়, রাষ্ট্র পুনর্গঠনে প্রতিটি নাগরিকের সক্রিয়, শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক অংশগ্রহণও প্রয়োজন। ফরাসি বিপ্লবের ইতিহাস আমাদের এই শিক্ষাও দেয় যে, পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা যদি প্রতিষ্ঠান-নির্মাণের ধৈর্য ছাড়া শুধু ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে তা সহিংসতা ও অস্থিরতার দিকে গড়াতে পারে। তাই কাঙ্ক্ষিত হলো এমন এক রূপান্তর, যেখানে আইনের শাসন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও জবাবদিহিতা একসঙ্গে হাঁটে ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদার পথে।

১৪ জুলাই তাই কেবল ফ্রান্সের জাতীয় উৎসব নয়, এটি সমগ্র মানবজাতির জন্য এক চিরন্তন স্মারক যে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মানবিক মর্যাদা কখনোই বিনামূল্যে আসে না। প্রতিটি অধিকারের পেছনে থাকে অসংখ্য নাম-না-জানা মানুষের আত্মত্যাগ, প্রতিটি স্বাধীনতার পেছনে থাকে রক্ত, ভয় আর দুঃসাহসী প্রতিরোধের ইতিহাস। বাস্তিলের পতন আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ক্ষমতা যখন জবাবদিহিতাহীন হয়ে ওঠে, তখন প্রতিরোধই একমাত্র পথ থেকে যায়। আর সেই প্রতিরোধ যেন সবসময় ন্যায়বিচার, দায়িত্বশীলতা ও মানবিকতার আলোয় পরিচালিত হয়, এটিই ইতিহাসের গভীরতম শিক্ষা। ফরাসি জাতি, বাস্তিলের বীর শহীদ এবং স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের জন্য আত্মোৎসর্গকারী সকল সংগ্রামী মানুষের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান। Vive la France!

লেখক: মানবাধিকার কর্মী, গবেষক ও পর্যবেক্ষক

[ নিবন্ধ, সাক্ষাৎকার, প্রতিক্রিয়া প্রভৃতিতে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। দৈনিক কালবেলার সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে নিবন্ধ ও সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত মত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে। প্রকাশিত লেখাটির ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ, তথ্য-উপাত্ত, রাজনৈতিক, আইনগতসহ যাবতীয় বিষয়ের দায়ভার লেখকের, দৈনিক কালবেলা কর্তৃপক্ষের নয়। ]
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে আইআরজিসির হামলা

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে ১৮ দিন ধরে অনশনে সোনম ওয়াংচুক 

হামের উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, তিন বছর পর ফিরলেন ইয়াসির

এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা নাঈম গ্রেপ্তার

নিখোঁজের ২ দিন পর কুয়াকাটায় ভেসে এলো মাঝির মরদেহ

রংপুরে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার ঘুষ গ্রহণের ভিডিও ভাইরাল

যে একাদশ নিয়ে ‘ইংলিশ’ পরীক্ষায় নামছে আর্জেন্টিনা

প্রথমবার ‘ইংরেজি পরীক্ষায়’ বসছেন মেসি

বিশ্বকাপের উন্মাদনায় বদলে গেল রেলস্টেশনের নাম

১০

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনার শহরে আবারো মার্কিন হামলা

১১

সুপ্রিম কোর্টের সেই সহকারী রেজিস্ট্রারকে চাকরিচ্যুত

১২

সংসদে শিক্ষামন্ত্রী / পরীক্ষা দিতে না পারা শিক্ষার্থীরা পাবেন বিশেষ সুযোগ

১৩

মৃত্যুর আগে একটি ভালো কাজ, ববিতার আবেগঘন স্বীকারোক্তি

১৪

সপ্তমবারের মতো ‘টপ এমপ্লয়ার’ স্বীকৃতি পেল বিএটি বাংলাদেশ

১৫

আর্জেন্টিনা নাকি ইংল্যান্ড, ফাইনালে প্রতিপক্ষ হিসেবে কোন দলকে চায় স্পেন?

১৬

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলায় ৩০ জনের বেশি বেসামরিক নিহত

১৭

সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোহিদুল ইসলাম বরখাস্ত

১৮

সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পরিচালক হলেন বোরহানুল আশেকীন

১৯

ভোলায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শাহিন গ্রেপ্তার

২০
X