কবরস্থান থেকে উদ্ধার নবজাতককে দত্তক নিলেন চিকিৎসক দম্পতি
ময়মনসিংহের নান্দাইলে সড়কের পাশে থাকা একটি কবরস্থানে কুড়িয়ে পাওয়া এক নবজাতককে দত্তক নিয়েছেন এক চিকিৎসক দম্পতি। সমাজসেবা কার্যালয়ে আবেদনের প্রেক্ষিতে রোববার (৩ মার্চ) বিকেলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত ওই চিকিসক দম্পতির হাতে শিশুটিকে তুলে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চত করেছেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. ইনসান আলী। তিনি জানান, দত্তক নেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত করতে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় শনিবার রাতে শিশু কল্যাণ বোর্ডের সভা হয়। সেখানে একাধিক আবেদন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসক দম্পতির আবেদনটি চূড়ান্ত করা হয়। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আর্থিক স্বচ্ছলতা ও সামাজিক অবস্থান যাচাইবাছাই করে তাদের কাছে নবজাতকটি দত্তক দেওয়া হয়েছে। এ কর্মকর্তা আরও জানান, বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা ও শিশুটির ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে একটি নিঃসন্তান এবং সচ্ছল দম্পতিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না। এর আগে, নান্দাইলের মুশুলি ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ইজিবাইক চালিয়ে যাওয়ার সময় একটি কবস্থানে কান্নার আওয়াজ পান সুরুজ মিয়া। পরে কৌতূহলি ওই ব্যক্তি ইজিবাইক থামিয়ে সেখানে গিয়ে কবরের ওপর একটি নবজাতক দেখতে পান। এরপর ওই নবজাতককে উদ্ধার করে থানায় নেওয়ার পর তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। নবজাতকের স্বাস্থ্যের অবস্থা সম্পর্কে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাহমুদুর রশিদ বলেন, শিশুটির বয়স ২-৫ দিন হতে পারে। সে সম্পূর্ণ সুস্থ ও সবল রয়েছে।
০৩ মার্চ, ২০২৪

প্রসূতির অস্ত্রোপচার করতে গিয়ে সন্তানের মাথা কাটলেন চিকিৎসক
কুমিল্লা সদর হাসপাতালে প্রসূতির অস্ত্রোপচার করতে গিয়ে গর্ভের সন্তানের মাথা কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। পরে সেখানে ১৪টি সেলাই দিতে হয়। এমনকি চিকিৎসক বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করেন। পরে তা জানাজানি হয়। গত রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে কুমিল্লা নগরীর সদর হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। নবজাতকের বাবা শাহাবুদ্দিন বলেন, আমাদের না জানিয়ে নবজাতকের মাথায় ১৪টি সেলাই দেওয়া হয়েছে।  তিনি আরও জানান, কুমিল্লা নগরীর আশ্রাফপুর এলাকায় তারা থাকেন। গত ১১ ফেব্রুয়ারি তার গর্ভবতী স্ত্রী জুলিকে (২০) কুমিল্লা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ওই দিন রাতে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করে নবজাতককে রাত ১১টার দিকে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়। ভেতরে আনলে নবজাতকের মাথায় ১৪টিরও বেশি সেলাই দেখে নবজাতকের মা হাউমাউ করে কান্নাকাটি করলে চিকিৎসক তাদের বুঝিয়ে বলেন, ‘একটু সমস্যা হয়েছে। তার জন্য আমরা দুঃখিত।’ নবজাতকের বাবা শাহাবুদ্দিন বলেন, ডাক্তাররা অনেকবার আমাদের রিকোয়েস্ট করে বলেছেন, এ ঘটনাটি যাতে বাইরের কাউকে না জানাই। বাচ্চার কোনো সমস্যা হবে না বলে আমাকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, কিছু দিন পর ক্ষত ঠিক হয়ে যাবে। এ ব্যাপারে অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসক জেনিফার শারমিনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। কুমিল্লা সিভিল সার্জন ডা. নাছিমা আক্তার বলেন, এ বিষয়ে আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। তদন্ত রিপোর্ট পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সফলতার সঙ্গে অস্ত্রোপচার বিভাগ চালুর এক বছর পূর্ণ করল ল্যাবএইড ক্যানসার হাসপাতাল
সফলতার সঙ্গে অস্ত্রোপচার বিভাগ চালুর এক বছর পূর্ণ করল ল্যাবএইড ক্যানসার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার। এ উপলক্ষে বিশেষ এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ল্যাবএইড ক্যানসার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টারেই দোয়া ও কেক কাটার মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিফ শামীম। গত ১ বছরের (ফেব্রুয়ারি ২০২৩-ফেব্রুয়ারি ২০২৪) হাসপাতালের মেডিকেল রেকর্ডের তথ্য বিশ্লেষণ করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এক প্রতিবেদনে জানানো হয় মিনিমাম সার্জিক্যাল সাইট ইনফেকশন নিয়ে প্রথমবারের মতো তারা ৮৩৩টি সফল অস্ত্রোপচারে সম্পন্ন করেছে যেটি অন্যান্য উন্নত দেশ ইন্ডিয়া, ইউকে, ইউএসের তুলনায় অনেক কম বলে বিবেচনা করা যায়। স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন জার্নালের বরাত দিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, উন্নত এসব দেশগুলোতে সার্জিক্যাল সাইট ইনফেকশনের মাত্রা যথাক্রমে শতকরা (৮.২, ১-৫, ০.৫-৩) এর মতো। যেখানে ল্যাবএইড ক্যানসার হাসপাতালের সার্জিক্যাল সাইট ইনফেকশন এর মাত্রা ১.২৫ এর মতো। এ সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গত ১ বছরে অস্ত্রোপচার বিভাগ সম্পর্কিত নানা তথ্য তুলে ধরেন হাসপাতালের চিফ ক্লিনিক্যাল কোঅর্ডিনেটর অ্যান্ড সিনিয়র কনসালটেন্ট (অ্যানেসথেশিওলজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আলীম। তিনি জানান ল্যাবএইড ক্যানসার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টারের ওটি বিভাগ চালুর পর থেকে এই এক বছরে এখন পর্যন্ত অপারেশন টেবিলে কোনো রোগীর মৃত্যুর মতো ঘটনা ঘটেনি। যেটি নিঃসন্দেহে বড় একটি অর্জন। অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয় এখানে সর্বস্তরের প্রশিক্ষণ এবং গুণমান সূচক বেশ গুরুত্বসহকারে দেখা হয়। কেন ল্যাবএইড ক্যানসার হাসপাতাল অন্যদের থেকে অনন্য সে সম্পর্কেও তথ্য তুলে ধরা হয়, জানানো হয় এই হাসপাতালের অভিজ্ঞ সার্জারি চিকিৎসক ও দক্ষ অ্যানেসথেশিয়া চিকিৎসকের একটি দল রয়েছে, যারা অস্ত্রোপচারের পূর্বে শতভাগ নির্ভুলভাবে একজন রোগীর অ্যানেসথেশিয়া বিষয়টি মূল্যায়ন করে থাকেন। এ ছাড়া চিকিৎসক থেকে শুরু করে নার্স টেকনিশিয়ান সকলেই অভিজ্ঞ, এই হাসপাতালের অস্ত্রোপচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা নিজ নিজ কাজ করছেন ডব্লিউ এএইচও এবং জেসিআই-এর সকল চেকলিস্ট অনুসরণ করে। এ ছাড়া ল্যাবএইড ক্যানসারের রয়েছে হাইব্রিড গ্রিন মডিউলার ওটি এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সব যন্ত্রপাতি।  এই এক বছরে শুধু ক্যানসার নয়, অনেক ধরনের সার্জারি করা হয়েছে ল্যাবএইড ক্যানসার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টারে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি যে সার্জারিগুলো হয়েছে তা হলো গাইনি অনকোলজি, অনকো প্লাস্টিক ব্রেস্ট সার্জারি, ইএনটি, জেনারেল সার্জারি, হেপাটোবিলিয়ারি, কোলোরেক্টাল সার্জারিসহ আরও অন্যান্য সার্জারি। বিশেষায়িত এই ক্যানসার হাসপাতালের অস্ত্রোপচার বিভাগের সাফল্যগাথা প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিফ শামীম।  এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের গাইনি অনকোলজী, অনকোপ্লাস্টিক ব্রেস্ট সার্জারি,ইনটি, হেপাটোবিলিয়ারি বিভাগসহ প্রায় সকল বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, নার্স, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

শরীয়তপুরে চিকিৎসক দম্পতির উপর হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন
শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন নারী চিকিৎসক নুসরাত তারিন তন্বীর ও তার পরিবারের উপর হামলাকারীদের সর্বোচ্চ বিচার দাবি করেছেন স্বজন ও স্থানীয়রা। শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার শিধলকুড়া বাজারে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে এ দাবি জানান তারা। ঘণ্টাব্যাপী চলা এ মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেয় ভুক্তভোগীর স্বজন ও স্থানীয়রা। মানববন্ধনে বক্তারা জানায়, ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন নুসরাত তারিন তন্বীর সঙ্গে ল্যাবএইড ফার্মাসিউটিক্যালস ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি শহিদুল ইসলাম মৃধার ঔষধ লেখা সংক্রান্ত ঝামেলার জের ধরে গত ৩১ ডিসেম্বর রাতে ডামুড্যা বাজারের আলী আজম জেনারেল হাসপাতাল এলাকায় নুসরাত তারিন তন্বী, তার স্বামী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভাস্কুলার সার্জন মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া ও  মাসুমা খাতুনের উপর হামলার অভিযোগ উঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক জুলহাস মাদবর ও ল্যাবএইড ফার্মাসিউটিক্যালস ঔষধ কোম্পানির মেডিকেল প্রোমোশন অফিসার শহিদুল ইসলাম ও আওয়ামী লীগ নেতা জুলহাস মাদবরের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছাত্র তামজিদ মাহমুদ লিখন মাদবরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পরদিন বৃহস্পতিবার মামলা হলে আওয়ামী লীগ নেতা জুলহাস মাদবর ও শহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এদের মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতা জুলহাস মাদবর বর্তমানে জামিনে মুক্ত আছেন। তবে এখনো পলাতক আছে তার ছেলে তামজিদ মাহমুদ লিখন মাদবর। মানববন্ধনে নুসরাত তারিন তন্বীর চাচাতো ভাই মেহেদী হাসান জিহাদ বলেন, একজন চিকিৎসক তার এলাকার মানুষের চিকিৎসা সেবা দিতে গ্রামের হাসপাতালেই চাকরি নিয়েছেন। তার উপরে এমন হামলা নিন্দাজনক। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন তাদের আমরা সর্বোচ্চ বিচারের দাবি জানাই। পাশাপাশি যে আসামী এখনো পলাতক রয়েছে তাকে দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানাই। শিধলকুড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান হাঐকার বলেন, তন্বী আমাদের এলাকার সন্তান। ওকে নিয়ে আমরা গর্ব করি। তন্বীর স্বামীও একজন চিকিৎসক। তাদের উপর যে হামলা চালানো হয়েছে তা অত্যন্ত নিন্দাজনক। অপরাধী যেই হোক না কেন, তার যেন আইনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ সাজা হয়। ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমারত হোসেন বলেন, চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনার মামলায় দুজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একজন আসামি পলাতক আছে। তাকে ধরতে পুলিশ মাঠে কাজ করছে। দ্রুত তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে।
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

বিচিত্র / ওটিতে প্রাক-বিবাহ শুট করে চাকরি হারালেন চিকিৎসক
চিকিৎসক অভিষেক অস্ত্রোপচারের পোশাক পরে অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) ঢুকলেন। তার সঙ্গে আছেন ওটির পোশাকে এক নারী। ওটির বেডে শুয়ে আছেন একজন। প্রফেশনাল লাইট জ্বালিয়ে মেডিকেল সরঞ্জাম ব্যবহার করে করছেন অস্ত্রোপচার। এতে অন্যরা তাকে সহায়তা করছেন। আসলে এটি কোনো রোগীর অস্ত্রোপচারের দৃশ্য ছিল না। এটি ছিল এক চিকিৎসকের প্রাক-বিয়ের শুটিং। প্রাক-বিবাহ শুটিং বর্তমানে খুবই জনপ্রিয়। সেজন্য দুর্দান্ত সব স্থানে যান যুগলরা। তাই বলে ওটিতে এমন শুটিংয়ের কথা কেউ অবশ্য শোনেননি কখনো। এমনই কাণ্ড করে বরখাস্ত হয়েছেন ওই চিকিৎসক। অভিষেক ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের চিত্রাদুর্গা জেলার একটি সরকারি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। ওই নারী হলেন তার হবু স্ত্রী। ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। মেডিকেলের থিম দিতেই এমন কাণ্ড করা হয়েছিল। তবে ভিডিওর শেষে দেখা যায়, রোগীর আসনে শোয়া ব্যক্তি উঠে বসে হাসছেন। ওই চিকিৎসককে বরখাস্তের পর রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী দীনেশ গুন্ডু রাও বলেন, সরকারি হাসপাতাল মানবসেবার জন্য, কারও ব্যক্তিগত বিষয়ের জন্য নয়। কোনো বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না। সূত্র: এনডিটিভি
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

প্রথমবার বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসক-নার্স নেবে সৌদি
বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো ডাক্তার এবং নার্স নিয়োগ দিচ্ছে সৌদি আরব। সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের পর দেশটিতে কাজ করার জন্য যোগ্যতা অনুসারে তাদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।  শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) আরব নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ঢাকায় নিযুক্ত সৌদির রাষ্ট্রদূত ইসা আল-দুহাইলান এ তথ্য জানিয়েছেন। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুসারে, বর্তমানে সৌদি আরবে বসবাসকারী প্রায় ৩০ লাখ বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকদের মধ্যে মাত্র কয়েক ডজন চিকিৎসক রয়েছেন। সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেন, সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ থেকে কোনও মেডিকেল কর্মী নিয়োগ করেনি। তবে বর্তমানে আমরা তাদের নিয়োগ শুরু করেছি। কারণ তারা ইতোমধ্যে আমাদের মানদণ্ডে পৌঁছেছে। এই সংখ্যা ইনশাআল্লাহ, অদূর ভবিষ্যতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়বে। এটা কেবল বাজারকে শুরু করার প্রক্রিয়া এবং কেমন চলে তা দেখার জন্য। সৌদি রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, সৌদি আরবের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি দল গত বছর দুবার বাংলাদেশ সফর করেছে। তারা আরও চিকিৎসাকর্মী নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ সফর অব্যাহত রাখবে। সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করতে যাওয়া পরবর্তী দলে নার্সরা থাকবে। উল্লেখ্য,  এর আগে ২০২২ সালের বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মাঝে চিকিৎসক নিয়োগের জন্য একটি যৌথ চুক্তিতে হয়। সেই চুক্তির পর ২০২৩ সালের নভেম্বরে প্রথমবারের মতো শুধু ৬০ জন বাংলাদেশি স্বাস্থ্যকর্মীরা সৌদি যায়। 
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ফের প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক হলেন এবিএম আব্দুল্লাহ
প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক পদে পুনরায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ। রোববার (২৮ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আশরাফুল আলম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগের কথা জনানো হয়। যেখানে তাকে চুক্তি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। এ বি এম আবদুল্লাহর জন্ম ১৯৫৪ সালে। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের চেয়ারম্যান ও ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৬ সালে তিনি একুশে পদক পান এবং ২০১৭ সালে বাংলা একাডেমি তাকে সম্মানসূচক ফেলোশিপ প্রদান করে। অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ে বিভিন্ন নিয়মিত লেখালেখি করছেন। এ ছাড়াও তিনি মেডিকেল শিক্ষার্থীদের জন্য ছয়টির বেশি মেডিকেল পুস্তক রচনা করেছেন, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- শর্ট কেসেস ইন ক্লিনিক্যাল মেডিসিন, লং কেসেস ইন ক্লিনিক্যাল মেডিসিন, ইসিজি অব মেডিক্যাল প্র্যাকটিস, রেডিওলজি অব মেডিক্যাল প্র্যাকটিস, স্বাস্থ্যবিষয়ক নির্বাচিত কলাম। তার রচিত এসব বই বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ব্রিটেনসহ আরব বিশ্বের বিভিন্ন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয়। এ ছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় সংবাদপত্রে নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক কলাম লিখে থাকেন। ডাক্তার আব্দুল্লাহ শর্ট কেসেস ইন ক্লিনিক্যাল মেডিসিন বইটির জন্য ‘ইউজিসি অ্যাওয়ার্ড ২০১৩’ অর্জন করেন। ২০১৬ সালে গবেষণায় অবদানের জন্য একুশে পদক পান। তিনি ২০১৭ সালে বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রদত্ত ফেলোশিপ লাভ করেন। ২০১৯ সালে ইউজিসি তাকে অধ্যাপক নিযুক্ত করে। এ ছাড়া পৃথক প্রজ্ঞাপনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঁচ বিশেষ সহকারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন- ফেরদৌস আহমেদ খান, ড. শহীদ হোসাইন, নীলুফার আহমেদ, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ও কৃষিবিদ মশিউর রহমান (হুমায়ুন)। নজরুল ইসলামকে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার, হাসান জাহিদ তুষারকে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব পদে পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। গাজী হাফিজুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-২ (এপিএস), আবু জাফর রাজুকে প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-২, আন্দ্রিয় স্কুকে প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফার, রাশিদুল হাসানকে (রাসু) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে কম্পট্রোলার, আরিফুজ্জামান নূরনবী, আফরোজা বিনতে মনসুর (গাজী লিপি) ও সনজিত চন্দ্র দাসকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে প্রত্যেক কর্মকর্তাকে তাদের স্ব স্ব পদে ও বেতনে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল বা তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অন্যান্য শর্ত অনুমোদিত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে।
২৯ জানুয়ারি, ২০২৪

ফের প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক হলেন এবিএম আব্দুল্লাহ
অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহকে ফের প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রোববার (২৮ জানুয়ারি) তাকে নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর (পারিতোষিক ও বিশেষ অধিকার) আইন, ১৯৭৫ এর ধারা ১৩ অনুযায়ী অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল বা তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) সরকারের সচিব পদমর্যাদা ও ৭৮ হাজার টাকা (নির্ধারিত) বেতনে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক পদে পুনরায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ করা হলো। এ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অন্যান্য শর্ত অনুমোদিত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়। আরেক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আন্দ্রিয় স্কু-কে অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে প্রধানমন্ত্রীর ‘ফটোগ্রাফার’ পদে ফের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
২৮ জানুয়ারি, ২০২৪

আমি তো বাচ্চাকে মেরে ফেলিনি, বললেন চিকিৎসক
বরগুনার তালতলীর একটি ক্লিনিকে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে সিজারিয়ান অপারেশনের সময় নবজাতকের পিঠ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক বলছেন, ‘আমি তো বাচ্চাকে মেরে ফেলিনি? এইটুকু কাটলে কী মানুষ মারা যায়?’ শনিবার (২৭ জানুয়ারি) তালতলীর দোয়েল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।  শিশুর স্বজনরা জানান, লিপি আক্তার উপজেলার বড় বগী ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের তালতলী বাজারের বাসিন্দা মোহাম্মদ সোহাগের স্ত্রী। প্রসব ব্যথা উঠলে শনিবার দুপুরে তাকে তালতলীর দোয়েল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে রাতে ক্লিনিকের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রুনা রহমান ওই প্রসূতির সিজারিয়ান অপারেশন করেন। দীর্ঘ সময় পর নবজাতককে স্বজনদের কাছে দেওয়া হলে তখন শিশুটির পিঠ কাটা দেখতে পাওয়া যায়। ওই সময় কাটাস্থান থেকে রক্ত বের হচ্ছিল।  শিশুটির বাবা মোহাম্মদ সোহাগ বলেন, ‘অপারেশন থিয়েটারে নবজাতকের কান্নার শব্দ শুনতে পাই আমরা। এর প্রায় এক ঘণ্টা পর শিশুটিকে আমাদের কাছে দেওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পর আমার স্ত্রীকে অপারেশন থিয়েটার থেকে বের করা হয়। তখন নবজাতকের পিঠ কেটে ফেলার কথা আমাদের জানানো হয়। পরে আমরা যাচাই করে এর সত্যতা পাই। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানালে চিকিৎসক রুনা রহমান আমাদের ওপর চড়াও হন।  তবে অভিযোগ অস্বীকার না করলেও শিশুর পিঠ কাটার পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি দেন চিকিৎসক রুনা রহমান। এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক রুনা রহমান বলেন, ‘আপনি আমার সুবিধা দেখবেন, আমি আপনারটা দেখব। আমি কী বাচ্চাকে মেরে ফেলেছি।’ এ বিষয়ে বরগুনার তালতলী থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, এ ঘটনায় আমরা এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। ভুক্তভোগী নবজাতকের পরিবার থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
২৮ জানুয়ারি, ২০২৪
X